Showing posts with label “গণতন্ত্র”. Show all posts
Showing posts with label “গণতন্ত্র”. Show all posts

Thursday, 21 July 2016

তাগুত কী???


আসসালা-মু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহু।
:
আল্লাহ বলেন:— “আমরা (আল্লাহ) প্রত্যেক জাতিতে একজন রসূল প্রেরণ করেছি যে, তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাগুতকে বর্জন করো।” [সূরা নাহল : আয়াত ৩৬]
:
আল্লাহ কুরআনে এভাবে বহুস্থানে “তাগুত” শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তো এখন প্রশ্ন হলো তাগুতটা কী? আসুন তাগুত সম্পর্কে জেনে নিই। 
:
তাগুত শব্দটি দিয়ে অনেক অর্থ বুঝায়। এর অর্থ আল্লাহ ছাড়া অন্য যে কারো ইবাদত করা বুঝায়। হতে পারে তা শয়তান, দেবদেবী, মূর্তি, সূর্য, নক্ষত্র, ফেরেশতা, মানুষ……ইত্যাদি ইত্যাদি যাদের ইবাদত করা হয় যা বাতিল, যা হলো তাগুত। একইভাবে সূফী, মাজার, শাসক, নেতা……ইত্যাদি যাদেরকে ভ্রান্তভাবে অনুসরণ করা হয়। তাগুত মানে মিথ্যা বিচারকও বুঝায় যে মিথ্যার সাথে বিচারকার্য করে থাকে। 
এই পর্যন্ত দেয়া হলো তাকিউদ্দীন হিলালী ও মুহসিন খান (রহিমাহুমুল্লা-হ)-এর “The Noble Quran” থেকে।
: 
এছাড়া সালাফী মানহাজের নির্ভরযোগ্য ইংলিশ ওয়েবসাইট থেকে তাগুত সম্পর্কে সালাফদের ও আহলুল ‘ইলমদের উক্তিসমূহ থেকে নিম্নে অল্পকিছু অনুবাদ করা হলো (সাথে কিঞ্চিত পরিমার্জিত),
:

Sunday, 25 January 2015

প্রশ্ন: আমি শুনেছি ‘গণতন্ত্র’ ইসলাম থেকে নেয়া হয়েছে। এ কথাটা কি ঠিক? গণতন্ত্রের পক্ষে প্রচারণা করার হুকুম কি?


উত্তর:
 আলহামদুলিল্লাহ।
 এক:
ডেমোক্রেসি (গণতন্ত্র) আরবী শব্দ নয়। এটি গ্রিক ভাষার শব্দ। দুটি শব্দের সমন্বয়ে শব্দটি গঠিত: Demos অর্থ- সাধারণ মানুষ বা জনগণ। আর দ্বিতীয় শব্দটি হচ্ছে-KRATIA অর্থ- শাসন। অতএব, ডেমোক্রেসি শব্দের অর্থ হচ্ছে- সাধারণ মানুষের শাসন অথবা জনগণের শাসন।
 দুই:
গণতন্ত্র ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক একটি তন্ত্র। এই তন্ত্রে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জনগণের হাতে অথবা তাদের নিযুক্ত প্রতিনিধি (পার্লামেন্ট সদস্য) এর হাতে অর্পণ করা হয়। তাই এ তন্ত্রের মাধ্যমে গায়রুল্লাহর শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়; বরং জনগণ ও জনপ্রতিনিধির শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ তন্ত্রে জনপ্রতিনিধিদের সকলে একমত হওয়ার দরকার নেই। বরং অধিকাংশ সদস্য একমত হওয়ার মাধ্যমে এমন সব আইন জারী করা যায় জনগণ যেসব আইন মেনে চলতে বাধ্য; এমনকি সে আইন যদি মানব প্রকৃতি, ধর্ম, বিবেক ইত্যাদির সাথে সাংঘর্ষিক হয় তবুও। উদাহরণতঃ এই তন্ত্রের অধীনে গর্ভপাত করা, সমকামিতা, সুদি মুনাফার বিধান ইত্যাদি জারী করা হয়েছে। ইসলামি শাসনকে বাতিল করা হয়েছে। ব্যভিচার ও মদ্যপানকে বৈধ করা হয়েছে। বরং এই তন্ত্রের মাধ্যমে ইসলাম ও ইসলামপন্থীদেরকে প্রতিহত করা হয়। অথচ আল্লাহ তাআলা তাঁর কিতাবে জানিয়েছেন, হুকুম বা শাসনের মালিক একমাত্র তিনি এবং তিনিই হচ্ছেন- উত্তম হুকুমদাতা বা শাসক। পক্ষান্তরে অন্যকে তাঁর শাসনে অংশীদার করা থেকে নিষেধ করেছেন এবং জানিয়েছেন তাঁর চেয়ে উত্তম বিধানদাতা কেউ নেই। আল্লাহ তাআলা বলেন (ভাবানুবাদ): “অতএব, হুকুম দেওয়ার অধিকার সুউচ্চ ও সুমহান আল্লাহর জন্য” [সূরা গাফের, আয়াত: ১২] আল্লাহ তাআলা আরও বলেন (ভাবানুবাদ): “আল্লাহ ছাড়া কারো বিধান দেওয়ার অধিকার নেই। তিনি আদেশ দিয়েছেন যে, তিনি ব্যতীত অন্য কারও ইবাদত করো না। এটাই সরল পথ। কিন্তু অধিকাংশ লোক তা জানে না।”।[সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৪০] আল্লাহ তাআলা আরও বলেন: “আল্লাহ কি

Tuesday, 13 January 2015

যে শাসক আল্লাহর আইন অনুযায়ী শাসন করে না তাকে কি নির্বাচিত করা যাবে



প্রশ্ন: 
মুসলিম রাষ্ট্রের জন্য এমন কোন শাসককে নির্বাচিত করা কি জায়েয হবে যে আল্লাহর আইন অনুযায়ী শাসন করে না? উল্লেখ্য, তাকে যদি নির্বাচিত করা না হয় তাহলে সে নানাভাবে কোণঠাসা করে রাখবে; এমন কি গ্রেফতারও করতে পারে।
উত্তর:
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
ঈমানদারেরা সুদৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, আল্লাহর আইনের চেয়ে উত্তম কোন আইন নেই। আল্লাহর আইন বিরোধী সকল বিধান জাহেলী বিধান। আল্লাহ তাআলা বলেন: “তারা কি তবে জাহিলিয়্যাতের বিধান চায়? আর নিশ্চিত বিশ্বাসী কওমের জন্য বিধান প্রদানে আল্লাহর চেয়ে কে অধিক উত্তম?”[সূরা মায়েদা, ০৫:৫০] আল্লাহর উপর ঈমান ও রাসূলদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে সেগুলোর প্রতি ঈমান আনার পর আল্লাহর আইন বাদ দিয়ে অন্য কোন আইন গ্রহণ করার প্রবণতাকে আল্লাহ তাআলা ‘বিস্ময়কর’ ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন: “আপনি কি তাদেরকে দেখেননি, যারা দাবী করে যে, যা আপনার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং আপনার পূর্বে যা অবতীর্ণ হয়েছে আমরা সে বিষয়ের উপর ঈমান এনেছি। তারা তাগূতের কাছে বিচার নিয়ে যেতে চায় অথচ তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে তাকে অস্বীকার করতে। আর শয়তান চায় তাদেরকে ঘোর বিভ্রান্তিতে বিভ্রান্ত করতে।”[সূরা নিসা ০৪:৬০]
শানকিতি (রহঃ) বলেন: “আল্লাহ তাআলা উল্লেখ করেছেন যে, যারা আল্লাহর আইন বাদ দিয়ে অন্য আইনে শাসন করে আল্লাহ তাদের ঈমানের দাবীর প্রতি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কারণ তাগুতের কাছে বিচার ফয়সালা চাওয়ার পরেও ঈমানের দাবী- মিথ্যা ছাড়া আর কিছু নয়। এমন মিথ্যা সত্যিই বিস্ময়কর।” সমাপ্ত

Tuesday, 21 October 2014

ইসলাম কায়েম বলতে আপনি কি বুঝেছেন আর মানুষকে কি বুঝাচ্ছেন?



যদি আপনি এমন মনে করেন যে - ইসলামের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলঃ একটি ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করে দ্বীন কায়েম করা, তাহলে প্রশ্ন আসেঃ

১. ইসলামের যেই ৫টি রুকনের কথা নবী (সাঃ) হাদীসে জিব্রীলে উল্লেখ করলেন, তাতে এই ইকামতে দ্বীন কোথায়? তাহলে যেগুলো ইসলামের মূল বিধান তা বাদ দিয়ে ইসলামের নামে একটি নব আবিষ্কৃত লক্ষ্য উদ্দেশ্য তৈরি করা হয়নি কি?

২. ধরে নিলাম একটি ইসলামী রাষ্ট্র কেউ তৈরী করলো, কিন্তু ইসলামী রাষ্ট্র তৈরী হলেই কি সাথে সাথে কাফেররা মুমিন হয়ে যাবে এবং মুশরিকরা শির্ক বর্জন করে তাওহীদী হয়ে যাবে? ধরুন বাংলাদেশে এমন একটি সরকার আসলো, তাতে কি পীরপন্থী, কবর-মাযারওয়ালারা কবরপূজা ছেড়ে দিবে? আইনের ভয়ে যদি তারা কিছু কার্য-কলাপ বন্ধও রাখে কিন্তু তাতে কি তাদের ঈমান পরিবর্তন হবে? তাই অন্তরের পরিবর্তনই মূল পরিবর্তন, আইনী পরিবর্তন হচ্ছে সাময়িক ও মুনাফেকী পরিবর্তন।

Tuesday, 9 September 2014

সত্যি কথা বললে মানুষ গালি দেয়




বিসমিল্লাহ, ওয়ালহা'মদুলিল্লাহ, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আ'লা রাসূলিল্লাহ। আম্মা বা'দ।
বর্তমান যুগে অবস্থা এমন হয়েছে আপনি যদি...

১. আওয়ামীলীগের খুন/ধর্ষণ/লোটপাটের বিরুদ্ধে বলেন – তাহলে আপনি জংগি/জামাত/শিবির/রাজাকার।

Tuesday, 19 August 2014

নারী নেতৃত্ব




#জামাতে ইসলামীর #নেতাদের আপোষের নীতিঃ
১৯৯৬ সালের আগে জামাতে ইসলামীর ভাইয়েরা খুব প্রচার করতো, নারী নেতৃত্ব হারাম, প্রধানমন্ত্রী নারী হলে দেশের উপর আল্লাহর গজব নাযিল হবে, সেই দেশের/পার্টির লোকেরা কাপুরুষ, হিজড়া যারা নারীকে ভোট দিয়ে নেত্রী বানায়। এইরকম প্রচারণার টার্গেট ছিলো শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া।
যাইহোক, কিছুদিন পরে দেখলাম তাদের ফতোয়া চেঞ্জ হয়ে গেলো, কারণ তারা সেই ২জনের একজনকে তাদের #হুজুরনী বলে মেনে নিয়েছিলো। যুগের সাথে তাল মেলানোর জন্য হেকমত, হুদাইবিয়ার সন্ধি, ক্ষমতা পাওয়ার জন্য সাময়িক আপোস ইত্যাদি বলে নারী নেতৃত্বকে জায়েজ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা শুরু করলো।
সেইদিন অতীত হয়েছে, বর্তমান কর্মীদের অনেকেই হয়তো অতীত জানেনা, তাই নির্দ্বিধায় এইগুলোর পক্ষে উকালতি করতে তাদের বাধেনা।
কতইনা উত্তম হতো, আমরা সবাই যদি ক্বুরান ও সুন্নাহর আদর্শকে মেনে নিতাম, আজগুবী ভুয়া ফতোয়াকে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে একতাবদ্ধ থাকতাম।
##নারী_নেতৃত্ব অভিশপ্ত ও হারাম
#গণতন্ত্র_শিরক
#ভোট পদ্ধতি #হারাম

Thursday, 7 August 2014

“গণতন্ত্র” শিরক কেনো?

 


ভাই/বোন, ইন শা আল্লাহ আমরা মুসলিম, আর কোনো মুসলিমের জন্য একমাত্র জীবন বাচানো ছাড়া অন্য কোনো অবস্থাতেই শিরক করা জায়েজ নয়।

গণতন্ত্র একটা শিরকী ব্যবস্থা তাই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করা অথবা ভোট দেয়া হারাম। অনেকে জানতে চান "গণতন্ত্র শিরক কেনো" - কারণ আমাদের দেশে ইসলাম হচ্ছে শুধুমাত্র বাপ দাদার রীতি-নীতি, ব্যপকভাবে যথাযথ কোরান ও সুন্নাহর শিক্ষা ও চর্চা আমাদের দেশে হয়না। তাই আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ ইসলামের বেসিক জিনিস যা প্রত্যেক মুসলিম নারী ও পুরুষের জানা অপরিহার্য সেগুলোই জানেনা (যেমন ইমান কাকে বলে, তাওহীদ কি, তাওহীদ কত প্রকার ও কি কি, কোনগুলো শিরক কোনগুলো কুফর)।

 কোরানের একটি আয়াত উপস্থাপন করা হলো, যা সরাসরি প্রমান করে যে গণতন্ত্র শিরক।

মহান আল্লাহ সুরা ইউসুফের ৬৭ নাম্বার আয়াতে বলেছেন,
"ইনিল হুকুম ইল্লা লিল্লাহ"।
অর্থ: হুকুম বা বিধান দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ।

সুতরাং, হুকুম দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ। কেউ যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে হুকুম দেওয়ার মালিক হিসেবে গ্রহণ করে তবে সে আল্লাহর সাথে শিরক করে ফেললো।

“গণতন্ত্র” তাগুত ও শিরক কেনো?




শায়খ মাকবিল বিন হাদী আল-ওয়াদী রাহিমাহুল্লাহবলেছিলেনঃ
“গণতন্ত্র হচ্ছে তাগুত। যে ব্যক্তি গণতন্ত্র কি সেটা জানে, তার দিকে মানুষকে দাওয়াত দেয়, জেনে শুনে গণতন্ত্রকে মেনে নেয়, সে ব্যক্তি মুসলিম নয় সে কাফের”।

“তাগুত” অর্থ হচ্ছে আল্লাহদ্রোহী। যে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো পূজা করতে বলে বা যাকে পূজা করা হয় এবং সে এতে রাজী-খুশি থাকে, সে হচ্ছে তাগুত।

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...