Showing posts with label ইফতার. Show all posts
Showing posts with label ইফতার. Show all posts

Tuesday, 13 April 2021

সিয়াম গাইড। লেখক: আব্দুর রাকীব মাদানী হাফিযাহুল্লাহ।

 #সিয়াম_কিয়াম_শুরু_করার_পূর্বে_লেখাটি_পড়ার_অনুরোধ_জানাচ্ছি।

লেখক: আব্দুর রাকীব মাদানী হাফিযাহুল্লাহ।
عبد الرقيب المدني
আলহামদুলিল্লাহ, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ, আম্মাবাদ:
১- সিয়াম পালন একটি ফরয ইবাদত যা, প্রত্যেক সাবালক, সুস্থ ও মুকিম ( মুসাফির নয় এমন ব্যক্তি ) মুসলিমের প্রতি জরুরি । যেহেতু প্রত্যেক ইবাদত কবুলের প্রথম শর্তই হচ্ছে সে ইবাদতটি খাঁটি ভাবে আল্লাহ্‌র উদ্দেশ্যে হওয়া তাই কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যেই সিয়াম ( রোযা) পালন করা আবশ্যক।
২ - সিয়ামের সময়সীমা হল, ফজর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। এই সময় যাবতীয় পানাহার, স্ত্রী সহবাস ও যৌন সঙ্গম থেকে বিরত থাকার নাম সাউম বা রোযা । আর বাকি অঙ্গ যেমন জিহব্বা, চোখ , কান, হাত-পা ইত্যাদিকে যাবতীয় মন্দ বলা, দেখা, শোনা এবং করা থেকে বিরত রাখা হচ্ছে রোযাকে পূর্ণতা দান করা , রোযার সংরক্ষণ করা এবং সিয়াকে কলুষিত না করা।
৩- ফজর পূর্বে নিয়ত তথা সংকল্প করার মাধ্যমে সাউম শুরু হয়। এই সময় কিছু আহার করা ভাল, যাকে সাহুর (সাহরী) বলা হয়। এই আহার বরকতপূর্ণ এবং মুসলিম ও অমুসলিমের সিয়ামের মাঝে পার্থক্যকারী, যা খাওয়া সুন্নাত জরুরি নয় । তাই রোযা রাখার নিয়ত ছিল কিন্তু যে কোন কারণে সাহুর খেতে পারেনি তার সাউম শুদ্ধ।
৪- চোখের সামনে সূর্য ডুবে গেলে রোযা ভঙ্গ করা তথা ইফতার করার নিয়ম । সূর্য ডুবার সাথে সাথে তাড়াতাড়ি ইফতার করা অর্থাৎ কল্যাণে থাকা। [ মুত্তাফাকুন আলাইহ ] ডাগর খেজুর দ্বারা ইফতারি করা সুন্নাহ, তবে এর অবর্তমানে সাধারণ খেজুর দ্বারা আর তাও না থাকলে পানি দ্বারা ইফতার করার সুযোগ রয়েছে । [ আবু দাউদ তিরমিযী]

৫- স্ত্রী সহবাস, হারাম সহবাস, হস্তমৈথুন, জাগ্রতবস্থায় যৌন চাহিদার সাথে বীর্যপাত, ইচ্ছাকৃত পানাহার, পানাহারের স্থানে স্লাইন-ইঞ্জেকশন গ্রহণ, ইচ্ছাকৃত বমি করা, স্ব ইচ্ছায় অধিক রক্তদান এসব কারণে সিয়াম ভেঙ্গে যায়। [ মুলাখখাস আল ফিকহি ১৮২-৮৩] স্বপ্ন দোষ, অনিচ্ছা ও ভুলে পানাহার, অনিচ্ছায় বমি করা, অনিচ্ছায় রক্তক্ষরণ এবং সামান্য রক্তদানে সাউম নষ্ট হয় না।
৬- যার উপর সাউম জরুরি কিন্তু সে মুসাফির কিংবা অসুস্থ তাহলে তার জন্য সেই দিনগুলিতে রোযা ছাড়া বৈধ সে অন্য দিনে তা কাযা-পূরণ করে দিবে। [ বাকারাহ ১৮৪] মুসাফিরের সফরে যদি কষ্ট না হয় আর অসুস্থ ব্যক্তির অসুখ যদি হাল্কা হয় তাহলে তারা রোযা রাখবে কিন্তু সফর বা অসুস্থের কারণে রোযা রাখতে একটু কষ্ট হলেই রোযা কাযা করা ভাল। আর বেশী কষ্ট হলে রোযা কাজা করা জরুরি। [শারহুল মুমতি, ইবনু উসাইমীন ]
৭- রোযা পালনের সময় মহিলাদের মাসিক স্রাব শুরু হলে রোযা ছেড়ে দিবে, শেষ হলে আবার করবে এবং ছুটে যাওয়া রোযাগুলি রামাদান পরে ক্বাযা করবে কিন্তু নামাজ ক্বাযা করবে না । [বুখারি মুসলিম]
৮- গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারিণী মহিলারা অসুস্থ ব্যক্তির মত। রোযা রাখলে যদি স্বয়ং তাদের সমস্যা হয় কিংবা তাদের সন্তানের ক্ষতি হয় তাহলে তারা পরে রোযা ক্বাযা করে দিবে। [শারহুল মুমতি]
৯- অধিক বার্ধক্য কিংবা চিরস্থায়ী অসুখ যা থেকে সুস্থতার আশা করা যায়না এমন অপারগতার কারণে সাউম পালনে অক্ষম ব্যক্তিরা প্রতি রোযার বদলে একজন মিসকিনকে খাদ্য দান করবে। [ফাতাওয়া ইবনু বাজ ৫/২৩৩] [ অর্ধ স্বা অর্থাৎ (সোয়া কেজি) কাঁচা বা রান্নাকৃত খাবার বা একজন মিসকিন যে পরিমাণ খায় ততখানি খাবার। ]
১০- সিয়াম পালনকারীদের উচিৎ হবে তারা যেন অবশ্যই ফরয কাজগুলি সঠিক সময়ে পালন করে এবং নফল ইবাদত বেশী বেশী করে। কুরআন তিলাওয়াত, যিকর - আযকার, দান- সাদাকা, দাওয়াত তাবলীগে অগ্রগামী হয়। হারাম কাজ বর্জন করে। গিবত-পরনিন্দা পরিহার করে। আনাস ( রাযীঃ ) হতে বর্ণিত, যে পরনিন্দা করতে থাকে সে সাউম পালন করে না। [ ইবনু আবি শাইবা ৮৮৯০]
বি: দ্র: বর্তমান মহামারীর কারণে বিশ্বের বরেণ্য উলামাগণ কুরআন ও হাদীসের আলোকে প্রায় ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে এই সময় জুমআ, জামাআত এবং তারাবীহ এর নামায বাড়িতে আদায় করা বৈধ বরং জরুরি।
নিজের, অপরের, দেশ ও জাতির কল্যাণার্থে আমাদের এই সময় বাড়িতে নামায আদায় করে বিচক্ষণতার পরিচয় দেয়া উচিৎ। ইনশা আল্লাহ্ আপনি আপনার সৎ নিয়তের কারণে জামাআতে সালাত আদায় করার সাওয়াব পেয়ে যাবেন।
অবশ্য যেখানে এই সমস্যা নেই বা অতি লঘু সমস্যা রয়েছে সেখানে আলেম উলামাদের পরামর্শ হিসাবে কাজ করতে হবে।
দুআর আশাবাদী, আব্দুর রাকীব বুখারী-মাদানী।
প্রাক্তন দাঈ, সৌদী আরব
প্রভাষক, জামেয়াতুল ইমাম আলবুখারী, কিশনগঞ্জ।

Thursday, 11 June 2015

চাঁদ দেখে রোযা রাখা ও ঈদ করা নিয়ে শ্রেষ্ট দুইজন আলেমের ফাতওয়াঃ



আল্লামাহ বিন বাজ রাহিমাহুল্লাহর ফাতওয়া...

নিজ দেশের লোকদের সাথে রোযা রাখবে, না চাঁদ দেখা যে কোনো দেশের সাথে?
প্রশ্নঃ যদি কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে চাঁদ দেখা যায়,আর  আমি যে দেশে বসবাস করি, সেখানে শাবান ও রমজান মাস ত্রিশ দিনে পুরো করা হয়, তাহলে আমি কী করব? রমজান প্রসঙ্গে মানুষের মতপার্থক্যের কারণ কী?

উত্তরঃ আলহামদুলিল্লাহ, আপনার জন্য রোযা আপনার দেশের লোকদের সাথে থাকাই আবশ্যক। তারা যদি রোযা রাখে তাদের সাথে রোযা রাখবেন; আর তারা যদি রোযা না রাখে তবে আপনিও তাদের সাথে রোযা রাখবেন না। কারণ,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

«الصَّوْمُ يَوْمَ تَصُومُونَ، وَالفِطْرُ يَوْمَ تُفْطِرُونَ، وَالأَضْحَىيَوْمَ تُضَحُّونَ»

‘‘তোমরা যেদিন রোযা রাখবে সেদিনই রোযা,যেদিন ইফতার করবে সেদিনই ইফতার, আর তোমরা যেদিন কোরবানি করবে সেদিনই কোরবানি।’’ [তিরমিযী : ৬৯৭]

Thursday, 4 June 2015

রমযান উপলক্ষে দুয়াগুলোঃ


নতুন চাঁদ দেখে পড়ার দুয়াঃ
اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيمَانِ، وَالسَّلاَمَةِ وَالْإِسْلاَمِ، وَالتَّوْفِيقِ لِمَا تُحِبُّ رَبَّنَا وَتَرْضَى، رَبُّنَا وَرَبُّكَ اللَّهُ
আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হুম্মা আহিল্লাহু আ’লাইনা বিলআমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াস্সালা-মাতি ওয়াল-ইসলা-মি, ওয়াত্তাওফীকি লিমা তুহিব্বু রব্বানা ওয়া তারদ্বা, রব্বুনা ওয়া রব্বুকাল্লাহ।
“আল্লাহ সবচেয়ে বড়। হে আল্লাহ! এই নতুন চাঁদকে আমাদের উপর উদিত করুন নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সাথে; আর হে আমাদের রব্ব! যা আপনি পছন্দ করেন এবং যাতে আপনি সন্তুষ্ট হন তার প্রতি তাওফীক লাভের সাথে। আল্লাহ আমাদের রব্ব এবং তোমার (চাঁদের) রব্ব।” 
_________________________________
ইফতারের সময় রোযাদারের দুয়াঃ
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ العُرُوقُ، وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
যাহাবায-যামাউ ওয়াবতাল্লাতিল উ’রূকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশা-আল্লা-হু।
“পিপাসা দূরীভূত হয়েছে, ধমনীগুলো সিক্ত হয়েছে এবং সওয়াব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ইন শা’ আল্লাহ।”
আবূ দাউদ ২/৩০৬, নং ২৩৫৯ ও অন্যান্য। আরও দেখুন, সহীহুল জামে’ ৪/২০৯।
__________________________________
ইফতারির সময় দুয়া কবুল করা হয়ঃ
সহীহ ইবনে খুযাইমা ও ইবনে হিব্বান গ্রন্থে এসেছে, নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
“তিন ব্যক্তির দো‘আ ফেরত দেওয়া হয় না। 
১. রোযাদার ব্যক্তি ইফতার করা পর্যন্ত, 
২. ন্যায়পরায়ণ ইমাম বা রাষ্ট্রপতি, 
৩. মযলুম ব্যক্তির দো‘আ। 
তার দো‘আ আল্লাহ আকাশে মেঘমালার উপরে তুলে নেন এবং এর জন্য আকাশের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় এবং মহান রব বলেন, আমার ইয্যত ও মাহাত্ম্যের কসম করে বলছি, অবশ্যই আমি তোমাকে সাহায্য করবো, কিছু সময় পর হলেও।”
মুসনাদে আহমাদঃ ২/৩০৫; তিরমিযীঃ ৩৫৯৮; হাদীসটি হাসান সহীহ।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ

Tuesday, 6 January 2015

সেহেরির সময়ে পড়তে হয় ইসলামী শরিয়তে এমন কোন দুআ আছে কী?



প্রশ্ন: স্কুলে অধ্যয়নকালে আমি মনে করতাম যে, শুধু ইফতারের সময় বিশেষ দুআ আছে; সেহেরির সময়ে নয়। কারণ সেহেরির সময় নিয়্যত করা হয়; আর নিয়্যতের স্থান হলো অন্তর। তবে আমার স্বামী আমাকে বলেছেন যে, সেহেরির সময়ও বিশেষ দুআ আছে। আশা করি বিষয়টি স্পষ্ট করবেন- এই কথা সঠিক কিনা?
উত্তর:
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
 হ্যাঁ, হাদিসে এমন কিছু দোয়া বর্ণিত হয়েছে যে দোয়াগুলো একজন রোজাদার ইফতারের সময় তথা রোজা ভাঙ্গার সময় পড়বেন। যেমন রোজাদার বলবেন:
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَ ابْتَلَّتِ العُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الأَجْرُ إنْ شَاءَ الله
“পিপাসা দূরীভূত হল, শিরা-উপশিরা সিক্ত হল এবং আল্লাহ চাহেত সওয়াব সাব্যস্ত হল।’’ এছাড়াও রোজাদার তার পছন্দমত যে কোন দুআ করতে পারেন। এই দোয়া করার কারণ এই নয় যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের আদর্শ (সুন্নাহ) হতে সুনির্দিষ্টভাবে এ ক্ষেত্রে কোন উদ্ধৃতি আছে। বরং এজন্য যে, এটি একটি ইবাদতের সমাপ্তি পর্ব। এ ধরনের সময়ে একজন মুসলমানের দুআ করা শরিয়তসম্মত।
 শাইখ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-উছাইমীন রাহিমাহুল্লাহকে প্রশ্ন করা হয়েছিল:
ইফতারের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণিত মাসনুন (সুন্নাহতে প্রমাণিত) দুআ আছে কি? এই দোয়া করার সময়ই বা কখন? একজন রোজা পালনকারী কি মুয়াজ্জিনের সাথে আযান পুনরাবৃত্তি করবেন; নাকি তার ইফতার চালিয়ে যেতে থাকবেন ?
উত্তরে তিনি বলেন :

Thursday, 21 August 2014

খেজুর দিয়ে ইফতার



সহিহ আত্ তিরমিজি :: আত্মীয় –স্বজনদের যাকাত দেয়া অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ৭ :: হাদিস ৬৫৮
সালমান ইবনু আমির (রা) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ্(সাল্লেল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কোন লোক ইফতার করে, সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে। কেননা, এতে বারকাত আছে। যদি সে খেজুর না পায় তবে যেন পানি দিয়ে ইফতার করে। কেননা, পানি হল পবিত্র।-জঈফ, সঠিক হল রাসূলুল্লাহ্(সাল্লেল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কর্ম (নির্দেশ নয়), ইবনু মাজাহ্(১৬৯৯)
তিনি আরও বলেছেনঃ গরীবদের দান –খয়রাত করা শুধু দান বলেই গণ্য হয়; কিন্তু আত্মীয় –স্বজনকে দান করলে তা দানও হয় এবং আত্মীয়তাও রক্ষা করা হয়।- সহীহ্ ইবনু মাজাহ্(১৮৪৪)
আব্দুল্লাহ্ইবনু মাসউদের স্ত্রী যাইনাব, জাবির ও আবূ হুরাইরা (রা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদিস বর্ণিত আছে। এ হাদিসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন। বর্ণনাকারি আর –রাবাব হলেন সুলাই এর কন্যা উম্মুর রায়িহ্। এ ভাবেই সুফিয়ান সাওরি বর্ণনা করেছেন আসিম হতে, তিনি হাফসা বিনতু সীরীন হতে, তিনি আর –রাবাব হতে। আর শুবা বর্ণনা করেছেন আসিম হতে, তিনি হাফসা বিনতু সিরিন হতে, তিনি সালমান ইবনু আমির হতে। শুবা আর –রাবাব –এর উল্লেখ করেন নাই। এর মধ্যে সুফিয়ান সাওরি ও ইবনু উআইনার বর্ণনা টি বেশি সহীহ্। ইবনু আউন এবং হিশাম ইবনু হাস্সান বর্ণনা করেছেন হাফসা বিনতু সিরিন হতে, তিনি আর –রাবাব হতে, তিনি সালমান ইবনু আমির হতে।

Jami at-Tirmidhi ::  What Has Been Related About Charity For Near Relatives
Part 7 :: Hadith 658
Hafsah bint Sirin narrated from Ar-Rabab, from her uncle Salman bin Amir that he related that :

the Prophet said: "When one of you breaks his fast, then let him do so with dried dates, for they are blessed. Whoever does not find dates, then water, for it is purifying." And he said: "Charity given to the needy is (counted as) charity, and if it is given to relatives it is (counted as) two: charity and nurturing (the ties of kinship)." (Sahih)

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...