এই ব্লগটির একমাত্র উদ্দেশ্য কুর‘আন ও সুন্নাহ্র আলোকে ইসলামের প্রকৃত বাণী প্রচার করা। আমাদের মেনে চলা উচিৎ কুরআন এবং হাদিস সেভাবে, যেভাবে সালাফে সলেহিনগন ব্যাখ্যা করেছেন......
Showing posts with label জিলহাজ্জ মাস. Show all posts
Showing posts with label জিলহাজ্জ মাস. Show all posts
Tuesday, 27 June 2023
আরাফা দিবসে বেশী বেশী দুআ
আরাফা দিবসে বেশী বেশী দুআ করা কাম্য।
***********----------------------************"
দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণকর সমস্ত দুআই করুন।
তন্মধ্যে এই যিকরটি:
لا إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ» (حسن، رواه الترمذي).
হে মহান আল্লাহ! আমাদের প্রকৃত মুমিন হওয়ার তৌফিক দান করো।
হে আল্লাহ্! আমাদের ছোটো বড় গুনাহ্ মাফ করো।
হে আল্লাহ্! আমাদের আমল সমূহ কবূল করো।
হে আল্লাহ্! আমাদের তোমার মনোনিত দ্বীন ইসলাম ঐ ভাবে বুঝার ও ঐ ভাবে আমল করার তৌফিক দিও যেভাবে বুঝেছিলেন তোমার হাবীব নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তার একনিষ্ঠ সঙ্গীগণ।
হে আল্লাহ্! ফেত্নার যুগে তুমি আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করো, যে পথে ছিলেন নবীগণ, সিদ্দিকগণ, শুহাদা ও নেক মুমিনগণ।
হে আল্লাহ্! তুমি জগতের মুসলিমদের তাওহীদ বুঝার ও তার প্রতি আমল করার তৌফিক দান করো।
হে আল্লাহ্! তুমি আমাদের ইলম, রুজি ও আমলে বরকত দাও।
হে আল্লাহ্! আমাদের হালাল রোজগারের তৌফিক দান করো এবং হারাম থেকে দূরে রাখো।
হে আল্লাহ্! আমাদের সন্তানদের হেদায়েত দাও তাদের অন্তরে ইসলামের ঈমানের ভালোবাসা দাও এবং তাদের নেক বানাও।
হে আল্লাহ্! আমাদের বৃষ্টি দাও। তোমার রহমত থেকে বঞ্চিত করো না।
হে আল্লাহ্! আমাদের প্রিয়জন, আত্মীয় স্বজন, পূর্বসূরি যাঁরা মারা গেছেন, আল্লাহ্ তুমি তাদের ক্ষমা করো। বিশেষ করে আমাদের পিতা ও মাতার উপর রহম কর যেমন তারা ছোটবেলায় আমাদের উপর রহম করে ছিল।
হে আল্লাহ্! আমাদের অসুস্থদের সুস্থতা দান করো।
হে আল্লাহ্! আমাদের গীবত, চুগলি, আপস দ্বন্দ্ব ইত্যাদি থেকে হেফাজতে রাখো।
হে আল্লাহ্! আমাদের অজ্ঞতা ও পাপের কারণে আমাদের পাকড়াও করি ও না।
হে মহান আরশের মালিক, আকাশ জমিনের মালিক, কেয়ামত দিবসের মালিক! আমাদের ক্ষমা করে দাও, তোমার রহমতে ঢেকে দাও, তোমার সুরক্ষায় স্থান দাও, জান্নাতুল ফেরদাউসে স্থান দাও, তোমার আরশের নিচে, তোমার নবীর সান্নিধ্যে, তোমার একান্ত প্রিয় বান্দাদের সাথে।
আমীন ইয়া রাব্বিল আলামীন ইয়া আরহামার রহিমীন।
Shaykh Abdur Raquib Bukhari Hafizahullah
Thursday, 9 August 2018
যিল হজ্জ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তাকবীর, তাহলীল ও তাহমীদ পাঠ করার নিয়মঃ
ঈদুল আযহার তাকবীর পাঠ করার সময় দুই ভাগে বিভক্ত;
এক . মুতলাক বা সর্বসময়। অর্থাৎ যিল হজ্জ মাসের চাঁদ উদিত হওয়ার পর থেকে আরম্ভ করে আইয়্যামে তাশরীক তথা ১৩ই যিল হজ্জের সূর্য্য ডুবা পর্যন্ত সব সময়।
দুই. মুকায়য়্যিদ বা নির্দিষ্টযুক্ত সময়। আর এটা হল; শুধুমাত্র ফরজ নামাযের পর পর। অর্থাৎ আরাফার দিন ফজরের ফরয নামাযের পর থেকে আরম্ভ করে আইয়্যামে তাশরীক তথা ১৩ই যিল হজ্জের আসরের নামায পর্যন্ত প্রত্যেক নামাযের পরপর তা পাঠ করা।
তাকবীরের শব্দাবলীঃ
১. আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার কাবীরা।
২. আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।( মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, ইরওয়াউল গালীল)
৩. আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ, আল্লাহু আকবার ওয়া আজাল, আল্লাহু আকবার আলা মা হাদানা। ( বায়হাকী ও ইরওয়াউল গালীল)
ইমাম বুখারী রাহিমাহুল্লাহ বলেনঃ আব্দুল্লাহ বিন ওমার ও আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহুমা যিল হজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনে বাজারে গেলে তাকবীর পাঠ করতেন, ফলে (তাদের তাকবীর ধ্বনি শুনে) বাজারের মানুষেরাও তাদের সাথে তাকবীর পাঠ করতেন।
তিনি আরও বলেনঃ ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু ঐ দিনগুলিতে মিনাতে তাঁর তাঁবুর ভিতর তাকবীর পাঠ করতেন, ফলে তাঁর তাকবীর ধ্বনি মসজিদের সবাই শুনতে পেতেন এবং তারাও তাকবীর পাঠ করতেন। আর তখন বাজরের সবাই এমনভাবে তাকবীর পাঠ করা আরম্ভ করতেন যে সমস্ত মিনা তাকবীর ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠতো।
আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমা ঐ দিনগুলিতে মিনাতে সব সময় তাকবীর পাঠ করতেন। এমনকি ফরয নামাজের পরে, বিছানাতে, তাঁবুতে, আসনে এবং পথ চলার সময়ও তাকবীর পাঠ করতেন।
তাকবীর পাঠ করার ক্ষেত্রে মুস্তাহাব নিয়ম হচ্ছে;
পুরুষেরা তাকবীর পাঠ করবে উচ্চ আওয়াজে, যেমনটি ওমর, আব্দুল্লাহ বিন ওমর এবং আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু আনহুম করতেন। আর মহিলারা আস্তে আস্তে তথা নীচু আওয়াজে তাকবীর পাঠ করবে। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে মহিলারাও তাকবীর পাঠ করতেন। উম্মে আতিয়্যা রাযিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন যে, আমরা যেন ঋতুবতী মহিলাদেরকেও উভয় ঈদে ঈদগাহে নিয়ে যায়। তবে তারা নামাযের স্থান থেকে দূরে থাকবে (নামাযে শরীক হবে না ) । কিন্তু তারা অন্যান্য মঙ্গল ও মুসলিমদের দুআয় শরীক হবে। তারা পুরুষদের পিছনে অবস্থান করবে এবং পুরুষদের সাথে তারাও তাকবীর পাঠ করবে। (সহীহ বুখারী:৩২৪ ও ৯৭৪ এবং সহীহ মুসলিম: ৮৯০ নং পৃষ্ঠা)।
লিখেছেনঃ শায়খ Mohammad Saiful Islam হাফিযাহুল্লাহ।
Thursday, 25 September 2014
জিলহজের প্রথম দশদিনের ফযীলত এবং ঈদ ও কুরবানীর বিধান
জিলহজের প্রথম দশদিনের ফযীলত এবং ঈদ ও কুরবানীর বিধান
লেখকঃ আব্দুল মালেক আল-কাসেম । অনুবাদ : সানাউল্লাহ নজির আহমদ
জিলহজ মাসের দশদিনের ফযীলত :
আল্লাহ তা’আলার অশেষ মেহেরবানী যে, তিনি নেককার বান্দাদের জন্য এমন কিছু মৌসুম করে দিয়েছেন, যেখানে তারা প্রচুর নেক আমল করার সুযোগ পায়, যা তাদের দীর্ঘ জীবনে বারবার আসে আর যায়। এসব মৌসুমের সব চেয়ে বড় ও মহত্বপূর্ণ হচ্ছে জিলহজ মাসের প্রথম দশদিন।
বছরের শ্রেষ্ঠ ১০ দিনে করণীয় ১০ আমল
আল্লাহ তা‘আলা দয়ালু। তাই তিনি আপন বান্দাদের তওবার সুযোগ দিতে ভালোবাসেন। তিনি চান বান্দারা ইবাদতের মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য লাভ করুক। এ উদ্দেশ্যে তিনি আমাদের জন্য বছরে কিছু বরকতময় ও কল্যাণবাহী দিন রেখেছেন- যাতে আমলের সওয়াব বহুগুণে বৃদ্ধি করা হয়। আমরা পরীক্ষার দিনগুলোতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাই সবচে ভালো ফলাফল অর্জন করার জন্য। তবে কেন আখেরাতের জন্য এসব পরীক্ষার দিনগুলোতেও সর্বাধিক প্রচেষ্টা ব্যয় করব না? এ দিনগুলোতে আমল করা তো বছরের অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি নেকী ও কল্যাণ বয়ে আনে। এমন দিনগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য যিলহজ মাসের এই প্রথম দশদিন। এ দিনগুলো এমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেগুলোকে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ দিন বলে আখ্যায়িত করেছেন। তাতে আমলের প্রতি তিনি সবিশেষ উদ্বুদ্ধ করেছেন। এ দিনগুলোর শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে শুধু এতটুকুই যথেষ্ট যে আল্লাহ তা‘আলা এর কসম করেছেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)
