Showing posts with label দুআ ও যিকির. Show all posts
Showing posts with label দুআ ও যিকির. Show all posts

Tuesday, 3 March 2020

করোনা ভাইরাস Coronaviruses (CoV): বিশ্বমানবতার সামনে করণীয় এবং আত্মরক্ষার ৬টি দুআ


▬▬▬◄❖►▬▬▬
এ পৃথিবীতে যত বিপদ ও বিপর্যয় সৃষ্টি হয় তার মূল কারণ মানুষের সীমালঙ্ঘন এবং অন্যায় কৃতকর্ম। তাই আল্লাহ তাআলা মাঝেমধ্যে সৃষ্টির মধ্যে তার শিক্তমত্তার প্রকাশ ঘটান যেন, আল্লাহর অবাধ্য ও সীমালঙ্ঘণকারী মানুষ সচেতন হয় এবং তাঁর পথে ফিরে আসে। আল্লাহ তাআলা বলেন:
ظَهَرَ الْفَسَادُ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِي النَّاسِ لِيُذِيقَهُم بَعْضَ الَّذِي عَمِلُوا لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ
“স্থলে ও জলে মানুষের কৃতকর্মের দরুন বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। আল্লাহ তাদেরকে তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করাতে চান, যাতে তারা ফিরে আসে।” (সূরা রুম: ৪১)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
لَمْ تَظْهَرِ الْفَاحِشَةُ فِي قَوْمٍ قَطُّ حَتَّى يُعْلِنُوا بِهَا إِلاَّ فَشَا فِيهِمُ الطَّاعُونُ وَالأَوْجَاعُ الَّتِي لَمْ تَكُنْ مَضَتْ فِي أَسْلاَفِهِمُ الَّذِينَ مَضَوْا
“যখন কোন জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তখন সেখানে মহামারী এবং এমন সব রোগ-ব্যাধির ছড়িয়ে পড়ে যা পূর্বেকার লোকেদের মধ্যে কখনো দেখা যায়নি।” (সুনানে ইবনে মাজাহ, অধ্যায়ঃ ৩০/ কলহ-বিপর্যয় (كتاب الفتن) হা/৪০১৯, সনদ হাসান)
যাহোক, বর্তমানে কারো অজানা নেই যে, চীন থেকে উৎপত্তি আল্লাহর এক অদৃশ্য সেনাবাহিনী তথা ‘করোনা’ নামক ভাইরাস আক্রমণে সমগ্র বিশ্ব ভয়ে থরথর করে কাঁপছে। এতে আবারও প্রমাণিত হল, সত্যি মানুষ আল্লাহর অতিশয় দুর্বল সৃষ্টি। যারা কারণে তারা আল্লাহর খুব সামান্য এক ভাইরাস (যা খালি চোখে দেখা যায় না) এর কাছে আজ পর্যদুস্ত ও অসহায়। অথচ তারা মনে করে, তারা বিজ্ঞান, টেকনলোজি, আবিষ্কার ও শক্তিমত্তায় বহুদূর পৌঁছে গেছে! যথার্থই আল্লাহর ভাষায় মানুষ "অতীব অবিচারী এবং মূর্খ।" (সূরা আহযাব: ৭২)
আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করুন। আমীন।
এখন এ ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে মুক্তির জন্য মানব জাতির সামনে কী করণীয় রয়েছে তা সংক্ষেপে জানার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
◯◯ ‘করোনা’ নামক ধেয়ে আসা এক মহা বিপর্যের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানবজাতির করণীয় হল:
◉ ১. সব ধরণের কুফরি, শিরক, নাস্তিকতা, অশ্লীলতা, হারাম ও অন্যায়-অপকর্ম পরিত্যাগ করে মহান স্রষ্টার একমাত্র মনোনীত জীবনাদর্শ ইসলামের পথে ফিরে আসা।
◉ ২. নিজেদের পাপাচার ও সীমালঙ্ঘনের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
◉ ৩. বিপদ-বিপর্যয় থেকে রক্ষার জন্য মহাশক্তিধর আল্লাহ কাছে দুআ ও আরোধনা করা।
◉ ৪. মহামারি আক্রান্ত এলাকায় গমন না করা এবং সেখানকার অধিবাসীগণ সেখান থেকে বের না হওয়া।
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "যখন তোমরা কোনো অঞ্চলে মহামারী বিস্তারের সংবাদ শোন, তখন সে এলাকায় প্রবেশ করো না। আর তোমরা যেখানে অবস্থান কর, সেখানে মহামারী বিস্তার ঘটলে সেখান থেকে বেরিয়ে যেও না"। (সহীহ বুখারী, অধ্যায়ঃ ৭৬/ চিকিৎসা, হাদিস নম্বরঃ ৫৭২৮)
◉ ৫. এ বিশ্বাস রাখা যে, মহামারি মুমিনদের জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত। সে যদি এতে মারা যায় তাহলে সে শহিদের সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করবে। যেমন: হাাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللّهُ عَنْهَا قَالَتْ: سَأَلَتْ رَسُولَ اللّهِ ﷺ عَنِ الطَّاعُونِ فَأَخْبَرَنِي: أَنَّه عَذَابٌ يَبْعَثُهُ اللّهُ عَلى مَنْ يَشَاءُ وَأَنَّ اللّهَ جَعَلَه رَحْمَةً لِلْمُؤْمِنِيْنَ لَيْسَ مِنْ أَحَدٍ يَقَعُ الطَّاعُونُ فَيَمْكُثُ فِي بَلَدِه صَابِرًا مُحْتَسِبًا يَعْلَمُ أَنَّه لَا يُصِيْبُه إِلَّا مَا كَتَبَ اللّهُ لَه إِلَّا كَانَ لَه مِثْلُ أَجْرِ شَهِيْدٍ . رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মহামারীর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। জবাবে তিনি আমাকে বললেন, এটা একটি আজাব (শাস্তি)। তিনি যার উপর চান পাঠান। কিন্তু মু’মিনদের জন্য তা তিনি রহমত গণ্য করেছেন। তোমাদের যে কোন লোক মহামারী কবলিত এলাকায় সাওয়াবের আশায় সবরের সাথে অবস্থান করে এবং আস্থা রাখে যে, আল্লাহ তার জন্য যা নির্ধারণ করে রেখেছেন তাই হবে, তাছাড়া আর কিছু হবে না, তার জন্য রয়েছে শাহীদের সাওয়াব। (সহিহ বুখারী)
মুসনাদে আহমদে আবূ আসীব থেকে হাদিস বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
فَالطَّاعُوْنُ شَهَادَةٌ لِلْمُؤْمِنِيْنَ وَرَحْمَةٌ لَهُمْ وَرِجْسٌ عَلَى الْكَافِرِ.
“মহামারি হল মু’মিনদের জন্য শাহাদাত এবং রহমত স্বরূপ আর কাফিরদের জন্য শাস্তি স্বরূপ।” (সহিহ তারগিব, হা/১৪০১)

Saturday, 28 March 2015

ফরয নামাযের সালাম শেষে প্রথমে ১ বার আল্লাহু আকবার, না ৩ বার আস্তাগফিরুল্লাহ?




ফরয নামাযের সালাম শেষে প্রথমে ১ বার আল্লাহু আকবার, না ৩ বার আস্তাগফিরুল্লাহ?

১-বিষয়টি অবতারণার কারণঃ
আমরা জানি, আমাদের সমাজে নামায শিক্ষার সময় সাধারণতঃ এই শিক্ষা নেওয়া হয় বা দেওয়া হয় যে, ফরয স্বালাতে সালাম ফিরানোর পর প্রথমে এক বার সশব্দে আল্লাহু আকবার বলতে হবে অতঃপর নিরবে তিন বার আস্তাগফিরুল্লাহ এবং আমাদের আহলুল হাদীস সমাজের বিভিন্ন মসজিদে মুস্বল্লীগণকে জোর শব্দে এই আমলটি করতেও দেখা যায়। এছাড়া সালাফী আলেমগণের প্রচলিত প্রসিদ্ধ বাংলা স্বালাত শিক্ষার বই-পুস্তকেও এই মাসআলা দেখা যায়। কিন্তু আশ্চর্য হলাম, যখন সউদী আরবের সমাজে মুস্বল্লীদের নামাযান্তে ১বার উচ্চ কন্ঠে আল্লাহু আকবার বলতে শুনলাম না; অথচ এখানে সালাম শেষে উচ্চ স্বরে কিছুক্ষণ যিকর ও দুআ পড়ার প্রচলন রয়েছে। আর না এখানকার বিজ্ঞ উলামাদের বই-পুস্তকে এবং ফতোয়ায় এই বিধানটি লক্ষ্য করলাম। আরো আশ্চর্য হলাম যখন প্রসিদ্ধ চার মাযহাবের ফিকহের বই পুস্তকেও সালাম শেষে এক বার জোর শব্দে আল্লাহু আকবার বলতে হবে বলে কোনো বিধান অবলোকন করলাম না; বরং তারা সকলে প্রথমে ৩ বার আস্তাগফিরুল্লাহ বলার কথা উল্লেখ করেছেন, যা লেখার শেষ পয়েন্টে দেখা যেতে পারে। তাই এই বিষয়টি নিয়ে বহু পূর্বে মনে কৌতুহল জেগেছিল। সাম্প্রতি সাধ্যানুযায়ী এ সম্বন্ধে দলীল-প্রমাণগুলির সাধারণ অধ্যয়ন করার চেষ্টা করলাম। অবশেষে যা অবগত হলাম, তা আপনাদের জ্ঞাতার্থে তুলে ধরা ভাল মনে করছি। ওয়াল্লাহু হুআল্ মুআফ্ফিক্ ওয়াল্ মুস্তাআন।বক্ষ্যমাণ লেখাটির মূল বিষয় হল, সালাম ফিরানোর পর সর্ব প্রথম কি বলতে হবে এবং কত বার বলতে হবে?

২-যাঁরা সালাম শেষে ১ বার জোর শব্দে আল্লাহুআকবার বলতে হবে বলে মত দিয়েছেন, তাঁদের মন্তব্য ও দলীলঃ
উল্লেখ্য যে, মুতাকাদ্দেমীন (প্রাচীন) উলামাদের কেউ এমন বলেছেন বলে আমার জানা নেই। কিন্তু বর্তমান যুগের বাংলা ও ঊর্দুভাষী আহলেহাদীস উলামা ও লেখকগণের নামায শিক্ষার বইতে উপরোক্ত মত পাওয়া যায়। আমরা প্রথমে তাদের লেখা বই থেকে কিছু বিবরণ তুলে ধরবো ইনশাআল্লাহ।

Tuesday, 20 January 2015

নামাযের দো‘আ ও যিক্‌র



প্রথমঃ তাকবীরে তাহরীমার পর ইস্তিফতা বা প্রারম্বিক দো

«اللهم باعد بيني وبين خطاياي كما باعدت بين المشرق والمغرب، اللهم نقني من خطاياي كما ينقى الثوب الأبيض من الدنس، اللهم أغسلني من خطاياي بالماء والثلجوالبرد» (رواه البخاري ومسلم)
১. উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বা‘ইদ বাইনী ও বাইনা খাতায়াইয়া কামা বাআদতা বাইনাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিবিআল্লাহুম্মা নাক্কিনী মিন খাতায়াইয়া কামা ইউনাক্কাস সাওবুল আবয়াদু মিনাদ্দানাসিআল্লাহুম্মাগসিলনী মিন খাতায়াইয়া বিল মা-য়ি ওয়াস সালজি ওয়াল বারাদি।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার এবং আমার গুনাহ্ খাতার মাঝে এমন দূরত্ব সৃষ্টি কর যেরূপ পশ্চিম ও পূর্বের দূরত্ব সৃষ্টি করেছ। হে আল্লাহ! আমাকে আমার গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার কর যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার করা হয়। হে আল্লাহ! আমার পাপসমূহকে পানিবরফ ও শিশিরের মাধ্যমে ধৌত করে দাও। (বুখারী-মুসলিম)
«سبحانك اللهم وبحمدك وتبارك اسمك وتعالى جدك ولا إله غيرك» (رواه مسلم)
২. উচ্চারণ: সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবা-রাকাসমুকা ওয়া তাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলাহা গাইরুকা। (মুসলিম)
অর্থ: হে আল্লাহ! সকল দোষ হতে তোমার পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং তোমারই সকল প্রশংসাতোমার নাম মহিমান্বিততোমার মর্যাদা-বড়ত্ব অতি উচ্চে এবং তুমি ব্যতীত সত্যিকার কোনো মাবূদ বা উপাস্য নেই।
«وجهت وجهي للذي فطر السموات والأرش حنيفا وما أنا من المشركين، إن صلاتي، ونسكي، ومحياي، ومماتي لله رب العالمين، لا شريك له وبذلك أمرت وأنا منالمسلمين اللهم أنت الملك لا إله إلا انت، أنت ربي وانا عبدك، ظلمت نفسي وأعتفت بذنبي فاغفرلي ذنوبي جميعا إنه لا يغفر الذنوب إلا أنتوأهدني لأحسن الأخلاق لايهدي لأحسنها إلا أنت، وأصرف عني سيّئها، لا يصرف عني سيئها إلا أنت لبيك وسعديك، والخير كله بيديك، والشر ليس إليك أنا بي وإليك تباركت وتعاليتأستغفرك وأتوب إليك» (رواه مسلم)
৩. উচ্চারণ: ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাত্বারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানীফাউঁ ওমা আনা মিনাল মুশরিকীনইন্না সালাতী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহ্ইয়ায়া ওয়া মামাতী লিল্লাহি রাব্বিল আলামীনলা-শারীকালাহু ওয়াবিযালিকা উমিরতু ওয়া আনা মিনাল মুসলিমীন।
আল্লাহুম্মা আনতাল মালিকু লা-ইলাহা ইল্লা আনতাআনতা রব্বী ওয়া আনা আবদুকাযালামতু নাফসী ওয়াতারাফতু বিযানবী ফাগফিরলী যুনূবী জামীয়ান ইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুজ্জুনূবা ইল্লা আন্তাওয়াহদিনী লি আহসানিল আখলাক্বি লা-ইয়াহদী লিআহসানিহা ইল্লা আন্তাওয়াস্রিফ ‘আন্নী সাইয়্যিয়াহা লা-য়াসরিফু আন্নী সাইয়্যিয়াহা ইল্লা আন্তালাব্বাইকা ওয়াসাদাইকা, ওয়াল খাইরু কুল্লুহূ বিইয়াদাইকা ওয়াশ শাররু লাইসা ইলাইকাআনা বিকা ওয়া ইলাইকাতাবারাকতা ওয়া তায়ালাইতাআস্তাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইকা। (মুসলিম)

Saturday, 29 November 2014

হিসনুল মুসলিম বা কুরআন ও হাদীস থেকে সংকলিত দৈনন্দিন যিকর ও দোআর সমাহার (২য় পর্ব)




১ম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
৩৪. দুঃখ ও দুশ্চিন্তার সময় পড়ার দো

120-(1) «اللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ، ابْنُ عَبْدِكَ، ابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِي بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُــــلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَداً مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ القُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجَلاَءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي».
 (আল্লা-হুম্মা ইন্নী আবদুকা ইবনু আবদিকা ইবনু আমাতিকানা-সিয়াতী বিয়াদিকামা-দ্বিন ফিয়্যা হুকমুকা, ‘আদলুন ফিয়্যা কাদ্বা-য়ুকাআসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন্ হুয়া লাকা সাম্মাইতা বিহি নাফসাকাআও আনযালতাহু ফী কিতা-বিকা আও আল্লামতাহু আহাদাম্-মিন খালক্বিকা আও ইস্তাসারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ইনদাকা, আন্ তাজআলাল কুরআ-না রবীআ ক্বালবী, ওয়া নূরা সাদ্‌রী, ওয়া জালা’আ হুযনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী)।
১২০-(১) হে আল্লাহ! আমি আপনার বান্দা, আপনারই এক বান্দার পুত্র এবং আপনার এক বাঁদীর পুত্র। আমার কপাল (নিয়ন্ত্রণ) আপনার হাতে; আমার উপর আপনার নির্দেশ কার্যকর; আমার ব্যাপারে আপনার ফয়সালা ন্যায়পূর্ণ। আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি আপনার প্রতিটি নামের উসীলায়; যে নাম আপনি নিজের জন্য নিজে রেখেছেন অথবা আপনার আপনি আপনার কিতাবে নাযিল করেছেন অথবা আপনার সৃষ্টজীবের কাউকেও শিখিয়েছেন অথবা নিজ গায়েবী জ্ঞানে নিজের জন্য সংরক্ষণ করে রেখেছেন—আপনি কুরআনকে বানিয়ে দিন আমার হৃদয়ের প্রশান্তিআমার বক্ষের জ্যোতিআমার দুঃখের অপসারণকারী এবং দুশ্চিন্তা দূরকারী।[162]

121-(2) «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ».
 (আল্লা-হুম্মা ইন্নি আঊযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানিওয়াল আজযি ওয়াল কাসালিওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনিওয়া দালাইদ দ্বাইনে ওয়া গালাবাতির রিজা-লি)
১২১-(২) হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকেঅপারগতা ও অলসতা থেকেকৃপণতা ও ভীরুতা থেকেঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে।[163]

হিসনুল মুসলিম বা কুরআন ও হাদীস থেকে সংকলিত দৈনন্দিন যিকর ও দোআর সমাহার (১ম পর্ব)




সূচিপত্র
ক্রম
বিষয়সূচি


ভূমিকা


যিক্‌রের ফযীলত


যিক্‌র ও দোআসমূহ

1.                   
ঘুম থেকে জেগে উঠার সময়ের যিক্‌রসমূহ

2.                  
কাপড় পরিধানের দো

3.                  
নতুন কাপড় পরিধানের দো

4.                  
অপরকে নতুন কাপড় পরিধান করতে দেখলে তার জন্য দো

5.                  
কাপড় খুলে রাখার সময় কী বলবে

6.                  
পায়খানায় প্রবেশের দো

7.                  
পায়খানা থেকে বের হওয়ার দো

8.                 
ওযুর পূর্বে যিক্‌র

9.                  
ওযু শেষ করার পর যিক্‌র

10.              
বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ের যিক্‌র

11.               
ঘরে প্রবেশের সময় যিক্‌র

12.              
মসজিদে যাওয়ার সময়ে পড়ার দো

13.              
মসজিদে প্রবেশের দো

14.               
মসজিদ থেকে বের হওয়ার দো

15.              
আযানের যিক্‌রসমূহ

16.              
সালাতের শুরুতে দো

17.              
রুকূর দো

18.              
রুকু থেকে উঠার দো

19.              
সিজদার দো

20.             
দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকের দো

21.              
সিজদার আয়াত তেলাওয়াতের পর সিজদায় দো

22.             
তাশাহ্‌হুদ

23.             
তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত (দরুদ) পাঠ

24.              
সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো

25.             
সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ

26.             
ইসতিখারার সালাতের দো

27.             
সকাল ও বিকালের যিক্‌রসমূহ

28.             
ঘুমানোর যিক্‌রসমূহ

29.             
রাতে যখন পার্শ্ব পরিবর্তন করে তখন পড়ার দো

30.             
ঘুমন্ত অবস্থায় ভয় এবং একাকিত্বের অস্বস্তিতে পড়ার দো

31.              
খারাপ স্বপ্ন বা দুঃস্বপ্ন দেখে যা করবে

32.             
বিত্‌রের কুনুতের দো

33.             
বিত্‌রের নামায থেকে সালাম ফিরানোর পরের যিক্‌র

34.              
দুঃখ ও দুশ্চিন্তার সময় পড়ার দো

35.             
দুর্দশাগ্রস্ত ব্যক্তির দো

36.             
শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে দো

37.             
শাসকের অত্যাচারের ভয় করলে পড়ার দো

38.             
শত্রুর উপর বদ-দো

39.             
কোনো সম্প্রদায়কে ভয় করলে যা বলবে

40.              
ঈমানের মধ্যে সন্দেহে পতিত ব্যক্তির দো

41.               
ঋণ মুক্তির জন্য দো

42.              
সালাতে ও কেরাআতে শয়তানের কুমন্ত্রণায় পতিত ব্যক্তির দো

43.              
কঠিন কাজে পতিত ব্যক্তির দো

44.              
পাপ করে ফেললে যা বলবে এবং যা করবে

45.              
শয়তান ও তার কুমন্ত্রণা দূর করার দো

46.              
যখন অনাকাঙ্খিত কিছু ঘটেবা যা করতে চায় তাতে বাধাপ্রাপ্ত হয়তখন পড়ার দো

47.              
সন্তান লাভকারীকে অভিনন্দন ও তার জবাব

48.             
যা দ্বারা শিশুদের জন্য আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়

49.              
রোগী দেখতে গিয়ে তার জন্য দো

50.             
রোগী দেখতে যাওয়ার ফযিলত

51.              
জীবনের আশা ছেড়ে দেওয়া রোগীর দো

52.             
মরণাপন্ন ব্যক্তিকে তালক্বীন (কালেমা স্মরণ করিয়ে দেওয়া)

53.             
কোনো মুসিবতে পতিত ব্যক্তির দো

54.              
মৃত ব্যক্তির চোখ বন্ধ করানোর দো

55.             
মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো

56.             
নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো

57.             
শোকার্তদের সান্ত্বনা দেওয়ার দো

58.             
মৃতকে কবরে প্রবেশ করানোর দো

59.             
মৃতকে দাফন করার পর দো

60.             
কবর যিয়ারতের দো

61.              
বায়ূ প্রবাহিত হলে পড়ার দো

62.             
মেঘের গর্জন শুনলে পড়ার দো

63.             
বৃষ্টি চাওয়ার কিছু দো

64.              
বৃষ্টি দেখলে দো

65.             
বৃষ্টি বর্ষণের পর যিকর

66.             
অতিবৃষ্টি বন্ধের জন্য কিছু দো

67.             
নতুন চাঁদ দেখে পড়ার দো

68.             
ইফতারের সময় রোযাদারের দো

69.             
খাওয়ার পূর্বে দো

70.             
আহার শেষ করার পর দো

71.              
আহারের আয়োজনকারীর জন্য মেহমানের দো

72.             
দোআর মাধ্যমে খাবার বা পানীয় চাওয়ার ইঙ্গিত করা

73.             
কোনো পরিবারের কাছে ইফতার করলে তাদের জন্য দো

74.              
রোযাদারের নিকট যদি খাবার উপস্থিত হয়আর সে রোযা না ভাঙ্গে তখন তার দোআ করা

75.             
রোযাদারকে কেউ গালি দিলে যা বলবে

76.             
ফলের কলি দেখলে পড়ার দো

77.             
হাঁচির দো

78.             
কাফের ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে তার জবাবে যা বলা হবে

79.             
নব বিবাহিতের জন্য দো

80.             
বিবাহিত ব্যক্তির দোআ এবং বাহন ক্রয়ের পর দো

81.              
স্ত্রী-সহবাসের পুর্বের দো

82.             
ক্রোধ দমনের দো

83.             
বিপন্ন লোক দেখলে পড়ার দো

84.             
মজলিসে যা বলতে হয়

85.             
বৈঠকের কাফ্‌ফারা (ক্ষতিপূরণ)

86.             
কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন’, তার জন্য দো

87.             
কেউ আপনার সাথে সদাচারণ করলে তার জন্য দো

88.            
আল্লাহ যা দ্বারা দাজ্জাল থেকে হেফাযত করবেন

89.             
যে ব্যক্তি বলবে, ‘আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র জন্য ভালোবাসি’— তার জন্য দো

90.             
আপনাকে কেউ তার সম্পদ দান করার জন্য পেশ করলে তার জন্য দো

91.              
কেউ ঋণ দিলে তা পরিশোধের সময় দো

92.             
শির্কের ভয়ে দো

93.             
কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ আপনার উপর বরকত দিন’, তার জন্য দো

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...