Showing posts with label বিদাতপন্থী সূফী. Show all posts
Showing posts with label বিদাতপন্থী সূফী. Show all posts

Tuesday, 10 March 2015

কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন?



অনুবাদকের ভূমিকা
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেছিলেন যে, কিয়ামত এর পূর্বে ৩০ এর মত মিথ্যুক লোক নবুওয়াতের দাবী করবে, তাঁর সে ভবিষ্যদ্বাণীর প্রমাণ আমরা দেখতে পাই গোলাম আহম্মেদ কাদিয়ানীর নবুওয়াতের দাবীর মাঝ দিয়ে। আমাদের দেশের আলেমগণ অনেক আগ থেকেই বিভিন্ন ভাবে তার দাবীর অবৈধতা প্রমাণ করেছিলেন, এবং এক সময় আলেমরা সবাই তার বিরুদ্ধে এজমা, বা ঐক্যমত পোষণ করে অমুসলিম ভন্ড নবুওয়াতের দাবীদার বলে তার ফেৎনা কে সাময়িক ভাবে রুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। অনেকে তার সাথে বিতর্কে গিয়েছিলেন এবং তাকে বিতর্কেও হারিয়েছিলেন, মনে পড়ে কাজী দানভিল্লা অমৃতসরী সাহেবের সাথে তার তর্কের কথা, ভন্ড তার নবুওয়াতের সমর্থনে দলীল হিসাবে কুরআনে করিমের সূরায় ছফ-এর() শদ্ব দ্বারা দলীল নিলে কাজী সাহেব বললেন তোমার নাম তো গোলাম আহমদ এখানে বলা হয়েছে আহমদ, অর্থাৎ তুমি আহমদের গোলাম, আহমদ নও, তখন সে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ভাবে আরবী ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে নামের প্রথম অংশ যেখানে উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ তা ত্যাগ করে বলে উঠল, আমার নামের শেষাংশই নয়,
কাজী সাহেব দেখলেন তার সাথে তর্কে যাওয়া বৃথা, কারণ সে গোড়ামী করে কুরআনের মনগড়া ব্যাখ্যা করার পরও প্রমাণ হাজির করতে না পেয়ে আরবী ভাষার ব্যাকরণের বিপরীতে গিয়ে তার নামের দ্বিতীয়াংশ  আহমদ কেই প্রকৃত নাম বলে সাব্যস্ত করতে যাচ্ছে, তখন তিনি সম্পূর্ণ তর্কের খাতিরে বললেন, যদি নামের শেষাংশই উদ্দেশ্য হয় তবে আমার নাম সানাউল্লাহ, আমার নামের শেষাংশ আল্লাহ, তা হলে আমি তোমার আল্লাহ হয়ে তোমার মত খবিসকে কক্ষনো মানুষের জন্য নবী হিসাবে পাঠাই নি।”
অনুরূপভাবে এক সময় কাদিয়ানী নিজকে মারিয়াম (আ) বলে দাবী করলে তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, মহিলাদের ঋতুস্রাব হয়ে থাকে, তোমার কি তাও হয়?
সে নির্লজ্জের মত  বলে উঠল হ্যাঁ অমুক রাত থেকে অমুক রাত পর্যন্ত আমার ঋতুস্রাব ছিল। যেহেতু তার জীবনের সব সময়ই সে বিভিন্ন নতুন নতুন দাবী নিয়ে বের হত, কখনো, ঈসা, আবার কখনো মাহদী, আবার কখনো নবী, আবার কখনো ধর্ম সংস্কারক, আবার কখনো বা সকল ধর্মের বিচারক ইত্যাদি দাবীর থুবড়িতে মুখরিত ছিল, আলেমগণ তাকে মাতাল জ্ঞানে ত্যাগ করাই সমীচিন ছিল, বরং তাকে শরীয়তের কাঠগড়ায় আসামী করে শরীয়তের হুকুম অনুসারে তার ফয়সালা করা জরুরী ছিল কিন্তু তখন ছিল উপনিবেশবাদী ব্রিটিশ সরকারের রাজত্ব, মূলত তারাই তাকে এগুলো বলতে উদ্বুদ্ধ করেছে এবং তারা তাকে সব রকম সহযোগিতা ও সহানুভূতি দ্বারা সর্বদা রক্ষা করেছে সেহেতু আলেমগণ তার বিরুদ্ধে মোনাজেরা  বা বিতর্কে যাওয়া ছাড়া অন্য কোন পথ পাননি, সে অবশ্য ব্রিটিশ সরকারেরজন্য বিরাট পুরুস্কার ছিল কারণ, সে যখন দাবী করল যে, সে ঈসা (আ) তখন মুসলিমদের হাদীস মতে  ঈসা (আ) এর আবির্ভাবের পর আর জিযিয়া কর গ্রহণ করা হবে না এবং জ্বিহাদ এর হুকুমে পরিবর্তন হবে বলা হয়ে থাকে এজন্য সে ইংরেজদের জন্য অতি মূল্যবান পুরস্কার স্বরূপ তাদের বিরুদ্ধে জ্বিহাদ বা আযাদী আন্দোলন কে হারাম ঘোষনা দিয়ে দিল, আর তখনি দিবালোকের মত স্পষ্ট হলো যে, কার হাতের ক্রিড়নক হিসাবে সে এসব কাজ করছিল।

Sunday, 28 December 2014

““তাবলীগ জামাত” সম্পর্কে মক্কা-মদীনার আলেমদের ফতোয়া””


=============================
>> তাবলীগ জামাতের লোকদের ‘আকিদাহ’ ও আমল কেমন?
■ সৌদি আরবের সাবেক ‘গ্র্যান্ড মুফতি’, ইমাম আবদুল আ’যিয ইবনে বায রাহিমাহুল্লাহর ফতোয়াঃ
তাবলীগ জামাতের অনুসারী লোকেরা আকিদা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান রাখে না, কাজেই তাদের সাথে যাওয়ার অনুমতি নেই। তবে যে ব্যক্তির শরিয়ত সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রাখে এবং আহল সুন্নাহ ওয়াল জামাতের ‘আকিদাহ’ সম্পর্কে যার সঠিকতা নির্ণয় করার এবং তা বুঝার ক্ষমতা আছে, সেব্যক্তি তাবলিগিদের সাথে যেতে পারবে। কেননা সে (কোন আলেম বা তালিবুল ইলম যদি তাদের সাথে যায় তাহলে) তাবলিগিদেরকে সঠিক পথ দেখাতে পারবে, তাদেরকে সুন্দরভাবে উপদেশ দিতে পারবে এবং ভালো কাজে তাদের সাথে সাহায্যও করতে পারবে কারণ তাবলিগিরাই খুবই কর্মপরায়ণ। কিন্তু তাবলিগ জামাতের অনুসারীদের আরও অনেক বেশি জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন এবং ‘তাওহীদ’ ও ‘সুন্নাহ’ সম্পর্কে পথ নির্দেশনা দেবার ক্ষমতা রাখে এমন ব্যক্তিদের দরকার। আল্লাহ ইসলামকে সঠিকভাবে বুঝার ক্ষমতা দিয়ে আমাদের সবাইকে রহমত দান করুন এবং তা ধরে রাখার কাজে দৃঢ়তা দান করুন। [আমিন]
তথ্য সূত্রঃ মাযমু ফাতাওয়া আল শাইখ ইবন বাযঃ ৮/৩৩১।
=============================

Monday, 20 October 2014

মাযার ও কবরের উদ্দেশ্যে কুরবানী, মান্নত ও হাদীয়া পেশ করা এবং এগুলোর প্রতি সম্মান প্রদর্শন



মাযার ও কবরের উদ্দেশ্যে কুরবানী, মান্নত ও হাদীয়া পেশ করা এবং এগুলোর প্রতি সম্মান প্রদর্শন
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিরকের দিকে নিয়ে যাওয়ার সকল পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। আর এ সকল পথ হতে উম্মাতকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন। এসবের মধ্যে প্রথম হলো কবরের বিষয়টি। তাই তিনি কবর যিয়ারতের এমন নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন, যাতে লোকজন কবরপূজা ও কবরবাসীদের ব্যাপারে যে কোন প্রকার বাড়াবাড়ি থেকে বেঁচে থাকতে পারে। তন্মধ্যে :

১. তিনি আওলীয়া ও পূন্যবান লোকদের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করা থেকে নিষেধ করেছেন। কেননা এ ধরনের বাড়াবাড়ি করতে করতে মানুষ তাঁদের ইবাদাতে ও উপাসনায় লিপ্ত হয়। 
তিনি বলেন:
إيَّاكُمْ وَالْغُلُوفَإنَّماَ أهْلَكَ مَنْ قَبْلَكُمْ الْغُلُوُّ.
'বাড়াবাড়ি করা থেকে বিরত থাক। কেননা তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করার ফলে ধ্বংস ও বিনাশ হয়ে গিয়েছে'[১]
لَا تَطْرُوْنِيْ كَمَا أطْرَتِ النَّصَارَى ابنَ مَرْيَمَ إنَّمَا أنَا عَبْدٌ فَقُوْلُوا عَبْدُ الله وَرَسُولُه.
আমার ব্যাপারে তোমরা বাড়াবাড়ি করো না, যে ভাবে নাসারাগণ মরিয়ম পুত্র ঈসার ব্যাপারে করেছিলো। কেননা আমি শুধু একজন বান্দা। অতএব, আমাকে আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল হিসাবে অভিহিত করো। [২]

মাযারে প্রচলিত বিদআতসমূহ


স্মরণ রেখ, শর্তহীনভাবে, নির্দিষ্ট দিন-মাস ও সময় ব্যতীত দলবদ্ধ না হয়ে কবর যিয়ারত করা পুরুষের জন্য সুন্নত। কারণ, এর মাধ্যমে তার অন্তরে মৃত্যুর স্মরণ সদা জাগ্রত থাকবে। মগ্ন হবে সে পরকাল চিন্তায়। পার্থিবের ব্যাপারে সৃষ্টি হবে নিরাসক্তি ও নৈরাশ্য। এ উদ্দেশ্য ব্যতীত ভিন্ন কোন কারণে কবর জেয়ারতে গমন অবৈধ সর্বৈবে। 
কবর জেয়ারতের উদ্দেশ্যে দূর-দূরান্ত হতে ভ্রমণ করা, কিংবা কবর জেয়ারতের জন্য দিন-মাস ও সময় নির্ধারণ করা, কবরকে কেন্দ্র করে উৎসব ও ওরস যাপন, তাতে আলোকসজ্জা, কেবল কবরকে উদ্দেশ্য করে কবরস্থানে মসজিদ নির্মাণ, নারীদের কবর জেয়ারতে গমন, (এ নিষেধাজ্ঞা কেবল এমন নারীর জন্য, যে তথায় গমন করে শরিয়ত বিরোধী কাজে অংশ নেয় ; যার উদ্দেশ্য কবর জেয়ারতের মাধ্যমে মৃত্যুর স্মরণ করা, পরকালের চিন্তা মনে জাগ্রত রাখা, তার জন্য অবৈধ নয়) কবরের উপর চাদর টানান, পাকা করা, কবরস্থান বা কবরের শিয়রে মৃতের মৃত্যু তারিখ, তাদের নাম, কোরআনের আয়াত- ইত্যাদি অঙ্কন করা, কবরের উপর ...নির্মাণ, এক ...চেয়ে উঁচু কবর বানান, পুণ্যের কাজ মনে করে কবরের পাশে সালাত আদায়, কবরের পাশেই আবাস স্থাপন, মসজিদের সাথে যে আচরণ ও সম্মান প্রদর্শন কাম্য, তা কবরের সাথে করা, -এ উদ্দেশ্য করে কবরকে কেন্দ্র করে আনন্দ উদযাপন করা যে, এর মাধ্যমে কবর-বাসীর চিত্ত বিনোদন হবে, এবং সে প্রাপ্ত হবে অশেষ সওয়াব- এসব কিছুই মাকরূহ, হারাম ও চূড়ান্ত বেদআত। 

Sunday, 19 October 2014

বিদাতপন্থী সূফীদের মাঝে ২টি শিরকি-কুফুরী আকীদাহঃ


১. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুবরণ করেন নি, তিনি কবরে ‪#‎আমাদের_মতোই‬ জীবিত। 
***ইসলাম বিরোধী, অসংখ্য ক্বুরানের আয়াত ও সহীহ হাদীস বিরোধী কুফুরী কথা।
২. কবরের কাছে গিয়ে মৃত মানুষের কাছে সাহায্য চাওয়া, টাকা-পয়সা চাওয়া, খাবার চাওয়া, কারো বিরুদ্ধে বিচার চাওয়া, সুপারিশ বা দুয়া চাওয়া, রোগ হলে চিকিৎসা চাওয়া জায়েজ।
***নাউযুবিল্লাহ, কবর পূজারীদের শিরকি কথা।
‪#‎সূফীরা‬ হচ্ছে ৭২টি ভ্রান্ত ফেরকার অন্তর্ভুক্ত বেদাতী একটি দল, যাদের মাঝে অনেক বড়বড় শিরকি ও কুফুরী আকীদাহ আছে। সূফীদের অনেক তরীকাহ, দল ও ফেরকাহ আছে। তবে ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্থানের সূফীবাদীরা মোটামুটি দেওবন্দী ও বেরেলবী এই দুইটি মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে ২টি বড় দলে ভাগ হয়েছে। এই দুই দলই নিজেদেরকে ‪#‎হানাফী‬ ও ‪#‎সুন্নী‬ দাবী করে, কিন্তু নিজেদের মাঝে তাদের অনেক ঝগড়া-বিবাদ আছে। তবে, এই ২ দলের মাঝেই কমন অনেক শিরকী ও কুফুরী আকীদাহ আছে, যার মাঝে ২টা ভ্রান্ত বিশ্বাস উপরে বর্ণনা করা হয়েছে।
১. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবিত নাকি মৃত?
আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষণা, নবী সাঃ একজন মানুষ, সাথে সাথে তিনি আল্লাহর নবীঃ

Friday, 17 October 2014

সূফি তরিকা এবং তাদের সাথে অংশগ্রহণ - শাইখ সালিহ আল মুনাজ্জিদ




সূফি তরিকা এবং তাদের সাথে অংশগ্রহণ - শাইখ সালিহ আল মুনাজ্জিদ

সূফি তরিকাসমূহ যেমনঃ সায়ারি’য়া, তারিকা, হাকিকা এবং মা’রিফা; এই তরিকাগুলো কি সত্যিই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবাগণ(রাদিয়াল্লাহু আনহুম) দের শিক্ষা দিয়েছেন?

প্রশংসা আল্লাহর জন্যে,

আমরা অবশ্যই জেনে নিব যে, আল-সুফিয়াহ (সূফিবাদ) শব্দটি দ্বারা ওলের তৈরি পোশাক পরিধান করাকে (আরবি শব্দ ‘সুফ’ মানে ‘উল’) বুঝায় এবং এছাড়া কিছু নয়।

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রাহিমাহুল্লাহ বলেন, ‘আল-সুফিয়াহ’ (সুফিবাদ) শব্দটি দ্বারা ওলের তৈরি পোশাক পরিধান করাকে নির্দেশ করে, এটাই সঠিক অর্থ। বলা হয়ে থাকে, এটি এসেছে ‘সাফওয়াত আল-ফুকাহা’ (ফুকাহাদের মধ্যে বিশিষ্ট) শব্দটি থেকে অথবা ‘সূফা ইবন আদ ইবন তানিযা’ নামক আরব গোত্র থেকে, যারা তাদের আত্মবিস্মৃতি’র (asceticism) জন্য বিখ্যাত ছিল। আরও বলা হয়ে থাকে এটি এসেছে ‘আহল আল-সুফফা’ (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়কার মদীনার দরিদ্র মুসলিমগণ, যারা মসজিদে থাকতেন) থেকে, অথবা ‘আল-সাফা’ (মক্কার সাফা পর্বত ), অথবা ‘আল-সাফওয়া’ (মানে বিশিষ্ট) অথবা ‘আল-সাফ আল-মুক্বাদ্দাম বায়না ইদায় আল্লাহ’ (আল্লাহর কাছে সম্মানিত দল) নামক শব্দ থেকে। এই সমস্ত মতগুলো হল দইফ বা দূর্বল; যদি এর একটিও সঠিক হতো তাহলে শব্দটি হতো ‘সাফফি’ অথবা ‘সাফা’য়ি’, সুফি নয়। মাজমু আল ফাতাওয়া ১১/১৯৫

Tuesday, 9 September 2014

সত্যি কথা বললে মানুষ গালি দেয়




বিসমিল্লাহ, ওয়ালহা'মদুলিল্লাহ, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আ'লা রাসূলিল্লাহ। আম্মা বা'দ।
বর্তমান যুগে অবস্থা এমন হয়েছে আপনি যদি...

১. আওয়ামীলীগের খুন/ধর্ষণ/লোটপাটের বিরুদ্ধে বলেন – তাহলে আপনি জংগি/জামাত/শিবির/রাজাকার।

Monday, 25 August 2014

বিদাতপন্থী সূফীদের মাঝে ২টি শিরকি-কুফুরী আকীদাহঃ



১. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুবরণ করেন নি, তিনি কবরে ‪#‎আমাদের_মতোই‬ জীবিত। ***ইসলাম বিরোধী, অসংখ্য ক্বুরানের আয়াত ও সহীহ হাদীস বিরোধী কুফুরী কথা।
২. কবরের কাছে গিয়ে মৃত মানুষের কাছে সাহায্য চাওয়া, টাকা-পয়সা চাওয়া, খাবার চাওয়া, কারো বিরুদ্ধে বিচার চাওয়া, সুপারিশ বা দুয়া চাওয়া, রোগ হলে চিকিৎসা চাওয়া জায়েজ।
***নাউযুবিল্লাহ, কবর পূজারীদের শিরকি কথা।
‪#‎সূফীরা‬ হচ্ছে ৭২টি ভ্রান্ত ফেরকার অন্তর্ভুক্ত বেদাতী একটি দল, যাদের মাঝে অনেক বড়বড় শিরকি ও কুফুরী আকীদাহ আছে। সূফীদের অনেক তরীকাহ, দল ও ফেরকাহ আছে। তবে ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্থানের সূফীবাদীরা মোটামুটি দেওবন্দী ও বেরেলবী এই দুইটি মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে ২টি বড় দলে ভাগ হয়েছে। এই দুই দলই নিজেদেরকে ‪#‎হানাফী‬ ও ‪#‎সুন্নী‬ দাবী করে, কিন্তু নিজেদের মাঝে তাদের অনেক ঝগড়া-বিবাদ আছে। তবে, এই ২ দলের মাঝেই কমন অনেক শিরকী ও কুফুরী আকীদাহ আছে, যার মাঝে ২টা ভ্রান্ত বিশ্বাস উপরে বর্ণনা করা হয়েছে।

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...