Showing posts with label মুহররম ও আশুরার ফজিলত. Show all posts
Showing posts with label মুহররম ও আশুরার ফজিলত. Show all posts

Saturday, 22 July 2023

আশুরার দিন 'শোক' বা 'কালো দিন' নয় বরং বিজয় ও কৃতজ্ঞতা আদায়ের দিন:



হাদিসের সুস্পষ্ট বক্তব্য, আশুরার দিন আল্লাহ তাআলা মুসা আলাইহিস সালাম ও তার অনুসারী বনী ইসরাইলকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তাগুত নিজেকে 'সুউচ্চ রব' দাবীদার অহংকারী শাসক ফেরাউন এবং তার বিশাল সেনাবাহিনীর কবল থেকে রক্ষা করেছিলেন। যার প্রেক্ষিতে কৃতজ্ঞতা প্রকাশার্থে মুসা আলাইহিস সালাম সে দিন রোযা রেখেছিলেন। তার ধারাবাহিকতায় আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ দিন রোযা রেখেছেন এবং তার উম্মতকে রোযা রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন।

সুতরাং নি:সন্দেহে এ দিনটি শত্রুর উপর বিজয় ও আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা আদায়ের দিন।

হ্যাঁ, ইতিহাসের এক ক্রান্তি লগ্নে ৬১ হিজরির এ দিনে হুসাইন রা. নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন। এতে নি:সন্দেহে মুসলিম বিশ্ব ব্যথিত ও মর্মাহত। কিন্তু ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায়, সাহাবীদেরকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়েছিল। যেমন: হুসাইন রা. এর পিতা ৪র্থ খলীফা আলী রা., ৩য় খলীফা উসমান রা, মুসলিম জাহানের সবচেয়ে ক্ষমতাধর খলীফা উমর ইবনুল খাত্তাব রা. প্রমূখ সাহাবীগণের নির্মম ও হৃদয় বিদারক হত্যাকাণ্ড, বীরে মাউনার ঘটনায় ৭০জন হাফেজে কুরআন সাহাবীর নির্মম হত্যাকাণ্ড, ওহুদের প্রান্তরে ৭০জন সাহাবীর শাহাদত বরণ....ইত্যাদি অসংখ্য ঘটনা।

সুতরাং কারো নিহত হওয়া বা শাহাদাত বরণের দিনকে যদি 'শোক ও কালো দিবস' হিসেবে গ্রহণ করতে হয় তাহলে উপরের সবগুলো দিনকেই ধরতে হয়। কিন্তু ইসলামে 'কালো দিবস' বা 'শোক দিবস' বলে কিছু নেই। কেননা যারা আল্লাহর জন্য জীবনকে সমর্পণ করে তারা কখনো শোকে হতবিহবল হয় না, তারা কোনও দিনকে 'কালো দিন' মনে করে না। ইসলামের জন্য আত্মত্যাগ-শাহাদাত বরণ অতি গৌরবের, সফলতার এবং প্রতিটি মুমিন জীবনের এক পরম কাঙ্ক্ষিত বিষয়।

সুতরাং আসুন,

শিয়াদের কণ্ঠে কণ্ঠ না মিলেয়ে

এবং তাদের দেখানো অভিশপ্ত রাস্তায় না চলে

মিথ্যার উপর সত্যের বিজয়ের দিনে...

ফেরাউনের মত তাগুতের পতনের দিনে...

মুসা আলাইহিস সালাম ও তার অনুসারী বনি ইসরাইলের আনন্দের দিনে...

আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অনুসরণে...

আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায়ের অংশ হিসেবে আশুরার সিয়াম পালন করি এবং এর মাধ্যমে আমাদের পূর্বের এক বছরের গুনাহ মোচনের জন্য চেষ্টা করি।

নিশ্চয় আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল

আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক বুঝ দান করুন।আমীন।

-আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি

Sunday, 23 August 2020

প্রশ্ন: আশুরা তথা মুহররমের ১০ তারিখে রোযা রাখার ফযিলত কি? এ দিন ভালো খাবারের আয়োজন করলে সারা বছর ভালো খাওয়া যায়-এ কথা কি ঠিক?


▬▬▬◄❖►▬▬▬
উত্তর:
◈◈ আশুরার রোযা রাখার ফযিলত:
বিশুদ্ধ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আশুরা তথা মুহররম মাসের ১০ তারিখে রোযা রাখলে আশা করা যায়, আল্লাহ তাআলা পেছনের এক বছরের গুনাহ মোচন করে দিবেন। যেমন হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
আবু কাতাদা রা. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করে বলেন:
ثَلاثٌ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَرَمَضَانُ إِلَى رَمَضَانَ فَهَذَا صِيَامُ الدَّهْرِ كُلِّهِ صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ وَصِيَامُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ
“প্রতি মাসে তিন দিন এবং এক রমাযান থেকে আরেক রমাযান পর্যন্ত রোযা রাখলে সারা বছর রোযা রাখার সাওয়াব অর্জিত হয়। আরাফার দিন রোযা রাখলে আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর বিনিময়ে পেছনের এক বছরের এবং সামনেরে এক বছরের (মোট দু বছরের) গুনাহ মোচন করবেন। আর আশুরার দিন (মুহররম মাসের ১০ তারিখে) রোযা রাখলে আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর বিনিময়ে পেছনের এক বছরের গুনাহ মোচন করবেন।” (সহীহ মুসলিম হা/১১৬২)
➤ উল্লেখ্য যে, ৯ ও ১০- দু দিন রোযা রাখা অধিক উত্তম। তবে কোনো কারণে ৯ তারিখে রোযা রাখা সম্ভব না হলে ১০ ও ১১ তারিখে রাখা জায়েজ।
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহঃ বলেন: ”মাসের শুরু চিনতে অসুবিধা হলে (৯, ১০ ও ১১ এ) তিন দিন রোযা রাখবে। যেন ৯ ও ১০ তারিখে রোযা নিশ্চিতভাবে সম্পন্ন করা যায়। (মুগনী ৩/১৭৪)
◈◈ আশুরার দিন ভালো খাবারের আয়োজন করা:
‘আশুরার দিন ভালো খাবার খেলে বা মানুষকে খাওয়ালে সারা বছর ভালো খাওয়া যাবে’ এটি একটি বাতিল ও কুসংস্কার পূর্ণ কথা। আল্লাহর দুশমন শিয়া রাফেযী সম্প্রদায়ের পক্ষ এ সব কথা আবিষ্কার করে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে আর দ্বীনের বিশুদ্ধ জ্ঞান বঞ্চিত অজ্ঞ-মূর্খ মানুষেরা এ সব কথায় বিশ্বাস করে। জাহেল বিদআতিরা শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত (কথিত শবে বরাত) সম্পর্কেও এ ধরণের কথাবার্তা বলে থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এ সব কথা ভিত্তিহীন ও বাতিল।
মোটকথা, ‘এক দিন ভালো খাবার খেলে সারা বছর ভালো খাবার খাওয়া যাবে’- এই জাতীয় কথা ইসলাম আদৌ সমর্থন করে না-উপলক্ষ যাই হোক না কেন।
উল্লেখ্য যে, আশুরার দিন নিজের জন্য বা পরিবারের জন্য খোলা হাতে খরচ করা বা ভালো খাবার-দাবারের আয়োজন করার ব্যাপারে কিছু হাদিস পাওয়া যায় কিন্তু সেগুলো একটিও সহিহ নয় বরং সবগুলো জঈফ বা দুর্বল।
------------------------
🌀 শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায রহঃ কে প্রশ্ন করা হল:
প্রশ্ন: শিয়ারা আশুরার দিন যে খাবার রান্না করে তা কি খাওয়া জায়েজ হবে? উল্লেখ্য যে, তারা বলে, এই খাবারটা আল্লাহর উদ্দেশ্যে কিন্তু খাবারের সওয়াব হুসাইন রা. এর উদ্দেশ্য।
আরেকটি কথা হল, আমি যদি তাদের খাবারটা গ্রহণ না করি, তাহলে এতে আমার সমস্যা বা বিপদ হতে পারে। কারণ আমি ইরাকে আছি। আর আপনারা জানেন, তারা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ এর সাথে কেমন আচরণ করে।
◈ উত্তরে তিনি বলেন:
"هذا منكر شنيع وبدعة منكرة ، يجب تركه ولا تجوز المشاركة فيه ، ولا يجوز الأكل مما يقدم فيه من الطعام ".
وقال : " ولا تجوز المشاركة فيه , ولا الأكل من هذه الذبائح ، ولا الشرب من هذه المشروبات ، وإن كان الذابح ذبحها لغير الله من أهل البيت أو غيرهم فذلك شرك أكبر ؛ لقول الله سبحانه : ( قُلْ إِنَّ صَلاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ - لا شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ) الأنعام/162-163،
وقوله سبحانه : ( إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ ) الكوثر /1-2 "
انتهى من "فتاوى الشيخ عبد العزيز ابن باز" (8/320)
“এটি একটি মারাত্মক অন্যায় ও জঘন্য বিদআত। এটি বর্জন করা ওয়াজিব (অবশ্য কর্তব্য)। এতে অংশ গ্রহণ করা জায়েজ নাই এবং এ দিন যে খাবার পরিবেশন করা হয় তা খাওয়া জায়েজ নাই।
তিনি আরও বলেন:
“এতে অংশ গ্রহণ করা জায়েজ নাই। তাদের এ এসব জবেহ কৃত প্রাণীর গোস্ত খাওয়া বা পানীয় পান করা জায়েজ নাই। আর যদি পশুগুলো জবেহ করে গাইরুল্লাহ তথা আহলে বাইত বা অন্য কারো উদ্দেশ্যে তাহলে এটি শিরকে আকবর (বড় শিরক)। আল্লাহ তাআলা বলেন:
قُلْ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّـهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ - لَا شَرِيكَ لَهُ ۖ وَبِذَٰلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ
“আপনি বলুন: আমার সালাত, আমার কুরবানি এবং আমার জীবন ও মরণ বিশ্ব-প্রতিপালক আল্লাহরই জন্যে। তাঁর কোন অংশীদার নেই। আমি তাই আদিষ্ট হয়েছি এবং আমি প্রথম আনুগত্য শীল।” (সূরা আনআম: ১৬২)
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন:
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ
“অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কুরবানি করুন।” (সূরা কাওসার: ২) [ফাতাওয়া শাইখ বিন বায ৮/৩২০]
আল্লাহু আলাম।
▬▬▬◄❖►▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
জুবাইল, সৌদি আরব

Tuesday, 17 September 2019

আশুরা তথা মুহররমের ১০ তারিখে রোযা রাখার ফযিলত কি? এ দিন ভালো খাবারের আয়োজন করলে সারা বছর ভালো খাওয়া যায়-এ কথা কি ঠিক?


▬▬▬◄❖►▬▬▬
উত্তর:
◈◈ আশুরার রোযা রাখার ফযিলত:
বিশুদ্ধ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আশুরা তথা মুহররম মাসের ১০ তারিখে রোযা রাখলে আশা করা যায়, আল্লাহ তাআলা পেছনের এক বছরের গুনাহ মোচন করে দিবেন। যেমন হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
আবু কাতাদা রা. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করে বলেন:
ثَلاثٌ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَرَمَضَانُ إِلَى رَمَضَانَ فَهَذَا صِيَامُ الدَّهْرِ كُلِّهِ صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ وَصِيَامُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ
“প্রতি মাসে তিন দিন এবং এক রমাযান থেকে আরেক রমাযান পর্যন্ত রোযা রাখলে সারা বছর রোযা রাখার সাওয়াব অর্জিত হয়। আরাফার দিন রোযা রাখলে আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর বিনিময়ে পেছনের এক বছরের এবং সামনেরে এক বছরের (মোট দু বছরের) গুনাহ মোচন করবেন। আর আশুরার দিন (মুহররম মাসের ১০ তারিখে) রোযা রাখলে আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর বিনিময়ে পেছনের এক বছরের গুনাহ মোচন করবেন।” (সহীহ মুসলিম হা/১১৬২)
➤ উল্লেখ্য যে, ৯ ও ১০- দু দিন রোযা রাখা অধিক উত্তম। তবে কোনো কারণে ৯ তারিখে রোযা রাখা সম্ভব না হলে ১০ ও ১১ তারিখে রাখা জায়েজ।
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহঃ বলেন: ”মাসের শুরু চিনতে অসুবিধা হলে (৯, ১০ ও ১১ এ) তিন দিন রোযা রাখবে। যেন ৯ ও ১০ তারিখে রোযা নিশ্চিতভাবে সম্পন্ন করা যায়। (মুগনী ৩/১৭৪)
◈◈ আশুরার দিন ভালো খাবারের আয়োজন করা:

Wednesday, 22 October 2014

মুহররম ও আশুরার ফজিলত




الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على نبينا محمد خاتم الأنبياء وسيد المرسلين وعلى آله وصحبه أجمعين وبعد: 

মুহররম, একটি মহান বরকতময় মাস। হিজরি সনের প্রথম মাস । এটি ‘আশহুরে হুরুম’ তথা হারামকৃত মাস চতুষ্টয়ের অন্যতম। আশহুরে হুরুম সম্বদ্ধে আল্লাহ তাআলা বলেন, 
إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِنْدَ اللَّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِي كِتَابِ اللَّهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ فَلَا تَظْلِمُوا فِيهِنَّ أَنْفُسَكُمْ ﴿36﴾[التوبة:36].
নিশ্চয় মাসসমূহের গণনা আল্লাহর কাছে বার মাস আল্লাহর কিতাবে, (সেদিন থেকে) যেদিন তিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্য থেকে চারটি সম্মানিত, এটাই প্রতিষ্ঠিত দীন। সুতরাং তোমরা এ মাসসমূহে নিজদের উপর কোন জুলুম করো না।{সূরা তাওবা:৩৬} 
সাহাবি আবু বাকরাহ রা. নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, নবীজী বলেন, 
{السَّنَةُ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ: ثَلاثَةٌ مُتَوَالِيَاتٌ ذُو الْقَعْدَةِ وَذُو الْحِجَّةِ وَالْمُحَرَّمُ، وَرَجَبُ مُضَرَ الَّذِي بَيْنَ جُمَادَى وَشَعْبَانَ } [رواه البخاري 2958]
বছর হলো বারোটি মাসের সমষ্টি, তার মধ্যে চারটি অতি সম্মানিত। তিনটি পর পর লাগোয়া জিলকদ, জিলহজ ও মুহররম আর (চতুর্থটি হলো) জুমাদাস সানি ও শাবানের মধ্যবর্তী রজব। {বোখারি:২৯৫৮}
মুহররমকে মুহররম বলে অভিহিত করা হয়েছে কারণ এটি অতি সম্মানিত। 

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...