এই পৃষ্ঠাগুলো ইন্টারনেট এবং ইন্টারনেটের শুভ ও কল্যাণকর ব্যবহার কীভাবে সম্ভব সে বিষয়ে কিছু ধারণার সন্নিবেশ। আশা করি এ প্রবন্ধে নিম্নবর্ণিত পয়েন্টগুলোর প্রতি আলোকপাত করতে সক্ষম হব:
১- ইন্টানেট একটি পরীক্ষা।
২- কীভাবে ইন্টারনেটের সদ্ব্যবহার সম্ভব।
৩- শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ থেকে সতর্কতা।
৪- সময় নির্দিষ্টকরণ ও উদ্দেশ্য নির্ণয়।
৫- শেষ ফলাফলের প্রতি দৃষ্টি।
৬- দৃষ্টি অবনত রাখা।
৭- নিশ্চিত হওয়া।
৮- ভেবে-চিন্তে অভিমত ব্যক্ত করা।
৯- উপাস্থাপনে ভারসাম্যতা।
১০- যা উপকারী তা পেশ করায় অংশ গ্রহণ।
১১- অন্যায়ের প্রতিবাদ।
১২- কিছু জিজ্ঞাসা
আল্লাহর উপর ভরসা করে তাহলে আলোচনা শুরু করা যাক।
ইন্টারনেট তথ্যজগতে একটি বিশাল আন্দোলন নিঃসন্দেহে। তবে এই তথ্যজগতটি ইমান আখলাক এমনকী বিবেক-বুদ্ধি পরীক্ষার একটি বিশাল ময়দানও বটে। যা শুভ ও কল্যাণকর তাও এখানে পুরোরূপে উন্মুক্ত, যা অশুভ-অকল্যাণকর তাও এখানে নানা ব্যঞ্জনে উপস্থাপিত। যে ইন্টানেট ব্যবহার করে সে তার জিহ্বা নির্বাধভাবে ছেড়ে দিতে পারে, সে তার দৃষ্টি যেখানে ইচ্ছা সেখানেই ঘুরাতে পারে, সে তার হাত দিয়ে যা চায় তাই লিখতে পারে। তাকে নিবারণকারী কেউ নেই, তাকে ধমক দেওয়ারও কেউ নেই, না আছে কেউ থামিয়ে দেয়ার।
সে যদি ঊর্ধ্বে উঠতে সক্ষম হয়, পরিণামের প্রতি দৃষ্টি দেয়, তার প্রতিপালক তাকে দেখছেন এই বিশ্বাস হৃদয়ে জাগ্রত রাখে, তবে সে সফলতার সাথে প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে সামনে এগুতে সক্ষম হবে।
আর যদি সে নিজের লাগাম ছেড়ে দেয়, তার খায়েশ যেদিকে তাড়িত করে সেদিকে ধাবমান হয়, ইমান ও তাকওয়ার প্রহরী তার হৃদয় থেকে বিতারিত হয়, তাহলে আবর্জনার স্তুপে ঢুকে যাওয়ার সমূহ আশঙ্কা থেকে যায়, আর এর অশম্ভাবী পরিণতি হল অপদস্ততা, সুভদ্রতার মৃত্যু, নিকৃষ্টতা ও পঙ্কিলতায় নাক ঘর্ষণ।
.jpg)