পরম করুণাময় অসীম দয়ালু মহান আল্লাহ’র নামে শুরু করছি।
যাবতীয় প্রশংসা বিশ্বজগতের মহান প্রভু আল্লাহ’র জন্য। যিনি নিজে মহাপবিত্র, আর পবিত্র ও হালাল বস্তু ছাড়া তিনি গ্রহণও করেন না। [সাহীহ মুসলিম, হা/১০১৫; যাকাত অধ্যায়; পরিচ্ছেদ- ১৯]
অজস্র দয়া ও শান্তি অবতীর্ণ হোক প্রাণপ্রিয় নাবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহর প্রতি। যিনি বলেছেন, “যা তোমাকে দেয়া হয়নি, তা দেয়া হয়েছে বলা ঐরূপ প্রতারকের কাজ, যে প্রতারণার জন্য দু’প্রস্থ মিথ্যার পোশাক পরিধান করেছে।”
[সাহীহ বুখারী, হা/৫২১৯; সাহীহ মুসলিম, হা/২১৩০]
[সাহীহ বুখারী, হা/৫২১৯; সাহীহ মুসলিম, হা/২১৩০]
·
প্রারম্ভিকা:
লেখা, ভাব, ভাষা, চিন্তা, গবেষণা প্রভৃতি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ (ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি), যা অনুমতি ছাড়া নিজের নামে চালানো সম্পূর্ণরূপে ক্রাইম এবং অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ ও চুরি করার শামিল। এটাও এক ধরণের চৌর্যবৃত্তি বা তস্করবৃত্তি, যা শরী’আহর দৃষ্টিতে হারাম। অথচ বর্তমানে অনেকেই নির্দ্বিধায় এই গর্হিত কাজটি করে যাচ্ছেন। এমনকি অনেকে নিতান্তই অজ্ঞতার পরিচয় দিয়ে এটাকে বৈধ পর্যন্ত মনে করছেন।
মনে পড়ে, এক সালাফী দাবিদার ভাই বলেছিলেন, ফেসবুকে অন্যের গবেষণালব্ধ পোস্ট অনুমতি ছাড়া কপি করা বৈধ, যেহেতু এতে দা’ওয়াতী কাজ হচ্ছে! লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ। ইসলামী দা’ওয়াহ কি তবে নিকৃষ্ট চৌর্যবৃত্তির মুখাপেক্ষী?! আল ‘ইয়াযু বিল্লাহ। অনেক সালাফী ভাইয়ের দ্বারাও জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে এহেন অন্যায় কাজ সঙ্ঘটিত হচ্ছে। অথচ এক্ষেত্রে আমাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যেহেতু এটা একটা আমানাত, ‘ইলমী আমানাত। প্রিয় পাঠক, বক্ষমান ছোট্ট আর্টিকেলটিতে আমরা উম্মাহর সর্বশ্রেষ্ঠ ‘আলিমদের ক্বওল উল্লেখপূর্বক এই বিষয়ে কিঞ্চিত আলোচনা করার প্রয়াস পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ। মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকুন, পুরো বিষয়টি আপনার কাছে সুস্পষ্ট হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আপনার উপর দয়া বর্ষণ করুন।