পরম করুণাময় অসীম দয়ালু মহান আল্লাহ’র নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক মহান আল্লাহর জন্য। শতসহস্র দয়া ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রাণাধিক প্রিয় নাবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহর প্রতি। অতঃপর:
শির্কের অন্যতম একটি প্রকার হলো আনুগত্যের শির্ক। আনুগত্য পাওয়ার নিরঙ্কুশ অধিকার কেবল আল্লাহর। এক্ষেত্রে অন্যায়ভাবে আল্লাহর বিরুদ্ধাচরণ করে অন্যের আনুগত্য করা শির্কের আওতাভুক্ত। ‘উলামা ও পীর-দরবেশের অন্যায় আনুগত্য যেমন শির্কের অন্তর্ভুক্ত, আমীর-উমারা ও শাসকদের অন্যায় আনুগত্যও তেমনি শির্কের অন্তর্ভুক্ত। যেমন আল্লাহ বলেছেন, وَإِنَّ الشَّيَاطِينَ لَيُوحُونَ إِلَىٰ أَوْلِيَائِهِمْ لِيُجَادِلُوكُمْ ۖ وَإِنْ أَطَعْتُمُوهُمْ إِنَّكُمْ لَمُشْرِكُونَ “আর শয়তানরা তাদের বন্ধুদেরকে প্ররোচনা দেয়, যাতে তারা তোমাদের সাথে বিবাদ করে। যদি তোমরা তাদের আনুগত্য করো, তবে নিশ্চয় তোমরা মুশরিক।” (সূরাহ আন‘আম: ১২১)
হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, ‘আদী বিন হাতেম (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু) হতে বর্ণিত আছে, একদা তিনি শুনলেন, রাসূল ﷺ পাঠ করছেন, اتَّخَذُوا أَحْبَارَهُمْ وَرُهْبَانَهُمْ أَرْبَابًا مِنْ دُونِ اللَّهِ “তারা (ইহুদি ও খ্রিষ্টান জাতির লোকেরা) আল্লাহর পরিবর্তে তাদের ধর্মীয় নেতা ও পুরোহিতদেরকে রব হিসেবে বরণ করে নিয়েছিল।” (সূরাহ তাওবাহ: ৩১) তখন আমি নবীজিকে বললাম, ‘আমরা তো তাদের ইবাদত করি না।’ তিন বললেন, ‘আচ্ছা আল্লাহর হালাল ঘোষিত জিনিসকে তারা হারাম বললে, তোমরা কি তা হারাম হিসেবে গ্রহণ করো না? আবার আল্লাহর হারাম ঘোষিত জিনিসকে তারা হালাল বললে, তোমরা কি তা হালাল হিসেবে গ্রহণ করো না? তখন আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি তখন বললেন, ‘এটাই তাদের ইবাদত।’ [তিরমিযী, হা/৩০৯৫; সনদ: হাসান]
কিন্তু এই শির্কের মানদণ্ড কী, আর কখন অন্যায় আনুগত্য বড়ো শির্ক হয়, কখনই বা ছোটো শির্ক হয়—তা জানা খুবই জরুরি। এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনার জন্য আমরা ‘উলামাদের থেকে তিনটি বক্তব্য পেশ করছি।
·
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ৭২৮ হি.] বলেছেন—
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ৭২৮ হি.] বলেছেন—




.jpg)






