Showing posts with label নাশিদ/ইসলামিক গান/ গজল/কাওয়ালী. Show all posts
Showing posts with label নাশিদ/ইসলামিক গান/ গজল/কাওয়ালী. Show all posts

Sunday, 9 November 2014

প্রশ্নঃ ইসলামী সংস্কৃতিতে ‘গান’ কখন জায়েজ?

প্রশ্নঃ ইসলামী সংস্কৃতিতে ‘গান’ কখন জায়েজ?
উত্তরঃ ঈদের দিনে এবং বিয়ের খুশি উপলক্ষ্যে নাবালিকা ছোট মেয়েরা গান গাইতে পারে এবং শুধুমাত্র ‪#‎নারীরা‬ সেইগুলো শুনতে পারে।
গান পুরুষদের কোন বিষয় না, ইসলামে এটা মেয়েদের জন্য খাস করা হয়েছে। প্রাচীনকালের আলেমদের মাঝে অনেক ফকীহ মত দিয়েছেন, যেই সমস্ত পুরুষেরা গান গাইতে অভ্যস্ত আদালতে তাদের স্বাক্ষ্য নেওয়া যাবেনা। উল্লেখ্য, ফাসেক বা বড় রকমের পাপীদের স্বাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়। পথভ্রষ্ট বেদাতী সূফীরা মুসলমানদের মাঝে গজল, নাশীদ, সামা, কাওয়ালী ইত্যাদি নাম দিয়ে বেদাতী/হারাম গান-বাজানাকে ‘ইসলামিক’ লেবাস লাগিয়ে ফেতনা সৃষ্টি করেছে।
ইসলামিক টিভি, দিগন্ত টিভি, পীস টিভি যেই টিভিতেও এইগুলো দেখানো হোকনা কেনো – যেটা হারাম সেটা হারাম। দয়া করে ফাসেক ও অজ্ঞ লোকদের কাজ-কারবারকে ইসলাম বলে ধোঁকা খাবেন না।
এমন কবিতা যা মানুষকে আল্লাহর দিকে ধাবিত করে, সেইগুলো বিশেষ উপলক্ষে পুরুষদের জন্যও কখনো আবৃত্তি করে শোনানো জায়েজ হতে পারে। গান আর কবিতা আলাদা জিনিস। গানে সুন্দর সুর দিয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করা হয়, কিন্তু কবিতাতে বুদ্ধিমত্তাপূর্ণ জ্ঞানের কথা বলা হয়। বর্তমানে মোবাইলে, কম্পিউটারে গজল, ইসলামী সংগীত, নাশীদ নামে হারাম ও বেদাতের ফেতনা চলছে যা মানুষকে ক্বুরান থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার শয়তানী ষড়যন্ত্র। সর্বশেষ, আল্লামাহ সালেহ আল-ফাউজান হাফিজাহুল্লাহর বক্তব্য দিয়ে এই বিষয়ের উপরে আমার বক্তব্য শেষ করবো, যার ইচ্ছা ওলামাদের উপদেশ নিয়ে নিজেকে হেফাজত করবেন, যার ইচ্ছা প্রবৃত্তির অনুসরণ করে মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন –
“যেহেতু এইগুলোর (নাশিদ/গজল/ইসলামিক সংগীতের) কোনো ভিত্তি নেই সুতরাং এটা একটা ফিতনাহ। তাদের উচিত হচ্ছে কুরআনুল কারীমের তেলাওয়াত শোনা। অনুরূপভাবে ইসলামি শিক্ষামূলক ওয়াজ, লেকচার শোনা। নাশিদের জন্য সময় অপচয় করা ঠিকনা। এতে কোনো কল্যান নেই, বিনোদন ছাড়া।

২. প্রশ্নঃ ‘ইকামত’ কি একটু বলা যায়?

Friday, 24 October 2014

গান-বাদ্য ও এর কুপ্রভাব




গত কয়েক বছরে নাচ-গানের চর্চা অকল্পনীয় মাত্রায় বেড়েছে। দেশে যেখানে শিক্ষা-গবেষণা ও সুনাগরিক তৈরিতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি নেই, পর্যাপ্ত বিনিয়োগ নেই, সেখানে চরিত্রবিধ্বংসী নাচ-গানের পেছনে অনুদান বা বিনিয়োগ তথা আগ্রহের অন্ত নেই। যেখানে রোজই চিকিৎসার অর্থ না পেয়ে মৃত্যুর জন্য প্রহরগোনা অসহায় মানুষের করুণ মুখ পত্রিকায় ছাপা হয় সেখানেই বহুজাতিক কোম্পানি ও বড় বড় ব্যবসায়িক ইন্ডাস্ট্রিগুলো তাদের উপার্জিত অর্থের অনেকটাই ঢালে নৃত্য ও সঙ্গীতের পেছনে! এখনো যেখানে বিরাটসংখ্যক মানুষের বাস দারিদ্রসীমার নিচে, আজো যারা পেটের আগুন নেভাতে গিয়ে নিজের ঈমান পর্যন্ত বিকিয়ে দিতে বাধ্য হয়, সেখানকারই একশ্রেণীর নাগরিক নির্দ্বিধায় পঞ্চাশ হাজার টাকায় কেনে এক সন্ধ্যার কনসার্টের টিকেট! যেখানে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক নয়, সেখানে আবার অনেক কিন্ডারগার্টেনে নিষ্পাপ শিশুদের নৃত্য ও সঙ্গীত শেখা বাধ্যতামূলক! আমরা যে আজ নাচ-গানে কতটা মেতেছে তা প্রমাণে বোধ হয় আর কিছু বলার দরকার নাই। তারপরও খানেকটা ইঙ্গিত দেয়া যাক। 

Monday, 20 October 2014

মিউজিক কি হারাম ?


আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কুরআন মাজিদে বলেন, 
“এক শ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে পথভ্রষ্ট করার উদ্দেশ্যে অবান্তর কথাবার্তা সংগ্রহ করে অন্ধভাবে এবং উহাকে(আল্লাহর পথ) নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করে। এদের জন্যে রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি”। [৩১-৬]

আল-ওয়াহিদি (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা), অন্যান্য তাফসীরকারগণের সাথে ব্যাখ্যা করেন যে, এই আয়াতে “অবান্তর কথাবার্তা” বলতে গান সঙ্গীতকে বুঝানো হয়েছে। যেসকল সাহাবাগণ এই ব্যাখ্যা প্রদান করেন তারা হলেন ইবন আব্বাস, ইবন মাসউদ, মুজাহিদ, ইকরিমা(রাদিয়াল্লাহু আনহুম)। ইবন মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, “আল্লাহর শপথ, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, ‘অবান্তর কথাবার্তা’ হল গান”।

Saturday, 11 October 2014

গান বাজনার ব্যাপারে ইসলামের হুকুম




গান বাজনার ব্যাপারে ইসলামের হুকুম
আল্লাহ তায়ালা বলেন:
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا(لقمان 6)
আর মানুষের মধ্য থেকে কেউ কেউ না জেনে আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য বেহুদা কথা খরিদ করে, আর তারা ঐগুলোকে হাসি-ঠাট্টা হিসেবে গ্রহণ করে। (সূরা লুকমান ৩১: ৬ আয়াত)।
বেশীর ভাগ তাফসীরকারকগণ ‍লাহওয়াল হাদীস বলতে গানকে বুঝিয়েছেন। 
উবনে মাসউদ রা. বলেন: উহা গান। 
ইমাম হাসান বছরী র. বলেন: উহা গান ও বাদ্য শানে নাজিল হয়েছে।
আল্লাহ তায়ালা শয়তানকে সম্বোধন করে বলেন:
وَاسْتَفْزِزْ مَنِ اسْتَطَعْتَ مِنْهُمْ بِصَوْتِكَ(الاسراء 64)
তোমার কন্ঠ দিয়ে তাদের মধ্যে যাকে পারো প্ররোচিত কর। (সূরা ইসরা ১৭: ৬৪ আয়াত)।

গানের বিধান : ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে


গানের বিধান : ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে

الحمد لله رب العالمين، وصلى الله وسلم وبارك على نبينا محمد، وعلى آله وأصحابه ومن تبعهم بإحسان إلى يوم الدين، أما بعد:
আল্লাহ তাআলা মানব জাতীকে অতীব সুন্দর আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। চোখ, কান ও অন্তর দ্বারা মানবজাতীকে সৌন্দর্য মন্ডিত করেছেন। আর ক্বিয়ামতের দিন মানব জাতির প্রত্যেককে আল্লাহ তাআলার দরবারে হাজির হতে হবে এবং জিজ্ঞাসার সম্মূখীন হতে হবে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে স্বীয় মাখলুকের মধ্যে চিন্তা-ফিকির করার যে নির্দেশ মানুষকে দিয়েছেন সে অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর মাখলুক সম্পর্কে চিন্তা- ফিকির করে, তবে সে অবশ্যই আল্লাহর সৃষ্টির মহত্ব, তার সৌন্দর্য মন্ডিত কারীগরি ও নিঁখুত আবিস্কারের পরিপূর্ণতা প্রত্যক্ষ করবে। এ কারণেই আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন,

Monday, 15 September 2014

হিন্দী নাটক-সিনেমা দেখে, গান-বাজনা দিয়ে মুসলমান ছেলে-মেয়েরা শিরকি-কুফুরীতে লিপ্ত হয়ে বেঈমান হয়ে যাচ্ছে,

হিন্দী নাটক-সিনেমা দেখে, গান-বাজনা দিয়ে মুসলমান ছেলে-মেয়েরা শিরকি-কুফুরীতে লিপ্ত হয়ে বেঈমান হয়ে যাচ্ছে,
জিনা-ব্যভিচারের ট্রেনিং দিয়ে তাদের চরিত্র নষ্ট করা হচ্ছে, অবাধ যৌনতা দিয়ে সমাজে পতিতা শ্রেণীর নারী বেড়ে যাচ্ছে। এইভাবে দুনিয়াবী ধোঁকা দিয়ে শয়তান মুসলমানদের ঈমানহারা করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

অনেকে পার্ট নিয়ে কথা বলার সময় “ইয়া আলি" কথাটা বলেন।
এক সময় ভারতীয় মুশরিকদের বানানো গান “ইয়া আলি, মাদাদ আলি” এই গানটা টিভি আছে এমন প্রত্যেকটা বাড়িতে ও মোড়ে মোড়ে সিডি ক্যাসেটের দোকানগুলোতে বাজতো।
আজকে দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় রাফেজী শিয়ারাও মাতম করেছে, ইয়া আলি, ইয়া হাসান, ইয়া হুসেইন বলে...

আপনি কি জানেন, এই ‘ইয়া আলি” শব্দটার মানে কি?
- ইয়া মানে “হে” আর আলি হচ্ছেন হযরত আলী (রাঃ)।

রাফেজী শিয়াদের একটা শিরকি আকীদা হলো, ইয়া আলী (হে আলী!) বলে আলী (রাঃ) কে ডাকলে শক্তি, সাহস পাওয়া যাবে (নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক)।

এইটা ডাইরেক্ট শিরক। যে এই আকীদা রাখবেঃ আলী (রাঃ) কে ডাকলে শক্তি, সাহস পাওয়া যাবে, বিপদে সাহায্য পাওয়া যাবে – তার ঈমান নষ্ট হয়ে সে মুশরেক হয়ে যাবে।
যারা এই আকীদা না রেখেও বলছে, বিভিন্ন গল্প, নাটক সিনেমাতে বলছে... তাদের কি হবে? শিরক হচ্ছে শিরক...

আমাদের প্রত্যেকটা কথার জন্য আমাদের জবাব দিতে হবে।
প্রতিটা কথা বুঝে শুনে বলা উচিতঃ
হাসি-ঠাট্টা বা অসতর্কভাবে বলা কোনো কথার কারণেও কেউ কেউ জাহান্নামে যাবে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “নিশ্চয়ই বান্দা পরিণাম চিন্তা না করেই এমন কথা বলে বসে যেই কথার কারণে সে জাহান্নামের এমন গভীরে ঢুকে যাবে যার দূরত্ব পূর্ব ও পশ্চিমের দূরত্বের চেয়েও বেশি।”
সহীহ আল-বুখারী, ৬৪৭৭।

সুতরাং বুঝে হোক, না বুঝে হোক – শুধু কথার কারণেও অনেকেই জাহান্নামে যাবে। আল্লাহ আমাদেরকে দুনিয়া ও আখেরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা দান করুন, আমিন।
সংগৃহীত

Saturday, 23 August 2014

নাশিদ/ইসলামিক গান/ গজল/কাওয়ালী/সামা’ নিয়ে সউদী আলেমদের ফতোয়াঃ


ফতোয়া ১:
প্রশ্নঃ শায়খ বিভিন্ন জলসা ও সমাবেশে ধফ বা কোনো মিউজিক্যাল এফেক্ট ছাড়া যে “ইসলামিক নাশিদ” গাওয়া হয় এর হুকুম কি?
উত্তরঃ এর কোনো ভিত্তি নেই, এটা একটা নতুন আবিষ্কার (বিদআ’ত)।
এই নাশিদকে ইসলামের অংশ বলা হচ্ছে এবং নাম দেওয়া হয়েছে “ইসলামিক গান”।. এর দ্বারা তারা বুঝাতে চাচ্ছে – ইসলাম এই ধরণের গানের হুকুম দিয়েছে। কিন্তু এর কোনো ভিত্তি নেই। 

Thursday, 7 August 2014

নাশিদ/ইসলামিক গান/ গজল/কাওয়ালী নিয়ে সউদী আলেমদের ফতোয়া





নাশিদ/ইসলামিক গান/ গজল/কাওয়ালী/সামা’ নিয়েসউদী আলেমদের ফতোয়াঃ
ফতোয়া ১:
প্রশ্নঃ শায়খ বিভিন্ন জলসা ও সমাবেশে ধফ বা কোনোমিউজিক্যাল এফেক্ট ছাড়া যে “ইসলামিক নাশিদ” গাওয়াহয় এর হুকুম কি?
উত্তরঃ এর কোনো ভিত্তি নেই, এটা একটা নতুন আবিষ্কার(বিদআ’ত)। 
এই নাশিদকে ইসলামের অংশ বলা হচ্ছে এবং নাম দেওয়াহয়েছে “ইসলামিক গান”।. এর দ্বারা তারা বুঝাতে চাচ্ছে– ইসলাম এই ধরণের গানের হুকুম দিয়েছে। কিন্তু এরকোনো ভিত্তি নেই। 

নাশিদ/ইসলামিক গান/ গজল/কাওয়ালী নিয়ে সউদী আলেমদের ফতোয়া





নাশিদ/ইসলামিক গান/ গজল/কাওয়ালী/সামা’ নিয়েসউদী আলেমদের ফতোয়াঃ
ফতোয়া ১:
প্রশ্নঃ শায়খ বিভিন্ন জলসা ও সমাবেশে ধফ বা কোনোমিউজিক্যাল এফেক্ট ছাড়া যে “ইসলামিক নাশিদ” গাওয়াহয় এর হুকুম কি?
উত্তরঃ এর কোনো ভিত্তি নেই, এটা একটা নতুন আবিষ্কার(বিদআ’ত)। 
এই নাশিদকে ইসলামের অংশ বলা হচ্ছে এবং নাম দেওয়াহয়েছে “ইসলামিক গান”।. এর দ্বারা তারা বুঝাতে চাচ্ছে– ইসলাম এই ধরণের গানের হুকুম দিয়েছে। কিন্তু এরকোনো ভিত্তি নেই। 

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...