Showing posts with label শিয়া আকীদাহ. Show all posts
Showing posts with label শিয়া আকীদাহ. Show all posts

Sunday, 23 July 2023

আপনি জানেন কি, শিয়ারা কেন হুসাইন রা. এর প্রতি এত দরদ দেখায়?

 


অবাক করা তথ্য!

আপনি জানেন কি? শিয়ারা কেন হুসাইন রা. এর প্রতি এত দরদ দেখায়?

▬▬▬◈◈◈▬▬▬

শিয়া সম্প্রদায় কেন আলী রা. এর ছেলেদের মধ্যে কেবল হুসাইন রা. এর এত গুণগান করে এবং তার প্রতি এত দরদ দেখায়? কখনও কি এ বিষয়ে নিজেকে প্রশ্ন করেছেন? কখনো কি বিস্ময়কর মনে হয়েছে বিষয়টি?

এই তথ্য জানার পরে বিশ্বের অনেক মুসলিম হোঁচট খেয়েছে, বিশেষ করে আরব দেশের শিয়ারা। এই প্রশ্নের উত্তর জানার আগে আসুন, আলী রা. এর সন্তানদের সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নি।

আলী রা. এর মোট ছেলে ছিল ১১ জন । তাদের নাম নিম্নরূপ:

১) হাসান বিন আলী বিন আবু তালিব

২) হুসাইন বিন আলী বিন আবু তালিব

৩) মুহসিন বিন আলী বিন আবু তালিব

৪) আব্বাস বিন আলী বিন আবু তালিব

৫) হেলাল বিন আলী বিন আবু তালিব

৬) আব্দুল্লাহ বিন আলী বিন আবু তালিব

৭) জাফর বিন আলী বিন আবু তালিব

৮) উসমান বিন আলী বিন আবু তালিব

৯) উবায়দুল্লাহ বিন আলী বিন আবু তালিব

১০) আবু বকর বিন আলী বিন আবু তালিব

১১) উমর বিন আলী বিন আবু তালিব

আপনি কি কখনও দেখেছেন, শিয়াদের পতাকায় ‘ইয়া হাসান’,‘ইয়া মুহসিন’ ‘ইয়া আব্বাস’…বা তাঁর অন্য কোন ছেলের নাম লেখা আছে? না কখনও নয়। আমরা দেখি নি।

তাহলে প্রশ্ন হল, কী করণে শুধু ‘ইয়া হুসাইন’ লেখা হয়? কেন সাহায্য প্রার্থনা করা হয় কেবল হুসাইন রা. এর কাছে? অথচ হাসান ও হুসাইন রা. সহোদর ভাই, তাদের উভয়ের মা ফাতেমা রা., উভয়ের পিতা আলী রা., উভয়েই আলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত!!

Wednesday, 15 January 2020

মুফাউয়্যিদ্বাহ ও সুন্নী-রাফিদ্বী ঐক্যকামী মুফতি থেকে ফতোয়া নেওয়ার বিধান


·
সৌদি ফতোয়া বোর্ড এবং সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ‘উলামা পরিষদের প্রবীণ সদস্য, যুগশ্রেষ্ঠ ফাক্বীহ, আশ-শাইখুল ‘আল্লামাহ, ইমাম সালিহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ) [জন্ম: ১৩৫৪ হি./১৯৩৫ খ্রি.] প্রদত্ত ফতোয়া—
প্রশ্ন: “সম্মানিত শাইখ, আল্লাহ আপনাকে সৎকর্মের তৌফিক দিন। কতিপয় আশ‘আরী, যারা তাফউয়ীদ্ব [১] করার ‘আক্বীদাহকে সালাফদের দিকে সম্পৃক্ত করে, আর মনে করে যে, আশ‘আরী ‘আক্বীদাহই হলো বিশুদ্ধ ‘আক্বীদাহ, এবং যারা রাফিদ্বী শিয়াদের সাথে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা বৈধ মনে করে—তাদের থেকে ফিক্বহ সংক্রান্ত ফতোয়া নেওয়া কি জায়েজ হবে?”
উত্তর: “না। এরকম লোক হলো নিজে ভ্রষ্ট এবং অপরকে ভ্রষ্টকারী। যে পথভ্রষ্ট ব্যক্তিবর্গের দিকে মানুষকে আহ্বান করে, আবার আল্লাহর সিফাতকে তা’উয়ীল করার দিকে মানুষকে আহ্বান করে। এ ধরনের ব্যক্তির নিকট থেকে ‘ইলম নেওয়া যাবে না এবং তাকে ফতোয়াও জিজ্ঞেস করা যাবে না; যতক্ষণ সেখানে মুহাক্বক্বিক্ব ‘উলামা রয়েছেন, সালাফী মানহাজের ওপর প্রতিষ্ঠিত ‘উলামা রয়েছেন। কেবল তাঁদের কাছে প্রশ্ন করতে হবে এবং তাঁদের কাছেই ফতোয়া চাইতে হবে।”
·
পাদটীকা:
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
[১]. তাফউয়ীদ্ব শব্দের অর্থ ন্যস্ত করা, সোপর্দ করা প্রভৃতি। আল্লাহর সিফাতের ক্ষেত্রে এর পারিভাষিক অর্থ—সিফাতের শব্দাবলির প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা, আর শব্দের অর্থ ও প্রকৃতত্বের ব্যাপারে স্বীকৃতি-অস্বীকৃতি কোনোটাই না করে এরূপ বলা যে, এগুলো আমি আল্লাহর কাছে সোপর্দ করলাম।
[২]. তা’উয়ীল শব্দের অর্থ ব্যাখ্যা করা। আল্লাহর সিফাতের ক্ষেত্রে এর পারিভাষিক অর্থ—কোনো সিফাতের প্রকাশ্য অর্থকে অগ্রহণীয় কোনো অর্থে রূপান্তর করা। যেমন: আল্লাহর সিফাত ‘ইয়াদ’—যার অর্থ ‘হাত’—এর তা’উয়ীল করে এরূপ বলা যে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো কুদরত বা ক্ষমতা।
·
তথ্যসূত্র:
https://www.youtube.com/watch?v=76PoZMll2GY (অডিয়ো ক্লিপ)।
·
অনুবাদক: মুহাম্মাদ ‘আব্দুল্লাহ মৃধা

যারা রাফিদ্বী শিয়াদেরকে ‘কাফির’ বলে না—তাদের বিধান


·
সৌদি ফতোয়া বোর্ড এবং সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ‘উলামা পরিষদের প্রবীণ সদস্য, যুগশ্রেষ্ঠ ফাক্বীহ, আশ-শাইখুল ‘আল্লামাহ, ইমাম সালিহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ) [জন্ম: ১৩৫৪ হি./১৯৩৫ খ্রি.] প্রদত্ত ফতোয়া—
প্রশ্ন: “হে সম্মাননীয়, আল্লাহ আপনার ওপর অনুগ্রহ করুন। রাফিদ্বী শিয়া, যারা সাহাবীদের গালিগালাজ করে, মুমিনদের মা ‘আইশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহা) কে ব্যভিচারের অপবাদ দেয়, এবং বলে, ‘কুরআন অসম্পূর্ণ’—তাদেরকে যে ব্যক্তি ‘কাফির’ আখ্যা দেয় না, অথচ সে জানে যে তারা এগুলো সবই করে থাকে, সেই ব্যক্তির বিধান কী?”
উত্তর: “এটি ইসলাম বিনাশী কর্মাবলির মধ্যে অন্যতম একটি কর্ম। যারা আল্লাহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে এবং আল্লাহ যে দোষ থেকে ‘আইশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহা) কে মুক্ত ঘোষণা করেছেন, সে দোষে তাঁকে অভিযুক্ত করে, তারা কাফির। কেননা তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করছে, তাঁরা মুসলিমদের ইজমা‘কে (মতৈক্যকে) অস্বীকার করছে। আর তা ব্যাপারে যে, মুনাফিক্বরা ‘আইশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহা) কে যে অপবাদ দিয়েছিল, তা থেকে আল্লাহ তাঁকে মুক্ত ঘোষণা করেছেন। যে ব্যক্তি তাঁকে উক্ত দোষ থেকে মুক্ত মনে করে না, সে কাফির।
কেননা সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করছে এবং সে মুসলিমদের ইজমা‘কে অস্বীকার করছে। আর যারা বলে, ‘কুরআন অসম্পূর্ণ’, অথবা বলে, ‘এটা সেই কুরআন নয়, যেটা মুহাম্মাদের ﷺ ওপর অবতীর্ণ হয়েছিল’, অথবা বলে, ‘নবুয়ত মূলত আলীর জন্যই বরাদ্দ ছিল, কিন্তু জিবরীল ভুল করে তা মুহাম্মাদের ﷺ ওপর অবতীর্ণ করেছে’, অথবা বলে, ‘আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু) হলেন উপাস্য’—তাদের কাফির হওয়ার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।
অনুরূপভাবে যে সাহাবীদেরকে কাফির আখ্যা দেয়, সেও কাফির। কেননা সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করছে। মহান আল্লাহ বলেছেন, لَقَدْ رَضِيَ اللَّهُ عَنِ الْمُؤْمِنِينَ إِذْ يُبَايِعُونَكَ تَحْتَ الشَّجَرَةِ “নিশ্চয় মুমিনরা যখন বৃক্ষতলে তোমার নিকট বাই‘আত গ্রহণ করল, তখন আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন।” [১] তিনি আরও বলেছেন, لَقَدْ تَابَ اللَّهُ عَلَى النَّبِيِّ وَالْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارِ الَّذِينَ اتَّبَعُوهُ فِي سَاعَةِ الْعُسْرَةِ “আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন নাবীর প্রতি এবং মুহাজির ও আনসারদের প্রতিও, যারা (তাদের) সংকটকালেও নাবীর অনুগামী হয়েছিল।” [২]
তিনি আরও বলেছেন, وَالسَّابِقُونَ الْأَوَّلُونَ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارِ وَالَّذِينَ اتَّبَعُوهُمْ بِإِحْسَانٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ “আর যে সব মুহাজির ও আনসার (ইমান আনায়) প্রথম সারির অগ্রণী, আর যে সব লোক যথাযথভাবে তাদের অনুসরণ করেছে, আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন, আর তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে।” [৩] নাবী ﷺ বলেছেন, لَا تَسُبُّوْا أَصْحَابِيْ “তোমরা আমার সাহাবীদের গালি দিয়ো না।” [৪]
সুতরাং যে ব্যক্তি সাহাবীদেরকে কাফির আখ্যা দেয়, সে কাফির। কেননা সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে এবং সে মুসলিমদের ইজমা‘কে অস্বীকার করেছে।”
·
পাদটীকা:
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
[১]. সূরাহ ফাতহ: ১৮।
[২]. সূরাহ তাওবাহ: ১১৭।
[৩]. সূরাহ তাওবাহ: ১০০।
[৪]. সাহীহ বুখারী, হা/৩৬৭৩; সাহীহ মুসলিম, হা/২৫৪০।
·
তথ্যসূত্র:
https://m.youtube.com/watch?v=Y9Nmt5IXYmI (অডিয়ো ক্লিপ)।
·
অনুবাদক: মুহাম্মাদ ‘আব্দুল্লাহ মৃধা

শিয়া-সুন্নি ঐক্য কি আদৌ সম্ভব?

·
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা সমগ্র বিশ্বজগতের প্রতিপালক মহান আল্লাহর জন্য। শতসহস্র দয়া ও শান্তি অবতীর্ণ হোক আল্লাহর বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর।
পর সমাচার এই যে, অধুনা জনপ্রিয় এক ‘সুন্নি দাবিদার’ মুফতি সাহেবকে বলতে শোনা গেছে, তিনি শিয়া সম্প্রদায়কে মুসলিম মনে করেন এবং তিনি শিয়া ও সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার মত পোষণ করেন। আমরা ইতোমধ্যে শিয়াদের মৌলিক কুফরি ‘আক্বীদাহ সম্পর্কে জেনেছি এবং ইরানের শিয়ারা মুসলিম কি না সে সম্পর্কেও অবগত হয়েছি। ফালিল্লাহিল হামদ। তারপরেও যাঁরা জানেন না, তাঁরা “ইরানেরা শিয়ারা কি মুসলিম”– শীর্ষক নিবন্ধটি পড়ে দেখতে পারেন। নিবন্ধের লিংক: https://tinyurl(ডট)com/tfzoctf।
এখন কথা হচ্ছে, শিয়া-সুন্নির মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব কি না, অথবা এর বাস্তবতা কতটুকু, আর যারা এরকম ঐক্য কামনা করে তাদের বিধানই বা কী—তা জানা দরকার। আসুন দেখি, যুগশ্রেষ্ঠ ‘আলিমগণ কী বলেন।
·
সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি, বিগত শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ ফাক্বীহ, শাইখুল ইসলাম, ইমাম ‘আব্দুল ‘আযীয বিন ‘আব্দুল্লাহ বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.] বলেছেন,
التقريب بين الرافضة وبين أهل السنة غير ممكن؛ لأن العقيدة مختلفة، فعقيدة أهل السنة والجماعة توحيد الله وإخلاص العبادة لله سبحانه وتعالى، وأنه لا يدعى معه أحد لا ملك مقرب ولا نبي مرسل، وأن الله سبحانه وتعالى هو الذي يعلم الغيب، ومن عقيدة أهل السنة محبة الصحابة رضي الله عنهم جميعا والترضي عنهم، والإيمان بأنهم أفضل خلق الله بعد الأنبياء، وأن أفضلهم أبو بكر الصديق، ثم عمر، ثم عثمان، ثم علي، رضي الله عن الجميع، والرافضة خلاف ذلك فلا يمكن الجمع بينهما، كما أنه لا يمكن الجمع بين اليهود والنصارى والوثنيين وأهل السنة، فكذلك لا يمكن التقريب بين الرافضة وبين أهل السنة لاختلاف العقيدة التي أوضحناها.
“রাফিদ্বী শিয়া এবং আহলুস সুন্নাহকে পরস্পরের কাছে আনা অসম্ভব। কেননা (এদের) ‘আক্বীদাহ আলাদা আলাদা। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ হলো আল্লাহকে এক বলে গণ্য করা, ইবাদতকে আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠ করা, এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, দু‘আর ক্ষেত্রে তাঁর সাথে আর কাউকে শরিক করা যাবে না, না কোনো নৈকট্যশীল ফেরেশতাকে, আর না কোনো প্রেরিত নাবীকে এবং এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, কেবল আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলাই গায়েব জানেন।
আহলুস সুন্নাহর ‘আক্বীদাহর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে—সকল সাহাবীকে (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহুম) ভালোবাসা এবং তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা, আর এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, তাঁরা হলেন নাবীগণের পরে আল্লাহর সর্বোত্তম সৃষ্টি, আর তাঁদের মধ্যে সর্বোত্তম হলেন আবূ বাকার আস-সিদ্দীক্ব, তারপর ‘উমার, তারপর ‘উসমান, তারপর ‘আলী। আল্লাহ তাঁদের সবার প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন। পক্ষান্তরে রাফিদ্বীরা এর বিপরীত। তাই রাফিদ্বী এবং আহলুস সুন্নাহর মধ্যে সমন্বয় করা সম্ভব নয়। যেমনভাবে ইহুদি, খ্রিষ্টান ও মূর্তিপূজারীদের সাথে আহলুস সুন্নাহর সমন্বয় করা সম্ভব নয়। অনুরূপভাবে রাফিদ্বী সম্প্রদায় এবং আহলুস সুন্নাহকে পরস্পরের কাছে আনা সম্ভব নয় ‘আক্বীদাহর ভিন্নতার কারণে, যে ‘আক্বীদাহ আমরা বর্ণনা করলাম।” [মাজমূ‘উ ফাতাওয়া ওয়া মাক্বালাতুম মুতানাওয়্যা‘আহ; খণ্ড: ২৭; পৃষ্ঠা: ৩২৫]
·
ইয়েমেনের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস এবং সালাফী দা‘ওয়াতের মুজাদ্দিদ, ইমাম মুক্ববিল বিন হাদী আল-ওয়াদি‘ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২২ হি./২০০১ খ্রি.] বলেছেন,

ইরানের শিয়ারা কি মুসলিম?

·
সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি, বিগত শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ ফাক্বীহ, শাইখুল ইসলাম ইমাম ‘আব্দুল ‘আযীয বিন ‘আব্দুল্লাহ বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.] প্রদত্ত ফতোয়া—
السؤال: ما تقولون في رجل قال: ليس هناك فرق بين سني وشيعي، بل كلهم مسلمون وهو مفت في إحدى ديار المسلمين، حيث إنهم أجريت معه مقابلة في إحدى المجلات منذ شهر ويقول: حرام علينا أن نقول هذا سني وهذا شيعي، فهل هذا الكلام لا بأس به أو ما ترون فيه؟
الجواب: هذا الكلام فيه إجمال خطأ، فإن الشيعة أقسام وليسوا قسمًا واحدًا، الشيعة أقسام، ذكر الشهرستاني أنهم اثنتان وعشرون فرقة، وهم يختلفون فيهم من بدعته تكفره، وفيهم من بدعته لا تكفره، مع أنهم في الجملة مبتدعون، الشيعة في الجملة مبتدعون، وأدناهم من فضل عليًّا على الصديق وعمر قد أخطأ وخالف الصحابة. ولكن أخطرهم الرافضة -أصحاب الخميني- هؤلاء أخطرهم، وهكذا النصيرية أصحاب حافظ الأسد وجماعته في سوريا، فالباطنية الذين في سوريا والباطنية الذين في إيران والباطنية في الهند وهم الإسماعيلية هذه الطواف الثلاثة هم أشدهم وأخطرهم، وهم كفرة، هؤلاء كفرة لأنهم والعياذ بالله يضمرون الشر للمسلمين ويرون المسلمين أخطر عليهم من الكفرة، ويبغضون المسلمين أكثر من بغضهم الكفرة، ويرون أهل السنة حل لهم دماءهم وأموالهم، وإن جاملوا في بعض المواضع التي يجاملون فيها ويرون أن أئمتهم يعلمون الغيب وأنهم معصومون ويعبدون من دون الله بالاستغاثة والذبح لهم والنذر لهم، هذه حالهم مع أئمتهم.
فالرافضة الذين هم الطائفة الاثنا عشرية ويقال لهم: الجعفرية ويقال لهم الآن: الخمينية الذين يدعون إلى الباطل الآن وهم من شر الطوائف، وهكذا طائفة النصيرية من شر الطوائف، هكذا طائفة الإسماعيلية هؤلاء باطنية .. يرون إمامة الصديق وعمر وعثمان يرونها باطلة، ويرون الصحابة كفارًا ارتدوا عن الإسلام إلا نفرًا قليلا منهم كعلي والحسن والحسين وعمار بن ياسر واثنين أو ثلاثة أو أربعة من بقية الذين يرون أنهم يوالون عليًّا فقط، وأما بقية الصحابة فعندهم أنهم مرتدون قد خرجوا عن الإسلام وظلموا عليًّا إلى غير هذا مما يقولون، نسأل الله العافية.
مع ما عندهم من غلو في أهل البيت ودعواهم أنهم يعلمون الغيب، وأن الواجب إمامتهم، وأن هذه الإمامات التي بعد علي وقبل علي كلها باطلة، وأن ما عندهم ولاية حق إلا ولاية علي والحسين فقط، أما الولايات التي من عهد النبي ﷺ إلى يومنا كلها باطلة عند الرافضة، نسأل الله السلامة.
المقصود: أن الشيعة أقسام ليسوا قسمًا واحدًا، ومنهم الزيدية المعروفون في اليمن هؤلاء عندهم التفضيل ليسوا بكفار إلا من عبد الأوثان منهم وغلا في أهل البيت ودعاهم من دون الله، أما مجرد تفضيل عليّ على الصديق وعلى عمر لا يكون كفرا ولكنه بدعة وغلط، الواجب تفضيل الصديق ثم عمر ثم عثمان على علي، علي هو الرابع رضي الله عنه وأرضاه هذا هو الحق الذي أجمع عليه الصحابة رضي الله عنهم وأرضاهم.
فالذي يفضل عليًّا عليهم يكون أخطأ ولا يكون كافرًا وإنما الكفار منهم الرافضة والنصيرية والإسماعيلية الذين يغلون في أهل البيت ويعبدونهم من دون الله ويرون أن عبادتهم جائزة وأن أئمتهم يعلمون الغيب إلى غير هذا مما يقولون نسأل الله السلامة. فالحاصل: أنهم ينظر في عقائدهم بالتفصيل ولا يقال الشيعة كلهم كفار لا، بل فيهم تفصيل وهم أقسام كثيرة.
প্রশ্ন: “ওই ব্যক্তির ব্যাপারে আপনি কী বলেন, যে বলে, সুন্নি ও শিয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই? এই ব্যক্তি একটি মুসলিম রাষ্ট্রের মুফতি। এমনকি একটি পত্রিকার সাথে তাঁর একমাস ধরে সাক্ষাৎকার চলেছে, যেখানে তিনি বলেছেন, আমাদের জন্য একথা বলা হারাম যে, এই লোক সুন্নি, আর এই লোক শিয়া। এই কথা কি ঠিক? এই কথার ব্যাপারে আপনার অভিমত কী?”
উত্তর: “এটা সংক্ষিপ্ত কথা এবং এতে ভুল রয়েছে। কেননা শিয়া সম্প্রদায়ের বেশ কিছু শ্রেণি রয়েছে, তারা স্রেফ এক শ্রেণিভুক্ত নয়। শিয়া সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি শ্রেণি বা উপদল রয়েছে। শাহরাস্তানী উল্লেখ করেছেন যে, তাদের ২২টি উপদল রয়েছে। তাদের মধ্যে বিভিন্নতা রয়েছে। তাদের কারও বিদ‘আত তাকে কাফির করে দেয়, আবার কারও বিদ‘আত তাকে কাফির করে না। এতৎসত্ত্বেও তারা সবাই বিদ‘আতী। শিয়ারা সবাই বিদ‘আতী। তাদের মধ্যে সবচেয়ে ছোটো বিদ‘আতী সে, যে আস-সিদ্দীক্ব এবং ‘উমারের ওপর ‘আলীকে প্রাধান্য দিয়েছে। বস্তুত সে ভুল করেছে এবং সাহাবীদের বিরোধিতা করেছে।
কিন্তু তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো রাফিদ্বীরা, যারা হলো খোমেনীর সাঙ্গপাঙ্গ। তারা সবচেয়ে বিপজ্জনক শিয়া। অনুরূপভাবে নুসাইরিয়াহ সম্প্রদায়, যারা হলো সিরিয়ার হাফিজ আসাদের সাঙ্গপাঙ্গ ও তার দলের ব্যক্তিবর্গ। আর সিরিয়া, ইরান ও ভারতের বাত্বিনী সম্প্রদায়, যারা হলো ইসমা‘ঈলী সম্প্রদায়। এই তিনটি উপদল সবচেয়ে বিপজ্জনক ও ভয়ঙ্কর শিয়া। তারা কাফির সম্প্রদায়। তারা কাফির। কেননা তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে অনিষ্টকে লুকিয়ে রাখে এবং নিজেদের ওপর মুসলিমদেরকে কাফিরদের চেয়েও বিপজ্জনক মনে করে। তারা কাফিরদের চেয়ে মুসলিমদেরকে বেশি ঘৃণা করে। তারা আহলুস সুন্নাহ’র জান ও মাল নিজেদের জন্য হালাল মনে করে। যদিও তারা কিছু ক্ষেত্রে মোসাহেবি করে থাকে। তারা মনে করে, তাদের ইমামরা গায়েব (অদৃশ্য) জানে, তাদের ইমামরা নিষ্পাপ, আল্লাহকে ব্যতিরেকে ইমামদেরও ইবাদত করা যায় ফরিয়াদ, জবেহ ও মানত করার মাধ্যমে। তাদের ইমামদের ব্যাপারে এই হলো তাদের অবস্থান।
আর রাফিদ্বীরা হলো ইসনা ‘আশারিয়াহ তথা বারো ইমামিয়াহ নামক উপদল। তাদেরকে ‘জা‘ফারিয়্যাহ’-ও বলা হয়। অবশ্য এখন তাদেরকে ‘খুমাইনিয়্যাহ’ (খোমেনীর মতাদর্শের লোকজন) বলা হয়, যারা এখনও মানুষকে বাতিলের দিকে আহ্বান করে। তারা সবচেয়ে নিকৃষ্ট উপদল। অনুরূপভাবে ‘নুসাইরিয়াহ’-ও নিকৃষ্ট উপদলগুলোর অন্তর্ভুক্ত। একইভাবে ইসমা‘ঈলী শিয়ারাও নিকৃষ্ট, যারা হলো বাত্বিনী শিয়া। তারা গুটিকয়েক সাহাবী ছাড়া সমস্ত সাহাবীকে ইসলাম থেকে খারিজ—মুরতাদ কাফির মনে করে। আর সেই গুটিকয়েক সাহাবীর অন্তর্ভুক্ত হলেন ‘আলী, হাসান, হুসাইন, ‘আম্মার বিন ইয়াসার এবং আরও দুই, তিন বা চারজন সাহাবী, যাদেরকে তারা মনে করে যে, কেবল তারাই ‘আলীর সাথে মিত্রতা পোষণ করেছিল। পক্ষান্তরে বাকি সাহাবী তাদের কাছে মুরতাদ। তাঁরা ইসলাম থেকে বের হয়ে গেছেন এবং ‘আলীর ওপর জুলুম করেছেন, ইত্যাদি আরও কথাবার্তা তারা বলে থাকে। আমরা আল্লাহ’র কাছে সুস্থতা ও নিরাপত্তা কামনা করছি।

Tuesday, 2 October 2018

শিয়াদের ঈমান-আকীদা

অনেক ভাইয়েরা শিয়াদের ঈমান কেমন জানার জন্য প্রশ্ন করেন। জেনে নিন,
.
শিয়াদের ঈমান-আকীদাঃ

শিয়া ইসনা আশারিয়াদের আকীদা-বিশ্বাসের সংক্ষিপ্ত পরিচয় নিন্মে তুলে দেওয়া হলো। সাথে আরো ঈমান ও ইসলাম ভঙ্গের কারণগুলো দেওয়া হলো। যাতে করে পাঠক তার নিজ বিবেচনায় শিয়াদের নাস্তিক ও মুরতাদ হওয়ার বিষয়ে সঠিক ধারণা লাভ করতে পারেন।
.
(১) আল্লাহ আলী রাঃ এর কাছে ওয়াহী নাযিল করেছিলেন, কিন্তু জিব্রাইল ভুলে সেই ওয়াহী নিয়ে আসে মুহাম্মাদ সঃ এর কাছে। (আল মুনিয়া ওয়াল আমালঃ ৩০ পৃ)।
(২) আল ক্বুরআন সম্পূর্ণ নয়। আসল ক্বুরআন আসমানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তখন, যখন সাহাবারা মুরতাদ হয়ে গেছে। (আত-তানবিহ অররাদ্দ-আল মুলিতিঃ ২৫ পৃ)।
(৩) ক্বুরআনের অনেক আয়াত আসলে আয়াত নয়, তা বাজে কথা (নাউজুবিল্ললাহ)। (আল-অসীকা/২২১ পৃ)।
(৪) রাসুল সঃ নিজেই আংশিক শিয়া দর্শন প্রচার করে গেছেন। বাকিটা হজরত আলী প্রচার করেছেন। (এহকাকুল হক- তাসাত্তুরী/২-৮৮ পৃ)।
(৫) শিয়া ইমামরা আল্লাহ ও তার সৃষ্টির মাঝখানে মধ্যস্থতা কারী। (বেহারুল আনোয়ার/৯৯ঃ২৩)।
(৬) শিয়া ইমামদের কবর জিয়ারত কা’বায় হজ্জ করার চাইতে উত্তম। (সাওয়াবুল আ’মাল/১২১ পৃ)।
(৭) যে হুসাইন রাঃ এর কবর জিয়ারত করে সে যেন আল্লাহর আরশ জেয়ারত করে। (আল-মাজার আল-মুফিদ/৫১ পৃ)।
(৮) হুসাইন রাঃ এর কবরের মাটি সকল রোগের ঔসুধ। (আল-আমালি/৯৩ঃ ৩১৮)।
(৯) আল্লাহ ও শিয়া ইমামদের মধ্যে কোন পার্থক্য নাই (নাউজুবিল্লাহ)। (মাসাবিহুল আনোয়ার/২ঃ ৩৯৭ পৃ)।
(১০) নক্ষত্র ও তারকা রাজি মানুষের সুখ-দুঃখ ও জীবন-মরনের উপর হস্তক্ষেপ করে। (রাওদা মিনাল কাফি/৮ঃ ২১০৩ পৃ)।
(১১) আলী রাঃ গায়েব জানেন। (মের’আতুল আনোয়ার/ ৫৯)। তিনি দুনিয়া ও আখেরাতের বিষয়ে হস্থক্ষেপ করেন। (ওসুল আল-কাফি/১ঃ৩০৮)। তিনি মৃত কে জেন্দা করেন-( ওসুল আল-কাফি/১ঃ৩৪৭)।
১২) যে বিশ্বাস করে যে, আল্লাহ জমীনে আসেন সে কাফের-( ওসুল আল-কাফি/১ঃ৯০ পৃ)।
১৩) কালেমা শাহাদাতের সাথে আরো বলতে হবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আলী রাঃ আল্লাহর অলী। তারা এমন কালেমা নব জাতকের কানে বলে এবং মৃত ব্যক্তির শয্যায় শিয়রে উচ্চারন করে-( ফুরুউল কাফি/৩ঃ৮২)।
১৪) যারা আবু বকর, ওমর, ওসমান,‌ মুয়া্বিয়া, আয়েশা ও হাফসা রাঃ কে প্রত্যেক নামাজের পর গালি দিবে তারা আল্লাহকে সব চাইতে বড় উপহার প্রদান করিবে। (ফুরুউল কাফি/ ৩ঃ২২৪)।
১৫) শিয়া ইমামরা অন্যের জন্যে জান্নাতে প্রবেশ নিশ্চিত করতে পারে। ( রিজালুল কাশি/৫ঃ৪৯০)।
১৬) মুতা বিয়ে না করলে তার ইমান পূর্ণতা লাভ করেনা। আর মুতা বিয়ে হল অলি ও সাক্ষী ছাড়াই কোন মহিলাকে চুক্তির মাধ্যমে সাময়িক সময়ের জন্যে যৌন সঙ্গী করা। যে কোন মুমিনা নারীর সাথে মুতা করলো সে ৭০ বার কা’বা ঘর জেয়ারত করার সমান সাওয়াব পায় ( নাউজুবিল্লাহ)। (মিসবাহুত তাহাজ্জুদ- আত তুরসি/২৫২ পৃ)।
১৭) শিয়াদের ইমাম খোমেনী বলেছে, মুতা ছাড়া যত রকমের নষ্টামি আছে তাতে কোনই দোষ নাই যদিও তা শিশুর সাথে হোক না কেন ( নাউজুবিল্লাহ)! -( তাহরিরুল অসিলা/২ঃ২২১)।
১৮) আল্লাহ শিয়া ইমামদের নুর থেকে ফেরেস্তা সৃষ্টি করেছেন। ৪০০০ ফেরেস্তা এ কারনে হুসাইন রাঃ’র কবরে কেয়ামত পর্যন্ত কান্না রত আছেন-( জামিউল ফাওয়ায়েদ-কারাস্কি/৩৩৪ পৃ)।
১৯) ফেরেস্তাদের মধ্যে গোলযোগ হলে আল্লাহ আলী রাঃ কে ফেরেস্তা পাঠিয়ে আসমানে তুলে নিয়ে যান মিমাংশা করার জন্যে-(এখতেসাস/২১৩)।

Tuesday, 8 August 2017

শিয়াদের ঈমান-আকীদা


শিয়া ইসনা আশারিয়াদের আকীদা- বিশ্বাসের সংখিপ্ত পরিচয় নিম্ন তুলে দেওয়া হোল। সাথে আরো দেওয়া হোল ইমান ও ইসলাম ভঙ্গের কারন গুলিও। যেন পাঠক তার নিজ বিবেচনায় শিয়াদের নাস্তিক ও মুরতাদ হওয়ার বিষয়ে সঠিক ধারনা লাভ করতে পারেন।
১) আল্লাহ আলী রাঃ’র কাছে অহী নাজেল করেন কিন্তু জিব্রাইল ভুলে সেই অহী নিয়ে আসে মুহাম্মাদ সঃ এর কাছে- (আল মুনিয়া ওয়াল আমাল/৩০ পৃ)।
২) আল কোরআন সম্পূর্ণ নয়। আসল কোরআন আসমানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তখন যখন সাহাবারা মুরতাদ হয়ে গেছে-( আত-তানবিহ অররাদ্দ-আল মুলিতি/২৫ পৃ)।
৩) কোরআনের অনেক আয়াত আয়াত নয় তা বাজে কথা ( নাউজুবিল্ললাহ)-( আল-অসীকা/২২১ পৃ)।
৪) রাসুল সঃ নিজেই আংশিক শিয়া দর্শন প্রচার করে গেছেন। বাকিটা হজরত আলী প্রচার করেছেন-( এহকাকুল হক- তাসাত্তুরী/২-৮৮ পৃ)।
৫) শিয়া ইমামরা আল্লাহ ও তার সৃষ্টির মাঝখানে মধ্যস্থতা কারী-( বেহারুল আনোয়ার/৯৯ঃ২৩)।
৬) শিয়া ইমামদের কবর জিয়ারত কা’বায় হজ্জ করার চেয়ে উত্তম-( সাওয়াবুল আ’মাল/১২১ পৃ)।
৭) যে হুসাইন রাঃ’র কবর জিয়ারত করে সে যেন আল্লাহর আরশ জেয়ারত করে-( আল-মাজার আল-মুফিদ/৫১ পৃ)।
৮) হুসাইন রাঃ’র কবরের মাটি সকল রোগের ঔসুধ-( আল-আমালি/৯৩ঃ ৩১৮)।
৯) আল্লাহ ও শিয়া ইমামদের মধ্যে কোন পার্থক্য নাই-নাউজুবিল্লাহ!-( মাসাবিহুল আনোয়ার/২ঃ ৩৯৭ পৃ)।
১০) নক্ষত্র ও তারকা রাজি মানুষের সুখ-দুঃখ ও জীবন-মরনের উপর হস্তক্ষেপ করে-( রাওদা মিনাল কাফি/৮ঃ ২১০৩ পৃ)।
১১) আলী রাঃ গায়েব জানেন-( মের’আতুল আনোয়ার/ ৫৯)। তিনি দুনিয়া ও আখেরাতের বিষয়ে হস্থক্ষেপ করেন-( ওসুল আল-কাফি/১ঃ৩০৮)। তিনি মৃত কে জেন্দা করেন-( ওসুল আল-কাফি/১ঃ৩৪৭)।
১২) যে বিশ্বাস করে যে, আল্লাহ জমীনে আসেন সে কাফের-( ওসুল আল-কাফি/১ঃ৯০ পৃ)।
১৩) কালেমা শাহাদাতের সাথে আরো বলতে হবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আলী রাঃ আল্লাহর অলী। তারা এমন কালেমা নব জাতকের কানে বলে এবং মৃত ব্যক্তির শয্যায় শিয়রে উচ্চারন করে-( ফুরুউল কাফি/৩ঃ৮২)।
১৪) যারা আবু বকর, ওমর, ওসমান,‌ মুয়া্বিয়া, আয়েশা ও হাফসা রাঃ কে প্রত্যেক নামাজের পর গালি দিবে তারা আল্লাহকে সব চেয়ে বড় উপহার প্রদান করিবে-( ফুরুউল কাফি/ ৩ঃ২২৪)।
১৫) শিয়া ইমামরা অন্যের জন্যে জান্নাতে প্রবেশ নিশ্চিত করতে পারে-( রিজালুল কাশি/৫ঃ৪৯০)।
১৬) মুতা বিয়ে না করলে তার ইমান পূর্ণতা লাভ করেনা। আর মুতা বিয়ে হোল অলি ও সাক্ষী ছাড়াই কোন মহিলাকে চুক্তির মাধ্যমে সাময়িক সময়ের জন্যে যৌন সঙ্গী করা। যে কোন মুমিনা নারীর সাথে মুতা করলো সে ৭০ বার কা’বা ঘর জেয়ারত করার সমান সাওয়াব পায় ( নাউজুবিল্লাহ)।-( মিসবাহুত তাহাজ্জুদ- আত তুরসি/২৫২ পৃ)।
১৭) ইমাম খোমেনী বলেছে, মুতা ছাড়া যত রকমের নষ্টামি আছে তাতে কোনই দোষ নাই যদিও তা শিশুর সাথে হোক না কেন ( নাউজুবিল্লাহ)! -( তাহরিরুল অসিলা/২ঃ২২১)।
১৮) আল্লাহ শিয়া ইমামদের নুর থেকে ফেরেস্তা সৃষ্টি করেছেন। ৪০০০ ফেরেস্তা এ কারনে হুসাইন রাঃ’র কবরে কেয়ামত পর্যন্ত কান্না রত আছেন-( জামিউল ফাওয়ায়েদ-কারাস্কি/৩৩৪ পৃ)।
১৯) ফেরেস্তাদের মধ্যে গোলযোগ হলে আল্লাহ আলী রাঃ কে ফেরেস্তা পাঠিয়ে আসমানে তুলে নিয়ে যান মিমাংশা করার জন্যে-(এখতেসাস/২১৩)।

Friday, 9 June 2017

শিয়া আকীদা তথা ধর্ম বিশ্বাসঃ



১-ইমামাহ বা নেতৃত্বঃ তাদের মতে নেতৃত্ব দলীল দ্বারা সাব্যস্ত হতে হবে। অর্থাৎ পূর্বের নেতা পরের নেতাকে নির্দিষ্টরূপে নির্ধারণ করবেন; তার গুণাগুণ বর্ণনার মাধ্যমে নয়। নেতৃত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতকে নেতৃত্বহীন অবস্থায় ছেড়ে মারা যাবেন তা হয় না; বরং তাঁর জন্য কোনো এক ব্যক্তিকে নির্ধারণ করা জরুরি ছিল, যাঁর দিকে পরবর্তী লোকেরা প্রত্যাবর্তন করবে এবং তাঁর প্রতি ভরসা করবে।
তারা এই বিষয়ে বলে থাকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘গদীরে খাম’ দিবসে স্পষ্টই আলীর ইমামত নির্দিষ্ট করে দিয়ে ঘোষণা করেন যে, সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পরে ইমাম বা খলীফা হবেন। অবশ্য গদীরে খাম নামক ঘটনায় এমন নির্ধারণের বিষয়টি আহলে সুন্নাতের মুহাদ্দিস ও ঐতিহাসিকদের নিকট অস্বীকৃত ও অসাব্যস্ত।
তারা মনে করে, আলী তাঁর দুই পুত্র হাসান ও হুসাইনের নেতৃত নির্ধারণ করেছিলেন। এভাবে অন্য ইমামরাও। তাই প্রত্যেক ইমাম তার পরের ইমামকে নির্ধারণ করবে আর এটা হবে তার অসীয়ত স্বরূপ। তারা তাদের ‘আউস্বিয়া’ (অসিয়তকৃত ব্যক্তিবর্গ) নামে আখ্যায়িত করে থাকে।
২-ইসমত বা ইমামদের নিষ্পাপতায় বিশ্বাস:
তাদের বিশ্বাস যে, তাদের সকল ইমাম ছোট-বড় সকল প্রকার পাপ থেকে পবিত্র এবং নিস্পাপ।
৩-ইলমে লাদুন্নীর আক্বীদাঃ (আধ্যাতিক জ্ঞান)
তাদের প্রত্যেক ইমামকে ইলমে লাদুন্নী তথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট থেকে আধ্যাতিক জ্ঞান দেওয়া হয়েছে যা দ্বারা তারা শরীয়ত পরিপূর্ণ করে থাকে। তারা ইলমে লাদুন্নীর অধিকারী, তাদের ও নবীদের মধ্যে এছাড়া কোনো পার্থক্য নেই যে, নবীদের কাছে অহী আসে আর তাদের কাছে অহী হয় না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের শরীয়তের গোপন ভেদ দিয়ে গেছেন, যেন তারা সময়ের দাবী অনুযায়ী সাধারণ লোকদের বর্ণনা দেয়।
৪-ইমামের অলৌকিক শক্তির প্রতি বিশ্বাসঃ
ইমামের হাতে অলৌকিক কিছু প্রকাশ পাওয়া সম্ভব। এসব কে তারা মুজিযা বলে থাকে। যদি কোনো ক্ষেত্রে পূর্বের ইমাম পরের ইমামকে নির্ধারণ না করে থাকে তাহলে এমতাবস্থায় পরের ইমাম অলৌকিকতার মাধ্যমে নির্ধারণ হবে।

Monday, 8 June 2015

হুতী শিয়াদের আসল চেহারা (বই ডাউনলোড সহ)


واجهة الحوثيين بنغالي-page-0012حَقِيْقَةُ الحُوْثِيِّيْنَ
হুতী শিয়াদের আসল চেহারা
মূল: প্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন
অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
বইটি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:
:الْحَمْدُ لِلّهِ والصَّلاَةُ السَّلامُ عَلي رَسُوْلِ اللهِ وعَلى آلِه وصَحْبِه ومَنْ وَالَاه وبَعْدُ
ভূমিকা: হুতী নামটি বর্তমানে অনেকের কাছে পরিচিত। ইয়েমেনে যাদের বিরুদ্ধে  বিরুদ্ধে সউদী আরবের নেতৃত্বে ‘আসিফাতুল হাযম’ নামে একটি যুদ্ধ পরিচালিত করেছে। কিন্তু বাংলাভাষী অনেকেই এই হুতী সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখে না। ফলে বিভিন্ন শিয়া প্রভাবিত এবং ইসলাম বিদ্বেষী মিডিয়ার কারণে অনেকে বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছে। অথচ মুসলিম বিশ্বের উপর এই ঘটনা-প্রবাহের সুদূর প্রসারী প্রভাব পড়ছে এবং পড়বে-তাতে কোন সন্দেহ নাই। তাই এ সম্পর্কে মুসলিম যুবকদের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরী।
এই প্রেক্ষাপটে সউদী আরবের ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত কিং সউদ ইউনিভার্সিটি’র ‘আকীদা ও সমকালীন মতবাদ’ এর অধ্যাপক প্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন রচিত বক্ষ্যমাণ পুস্তিকাটি অনুবাদ করা হল যেন, বাংলাভাষী মুসলিমগণ এই ফিতনার ব্যাপারে সচেতন হতে পারে।
অত্র পুস্তিকাটিতে শিয়া হুতী সম্প্রদায়ের উৎস, পরিচিতি,  ক্রমবিকাশ, কার্যক্রম,  লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং পরিকল্পনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়েছে এবং প্রাসঙ্গিক ভাবে রাফেযীয়া-ইমামিয়া-ইসনা আশারিয়া সম্প্রদয়ের মৌলিক আকীদা-বিশ্বাস সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
আল্লাহ তায়ালা তার জমিনে সত্যের পতাকা উড্ডীন করুন। বাতিল ও মিথ্যার মুখোশ উন্মোচন করে দিন এবং সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে ফিতনা-ফ্যাসাদ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
অনুবাদক:

Monday, 27 April 2015

হুতী শিয়াদের আসল চেহারা (বই ডাউনলোড সহ)


واجهة الحوثيين بنغالي-page-0012
حَقِيْقَةُ الحُوْثِيِّيْنَ
হুতী শিয়াদের আসল চেহারা
মূল: প্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন
অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
বইটি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:
:الْحَمْدُ لِلّهِ والصَّلاَةُ السَّلامُ عَلي رَسُوْلِ اللهِ وعَلى آلِه وصَحْبِه ومَنْ وَالَاه وبَعْدُ
ভূমিকা: হুতী নামটি বর্তমানে অনেকের কাছে পরিচিত। ইয়েমেনে যাদের বিরুদ্ধে  বিরুদ্ধে সউদী আরবের নেতৃত্বে ‘আসিফাতুল হাযম’ নামে একটি যুদ্ধ পরিচালিত করেছে। কিন্তু বাংলাভাষী অনেকেই এই হুতী সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখে না। ফলে বিভিন্ন শিয়া প্রভাবিত এবং ইসলাম বিদ্বেষী মিডিয়ার কারণে অনেকে বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছে। অথচ মুসলিম বিশ্বের উপর এই ঘটনা-প্রবাহের সুদূর প্রসারী প্রভাব পড়ছে এবং পড়বে-তাতে কোন সন্দেহ নাই। তাই এ সম্পর্কে মুসলিম যুবকদের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরী।
এই প্রেক্ষাপটে সউদী আরবের ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত কিং সউদ ইউনিভার্সিটি’র ‘আকীদা ও সমকালীন মতবাদ’ এর অধ্যাপকপ্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন রচিত বক্ষ্যমাণ পুস্তিকাটি অনুবাদ করা হল যেন, বাংলাভাষী মুসলিমগণ এই ফিতনার ব্যাপারে সচেতন হতে পারে।
অত্র পুস্তিকাটিতে শিয়া হুতী সম্প্রদায়ের উৎস, পরিচিতি,  ক্রমবিকাশ, কার্যক্রম,  লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং পরিকল্পনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়েছে এবং প্রাসঙ্গিক ভাবে রাফেযীয়া-ইমামিয়া-ইসনা আশারিয়া সম্প্রদয়ের মৌলিক আকীদা-বিশ্বাস সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
আল্লাহ তায়ালা তার জমিনে সত্যের পতাকা উড্ডীন করুন। বাতিল ও মিথ্যার মুখোশ উন্মোচন করে দিন এবং সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে ফিতনা-ফ্যাসাদ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

Thursday, 2 April 2015

শিয়া আকীদাহর এ পিঠ ও পিঠ


আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
প্রিয় বন্ধুগণ, আশা করি আপনারা ভাল আছেন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে ভাল ও সুস্থ রাখুন। সেই সাথে ঈমানের উপর অবিচল রাখুন আল্লাহ তায়ালার নিকট সেই দুয়া করছি।
প্রিয় পাঠক, মুসলিম জাতি একটি ঐক্যবদ্ধ ও সুসংহত জাতি। কিন্তু ইসলামের দুশমনরা এই একতা এবং সংহতিকে বিনষ্ট করার জন্য এমন কোন হীন প্রচেষ্টা বাকি রাখে নি। মুসলিম উম্মাহকে দলে দলে বিভক্ত করার জন্য তারা সব ধরণের ষড়যন্ত্র করেছে। এই ষড়যন্ত্রের হাত ধরে মুসলিম উম্মাহর পবিত্র দেহে নানা ধরণের বিষ ফোঁড়া সৃষ্টি হয়েছে। নানা ভাবে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে দ্বীন ইসলামের সুরম্য অট্টালিকা। এ সকল ষড়যন্ত্রের বিষদাঁতগুলোর মধ্যে শিয়া রাফেজী, বাহাঈ, কাদিয়ানী সম্প্রদায় অন্যতম। মুতাযিলা, মুরজিয়া, কাদরিয়া, জাবরিয়া এবং আশআরী, ব্রেলভী ইত্যাদি আকীদা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের স্বচ্ছ প্রস্রবণে তৈরি করেছে  আবর্জনা। সকল ধরণের ভ্রষ্টতা থেকে বাঁচার একমাত্র পথ মুসলিম জাতিকে পূণরায় কুরআন-সুন্নাহর কাছে ফিরে আসতে হবে। এর কোন বিকল্প নাই। যাক, আজ আপনাদের জন্য ইসলাম হাউজ ডট কম এ প্রকাশিত কতিপয় লিংক শেয়ার করা হল যেগুলো শিয়া সম্প্রদায়ের প্রকৃত চেহারা উন্মোচনে সাহায্য করবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস। লিংকগুলো খুলুন এবং শিয়াদের সম্পর্কে জানুন। সেই সাথে অন্যদের নিকট লিংকগুলো শেয়ার করুন। ধন্যাবদ।আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে দ্বীনে হকের উপর মৃত্যু অবধি অবিচল রাখুন। আমীন।

  1. শিয়া আকীদার অসারতা
  2.  শিয়া মতবাদের বিস্তৃতি
  3. সাহাবা ও ইমামগণকে গালি দেয়া নিষিদ্ধ
  4. শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস
  5. তাঁদের মধ্যে মধুময় সম্পর্ক [নবী-পরিবার ও অবশিষ্ট সাহাবীগণ পরস্পর সহানুভূতিশীল]
  6. কতিপয় প্রশ্ন, শিয়া যুবকদের যা সত্যের দিকে ধাবিত করেছে
  7. নাজাফ সম্মেলন
  8. শিয়া আলেম ও অধিকাংশ মুসলিম আলেমের মধ্যে বিরোধের বাস্তব চিত্র
  9.  শিয়া মতবাদের বিস্তৃতি
  10. শিয়া সুন্নী ঐক্য : সম্ভাবনা ও প্রাপ্তি

সংগ্রহঃ আব্দুল্লাহিল হাদি

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...