আপনিও কি বিজাতীয় পরব বা শির্কী ও বিদআতী উৎসবে শরীক হওয়ার নিয়ত করেছেন?
তাহলে পড়ুন,
বহু মুসলমানই বিজাতির শির্কী ঈদ-পরবে (মেলা-উরসে) স্ত্রী-পরিজন বা ছেলে-মেয়ে সহ উপস্থিত হয়ে থাকে এবং সেখানকার নানা মনোরঞ্জনমূলক অনুষ্ঠান দর্শন করে মনের তৃপ্তি অর্জন করে থাকে, সেখানে বিক্রিত জিনিসপত্র খরিদ করে থাকে, মিষ্টান্ন খেয়ে ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য উপহার এনে থাকে।
অনেক ব্যবসায়ী দোকান দিয়ে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় করে থাকে। অনেকে সেখানে হারাম ও শির্কী অনুষ্ঠান দেখতে হাযির হয়। অনেকে সেই মেলার মালিক, সেখানকার জায়গার মালিক, মেলার সভাপতি, সম্পাদক, সদস্য অথবা স্বেচ্ছাসেবক হয়ে থাকে।
অনেকে বিজাতির উৎসবের সময় নতুন পোশাক পরে এবং আরো অন্যান্য সাজ-সজ্জা করে থাকে। উত্তম খানাপিনার ব্যবস্থা করে থাকে।
অনেকে সেই উপলক্ষ্যে বাড়ি-ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে থাকে এবং ঐ দিনকে ছুটি মেনে থাকে।
অনেক মুসলমান বাড়ির আশেপাশের মেলাতে উপস্থিত হওয়ার জন্য মেয়ে-জামাইকে খাস দাওয়াত দিয়ে থাকে এবং জামায়ের হাতে মেলা-খরচ দিয়ে মেলা দেখতে ও সেই সাথে শির্কী ও হারাম কাজে সহযোগিতা করে থাকে। মেলাতে না ডাকলে অনেক অভিমানী জামাই আবার গোসসাও করে থাকে।
এইভাবে জেনে না জেনে তওহীদবাদীর ছেলেরা বাতিল ও শির্কের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।
পক্ষান্তরে উপর্যুক্ত অভ্যাস রহমানের বান্দাদের নয়। মহান আল্লাহ বলেন,
ৎوَالَّذِينَ لَا يَشْهَدُونَ الزُّورَ وَإِذَا مَرُّوا بِاللَّغْوِ مَرُّوا كِرَامًاঃ (৭২) سورة الفرقان
অর্থাৎ, যারা কোন বাতিলে অংশগ্রহণ করে না এবং কোন অসার ক্রিয়াকলাপের সম্মুখীন হলে ভদ্রের মত পার হয়ে যায়। (সূরা ফুরকান ৭২ আয়াত)
