Showing posts with label কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব. Show all posts
Showing posts with label কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব. Show all posts

Monday, 23 February 2015

কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব




ভূমিকা:
সকল প্রশংসা দু’জাহানের পালনকর্তা আল্লাহ তা'আলার জন্য এবং দরূদ ও সালাম নাযিল হোক সর্বশেষ নবী ও রাসূল, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তার পরিবার ও সাথী এবং সকলের ওপর ।
অতঃপর,
কিয়ামুল লাইল বা রাতের সালাতের ফযিলত আল্লাহর নিকট বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ কোন সন্দেহ নেই। ফরয সালাতের পর এ সালাতের স্থান। এ সালাতের বৈশিষ্ট্য শুধু ব্যক্তির পাপ মোচন করা নয়, বরং পাপে লিপ্ত হওয়া থেকে হিফাযত করা। যেমন আবু উমামা বাহেলি রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
(عليكم بقيام الليل ، فإنه دأب الصالحين قبلكم ، وقربة إلى ربكم ، ومكفرة للسيئات ، ومنهاة للإثم) .
“তোমরা রাতের সালাত জরুরী করে নাও, কারণ তা নেককার লোকদের অভ্যাস, তোমাদের রবের নৈকট্য, গুনাহের কাফফারা ও পাপ থেকে সুরক্ষা”।[1]
পূর্বসূরিগণ বরং কয়েক বছর পূর্বে আমাদের পূর্বপুরুষগণ কিয়ামুল লাইল বা রাতের সালাতের ব্যাপারে শিথিলতা করতেন না, কিন্তু বর্তমান যুগে অবস্থা পাল্টে অনেকের রাত পরিণত হয়েছে দিনে। তাদের থেকে বিদায় নিয়েছে রাতে আল্লাহর সাথে মোনাজাতের স্বাদ। অনেকের শিথিলতা ফজর সালাতের সীমা অতিক্রম করে গেছে।
তাউস ইব্‌ন কিসান রহ. সেহরির সময় জনৈক ব্যক্তির সাক্ষাতে আসেন, তাকে বলা হল: সে ঘুমে। তিনি বললেন: “আমি জানতাম না সেহরির সময় কেউ ঘুমাতে পারে”।[2] তিনি যদি আমাদের দেখেন, আপনার ধারণা আমাদের সম্পর্কে তিনি কি বলবেন?
বান্দার ওপর আল্লাহর অশেষ মেহেরবানী যে, তিনি কতক সহজ আমল দান করেছেন, যার সওয়াব কিয়ামুল লাইলের সমান। যার থেকে কিয়ামুল লাইল ছুটে যায় অথবা কিয়ামুল লাইল যার পক্ষে কষ্টকর, সে যেন কোন অবস্থায় এসব আমল ত্যাগ না করে। এর অর্থ কিয়ামুল লাইল ত্যাগ করা নয়, আমাদের পূর্বপুরুষগণ এমন অর্থ বোঝেননি, বরং তারা কল্যাণের প্রত্যেক ময়দানে অংশ গ্রহণ করতেন।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‎ তার কতক সাহাবিকে, যারা কিয়ামুল লাইলে অক্ষম ছিল, কিছু সহজ আমল বাতলে দিয়েছেন যা কিয়ামুল লাইলের সমান। এটা আমাদের নেকির পাল্লা ভারী করার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‎ বিশেষ আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ। আবু উমামা বাহেলি ‎রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‎ বলেছেন:
(من هاله الليل أن يكابده ، أو بخل بالمال أن ينفقه ، أو جبن عن العدو أن يقاتله ، فليكثر من سبحان الله وبحمده ، فإنها أحب إلى الله من جبل ذهب ينفقه في سبيل الله عز وجل).
“যে শঙ্কাবোধ করে রাত জাগতে পারবে না, অথবা খরচ না করে সম্পদ জমা করে রাখে, অথবা শত্রুর সাথে যুদ্ধ না করে ভীরুতা প্রদর্শন করে, সে যেন سبحان الله وبحمده অধিক পাঠ করে, কারণ তা আল্লাহর রাস্তায় পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ ব্যয় করার চেয়ে অধিক প্রিয়”।[3]

আমি এখানে ফাযায়েলে আমল সম্পর্কে সেসব হাদিস উল্লেখ করব, যার সওয়াব কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‎ আমাদের তা বাতলে দিয়েছেন, যেন আমরা আমাদের আমলনামা ভারী ও সওয়াব বৃদ্ধির ব্রত গ্রহণ করি। যেমন:

Saturday, 6 December 2014

কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব




ভূমিকা:
সকল প্রশংসা দু’জাহানের পালনকর্তা আল্লাহ তা'আলার জন্য এবং দরূদ ও সালাম নাযিল হোক সর্বশেষ নবী ও রাসূল, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তার পরিবার ও সাথী এবং সকলের ওপর ।
অতঃপর,
কিয়ামুল লাইল বা রাতের সালাতের ফযিলত আল্লাহর নিকট বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ কোন সন্দেহ নেই। ফরয সালাতের পর এ সালাতের স্থান। এ সালাতের বৈশিষ্ট্য শুধু ব্যক্তির পাপ মোচন করা নয়, বরং পাপে লিপ্ত হওয়া থেকে হিফাযত করা। যেমন আবু উমামা বাহেলি রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
(عليكم بقيام الليل ، فإنه دأب الصالحين قبلكم ، وقربة إلى ربكم ، ومكفرة للسيئات ، ومنهاة للإثم) .
“তোমরা রাতের সালাত জরুরী করে নাও, কারণ তা নেককার লোকদের অভ্যাস, তোমাদের রবের নৈকট্য, গুনাহের কাফফারা ও পাপ থেকে সুরক্ষা”।[1]
পূর্বসূরিগণ বরং কয়েক বছর পূর্বে আমাদের পূর্বপুরুষগণ কিয়ামুল লাইল বা রাতের সালাতের ব্যাপারে শিথিলতা করতেন না, কিন্তু বর্তমান যুগে অবস্থা পাল্টে অনেকের রাত পরিণত হয়েছে দিনে। তাদের থেকে বিদায় নিয়েছে রাতে আল্লাহর সাথে মোনাজাতের স্বাদ। অনেকের শিথিলতা ফজর সালাতের সীমা অতিক্রম করে গেছে।
তাউস ইব্‌ন কিসান রহ. সেহরির সময় জনৈক ব্যক্তির সাক্ষাতে আসেন, তাকে বলা হল: সে ঘুমে। তিনি বললেন: “আমি জানতাম না সেহরির সময় কেউ ঘুমাতে পারে”।[2] তিনি যদি আমাদের দেখেন, আপনার ধারণা আমাদের সম্পর্কে তিনি কি বলবেন?
বান্দার ওপর আল্লাহর অশেষ মেহেরবানী যে, তিনি কতক সহজ আমল দান করেছেন, যার সওয়াব কিয়ামুল লাইলের সমান। যার থেকে কিয়ামুল লাইল ছুটে যায় অথবা কিয়ামুল লাইল যার পক্ষে কষ্টকর, সে যেন কোন অবস্থায় এসব আমল ত্যাগ না করে। এর অর্থ কিয়ামুল লাইল ত্যাগ করা নয়, আমাদের পূর্বপুরুষগণ এমন অর্থ বোঝেননি, বরং তারা কল্যাণের প্রত্যেক ময়দানে অংশ গ্রহণ করতেন।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‎ তার কতক সাহাবিকে, যারা কিয়ামুল লাইলে অক্ষম ছিল, কিছু সহজ আমল বাতলে দিয়েছেন যা কিয়ামুল লাইলের সমান। এটা আমাদের নেকির পাল্লা ভারী করার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‎ বিশেষ আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ। আবু উমামা বাহেলি ‎রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‎ বলেছেন:

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...