Showing posts with label রামযান. Show all posts
Showing posts with label রামযান. Show all posts

Sunday, 24 August 2014

বিলম্ব না করে ইফ্তার করা



 সহিহ আত্ তিরমিজি :: বিলম্ব না করে ইফ্তার করা অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ৮ :: হাদিস ৬৯৯
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রা) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যত দিন পর্যন্ত লোকেরা বিলম্ব না করে ইফ্তার করবে তত দিন পর্যন্ত তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে।-সহীহ্, ইরওয়া (৯১৭)
আবূ হুরাইরা, ইবনু আব্বাস, আইশা ও আনাস ইবনু মালিক (রা) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদিস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা এই হাদিসটিকে হাসান সহীহ্বলেছেন। সূর্যাস্তের পরপরই ইফ্তার করাকে রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম –এর বিশেষজ্ঞ সাহাবিগণ ও অপরাপর আলিম মুস্তাহাব বলে মনে করেন। ইমাম শাফিঈ, আহ্মাদ ও ইসহাকের এরকমই অভিমত রয়েছে।

Jami at-Tirmidhi ::  What Has Been Related About Hastening To Break The Fast
Part 8 :: Hadith 699
Sahl bin Sa'd narrated that :

the Messenger of Allah said: "The people will remain upon goodness as long as they hasten to break the fast." (Sahih)

Saturday, 23 August 2014

রামাযান মাস আসার পূর্বক্ষণে রোযা পালন করো না



সহিহ আত্ তিরমিজি :: রামাযান মাস আসার পূর্বক্ষণে রোযা পালন করো না অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ৮ :: হাদিস ৬৮৪
আবূ হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ রামাযান মাস আসার একদিন কিংবা দুদিন পূর্ব থেকে তোমারা (নফল) রোযা পালন করো না। হ্যাঁ, তবে তোমাদের কারো পূর্ব অভ্যাস অনুযায়ী রোযা পালনের দিন পড়ে গেলে সে ঐ দিনের রোযা পালন করতে পারবে। তোমরা রোযা রাখ চাঁদ দেখে এবং রোযা শেষ কর চাঁদ দেখেই। (২৯ তারিখে) আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে ত্রিশ দিন পুরো কর (চাঁদ দেখতে না পেলে), এরপর ইফ্তার কর (রোযা শেষ কর)।-সহীহ্, ইবনু মাজাহ (১৬৫০ ও ১৬৫৫), বুখারি, মুসলিম
রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম –এর কিছু সংখ্যক সাহাবি হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদিস বর্ণিত আছে। আবূ হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত হাদিসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্বলেছেন। এ হাদিস অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ আলিমগণ আমল করেন। তাদের মতে রামাযান মাস শুরুর অব্যবহিত পূর্বে রামাযানের মর্যাদার লক্ষ্যে রোযা পালন করা মাক্রূহ্। তবে কোন নির্ধারিত দিনে রোযা আদায়ের পূর্ব-অভ্যাস কারো থাকলে এবং রামাযানের আগের দিন সেই দিন হলে তবে এদিনে রোযা পালনে কোন সমস্যা নেই।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related About: Do Not Precede The Month With Fasting
Part 8 :: Hadith 684
Abu Hurairah narrated that :

the Prophet said: "Do not precede the month with a day nor with two days, unless that fast falls on a day that one of you would have (normally) fasted. Fast with its sighting and break fast with its sighting, and if it is cloudy, then count for thirty days, and then break (the fast)." (Sahih)

রামাযান মাসের রোযা পালন করলো



সহিহ আত্ তিরমিজি :: রোজা বা সাওম অধ্যায়
অধ্যায় ৮ :: হাদিস ৬৮৩
আবূ হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ঈমানের সাথে এবং সাওয়াবের আশা করে যে লোক রামাযান মাসের রোযা পালন করলো এবং (ইবাদাতের উদ্দেশ্যে) রাতে জেগে রইলো, তার পূর্ববর্তি গুনাহ্গুলো ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর ঈমানের সাথে এবং সাওয়াবের আশা করে যে লোক লাইলাতুল কাদ্রের (ইবাদাতের জন্য) রাতে জেগে তাহকে, তার পূর্ববর্তি গুনাহ্গুলো ক্ষমা করে দেওয়া হয়।-সহীহ্ ইবনু মাজাহ (১৩২৬), বুখারি, মুসলিম
আবূ ঈসা আবূ বাক্র ইবনু আইয়াসের সূত্রে আবূ হুরাইরা (রা) –এর বর্ণিত হাদিসটিকে গারিব বলেছেন। আমারা আমাশ –আবূ সালিহ্-এর সূত্রে বর্ণিত আবূ হুরাইরা (রা) –এর হাদিসটিকে শুধুমাত্র আবূ বাক্র ইবনু আইয়াসের মাধ্যমেই জেনেছি। আমি এ হাদিস প্রসঙ্গে মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাইলকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, হাসান ইবনুর রাবি, আবুল আহ্ওয়াস হতে, তিনি আমাশ হতে, তিনি মুজাহিদ হতে তার বক্তব্য হিসাবে বর্ণিত রামাযান মাসের প্রথম রাতে ...... হাদিসের শেষ পর্যন্ত। মুহাম্মাদ বলেন, আমার নিকটে এই সনদটি আবূ বাক্র ইবনু আইয়াসের তুলনায় বেশি সহীহ্।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related About The Virtue Of The Month Of Ramadan
Part 8 :: Hadith 683
Abu Hurairah narrated that :
the Messenger of Allah said: "Whoever fasts Ramadan and stands (in the night prayer) for it out of faith and seeking a reward (from Allah), he will be forgiven what preceded of his sins. Whoever stands (in the night prayer) on the Night of Al-Qadr out of faith and seeking a reward (from Allah), he will be forgiven what preceded of his sins." (Hasan)

Grade:        Hasan (Darussalam)

রামাযান মাসের ফাযিলাত



সহিহ আত্ তিরমিজি :: রামাযান মাসের ফাযিলাত অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ৮ :: হাদিস ৬৮২
আবূ হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ শাইতান ও দুষ্ট জিন্দেরকে রামাযান মাসের প্রথম রাতেই শৃংখলাবদ্ধ করা হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করা হয় এবং এর একটি দরজাও তখন আর খোলা হয় না, খুলে দেওয়া হয় জান্নাতের দরজাগুলো এবং এর একটি দরজাও তখন আর বন্ধ করা হয় না। (এ মাসে) একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা দিতে থাকেনঃ হে কল্যাণ অন্বেষণকারী ! অগ্রসর হও। হে পাপাসক্ত ! বিরত হও। আর বহু লোককে আল্লাহ্তা’আলার পক্ষ হতে এ মাসে জাহান্নাম হতেকে মুক্ত করে দেওয়া হয় এবং প্রত্যেক রাতেই এরূপ হতে থাকে।-সহীহ্ ইবনু মাজাহ (১৬৪২)
আব্দুর রাহমান ইবনু আওফ, ইবনু মাসউদ ও সালমান (রা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদিস বর্ণিত আছে।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related About The Virtue Of The Month Of Ramadan
Part 8 :: Hadith 682
Abu Hurairah narrated that :

the Messenger of Allah said: "On the first night of the month of Ramadan, the Shayatin are shackled, the jinns are restrained, the gates of the Fires are shut such that no gate among them would be opened. The gates of Paradise are opened such that no gate among them would be closed, and a caller calls: 'O seeker of the good; come near!' and 'O seeker of evil; stop! For there are those whom Allah frees from the Fire.' And that is every night." (Hasan)

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...