Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts
Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts

Sunday, 25 January 2015

প্রশ্ন: আমি শুনেছি ‘গণতন্ত্র’ ইসলাম থেকে নেয়া হয়েছে। এ কথাটা কি ঠিক? গণতন্ত্রের পক্ষে প্রচারণা করার হুকুম কি?


উত্তর:
 আলহামদুলিল্লাহ।
 এক:
ডেমোক্রেসি (গণতন্ত্র) আরবী শব্দ নয়। এটি গ্রিক ভাষার শব্দ। দুটি শব্দের সমন্বয়ে শব্দটি গঠিত: Demos অর্থ- সাধারণ মানুষ বা জনগণ। আর দ্বিতীয় শব্দটি হচ্ছে-KRATIA অর্থ- শাসন। অতএব, ডেমোক্রেসি শব্দের অর্থ হচ্ছে- সাধারণ মানুষের শাসন অথবা জনগণের শাসন।
 দুই:
গণতন্ত্র ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক একটি তন্ত্র। এই তন্ত্রে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জনগণের হাতে অথবা তাদের নিযুক্ত প্রতিনিধি (পার্লামেন্ট সদস্য) এর হাতে অর্পণ করা হয়। তাই এ তন্ত্রের মাধ্যমে গায়রুল্লাহর শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়; বরং জনগণ ও জনপ্রতিনিধির শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ তন্ত্রে জনপ্রতিনিধিদের সকলে একমত হওয়ার দরকার নেই। বরং অধিকাংশ সদস্য একমত হওয়ার মাধ্যমে এমন সব আইন জারী করা যায় জনগণ যেসব আইন মেনে চলতে বাধ্য; এমনকি সে আইন যদি মানব প্রকৃতি, ধর্ম, বিবেক ইত্যাদির সাথে সাংঘর্ষিক হয় তবুও। উদাহরণতঃ এই তন্ত্রের অধীনে গর্ভপাত করা, সমকামিতা, সুদি মুনাফার বিধান ইত্যাদি জারী করা হয়েছে। ইসলামি শাসনকে বাতিল করা হয়েছে। ব্যভিচার ও মদ্যপানকে বৈধ করা হয়েছে। বরং এই তন্ত্রের মাধ্যমে ইসলাম ও ইসলামপন্থীদেরকে প্রতিহত করা হয়। অথচ আল্লাহ তাআলা তাঁর কিতাবে জানিয়েছেন, হুকুম বা শাসনের মালিক একমাত্র তিনি এবং তিনিই হচ্ছেন- উত্তম হুকুমদাতা বা শাসক। পক্ষান্তরে অন্যকে তাঁর শাসনে অংশীদার করা থেকে নিষেধ করেছেন এবং জানিয়েছেন তাঁর চেয়ে উত্তম বিধানদাতা কেউ নেই। আল্লাহ তাআলা বলেন (ভাবানুবাদ): “অতএব, হুকুম দেওয়ার অধিকার সুউচ্চ ও সুমহান আল্লাহর জন্য” [সূরা গাফের, আয়াত: ১২] আল্লাহ তাআলা আরও বলেন (ভাবানুবাদ): “আল্লাহ ছাড়া কারো বিধান দেওয়ার অধিকার নেই। তিনি আদেশ দিয়েছেন যে, তিনি ব্যতীত অন্য কারও ইবাদত করো না। এটাই সরল পথ। কিন্তু অধিকাংশ লোক তা জানে না।”।[সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৪০] আল্লাহ তাআলা আরও বলেন: “আল্লাহ কি

Tuesday, 13 January 2015

যে শাসক আল্লাহর আইন অনুযায়ী শাসন করে না তাকে কি নির্বাচিত করা যাবে



প্রশ্ন: 
মুসলিম রাষ্ট্রের জন্য এমন কোন শাসককে নির্বাচিত করা কি জায়েয হবে যে আল্লাহর আইন অনুযায়ী শাসন করে না? উল্লেখ্য, তাকে যদি নির্বাচিত করা না হয় তাহলে সে নানাভাবে কোণঠাসা করে রাখবে; এমন কি গ্রেফতারও করতে পারে।
উত্তর:
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
ঈমানদারেরা সুদৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, আল্লাহর আইনের চেয়ে উত্তম কোন আইন নেই। আল্লাহর আইন বিরোধী সকল বিধান জাহেলী বিধান। আল্লাহ তাআলা বলেন: “তারা কি তবে জাহিলিয়্যাতের বিধান চায়? আর নিশ্চিত বিশ্বাসী কওমের জন্য বিধান প্রদানে আল্লাহর চেয়ে কে অধিক উত্তম?”[সূরা মায়েদা, ০৫:৫০] আল্লাহর উপর ঈমান ও রাসূলদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে সেগুলোর প্রতি ঈমান আনার পর আল্লাহর আইন বাদ দিয়ে অন্য কোন আইন গ্রহণ করার প্রবণতাকে আল্লাহ তাআলা ‘বিস্ময়কর’ ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন: “আপনি কি তাদেরকে দেখেননি, যারা দাবী করে যে, যা আপনার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং আপনার পূর্বে যা অবতীর্ণ হয়েছে আমরা সে বিষয়ের উপর ঈমান এনেছি। তারা তাগূতের কাছে বিচার নিয়ে যেতে চায় অথচ তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে তাকে অস্বীকার করতে। আর শয়তান চায় তাদেরকে ঘোর বিভ্রান্তিতে বিভ্রান্ত করতে।”[সূরা নিসা ০৪:৬০]
শানকিতি (রহঃ) বলেন: “আল্লাহ তাআলা উল্লেখ করেছেন যে, যারা আল্লাহর আইন বাদ দিয়ে অন্য আইনে শাসন করে আল্লাহ তাদের ঈমানের দাবীর প্রতি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কারণ তাগুতের কাছে বিচার ফয়সালা চাওয়ার পরেও ঈমানের দাবী- মিথ্যা ছাড়া আর কিছু নয়। এমন মিথ্যা সত্যিই বিস্ময়কর।” সমাপ্ত

Tuesday, 21 October 2014

ইসলাম কায়েম বলতে আপনি কি বুঝেছেন আর মানুষকে কি বুঝাচ্ছেন?



যদি আপনি এমন মনে করেন যে - ইসলামের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলঃ একটি ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করে দ্বীন কায়েম করা, তাহলে প্রশ্ন আসেঃ

১. ইসলামের যেই ৫টি রুকনের কথা নবী (সাঃ) হাদীসে জিব্রীলে উল্লেখ করলেন, তাতে এই ইকামতে দ্বীন কোথায়? তাহলে যেগুলো ইসলামের মূল বিধান তা বাদ দিয়ে ইসলামের নামে একটি নব আবিষ্কৃত লক্ষ্য উদ্দেশ্য তৈরি করা হয়নি কি?

২. ধরে নিলাম একটি ইসলামী রাষ্ট্র কেউ তৈরী করলো, কিন্তু ইসলামী রাষ্ট্র তৈরী হলেই কি সাথে সাথে কাফেররা মুমিন হয়ে যাবে এবং মুশরিকরা শির্ক বর্জন করে তাওহীদী হয়ে যাবে? ধরুন বাংলাদেশে এমন একটি সরকার আসলো, তাতে কি পীরপন্থী, কবর-মাযারওয়ালারা কবরপূজা ছেড়ে দিবে? আইনের ভয়ে যদি তারা কিছু কার্য-কলাপ বন্ধও রাখে কিন্তু তাতে কি তাদের ঈমান পরিবর্তন হবে? তাই অন্তরের পরিবর্তনই মূল পরিবর্তন, আইনী পরিবর্তন হচ্ছে সাময়িক ও মুনাফেকী পরিবর্তন।

Sunday, 7 September 2014

ইসলামে রাজনীতি নাম দিয়ে ধোঁকা




ইসলামে রাজনীতি?
(
রাজনীতির নামে যা চলছে তা কি ইসলাম?)

"ইসলামী রাজনীতি" নামে ভারত, বাংলাদেশ পাকিস্থানে "জামাতে ইসলামী" ও মিশরসহ অন্যান্য দেশে "ইখওয়ানুল মুসলিমিন" (Muslim Brotherhood) যে অরাজকতা, ফেতনা ফাসাদ সৃষ্টি করা হয়েছে সেটা উম্মতকে ধোঁকা দেওয়া ছাড়া আর কিছুইনা। ইসলামী শাসন কায়েমের নামে দিনের পর দিন মুসলিম উম্মাহকে লাশ উপহার দেওয়া তাদের কাছে এখন কোনো ঘটনাই না, বরং ক্ষমতা পাওয়ার নেশায় আজ তারা চোখ থাকতেও অন্ধ।

ইসলামে রাজনীতি নাম দিয়ে ধোঁকা




ইসলামে রাজনীতি?
(
রাজনীতির নামে যা চলছে তা কি ইসলাম?)

"ইসলামী রাজনীতি" নামে ভারত, বাংলাদেশ পাকিস্থানে "জামাতে ইসলামী" ও মিশরসহ অন্যান্য দেশে "ইখওয়ানুল মুসলিমিন" (Muslim Brotherhood) যে অরাজকতা, ফেতনা ফাসাদ সৃষ্টি করা হয়েছে সেটা উম্মতকে ধোঁকা দেওয়া ছাড়া আর কিছুইনা। ইসলামী শাসন কায়েমের নামে দিনের পর দিন মুসলিম উম্মাহকে লাশ উপহার দেওয়া তাদের কাছে এখন কোনো ঘটনাই না, বরং ক্ষমতা পাওয়ার নেশায় আজ তারা চোখ থাকতেও অন্ধ।

ইসলামে রাজনীতি নাম দিয়ে ধোঁকা




ইসলামে রাজনীতি?
(
রাজনীতির নামে যা চলছে তা কি ইসলাম?)

"ইসলামী রাজনীতি" নামে ভারত, বাংলাদেশ পাকিস্থানে "জামাতে ইসলামী" ও মিশরসহ অন্যান্য দেশে "ইখওয়ানুল মুসলিমিন" (Muslim Brotherhood) যে অরাজকতা, ফেতনা ফাসাদ সৃষ্টি করা হয়েছে সেটা উম্মতকে ধোঁকা দেওয়া ছাড়া আর কিছুইনা। ইসলামী শাসন কায়েমের নামে দিনের পর দিন মুসলিম উম্মাহকে লাশ উপহার দেওয়া তাদের কাছে এখন কোনো ঘটনাই না, বরং ক্ষমতা পাওয়ার নেশায় আজ তারা চোখ থাকতেও অন্ধ।

ইসলামে রাজনীতি নাম দিয়ে ধোঁকা




ইসলামে রাজনীতি?
(
রাজনীতির নামে যা চলছে তা কি ইসলাম?)

"ইসলামী রাজনীতি" নামে ভারত, বাংলাদেশ পাকিস্থানে "জামাতে ইসলামী" ও মিশরসহ অন্যান্য দেশে "ইখওয়ানুল মুসলিমিন" (Muslim Brotherhood) যে অরাজকতা, ফেতনা ফাসাদ সৃষ্টি করা হয়েছে সেটা উম্মতকে ধোঁকা দেওয়া ছাড়া আর কিছুইনা। ইসলামী শাসন কায়েমের নামে দিনের পর দিন মুসলিম উম্মাহকে লাশ উপহার দেওয়া তাদের কাছে এখন কোনো ঘটনাই না, বরং ক্ষমতা পাওয়ার নেশায় আজ তারা চোখ থাকতেও অন্ধ।

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...