·
ইমাম আস-সাবূনী (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ৪৪৯ হি.] বিদ‘আতীদের ব্যাপারে সালাফদের মানহাজ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, “আর তারা আহলুল বিদ‘আহ—যারা দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু আবিষ্কার করে—তাদের ঘৃণা করতেন। তারা তাদের ভালোবাসতেন না, তাদের সাথে সম্পর্কও রাখতেন না। তারা তাদের কথা শুনতেন না, তাদের সাথে বসতেনও না। তারা তাদের সাথে দ্বীনের ব্যাপারে তর্ক করতেন না, বিতর্কও করতেন না।”
ইমাম আস-সাবূনী (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ৪৪৯ হি.] বিদ‘আতীদের ব্যাপারে সালাফদের মানহাজ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, “আর তারা আহলুল বিদ‘আহ—যারা দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু আবিষ্কার করে—তাদের ঘৃণা করতেন। তারা তাদের ভালোবাসতেন না, তাদের সাথে সম্পর্কও রাখতেন না। তারা তাদের কথা শুনতেন না, তাদের সাথে বসতেনও না। তারা তাদের সাথে দ্বীনের ব্যাপারে তর্ক করতেন না, বিতর্কও করতেন না।”
·
ইমাম আস-সাবূনী (রাহিমাহুল্লাহ)’র উক্ত কথার ব্যাখ্যায় ইমাম ফিস সুন্নাহ, ‘আল্লামাহ ড. রাবী‘ বিন হাদী ‘উমাইর আল-মাদখালী (হাফিযাহুল্লাহ) [জন্ম: ১৩৫১ হি./১৯৩২ খ্রি.] বলেন, “এ ব্যাপারটি কেমন? এটা কি তারা নিজেরা আবিষ্কার করেছিলেন না কি এটা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ এর পক্ষ থেকে হিদায়াত, এবং ন্যায়নিষ্ঠ সালাফদের আদর্শ?
ইমাম আস-সাবূনী (রাহিমাহুল্লাহ)’র উক্ত কথার ব্যাখ্যায় ইমাম ফিস সুন্নাহ, ‘আল্লামাহ ড. রাবী‘ বিন হাদী ‘উমাইর আল-মাদখালী (হাফিযাহুল্লাহ) [জন্ম: ১৩৫১ হি./১৯৩২ খ্রি.] বলেন, “এ ব্যাপারটি কেমন? এটা কি তারা নিজেরা আবিষ্কার করেছিলেন না কি এটা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ এর পক্ষ থেকে হিদায়াত, এবং ন্যায়নিষ্ঠ সালাফদের আদর্শ?
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা আহলুল বিদ‘আহর ব্যাপারে সতর্ক করেছেন এবং আমাদের জন্য স্পষ্ট করেছেন যে, তারা হলো প্রবৃত্তির অনুসারী এবং তারা মুতাশাবিহাত (অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক আয়াতসমূহ) এর অনুসরণ করে।
‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আয়াতটি পাঠ করলেন هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ ............ إِلاَّ أُولُو الأَلْبَابِ– ❝তিনিই তোমার প্রতি এ কিতাব অবতীর্ণ করেছেন যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট, দ্ব্যর্থহীন।❞ এগুলো কিতাবের মূল অংশ; আর অন্যগুলো রূপক; যাদের অন্তরে সত্য-লঙ্ঘন প্রবণতা রয়েছে শুধু তারাই ফিতনাহ এবং ভুল ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে যা অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক—তার অনুসরণ করে। আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ এর ব্যাখ্যা জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তাঁরা বলেন: ❝আমরা এতে ঈমান এনেছি, এসবই আমাদের প্রভুর তরফ থেকে এসেছে। জ্ঞানবানরা ব্যতীত কেউ সদুপদেশ গ্রহণ করে না।❞ [সূরাহ আলে ‘ইমরান: ৭]
নাবী ﷺ আয়াতটি পাঠ করলেন। ‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহা) বলেন, “রাসূলুল্লাহ ﷺ ঘোষণা করেছেন যে, যারা মুতাশাবিহাত আয়াতের পেছনে ছুটে, তাদের যখন তুমি দেখবে তখন মনে করবে যে, তাদের কথাই আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে বলেছেন। সুতরাং তাদের ব্যাপারে সাবধান থাকবে।” [সাহীহ মুসলিম, হা/২৬৬৫]
আল্লাহ স্পষ্ট করেছেন যে, তাদের সাথে রয়েছে (মন্দ) প্রবৃত্তি ও গোমরাহি, এবং তারা তাদের নিজেদের ও অন্যদের পথভ্রষ্ট করতে চায়! তারা ফিতনা চায় এবং লোকদের পথভ্রষ্ট করতে চায়। আর একারণেই রাসূল ﷺ বলেছেন, “আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এমন দলের আবির্ভাব ঘটবে, যাদের সর্বশরীরে (বিদ‘আতের) প্রবৃত্তি এমনভাবে অনুপ্রবেশ করবে যেমন পাগলা কুকুর কামড়ালে রোগীর সর্বশরীরে জলাতঙ্ক সঞ্চারিত হয়।” [সাহীহ বুখারী, হা/৪৫৪৭]