﴿ الشفاعة في ضوء القرآن والسنة ﴾
বিষয় সূচী
* ভূমিকা
* শাফাআতের অর্থ
* শাফাআতের প্রকারভেদ
* শরীয়ত সম্মত শাফাআতের প্রকারভেদ
* শাফাআতের মালিক কে?
* শাফাআতের পার্থক্য
* শাফাআত কখন অনুষ্ঠিত হবে?
* শাফাআত কারা করবেন?
* শাফাআতের শর্ত
* কারা শাফাআত থেকে বঞ্চিত হবে?
* শাফাআত ব্যতীত কেউ কি জান্নাতে প্রবেশ করবে?
* কার নিকট শাফাআতের দু’আ -করব?
* শাফাআতের দু’আ কীভাবে করব?
* গাইরুল্লাহর নিকট শাফাআতের দু’আ করার হুকুম
* শাফাআত সম্পর্কে মুফসসিরগণের অভিমত
* শাফাআত সম্পর্কে আকাঈদ শাস্ত্রবিদদের মতামত
* একটি বিশেষ আবেদন
ভূমিকা
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
সকল প্রশংসা আল্লাহর । সালাত-সালাম বর্ষিত হোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর। এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবী ও অনুসারীদের উপর।
কোরআন-সুন্নাহ ও ইজমায়ে উম্মত দ্বারা একথা প্রমাণিত যে, আল্লাহ তাআলাই হচ্ছেন দুনিয়া ও আখিরাতের সর্বময় কর্তৃত্ব, রাজত্বের অধিকারী । সব কিছুর মালিকানা তাঁরই।
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
বস্তুতঃ ইহকাল ও পরকাল আল্লাহরই। ( সূরা নাজম : ২৫)
জেনে রাখো, সৃষ্টি ও কর্তৃত্ব তাঁরই। ( সূরা আ’রাফ : ৫৪)
আকাশ ও জমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর। ( সূরা বাকারা : ২৮৪)
বলো হে নবী, যাবতীয় বিষয় আল্লাহরই এখতিয়ারে। ( সূরা আলে ইমরান : ১৫৪)
আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন বলবেন,
(আজ রাজত্ব কার ? সে তো একক প্রবল-পরাক্রান্ত আল্লাহর । ( সূরা মুমিন : ১৬
তিনি আরো বলবেন,
আজ তোমাদের কেউ কারো ক্ষতি বা উপকার করার ক্ষমতা রাখবে না। ( সূরা সাবা : ৪২)
তিনি তাঁর নবীকে এভাবে জানিয়ে দিয়েছেন:
হে নবী! বিচার দিবস সম্বন্ধে তুমি কী জান? আবার বলছি, বিচার দিবস সম্বন্ধে তুমি কী জান?” এটা সেই দিন যেদিন কেউ কারো জন্য কিছু করার সামর্থ রাখবে না। সেইদিন একক কর্তৃত্ব হবে স্রেফ আল্লাহর । ( সূরা ইনফিতার : ১৭ - ১৯)
