Showing posts with label পরকাল. Show all posts
Showing posts with label পরকাল. Show all posts

Tuesday, 24 February 2015

কোরআন-হাদীসের আলোকে শাফাআত


﴿ الشفاعة في ضوء القرآن والسنة 
                                                                              


বিষয় সূচী

* ভূমিকা                                                   
* শাফাআতের অর্থ                                        
* শাফাআতের প্রকারভেদ                                 
* শরীয়ত সম্মত শাফাআতের প্রকারভেদ               
* শাফাআতের মালিক কে?                               
* শাফাআতের পার্থক্য                                     
* শাফাআত কখন অনুষ্ঠিত হবে?                         
* শাফাআত কারা করবেন?                               
* শাফাআতের শর্ত                                         
* কারা শাফাআত থেকে বঞ্চিত হবে?                    
* শাফাআত ব্যতীত কেউ কি জান্নাতে প্রবেশ করবে?    
* কার নিকট শাফাআতের দুআ -করব?                 
* শাফাআতের দুআ কীভাবে করব?                      
* গাইরুল্লাহর নিকট শাফাআতের দুআ করার হুকুম    
* শাফাআত সম্পর্কে মুফসসিরগণের অভিমত           
* শাফাআত সম্পর্কে আকাঈদ শাস্ত্রবিদদের মতামত     
* একটি বিশেষ আবেদন      
    ভূমিকা
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
সকল প্রশংসা আল্লাহর । সালাত-সালাম বর্ষিত হোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর। এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবী ও অনুসারীদের উপর।
কোরআন-সুন্নাহ ও ইজমায়ে উম্মত দ্বারা একথা প্রমাণিত যে, আল্লাহ তাআলাই হচ্ছেন দুনিয়া ও আখিরাতের সর্বময় কর্তৃত্ব, রাজত্বের অধিকারী । সব কিছুর মালিকানা তাঁরই।
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ 
বস্তুতঃ ইহকাল ও পরকাল আল্লাহরই। ( সূরা নাজম : ২৫)
জেনে রাখো, সৃষ্টি ও কর্তৃত্ব তাঁরই। ( সূরা আরাফ : ৫৪)   
আকাশ ও জমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর। ( সূরা বাকারা : ২৮৪)
বলো হে নবী, যাবতীয় বিষয় আল্লাহরই এখতিয়ারে। ( সূরা আলে ইমরান : ১৫৪)
আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন বলবেন,
(আজ রাজত্ব কার ? সে তো একক প্রবল-পরাক্রান্ত আল্লাহর । ( সূরা মুমিন : ১৬
তিনি আরো বলবেন, 
আজ তোমাদের কেউ কারো ক্ষতি বা উপকার করার ক্ষমতা রাখবে না। ( সূরা সাবা : ৪২)
তিনি তাঁর নবীকে এভাবে জানিয়ে দিয়েছেন:
হে নবী! বিচার দিবস সম্বন্ধে তুমি কী জান? আবার বলছি, বিচার দিবস সম্বন্ধে তুমি কী জান? এটা সেই দিন যেদিন কেউ কারো জন্য কিছু করার সামর্থ রাখবে না। সেইদিন একক কর্তৃত্ব হবে স্রেফ আল্লাহর । ( সূরা ইনফিতার : ১৭ - ১৯)

Monday, 23 February 2015

কুরআন ও হাদীসের আলোকে মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা (১ম পর্ব)




ভূমিকা
সব প্রশংসা আল্লাহর, আমরা তাঁর প্রশংসা করছি, তাঁরই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি, তাঁর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি, তাঁর কাছে আমাদের অন্তরের সব কলুষ ও আমাদের কৃত সব পাপ থেকে পানাহ চাই। তিনি যাকে হিদায়াত দান করেন কেউ তাকে গোমরাহ করতে পারে না, আর তিনি যাকে পথ-ভ্রষ্ট করেন কেউ তাকে হিদায়াত দিতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই, আমি আরো  সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহর অসংখ্য সালাত ও সালাম তাঁর উপর, তাঁর পরিবার পরিজন, সাহাবীগণ ও কিয়ামত পর্যন্ত একনিষ্ঠতার সাথে তাঁর অনুসারী সকলের উপর বর্ষিত হোক।  
অতঃপর, এটি একটি সংক্ষিপ্ত গবেষণা যাতে “মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা” বর্ণনা করেছি। আর তা হলো জান্নাত ও জাহান্নামের তুলনামূলক আলোচনা। এমন জান্নাতের অফুরন্ত নিয়ামত যা কেউ লাভ করলে সে মহা সফল্য অর্জন করল, আর জাহান্নামের আযাব যেখানে কাউকে শাস্তি দেয়া হলে সে স্পষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে আমি সংক্ষেপে পঁচিশটি পরিচ্ছেদে দারুস সালাম তথা শান্তির নিকেতনে যাওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করেছিএবং এর নিয়ামতরাজি ও সেখানে পৌঁছার পথ সম্পর্কে আলোচনা করেছি আল্লাহ আমাদেরকে জান্নাতের অধিবাসী করু! আর দারুল বাওয়ার তথা ধ্বংস ও আযাবের স্থান জাহান্নাম সম্পর্কে সতর্ক করেছি এবং কি কারণে মানুষ জাহান্নামে যায় সে বিষয়ে আলোচনা করেছি। আল্লাহর কাছে আমরা জাহান্নাম থেকে পানাহ চাচ্ছি।

নিঃসন্দেহে প্রকৃত সফলতা হলো: জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে নাজাত পাওয়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
﴿ فَمَن زُحۡزِحَ عَنِ ٱلنَّارِ وَأُدۡخِلَ ٱلۡجَنَّةَ فَقَدۡ فَازَۗ وَمَا ٱلۡحَيَوٰةُ ٱلدُّنۡيَآ إِلَّا مَتَٰعُ ٱلۡغُرُورِ ١٨٥  [ال عمران١٨٥]
“সুতরাং যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে-ই সফলতা পাবে। আর দুনিয়ার জীবন শুধু ধোঁকার সামগ্রী [সূরা আলে-‘ইমরান: ১৮৫]
এটা সবচেয়ে বড় কামনা। এজন্যই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِرَجُلٍ: «مَا تَقُولُ فِي الصَّلَاةِ؟» قَالَ: أَتَشَهَّدُ ثُمَّ أَسْأَلُ اللَّهَ الْجَنَّةَ، وَأَعُوذُ بِهِ مِنَ النَّارِ، أَمَا وَاللَّهِ، مَا أُحْسِنُ دَنْدَنَتَكَ، وَلَا دَنْدَنَةَ مُعَاذٍ قَالَ: «حَوْلَهَا نُدَنْدِنُ»
“এক ব্যক্তিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি সালাতে কি পড়? সে বলল: আমি তাশাহহুদ পড়ি, এরপরে আমি আল্লাহর কাছে জান্নাতের জন্য দু‘আ করি এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ চাই। তবে আল্লাহর কসম! আপনার ও মু‘আয রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর অস্পষ্ট কথাবার্তা কতই না উত্তম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমরা অস্পষ্ট আওয়াজে জান্নাতের পরিবেশ কামনা করি [1]
অর্থাৎ তুমি আল্লাহর কাছে জান্নাত কামনা কর আর জাহান্নাম থেকে পানাহ চাও। আমারও গুনগুণ করে জান্নাত কামনা করি ও জাহান্নাম থেকে পানাহ চাই। সাহাবীদের পরিপূর্ণ মানব হওয়া, তাদের প্রবল আগ্রহ ও বিচক্ষণ জ্ঞানের প্রমাণ রাবি‘আ ইবন কা‘আব আল-আসলামী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর কাজ দ্বারা প্রমাণিত হয়।
عَنْ رَبِيعَة بْن كَعْبٍ الْأَسْلَمِيّ، قَالَ: كُنْتُ أَبِيتُ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَتَيْتُهُ بِوَضُوئِهِ وَحَاجَتِهِ فَقَالَ لِي: «سَلْ» فَقُلْتُ: أَسْأَلُكَ مُرَافَقَتَكَ فِي الْجَنَّةِ. قَالَ: «أَوْ غَيْرَ ذَلِكَ» قُلْتُ: هُوَ ذَاكَ. قَالَ: «فَأَعِنِّي عَلَى نَفْسِكَ بِكَثْرَةِ السُّجُودِ»
“রাবি‘আ ইবন কা‘আব আল-আসলামী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে রাত যাপন করেছিলাম। আমি তাঁর অযুর পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস এনে দিতাম। তিনি আমাকে বললেন, কিছু চাও। আমি বললাম, জান্নাতে আপনার সাহচার্য প্রার্থনা করছি। তিনি বললেন, এ ছাড়া আরো কিছু আছে কি? আমি বললাম, এটাই আমার প্রার্থনা। তিনি বললেন, তাহলে তুমি অধিক পরিমানে সিজদা করে তোমার নিজের স্বার্থেই আমাকে সাহায্য করো  [2]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবী ও তাঁর উম্মতকে জান্নাতের প্রতি উৎসাহ প্রদান করতেন ও জাহান্নাম থেকে ভয় প্রদর্শন করতেন। এজন্যই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিম্নোক্ত হাদীসে বলেছেন,

Friday, 12 December 2014

কেয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর (২য় পর্ব)





চতুর্থ অধ্যায়
জাহান্নাম ও তার অধিবাসীদের বিবরণ

কাফের ও মুশরিকদের যখন জাহান্নামে প্রবেশ করানো হবে তখন তারা জাহান্নামে বসে তাদের এ দুর্গতির জন্য একে অপরকে দোষারোপ করবে। একদল তাদের পূর্বসূরীদের দুষবে। আরেক দল তাদের নেতাদের দোষ দেবে। এ প্রসঙ্গে আল কুরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন অনেক কথা বলেছেন তার কিছু এখানে তুলে ধরলাম
قَالَ ادْخُلُوا فِي أُمَمٍ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِكُمْ مِنَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ فِي النَّارِ كُلَّمَا دَخَلَتْ أُمَّةٌ لَعَنَتْ أُخْتَهَا حَتَّى إِذَا ادَّارَكُوا فِيهَا جَمِيعًا قَالَتْ أُخْرَاهُمْ لِأُولَاهُمْ رَبَّنَا هَؤُلَاءِ أَضَلُّونَا فَآَتِهِمْ عَذَابًا ضِعْفًا مِنَ النَّارِ قَالَ لِكُلٍّ ضِعْفٌ وَلَكِنْ لَا تَعْلَمُونَ ﴿38﴾ وَقَالَتْ أُولَاهُمْ لِأُخْرَاهُمْ فَمَا كَانَ لَكُمْ عَلَيْنَا مِنْ فَضْلٍ فَذُوقُوا الْعَذَابَ بِمَا كُنْتُمْ تَكْسِبُونَ ﴿39﴾ (سورة الأعراف)
তিনি বলবেন, আগুনে প্রবেশ কর জিন ও মানুষের দলগুলোর সাথে, যারা তোমাদের পূর্বে গত হয়েছে। যখনই একটি দল প্রবেশ করবে, তখন পূর্বের দলকে তারা লানত করবে। অবশেষে যখন তারা সবাই তাতে একত্রিত হবে তখন তাদের পরবর্তী দলটি পূর্বের দল সম্পর্কে বলবে, হে আমাদের রব, এরা আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছে। তাই আপনি তাদেরকে আগুনের দ্বিগুণ আযাব দিন। তিনি বলবেন, সবার জন্য দ্বিগুণ, কিন্তু তোমরা জান না। আর তাদের পূর্ববর্তী দল পরবর্তী দলকে বলবে, তাহলে আমাদের উপর তোমাদের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই। অতএব তোমরা যা অর্জন করেছিলে, তার কারণে তোমরা আযাব আস্বাদন কর। (সূরা আল আরাফ, আয়াত ৩৮-৩৯)

وَإِذْ يَتَحَاجُّونَ فِي النَّارِ فَيَقُولُ الضُّعَفَاءُ لِلَّذِينَ اسْتَكْبَرُوا إِنَّا كُنَّا لَكُمْ تَبَعًا فَهَلْ أَنْتُمْ مُغْنُونَ عَنَّا نَصِيبًا مِنَ النَّارِ ﴿47﴾ قَالَ الَّذِينَ اسْتَكْبَرُوا إِنَّا كُلٌّ فِيهَا إِنَّ اللَّهَ قَدْ حَكَمَ بَيْنَ الْعِبَادِ ﴿48﴾ وَقَالَ الَّذِينَ فِي النَّارِ لِخَزَنَةِ جَهَنَّمَ ادْعُوا رَبَّكُمْ يُخَفِّفْ عَنَّا يَوْمًا مِنَ الْعَذَابِ ﴿49﴾ قَالُوا أَوَ لَمْ تَكُ تَأْتِيكُمْ رُسُلُكُمْ بِالْبَيِّنَاتِ قَالُوا بَلَى قَالُوا فَادْعُوا وَمَا دُعَاءُ الْكَافِرِينَ إِلَّا فِي ضَلَالٍ ﴿50﴾ (سورة المؤمن)
আর জাহান্নামে তারা যখন বানানুবাদে লিপ্ত হবে তখন দুর্বলরা, যারা অহঙ্কার করেছিল, তাদেরকে বলবে, আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম, অতএব তোমরা কি আমাদের থেকে আগুনের কিয়দংশ বহন করবে? অহঙ্কারীরা বলবে, আমরা সবাই এতে আছি; নিশ্চয় আল্লাহ বান্দাদের মধ্যে ফয়সালা করে ফেলেছেন আর যারা আগুনে থাকবে তারা আগুনের দারোয়ানদেরকে বলবে, তোমাদের রবকে একটু ডাকো না! তিনি যেন একটি দিন আমাদের আযাব লাঘব করে দেন তারা বলবে, তোমাদের কাছে কি সুস্পষ্ট প্রমাণাদিসহ তোমাদের রাসূলগণ আসেনি? জাহান্নামীরা বলবে, হ্যাঁ অবশ্যই। দারোয়ানরা বলবে, তবে তোমরাই দুআ কর। আর কাফিরদের দুআ কেবল নিষ্ফলই হয়(সূরা আল মুমিন ৪৭-৫০)

কেয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর (১ম পর্ব)




  
কেয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর
  
بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَالسَّاعَةُ أَدْهَى وَأَمَرُّ
  
বরং কিয়ামত তাদের প্রতিশ্রুত সময়আর কিয়ামত অতি ভয়ঙ্কর ও তিক্ততর


সূচীপত্র
অনুবাদকের কথা
ভূমিকা
প্রথম অধ্যায়:
বরযখের শাস্তি ও সুখ
মৃত্যুকালীন অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা
দুই ফেরেশতার প্রশ্ন পর্ব
মুনকার ও নাকীর প্রসঙ্গ
বরযখে শাস্তির কিছু দৃশ্য
কবরের আজাব সম্পর্কে ইমামদের বক্তব্য
দ্বিতীয় অধ্যায়:
কেয়ামত সংঘটন
শিঙ্গায় ফুঁৎকার প্রসঙ্গে
তৃতীয় অধ্যায়:
কেয়ামতের ভয়াবহতা
পরকাল অস্বীকারকারীদের দুর্দিন
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীসমূহ মুষ্ঠিবদ্ধ করা
হাশরের ময়দানের অবস্থা
যারা সে দিন আল্লাহ তাআলার ছায়াতে আশ্রয় পাবে
কেয়ামতের দিন যাকে প্রথম ডাকা হবে তিনি হলেন আদম আলাইহিস সালাম
যাকাত পরিত্যাগকারীর শাস্তি
কেয়ামতের দিন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাউজে কাউসার
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর শাফাআত
উম্মতে মুহাম্মাদীর হিসাব হবে সর্বপ্রথম
হিসাব-নিকাশের প্রকৃতি
অনুসারীরা নেতাদের প্রত্যাখ্যান করবে
ফেরেশতাগণ মুশরিকদের থেকে দায়মুক্তির ঘোষণা দেবে
মূর্তিগুলো অক্ষমতা প্রকাশ করবে
উম্মতে মুহাম্মদী কেয়ামতের দিন অন্য সকল জাতির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে
হিসাব নিকাশ যেভাবে শুরু
এমনিভাবে আজ ভুলে যাওয়া হবে
যার হিসাবে কঠোরতা হবে তাকে আজাব দেয়া হবে
সেদিন আল্লাহ ও বান্দার মধ্যে কোন দোভাষী থাকবে না
সেদিন প্রথম যে বিষয়টির হিসাব নেয়া হবে
সহজ হিসাব
প্রথম যে বিষয়ে ফয়সালা হবে
মানুষের অধিকার হরনের প্রতিকার
যারা লোক দেখানোর জন্য নেক আমল করতো কেয়ামতে তাদের বিচার
হে আদম সন্তানআমি অসুস্থ হয়েছিলাম তুমি আমার সেবা করোনি
জান্নাত ও জাহান্নামে এক মুহুর্তের অনুভূতি
তাওহীদের মূল্যায়ন
পুলসিরাত সম্পর্কে হাদীস
সর্বশেষ যে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে
মুমিনদের জাহান্নাম থেকে বের করার জন্য নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর শাফাআত
তাওহীদবাদী গুনাহগারদের জাহান্নাম থেকে মুক্ত করা
আরাফবাসীদের পরিচয়
পুলসিরাত ও জান্নাতের মধ্যে একটি প্রতিবন্ধক গেট
জাহান্নামে প্রবেশ করবে প্রতাপশালীরা আর জান্নাতে যাবে দুর্বল অসহায় মানুষগুলো
চতুর্থ অধ্যায়
জাহান্নাম ও তার অধিবাসীদের বিবরণ
অনুসারীদের থেকে শয়তানের দায়মুক্তির চেষ্টা
জাহান্নামবাসীদের আফসোস ও অনুতাপ

Thursday, 6 November 2014

কুরআনের আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম


ক. জান্নাত
جنة এক বচন, বহুবচনে  جنات, অর্থ ঘন সন্নিবেশিত বাগান, বাগ-বাগিচা। আরবীতে বাগানকে روضة (রওদ্বাতুন) এবং حديقة (হাদীকাতুন) ও বলা হয়। কিন্তু جنات (জান্নাত) শব্দটি আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীনের নিজস্ব একটি পরিভাষা। পারিভাষিক অর্থে জান্নাত বলতে এমন স্থানকে বোঝায়, যা আল্লাহ রব্বুল আলামীন তাঁর অনুগত বান্দাদের জন্য নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। যা দিগন্ত বিস্তৃত নানা রকম ফুলে ফুলে সুশোভিত সুরম্য অট্টালিকা সম্বলিত মনোমুগ্ধকর বাগান; যার পাশ দিয়ে প্রবাহমান বিভিন্ন ধরনের নদী-নালা ও ঝর্ণাধারা। যেখানে চির বসন্ত বিরাজমান।
আমরা জান্নাতকে জান্নাতও বলে থাকি। জান্নাত ফার্সী শব্দ। এখানে আমরা আরবী শব্দটিই ব্যবহার করবো।
জান্নাত চিরশান্তির জায়গা। সেখানে আরাম- আয়েশ, সুখ-শান্তি, আমোদ-প্রমোদ, চিত্ত বিনোদন ও আনন্দ-আহলাদের চরম ও পরম ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে ভোগ-বিলাস ও পানাহারের আতিশয্য। জান্নাতীরা যা কামনা করবে কিংবা কোনো কিছু পাওয়ার আহবান জানাবে, সকল কিছু পাবে। সেখানে সবাই যুবক হয়ে বাস করবে। শরীরে কোনো রোগ-শোক, জরাজীর্ণতা, মন্দা, বার্ধক্য, দুর্বলতা ও অপারগতা থাকবে না। যত ধরনের ফল-ফলাদি, খাদ্য-খাবার, পানীয়, দুধ, মধু সুস্বাদু খাবার সব খেতে পারবে। ভোগ-বিলাসের সকল উপায়-উপকরণ বিদ্যমান। সেগুলো স্বাদ ও গন্ধে অপূর্ব। আমোদ-প্রমোদ, ভ্রমন-বিহার, খেলা-ধুলা, বেড়ানো, বাজার করা ও শুভেচ্ছা-স্বাগত জানাতে পারবে। প্রাচুর্যের কোনো অভাব হবে না। দ্রুতগামী যানবাহনসহ মনের ইচ্ছা চোখের নিমির্ষে পূরণ করতে পারবে।

কুরআনের আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম


ক. জান্নাত
جنة এক বচন, বহুবচনে  جنات, অর্থ ঘন সন্নিবেশিত বাগান, বাগ-বাগিচা। আরবীতে বাগানকে روضة (রওদ্বাতুন) এবং حديقة (হাদীকাতুন) ও বলা হয়। কিন্তু جنات (জান্নাত) শব্দটি আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীনের নিজস্ব একটি পরিভাষা। পারিভাষিক অর্থে জান্নাত বলতে এমন স্থানকে বোঝায়, যা আল্লাহ রব্বুল আলামীন তাঁর অনুগত বান্দাদের জন্য নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। যা দিগন্ত বিস্তৃত নানা রকম ফুলে ফুলে সুশোভিত সুরম্য অট্টালিকা সম্বলিত মনোমুগ্ধকর বাগান; যার পাশ দিয়ে প্রবাহমান বিভিন্ন ধরনের নদী-নালা ও ঝর্ণাধারা। যেখানে চির বসন্ত বিরাজমান।
আমরা জান্নাতকে জান্নাতও বলে থাকি। জান্নাত ফার্সী শব্দ। এখানে আমরা আরবী শব্দটিই ব্যবহার করবো।
জান্নাত চিরশান্তির জায়গা। সেখানে আরাম- আয়েশ, সুখ-শান্তি, আমোদ-প্রমোদ, চিত্ত বিনোদন ও আনন্দ-আহলাদের চরম ও পরম ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে ভোগ-বিলাস ও পানাহারের আতিশয্য। জান্নাতীরা যা কামনা করবে কিংবা কোনো কিছু পাওয়ার আহবান জানাবে, সকল কিছু পাবে। সেখানে সবাই যুবক হয়ে বাস করবে। শরীরে কোনো রোগ-শোক, জরাজীর্ণতা, মন্দা, বার্ধক্য, দুর্বলতা ও অপারগতা থাকবে না। যত ধরনের ফল-ফলাদি, খাদ্য-খাবার, পানীয়, দুধ, মধু সুস্বাদু খাবার সব খেতে পারবে। ভোগ-বিলাসের সকল উপায়-উপকরণ বিদ্যমান। সেগুলো স্বাদ ও গন্ধে অপূর্ব। আমোদ-প্রমোদ, ভ্রমন-বিহার, খেলা-ধুলা, বেড়ানো, বাজার করা ও শুভেচ্ছা-স্বাগত জানাতে পারবে। প্রাচুর্যের কোনো অভাব হবে না। দ্রুতগামী যানবাহনসহ মনের ইচ্ছা চোখের নিমির্ষে পূরণ করতে পারবে।

Wednesday, 13 August 2014

মৃত্যুর পর যা ঘটবে


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
index copy
 মৃত্যুর পর যা ঘটবে
মৃত্যু একটি অবধারিত সত্য। মৃত্যুকে কেউ অস্বীকার করতে পারে না। কেউ তার আগমন ঠেকাতেও পারে না এবং কোনো দিন পারবেও না।
মৃত্যুর এই অলংঘনীয় সত্যকে পবিত্র কুরআনে এভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে:
كُلُّنَفْسٍذَائِقَةُالْمَوْتِ
‘প্রতিটি প্রাণ মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে’ (সূরা আলে ইমরান: ৫৭)।

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...