·
মদিনার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ও ফাক্বীহ, আল-হাফিযুল মুতক্বিন, আশ-শাইখুল ‘আল্লামাহ ড. মুহাম্মাদ বিন হাদী আল-মাদখালী (হাফিযাহুল্লাহ) প্রদত্ত ফতোয়া:
মদিনার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ও ফাক্বীহ, আল-হাফিযুল মুতক্বিন, আশ-শাইখুল ‘আল্লামাহ ড. মুহাম্মাদ বিন হাদী আল-মাদখালী (হাফিযাহুল্লাহ) প্রদত্ত ফতোয়া:
প্রশ্ন: ❝ইনি জিজ্ঞেস করছেন, তানযীমুদ দায়েশ (ISIS) এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের মতাদর্শের মধ্যে সম্পর্ক কী?❞
উত্তর: ❝তারা (দায়েশ) তাদেরই (ব্রাদারহুডের) অন্তর্ভুক্ত। তারা তাদের একটি অংশ। দায়েশ জামা‘আতুন নুসরা (নুসরা ফ্রন্ট) থেকে এসেছে। জামা‘আতুন নুসরা হলো প্রাক্তন দল, যেটা আফগানিস্তানে উপস্থিত ছিল, যার নাম আল-কায়েদা। আর আল-কায়েদা হলো ‘আব্দুল্লাহ ‘আযযাম ও উসামা বিন লাদেনের দল। তারা সবাই সাইয়্যিদ কুতুবের মানহাজের অনুসারী, এবং সাইয়্যিদ কুতুব হাসান আল-বান্নার দাওয়াতের ফলস্বরূপ (তাদের সাথে) সংযুক্ত হয়েছে। এটা হলো সনদ, আপনারা যদি চান তাহলে নিজেরা গবেষণা করুন তাদের কিতাব থেকে। মাহমুদ ‘আব্দুল হালীমের “ইখওয়ান আল-মুসলিমীন : আহদাসুন সান‘আতিত তারীখ” পড়ুন; তিনি ছিলেন (ব্রাদারহুড) সংগঠনের একজন নেতা এবং হাসান আল-বান্নার সহকর্মী। তিনি এই বিষয়ে চার খণ্ড লিখেছেন।
তারা হলো শ্রেষ্ঠ মিথ্যুকদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি উল্লেখ করেছেন, আমি আপনাদেরকে একটা কাহিনী শোনাব, যেটা এই কিতাবের মধ্যে পাওয়া যায়। আপনারা এই কিতাবে খুঁজে দেখতে পারেন। যেহেতু আমি ইতোমধ্যে এর রেফারেন্স দিয়েছি। এবং আপনি (এই কিতাবে) খুঁজে দেখার আগ পর্যন্ত মুহাম্মাদ ইবনু হাদী থেকে কিছু গ্রহণ করিয়েন না। সে বলেছে, “যখন আমরা, এবং যখন মুসলিম ব্রাদারহুড কোনো আর্থিক সংকটে পড়ত, আমরা ফিলিস্তিনের জন্য চাঁদা ওঠানোর স্লোগান দেওয়া শুরু করতাম।”
মানে তারা ফিলিস্তিনের জন্য চাঁদা চাইত। কিন্তু আসলে চাঁদা কাদের জন্য ছিল? আসলে এগুলো ছিলো তাদের ও তাদের পকেটের জন্য। আপনারা কয়েক বছর আগে দেখেছেন—বেশি আগে নয়—(তারা টাকা ওঠাচ্ছে) অন্যদের হিফয করানোর জন্য এবং এই ছোটো বাক্সগুলো, তারা এগুলো চাঁদার জন্য চালনা করত। তারা এগুলো সংগ্রহ করত আর এগুলো কোথায় যেত? এগুলো সন্ত্রাসীদের কাছে যেত। এটা বিদ্যমান আছে, গুগলে দেখুন, আপনারা এগুলো অডিয়ো ও ভিডিয়ো-সহ পাবেন।