Showing posts with label খেলাধুলা. Show all posts
Showing posts with label খেলাধুলা. Show all posts

Monday, 1 December 2014

খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় ইসলামী মূলনীতি




খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় ইসলামী মূলনীতি 

ইসলাম ফিতরাত তথা প্রকৃতির ধর্ম। ইসলাম প্রকৃতিবান্ধব; প্রকৃতির অনুকূল সব কিছুই সমর্থন করে, যাবৎ না তা মানুষের ইহ বা পরকালীন ক্ষতির কারণ হয়। শরীরচর্চায় শরীরের উপকার আছে বলে ইসলাম বরাবরই একে উৎসাহিত করে। অলস অকর্মণ্য স্থানুদের ইসলাম পছন্দ করে না। খোদ মানুষের স্রষ্টা আল্লাহ তা‘আলা পছন্দ করেন কর্মচঞ্চল, সজীব, প্রাণবন্ত বলিষ্ঠ ঈমানদারকে। দেখুন কুরআনেই এর প্রমাণ রয়েছে।

মূসা আলাইহিস সালামের ঘটনা আমরা জানি। তিনি  ফেরাউনের কবল ছেড়ে শু‘আইব আলাইহিস সালামের এলাকায় গেলেন। তাঁর দুই মেয়েকে পশুদের পানি পান করাতে সহযোগিতা করলেন। মেয়ে দুটি নবী মূসা আলাইহিস সালামের নৈতিক সততা ও শারীরিক শক্তিমত্তা উভয়ই খেয়াল করেছেন। আল্লাহর নবীর বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমতী কন্যা হিসেবে তাই বাবার কাছে এসে তাদের একজন পিতাকে প্রস্তাব দিলেন- আল্লাহর ভাষায় :  
﴿ قَالَتۡ إِحۡدَىٰهُمَا يَٰٓأَبَتِ ٱسۡتَ‍ٔۡجِرۡهُۖ إِنَّ خَيۡرَ مَنِ ٱسۡتَ‍ٔۡجَرۡتَ ٱلۡقَوِيُّ ٱلۡأَمِينُ ٢٦ ﴾ [القصص: ٢٦]  
‘নারীদ্বয়ের একজন বলল, ‘হে আমার পিতা, আপনি তাকে মজুর নিযুক্ত করুন। নিশ্চয় আপনি যাদেরকে মজুর নিযুক্ত করবেন তাদের মধ্যে সে উত্তম, যে শক্তিশালী বিশ্বস্ত।’ {সূরা আল-কাসাস, আয়াত : ২৬} 

মূসা আলাইহিস সালামের শারীরিক শক্তি ও কর্মক্ষমতার প্রশংসার এ শব্দগুলো আল্লাহ তা‘আলাই তাঁর বাণীতে তুলে ধরেছেন। তেমনি আল্লাহর নবীর কণ্ঠেও আমরা এর সমর্থন খুঁজে পাই। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 

Saturday, 27 September 2014

ফুটবল টুর্নামেন্ট বা প্রতিযোগিতা দেখা কী? এ খেলা দেখলে কি গুনাহ হবে?


শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যানি পরম করুনাময়, অসীম দয়ালু।
লেখকঃশাইখ আবদুর রহমান ইবন আবদুল্লাহ আল-সুহাইমঅনুবাদ :আলী হাসান তৈয়ব
ফুটবল টুর্নামেন্ট দেখার হুকুম কী?
প্রশ্ন : ফুটবল টুর্নামেন্ট বা প্রতিযোগিতা দেখা কী? এ খেলা দেখলে কি গুনাহ হবে?
উত্তর : এ খেলা যিনি দেখবেন, তিনি গুনাহগার হবেন তিন দিক থেকে :
প্রথমত.মূল্যবান সময় নষ্ট করার কারণে, যা একজন মানুষের আওতাধীন সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস। আর মানুষ তার জীবনকাল সম্পর্কে সাধারণভাবে এবং যৌবনকাল সম্পর্কে বিশেষভাবে জিজ্ঞাসিত হবে। আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিতম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,

Friday, 15 August 2014

প্রশ্নঃ ‪#‎তাস‬ বা ‪#‎দাবা‬ খেলা কি ইসলামের দৃষ্টি তে জায়েজ ?


উত্তরঃ উলামাগন স্পষ্ট ভাবে ঘোষনা করেছেন যে, উভয় প্রকার খেলাই হারাম। যেমন আমাদের শেইখ এবং উস্তাদগনও তা উল্লেখ করেছেন। তাদের এই সিদ্ধান্তের কারন এই যে, যে কোন খেলা খেলাতে মানুষের মাঝে উদাস্য ও আল্লাহর জিকির এবং ইবাদতে বাধা সৃস্টি করে। মানে খেলা তাকে নেশার মত আকৃষ্ট করে। আবার অনেক সময় খেলাকে কেন্দ্র করে উভয় দলের খেলোয়াড়দের মাঝে শত্রুতার সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। যা মুসলিম সমাজের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে। আবার অনেক সময় খেলোয়াড়দের উপর বাজি ধরা হয়, যা শরিয়তের দৃষ্টিতে হারাম। শরিয়ত শুধু ৩টি প্রতিযোগিতার অনুমতি দিয়েছে, আর তা হলঃ তীর, ঘোড়া, উট এর প্রতিযোগিতা।
অপর দিকে যারা তাস বা দাবা খেলায় মত্ত থাকে,তারা নিজেরাই বুঝতে পারছে যে তারা কিভাবে সময়ের অপচয় করছে। যেখানে কোন আল্লাহভীতির কিছু নেই এবং দুনিয়াবিও কোন সাফল্য নেই!
অনেকে বলে থাকে, এই সব খেলা দিয়ে মানুষের ব্রেইন খুলে ও বুদ্ধি বাড়ে!!
এই কথার কোন ভিত্তি নেই। কারন সে তাঁর ব্রেইন কে ঐ খেলার সাথেই সীমাবদ্ধ করে রাখছে, যা অন্যের উপকারে আসছে না! তাই সকল মুমিনদের উচিত সময় কে মূল্য দিয়ে তা আল্লাহর কাজে লাগানো কে। এবং এই সব খেলা থেকে নিজেকে দূরে রাখা।
মূলঃ ফতোওয়া, আস-ই'লাতুম মুহিম্মা
শেইখ সালেহ আল উসাইমীন (রহ)
সাবেক সদস্য, সৌদী সর্বোচ্চ ফতোওয়া বিভাগ এবং উচ্চ উলামা পরিষদ।
ফাতাওয়া তে, এখানে মূলত শুধু দাবা কে খাছ করা হয়নি ! সমস্ত খেলার বিধান কেই শামিল করা হয়েছে !
উলামায়ে কেরামকে যারা অবজ্ঞা করে তারা মূলত: ইসলামকেই অবজ্ঞা করে। দেখুন সাহাবায়ে কেরামের ফতোয়া: আলী (রা.) বলেছেন, দাবা হচ্ছে অনারবদের জুয়া। ইবনে ওমারকে দাবা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ওটা পাশা খেলা থেকেও নিকৃষ্ট। আবু মূসা আশআরী বলেন, গুনাহগার ছাড়া কেউ দাবা খেলে না। উবাইদুল্লাহ বিন জা’ফার বলেন, আবু সাঈদ খুদরী রা. দাবা খেলাকে ঘৃণা করতেন। তাবেঈ ইবনে শিহাব যুহরীকে দাবা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এটা বাতিল বিষয়, আর আল্লাহ বাতিল পছন্দ করেন না।
ইমাম মালেক মুয়াত্তায় বলেন, দাবা হচ্ছে পাশা খেলার অন্তর্ভুক্ত। বাইহাকী ৬০১৬।
ইবনে কাসীর এর সংশোধিত তাফসিরেঃ
সুরা মায়িদার ৯১ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, রসুল (সঃ) বলেছেন
"যে ব্যাক্তি চওসর খেলা করল যে যেন শুকরের মাংস ও রক্ত দ্বারা নিজ হাত রাবগিয়ে নিল"
মুসলিম।
ঠিক পরের লাইনে আছে, "আর দাবা সম্পর্কে আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) বলেছেন যে, ওটাতো চওসর থেকেও খারাপ, এটা জুয়া ও পাশার মত"
চওসর অর্থঃ ‪#‎জুয়া‬ খেলা।

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...