▌
·
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা সমগ্র বিশ্বজগতের প্রতিপালক মহান আল্লাহর জন্য। শতসহস্র দয়া ও শান্তি অবতীর্ণ হোক আল্লাহর বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর।
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা সমগ্র বিশ্বজগতের প্রতিপালক মহান আল্লাহর জন্য। শতসহস্র দয়া ও শান্তি অবতীর্ণ হোক আল্লাহর বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর।
পর সমাচার এই যে, অধুনা জনপ্রিয় এক ‘সুন্নি দাবিদার’ মুফতি সাহেবকে বলতে শোনা গেছে, তিনি শিয়া সম্প্রদায়কে মুসলিম মনে করেন এবং তিনি শিয়া ও সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার মত পোষণ করেন। আমরা ইতোমধ্যে শিয়াদের মৌলিক কুফরি ‘আক্বীদাহ সম্পর্কে জেনেছি এবং ইরানের শিয়ারা মুসলিম কি না সে সম্পর্কেও অবগত হয়েছি। ফালিল্লাহিল হামদ। তারপরেও যাঁরা জানেন না, তাঁরা “ইরানেরা শিয়ারা কি মুসলিম”– শীর্ষক নিবন্ধটি পড়ে দেখতে পারেন। নিবন্ধের লিংক: https://tinyurl(ডট)com/tfzoctf।
এখন কথা হচ্ছে, শিয়া-সুন্নির মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব কি না, অথবা এর বাস্তবতা কতটুকু, আর যারা এরকম ঐক্য কামনা করে তাদের বিধানই বা কী—তা জানা দরকার। আসুন দেখি, যুগশ্রেষ্ঠ ‘আলিমগণ কী বলেন।
·
সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি, বিগত শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ ফাক্বীহ, শাইখুল ইসলাম, ইমাম ‘আব্দুল ‘আযীয বিন ‘আব্দুল্লাহ বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.] বলেছেন,
সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি, বিগত শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ ফাক্বীহ, শাইখুল ইসলাম, ইমাম ‘আব্দুল ‘আযীয বিন ‘আব্দুল্লাহ বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.] বলেছেন,
التقريب بين الرافضة وبين أهل السنة غير ممكن؛ لأن العقيدة مختلفة، فعقيدة أهل السنة والجماعة توحيد الله وإخلاص العبادة لله سبحانه وتعالى، وأنه لا يدعى معه أحد لا ملك مقرب ولا نبي مرسل، وأن الله سبحانه وتعالى هو الذي يعلم الغيب، ومن عقيدة أهل السنة محبة الصحابة رضي الله عنهم جميعا والترضي عنهم، والإيمان بأنهم أفضل خلق الله بعد الأنبياء، وأن أفضلهم أبو بكر الصديق، ثم عمر، ثم عثمان، ثم علي، رضي الله عن الجميع، والرافضة خلاف ذلك فلا يمكن الجمع بينهما، كما أنه لا يمكن الجمع بين اليهود والنصارى والوثنيين وأهل السنة، فكذلك لا يمكن التقريب بين الرافضة وبين أهل السنة لاختلاف العقيدة التي أوضحناها.
“রাফিদ্বী শিয়া এবং আহলুস সুন্নাহকে পরস্পরের কাছে আনা অসম্ভব। কেননা (এদের) ‘আক্বীদাহ আলাদা আলাদা। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ হলো আল্লাহকে এক বলে গণ্য করা, ইবাদতকে আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠ করা, এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, দু‘আর ক্ষেত্রে তাঁর সাথে আর কাউকে শরিক করা যাবে না, না কোনো নৈকট্যশীল ফেরেশতাকে, আর না কোনো প্রেরিত নাবীকে এবং এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, কেবল আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলাই গায়েব জানেন।
আহলুস সুন্নাহর ‘আক্বীদাহর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে—সকল সাহাবীকে (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহুম) ভালোবাসা এবং তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা, আর এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, তাঁরা হলেন নাবীগণের পরে আল্লাহর সর্বোত্তম সৃষ্টি, আর তাঁদের মধ্যে সর্বোত্তম হলেন আবূ বাকার আস-সিদ্দীক্ব, তারপর ‘উমার, তারপর ‘উসমান, তারপর ‘আলী। আল্লাহ তাঁদের সবার প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন। পক্ষান্তরে রাফিদ্বীরা এর বিপরীত। তাই রাফিদ্বী এবং আহলুস সুন্নাহর মধ্যে সমন্বয় করা সম্ভব নয়। যেমনভাবে ইহুদি, খ্রিষ্টান ও মূর্তিপূজারীদের সাথে আহলুস সুন্নাহর সমন্বয় করা সম্ভব নয়। অনুরূপভাবে রাফিদ্বী সম্প্রদায় এবং আহলুস সুন্নাহকে পরস্পরের কাছে আনা সম্ভব নয় ‘আক্বীদাহর ভিন্নতার কারণে, যে ‘আক্বীদাহ আমরা বর্ণনা করলাম।” [মাজমূ‘উ ফাতাওয়া ওয়া মাক্বালাতুম মুতানাওয়্যা‘আহ; খণ্ড: ২৭; পৃষ্ঠা: ৩২৫]
·
ইয়েমেনের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস এবং সালাফী দা‘ওয়াতের মুজাদ্দিদ, ইমাম মুক্ববিল বিন হাদী আল-ওয়াদি‘ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২২ হি./২০০১ খ্রি.] বলেছেন,
ইয়েমেনের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস এবং সালাফী দা‘ওয়াতের মুজাদ্দিদ, ইমাম মুক্ববিল বিন হাদী আল-ওয়াদি‘ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২২ হি./২০০১ খ্রি.] বলেছেন,




