Showing posts with label শিয়া-সুন্নী. Show all posts
Showing posts with label শিয়া-সুন্নী. Show all posts

Wednesday, 15 January 2020

শিয়া-সুন্নি ঐক্য কি আদৌ সম্ভব?

·
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা সমগ্র বিশ্বজগতের প্রতিপালক মহান আল্লাহর জন্য। শতসহস্র দয়া ও শান্তি অবতীর্ণ হোক আল্লাহর বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর।
পর সমাচার এই যে, অধুনা জনপ্রিয় এক ‘সুন্নি দাবিদার’ মুফতি সাহেবকে বলতে শোনা গেছে, তিনি শিয়া সম্প্রদায়কে মুসলিম মনে করেন এবং তিনি শিয়া ও সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার মত পোষণ করেন। আমরা ইতোমধ্যে শিয়াদের মৌলিক কুফরি ‘আক্বীদাহ সম্পর্কে জেনেছি এবং ইরানের শিয়ারা মুসলিম কি না সে সম্পর্কেও অবগত হয়েছি। ফালিল্লাহিল হামদ। তারপরেও যাঁরা জানেন না, তাঁরা “ইরানেরা শিয়ারা কি মুসলিম”– শীর্ষক নিবন্ধটি পড়ে দেখতে পারেন। নিবন্ধের লিংক: https://tinyurl(ডট)com/tfzoctf।
এখন কথা হচ্ছে, শিয়া-সুন্নির মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব কি না, অথবা এর বাস্তবতা কতটুকু, আর যারা এরকম ঐক্য কামনা করে তাদের বিধানই বা কী—তা জানা দরকার। আসুন দেখি, যুগশ্রেষ্ঠ ‘আলিমগণ কী বলেন।
·
সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি, বিগত শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ ফাক্বীহ, শাইখুল ইসলাম, ইমাম ‘আব্দুল ‘আযীয বিন ‘আব্দুল্লাহ বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.] বলেছেন,
التقريب بين الرافضة وبين أهل السنة غير ممكن؛ لأن العقيدة مختلفة، فعقيدة أهل السنة والجماعة توحيد الله وإخلاص العبادة لله سبحانه وتعالى، وأنه لا يدعى معه أحد لا ملك مقرب ولا نبي مرسل، وأن الله سبحانه وتعالى هو الذي يعلم الغيب، ومن عقيدة أهل السنة محبة الصحابة رضي الله عنهم جميعا والترضي عنهم، والإيمان بأنهم أفضل خلق الله بعد الأنبياء، وأن أفضلهم أبو بكر الصديق، ثم عمر، ثم عثمان، ثم علي، رضي الله عن الجميع، والرافضة خلاف ذلك فلا يمكن الجمع بينهما، كما أنه لا يمكن الجمع بين اليهود والنصارى والوثنيين وأهل السنة، فكذلك لا يمكن التقريب بين الرافضة وبين أهل السنة لاختلاف العقيدة التي أوضحناها.
“রাফিদ্বী শিয়া এবং আহলুস সুন্নাহকে পরস্পরের কাছে আনা অসম্ভব। কেননা (এদের) ‘আক্বীদাহ আলাদা আলাদা। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ‘আক্বীদাহ হলো আল্লাহকে এক বলে গণ্য করা, ইবাদতকে আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠ করা, এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, দু‘আর ক্ষেত্রে তাঁর সাথে আর কাউকে শরিক করা যাবে না, না কোনো নৈকট্যশীল ফেরেশতাকে, আর না কোনো প্রেরিত নাবীকে এবং এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, কেবল আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলাই গায়েব জানেন।
আহলুস সুন্নাহর ‘আক্বীদাহর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে—সকল সাহাবীকে (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহুম) ভালোবাসা এবং তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা, আর এই বিশ্বাস পোষণ করা যে, তাঁরা হলেন নাবীগণের পরে আল্লাহর সর্বোত্তম সৃষ্টি, আর তাঁদের মধ্যে সর্বোত্তম হলেন আবূ বাকার আস-সিদ্দীক্ব, তারপর ‘উমার, তারপর ‘উসমান, তারপর ‘আলী। আল্লাহ তাঁদের সবার প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন। পক্ষান্তরে রাফিদ্বীরা এর বিপরীত। তাই রাফিদ্বী এবং আহলুস সুন্নাহর মধ্যে সমন্বয় করা সম্ভব নয়। যেমনভাবে ইহুদি, খ্রিষ্টান ও মূর্তিপূজারীদের সাথে আহলুস সুন্নাহর সমন্বয় করা সম্ভব নয়। অনুরূপভাবে রাফিদ্বী সম্প্রদায় এবং আহলুস সুন্নাহকে পরস্পরের কাছে আনা সম্ভব নয় ‘আক্বীদাহর ভিন্নতার কারণে, যে ‘আক্বীদাহ আমরা বর্ণনা করলাম।” [মাজমূ‘উ ফাতাওয়া ওয়া মাক্বালাতুম মুতানাওয়্যা‘আহ; খণ্ড: ২৭; পৃষ্ঠা: ৩২৫]
·
ইয়েমেনের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস এবং সালাফী দা‘ওয়াতের মুজাদ্দিদ, ইমাম মুক্ববিল বিন হাদী আল-ওয়াদি‘ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২২ হি./২০০১ খ্রি.] বলেছেন,

Friday, 9 June 2017

শিয়া আকীদা তথা ধর্ম বিশ্বাসঃ



১-ইমামাহ বা নেতৃত্বঃ তাদের মতে নেতৃত্ব দলীল দ্বারা সাব্যস্ত হতে হবে। অর্থাৎ পূর্বের নেতা পরের নেতাকে নির্দিষ্টরূপে নির্ধারণ করবেন; তার গুণাগুণ বর্ণনার মাধ্যমে নয়। নেতৃত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতকে নেতৃত্বহীন অবস্থায় ছেড়ে মারা যাবেন তা হয় না; বরং তাঁর জন্য কোনো এক ব্যক্তিকে নির্ধারণ করা জরুরি ছিল, যাঁর দিকে পরবর্তী লোকেরা প্রত্যাবর্তন করবে এবং তাঁর প্রতি ভরসা করবে।
তারা এই বিষয়ে বলে থাকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘গদীরে খাম’ দিবসে স্পষ্টই আলীর ইমামত নির্দিষ্ট করে দিয়ে ঘোষণা করেন যে, সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পরে ইমাম বা খলীফা হবেন। অবশ্য গদীরে খাম নামক ঘটনায় এমন নির্ধারণের বিষয়টি আহলে সুন্নাতের মুহাদ্দিস ও ঐতিহাসিকদের নিকট অস্বীকৃত ও অসাব্যস্ত।
তারা মনে করে, আলী তাঁর দুই পুত্র হাসান ও হুসাইনের নেতৃত নির্ধারণ করেছিলেন। এভাবে অন্য ইমামরাও। তাই প্রত্যেক ইমাম তার পরের ইমামকে নির্ধারণ করবে আর এটা হবে তার অসীয়ত স্বরূপ। তারা তাদের ‘আউস্বিয়া’ (অসিয়তকৃত ব্যক্তিবর্গ) নামে আখ্যায়িত করে থাকে।
২-ইসমত বা ইমামদের নিষ্পাপতায় বিশ্বাস:
তাদের বিশ্বাস যে, তাদের সকল ইমাম ছোট-বড় সকল প্রকার পাপ থেকে পবিত্র এবং নিস্পাপ।
৩-ইলমে লাদুন্নীর আক্বীদাঃ (আধ্যাতিক জ্ঞান)
তাদের প্রত্যেক ইমামকে ইলমে লাদুন্নী তথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট থেকে আধ্যাতিক জ্ঞান দেওয়া হয়েছে যা দ্বারা তারা শরীয়ত পরিপূর্ণ করে থাকে। তারা ইলমে লাদুন্নীর অধিকারী, তাদের ও নবীদের মধ্যে এছাড়া কোনো পার্থক্য নেই যে, নবীদের কাছে অহী আসে আর তাদের কাছে অহী হয় না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের শরীয়তের গোপন ভেদ দিয়ে গেছেন, যেন তারা সময়ের দাবী অনুযায়ী সাধারণ লোকদের বর্ণনা দেয়।
৪-ইমামের অলৌকিক শক্তির প্রতি বিশ্বাসঃ
ইমামের হাতে অলৌকিক কিছু প্রকাশ পাওয়া সম্ভব। এসব কে তারা মুজিযা বলে থাকে। যদি কোনো ক্ষেত্রে পূর্বের ইমাম পরের ইমামকে নির্ধারণ না করে থাকে তাহলে এমতাবস্থায় পরের ইমাম অলৌকিকতার মাধ্যমে নির্ধারণ হবে।

Monday, 8 June 2015

হুতী শিয়াদের আসল চেহারা (বই ডাউনলোড সহ)


واجهة الحوثيين بنغالي-page-0012حَقِيْقَةُ الحُوْثِيِّيْنَ
হুতী শিয়াদের আসল চেহারা
মূল: প্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন
অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
বইটি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:
:الْحَمْدُ لِلّهِ والصَّلاَةُ السَّلامُ عَلي رَسُوْلِ اللهِ وعَلى آلِه وصَحْبِه ومَنْ وَالَاه وبَعْدُ
ভূমিকা: হুতী নামটি বর্তমানে অনেকের কাছে পরিচিত। ইয়েমেনে যাদের বিরুদ্ধে  বিরুদ্ধে সউদী আরবের নেতৃত্বে ‘আসিফাতুল হাযম’ নামে একটি যুদ্ধ পরিচালিত করেছে। কিন্তু বাংলাভাষী অনেকেই এই হুতী সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখে না। ফলে বিভিন্ন শিয়া প্রভাবিত এবং ইসলাম বিদ্বেষী মিডিয়ার কারণে অনেকে বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছে। অথচ মুসলিম বিশ্বের উপর এই ঘটনা-প্রবাহের সুদূর প্রসারী প্রভাব পড়ছে এবং পড়বে-তাতে কোন সন্দেহ নাই। তাই এ সম্পর্কে মুসলিম যুবকদের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরী।
এই প্রেক্ষাপটে সউদী আরবের ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত কিং সউদ ইউনিভার্সিটি’র ‘আকীদা ও সমকালীন মতবাদ’ এর অধ্যাপক প্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন রচিত বক্ষ্যমাণ পুস্তিকাটি অনুবাদ করা হল যেন, বাংলাভাষী মুসলিমগণ এই ফিতনার ব্যাপারে সচেতন হতে পারে।
অত্র পুস্তিকাটিতে শিয়া হুতী সম্প্রদায়ের উৎস, পরিচিতি,  ক্রমবিকাশ, কার্যক্রম,  লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং পরিকল্পনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়েছে এবং প্রাসঙ্গিক ভাবে রাফেযীয়া-ইমামিয়া-ইসনা আশারিয়া সম্প্রদয়ের মৌলিক আকীদা-বিশ্বাস সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
আল্লাহ তায়ালা তার জমিনে সত্যের পতাকা উড্ডীন করুন। বাতিল ও মিথ্যার মুখোশ উন্মোচন করে দিন এবং সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে ফিতনা-ফ্যাসাদ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
অনুবাদক:

Monday, 27 April 2015

হুতী শিয়াদের আসল চেহারা (বই ডাউনলোড সহ)


واجهة الحوثيين بنغالي-page-0012
حَقِيْقَةُ الحُوْثِيِّيْنَ
হুতী শিয়াদের আসল চেহারা
মূল: প্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন
অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
বইটি ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:
:الْحَمْدُ لِلّهِ والصَّلاَةُ السَّلامُ عَلي رَسُوْلِ اللهِ وعَلى آلِه وصَحْبِه ومَنْ وَالَاه وبَعْدُ
ভূমিকা: হুতী নামটি বর্তমানে অনেকের কাছে পরিচিত। ইয়েমেনে যাদের বিরুদ্ধে  বিরুদ্ধে সউদী আরবের নেতৃত্বে ‘আসিফাতুল হাযম’ নামে একটি যুদ্ধ পরিচালিত করেছে। কিন্তু বাংলাভাষী অনেকেই এই হুতী সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখে না। ফলে বিভিন্ন শিয়া প্রভাবিত এবং ইসলাম বিদ্বেষী মিডিয়ার কারণে অনেকে বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছে। অথচ মুসলিম বিশ্বের উপর এই ঘটনা-প্রবাহের সুদূর প্রসারী প্রভাব পড়ছে এবং পড়বে-তাতে কোন সন্দেহ নাই। তাই এ সম্পর্কে মুসলিম যুবকদের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরী।
এই প্রেক্ষাপটে সউদী আরবের ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত কিং সউদ ইউনিভার্সিটি’র ‘আকীদা ও সমকালীন মতবাদ’ এর অধ্যাপকপ্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন রচিত বক্ষ্যমাণ পুস্তিকাটি অনুবাদ করা হল যেন, বাংলাভাষী মুসলিমগণ এই ফিতনার ব্যাপারে সচেতন হতে পারে।
অত্র পুস্তিকাটিতে শিয়া হুতী সম্প্রদায়ের উৎস, পরিচিতি,  ক্রমবিকাশ, কার্যক্রম,  লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং পরিকল্পনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়েছে এবং প্রাসঙ্গিক ভাবে রাফেযীয়া-ইমামিয়া-ইসনা আশারিয়া সম্প্রদয়ের মৌলিক আকীদা-বিশ্বাস সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
আল্লাহ তায়ালা তার জমিনে সত্যের পতাকা উড্ডীন করুন। বাতিল ও মিথ্যার মুখোশ উন্মোচন করে দিন এবং সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে ফিতনা-ফ্যাসাদ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

Thursday, 2 April 2015

শিয়া আকীদাহর এ পিঠ ও পিঠ


আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
প্রিয় বন্ধুগণ, আশা করি আপনারা ভাল আছেন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে ভাল ও সুস্থ রাখুন। সেই সাথে ঈমানের উপর অবিচল রাখুন আল্লাহ তায়ালার নিকট সেই দুয়া করছি।
প্রিয় পাঠক, মুসলিম জাতি একটি ঐক্যবদ্ধ ও সুসংহত জাতি। কিন্তু ইসলামের দুশমনরা এই একতা এবং সংহতিকে বিনষ্ট করার জন্য এমন কোন হীন প্রচেষ্টা বাকি রাখে নি। মুসলিম উম্মাহকে দলে দলে বিভক্ত করার জন্য তারা সব ধরণের ষড়যন্ত্র করেছে। এই ষড়যন্ত্রের হাত ধরে মুসলিম উম্মাহর পবিত্র দেহে নানা ধরণের বিষ ফোঁড়া সৃষ্টি হয়েছে। নানা ভাবে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে দ্বীন ইসলামের সুরম্য অট্টালিকা। এ সকল ষড়যন্ত্রের বিষদাঁতগুলোর মধ্যে শিয়া রাফেজী, বাহাঈ, কাদিয়ানী সম্প্রদায় অন্যতম। মুতাযিলা, মুরজিয়া, কাদরিয়া, জাবরিয়া এবং আশআরী, ব্রেলভী ইত্যাদি আকীদা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের স্বচ্ছ প্রস্রবণে তৈরি করেছে  আবর্জনা। সকল ধরণের ভ্রষ্টতা থেকে বাঁচার একমাত্র পথ মুসলিম জাতিকে পূণরায় কুরআন-সুন্নাহর কাছে ফিরে আসতে হবে। এর কোন বিকল্প নাই। যাক, আজ আপনাদের জন্য ইসলাম হাউজ ডট কম এ প্রকাশিত কতিপয় লিংক শেয়ার করা হল যেগুলো শিয়া সম্প্রদায়ের প্রকৃত চেহারা উন্মোচনে সাহায্য করবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস। লিংকগুলো খুলুন এবং শিয়াদের সম্পর্কে জানুন। সেই সাথে অন্যদের নিকট লিংকগুলো শেয়ার করুন। ধন্যাবদ।আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে দ্বীনে হকের উপর মৃত্যু অবধি অবিচল রাখুন। আমীন।

  1. শিয়া আকীদার অসারতা
  2.  শিয়া মতবাদের বিস্তৃতি
  3. সাহাবা ও ইমামগণকে গালি দেয়া নিষিদ্ধ
  4. শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস
  5. তাঁদের মধ্যে মধুময় সম্পর্ক [নবী-পরিবার ও অবশিষ্ট সাহাবীগণ পরস্পর সহানুভূতিশীল]
  6. কতিপয় প্রশ্ন, শিয়া যুবকদের যা সত্যের দিকে ধাবিত করেছে
  7. নাজাফ সম্মেলন
  8. শিয়া আলেম ও অধিকাংশ মুসলিম আলেমের মধ্যে বিরোধের বাস্তব চিত্র
  9.  শিয়া মতবাদের বিস্তৃতি
  10. শিয়া সুন্নী ঐক্য : সম্ভাবনা ও প্রাপ্তি

সংগ্রহঃ আব্দুল্লাহিল হাদি

Tuesday, 10 March 2015

মুহররম মাসে শিয়া সম্প্রদায়ের মাতম বিষয়ক বিদ’আত




(পর্ব : ১)


মুহররম মাসে রাফিযী[১] সম্প্রদায়ের শোক প্রকাশে বিদয়াতি কাণ্ড

মুহররম মাসের দশম দিবস, যে দিবস আশুরা নামে পরিচিত, আল্লাহ তা-আলা হুসাইন বিন আলী বিন আবুতালিব - রাদিয়াল্লাহু আনহুমা- কে শহীদের মর্যাদা দান করেছিলেন. এটা হয়েছিল হিজরি ৬১ সনে . শহীদ হওয়া ছিল আল্লাহর পক্ষ হতে তার উঁচু সম্মান ও মর্যাদার বিষয়, কারণ তিনি এবং তার ভাই হাসান জান্নাতি যুবকদের নেতা. সুউচ্চ মাকাম- সম্মান অর্জিত হয় পরীক্ষা দ্বারা. নবী ―সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ―প্রশ্ন করা হয়েছিল―
أي الناس أشد بلاء؟ فقال : الأنبياء ثم الصالحون ثم الأمثل فالأمثل، يبتلى الرجل على حسب دينه، فإن كان في دينه صلابة زيد في بلائه، وإن كان في دينه رقة خفف عنه، ولا يزال البلاء بالمؤمن حتى يمشي على الأرض وليس عليه خطيئة.( رواه أحمد:১৪০০)
সবচে' বেশি পরীক্ষা কোন মানুষের? বললেন― ' নবীগণের, তারপর সৎকর্মশীলদের, তারপর যারা উৎকৃষ্ট তাদের এবং এভাবেই. ব্যক্তিকে তার ধর্মের উপর দৃঢ়তানুযায়ী পরীক্ষা করা হয়, যদি সে তার ধর্মে অবিচল থাকে তার পরীক্ষা কঠিন হয়, আর যদি সে ধর্মের বিষয়ে নমনীয় হয় পরীক্ষা ও হয় তুলনামূলক সহজ, আর মুমিনের উপর পরীক্ষা, নির্যাতন চলতেই থাকবে এরই মাঝে এমন এক সময় আসবে, সে জমিনে বিচরণ করছে, অথচ তার আমলনামাতে একটিও গুনাহ নেই.'

হাসান-হুসাইন ―রাদিয়াল্লাহু আনহুমা― এর মর্যাদা ও সুউচ্চ মাকাম যা আল্লাহ তা-আলার নিকট পূর্ব থেকেই নির্ধারিত ছিল, তাদের পূর্বসূরিদের ন্যায় ইতিপূর্বে তারা কোন পরীক্ষার সম্মুখীন হন নি। তাদের জন্ম গৌরবময় ইসলামে হয়েছে, লালিত হয়েছেন মহিমান্বিত ইসলামের শীতল ছায়াতলে, মুসলিমগণ তাদের সম্মান করতেন, মর্যাদা দিতেন, প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকাল করেছেন, তখনও তাদের ভালো-মন্দ পার্থক্যের বুঝটুকু পূর্ণতা লাভ করেনি, তো এ পরীক্ষা তাদের ওপর আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ, যাতে তারা তাদের পূর্বসূরিদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন. যেমন তাদের থেকে শ্রেষ্ঠ, আলী বিন আবুতালিব পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিলেন, যে তাঁকে শাহাদাত বরণ করতে হয়েছিল।
হুসাইন এর হত্যাকাণ্ড জনগণের মাঝে গোলযোগের ও বিদ্রোহের জন্ম দিয়েছিল, যেমন উসমান বিন আফ্‌ফানের হত্যাকাণ্ড মহা বিপদ ও ফিতনা ছড়িয়েছিল যা আজকে মুসলিম উম্মাহর বিভক্তির বড় কারণ.
আব্দুর রহমান বিন মুলজিম যখন আমিরুল মুমিনীন আলী বিন আবুতালেব ―রাদিয়াল্লাহু আনহু― কে হত্যা করল, এবং সাহাবা আজমাঈন তার সুযোগ্য সন্তান হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেন. যার শানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন―

Wednesday, 10 September 2014

আহলে সুন্নত, শিয়া-সুন্নী, আহলে বায়ত কি?




আহলে সুন্নতশিয়া-সুন্নীআহলে বায়ত কি?

বিসমিল্লাহওয়ালহা'মদুলিল্লাহওয়াস সালাতু ওয়াসসালামু 'লা রাসূলিল্লাহ। আম্মা বা'

আহলে সুন্নাহ কি?
আহলে সুন্নাহ” – অর্থ হচ্ছে সুন্নাহর অনুসরণকারীযারা শিরক-

Tuesday, 12 August 2014

আহলে সুন্নত, শিয়া-সুন্নী, আহলে বায়ত কি?




১/ অনেক বলে, যারা শুনে শুনে মুসলমান হয় তাদেরকে ‪#‎সুন্নী‬ বলে, আর যার বুঝে শুনে ইসলাম পালন করে তারা হচ্ছে ‪#‎শিয়া‬, এটা একেবারে বাজে কথা যা অনেকেই না বুঝে বলে থাকে। প্রকৃতপক্ষে সুন্নীরাই হচ্ছে আসল মুসলিম যারা ক্বুরান ও সুন্নাহ মেনে চলে, আর শিয়ারা হচ্ছে আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা নামক এক ইয়াহুদী মুনাফেকের ভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী, যাদের জন্মই হয়েছিল খিলাফত বা নেতৃত্ব নিয়ে মুসলমানদেরমাঝে যুদ্ধ বাধিয়ে তাদেরকে দুর্বল করা।

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...