Showing posts with label হায়েয-নেফাস. Show all posts
Showing posts with label হায়েয-নেফাস. Show all posts

Tuesday, 16 May 2017

নারীদের (হায়েয-নেফাস থেকে) পবিত্রতার মাসয়ালা-মাসায়েল‍:


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্যে যিনি বিশ্ব জগতের পালনকর্তা। দরূদ ও সালাম আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সমস্ত সাহাবায়ে কেরামের উপর বর্ষিত হোক।
ইসলামী শরীয়তের বিধি-বিধান সম্পর্কে জানা প্রত্যে মুসলিম নারীর উপর কর্তব্য। বিশেষ করে ইবাদত সংক্রান্ত বিধি-বিধান। কেননা তা না জানলে চলতেই পারবে না।
ঐ বিধানগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, পবিত্রতার বিধান। যার অনেক কিছুই অনেকের জানা নেই। কখনো লজ্জার কারণে বিষয়গুলো জানতে বাধাপ্রাপ্ত হয়।
নিম্নে হায়েয বা ঋতু সম্পর্কে শরীয়তের বিধি-বিধান আলোচনা করা হলঃ
হায়েয কাকে বলে? নারীর জরায়ু থেকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিনা কারণে প্রাকৃতিকভাবে নির্গত রক্ত স্রাবকে হায়েয বা ঋতুস্রাব বলা হয়। অতএব অসুস্থতা, আঘাত, পড়ে যাওয়া, সন্তান প্রসব ইত্যাদি কোন কারণ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে নির্গত রক্ত স্রাবই হচ্ছে হায়েয।
আল্লাহ্ বলেন, وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى “আর তারা আপনাকে ঋতু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, আপনি বলে দিন উহা অসূচী বা নাপাক বস্তু।” (সূরা বাকারাঃ ২২২)
হায়েয সম্পর্কে কিছু নিয়ম-নীতি ও মাসআলা-মাসায়েলঃ
১- স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশী কখনো কখনো হায়েয হতে পারে। তখন বেশী দিনগুলোকে হায়েযের দিন হিসেবেই গণনা করতে হবে।
যেমনঃ জনৈক নারীর হায়েয ছিল পাঁচ দিন। এটা বৃদ্ধি হয়ে সাত হয়ে যায়। তখন তার হায়েযের সময় সাত দিন বলেই গণ্য করতে হবে।
২- কখনো নির্দিষ্ট দিনের চেয়ে কম হয়। তখন ঐ কম দিনই হায়েয হিসেবে গণনা করতে হবে।
যেমনঃ জনৈক নারীর ঋতু ছিল পাঁচ দিন। তা কমে গিয়ে হয়েছে চার দিন। তখন আর অপেক্ষা করতে হবে না। তার ঋতুর সময় শেষ হয়ে গেছে।
৩- হায়েযের সময় বৃদ্ধি হয় বিশেষ কোন কারণে। যেমন জন্মনিরোধক ঔষধ সেবন করার কারণে। তখন হায়েযের সময়টা বেড়ে যায়। যেমন পূর্বে পাঁচ দিন ছিল, ঔষধ সেবন করার কারণে তা বেড়ে গিয়ে আট দিন পর্যন্ত স্রাব চলতেই থাকল। তখন তার ঋতু আট দিন হয়েছে বলেই গণ্য করতে হবে। অবশ্য সে ক্ষেত্রে মুসলিম মহিলা ডাক্তারের কাছে গিয়ে চেক করে নিশ্চিত হতে হবে যে, ঔষধ যথাস্থানে ব্যবহার করা হয়েছে এবং আঘাত, বা অন্য কোন অসুস্থতার কারণে রক্তক্ষরণ হচ্ছে না।
৪- ঋতু কখনো সময় হওয়ার পূর্বেই হয়ে যেতে পারে। যেমন কারো ঋতু মাসের শেষে হওয়ার কথা, কিন্তু তা এক সপ্তাহ বা দশদিন পূর্বেই হয়ে গেল। এ অবস্থায় তা হায়েয বলে গণ্য করতে হবে।
৫- ঋতু কখনো দেরীতে আসে। যেমন, কারো ঋতু মাসের মাঝামাঝি সময়ে হয়ে থাকে, কিন্তু দেরী হয়ে তা মাসের শেষের দিকে হল। তখন তা হয়েয হিসেবে গণ্য করতে হবে।

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...