Showing posts with label চরমোনাই পীর. Show all posts
Showing posts with label চরমোনাই পীর. Show all posts

Monday, 29 August 2016

হাক্কানী পীর বনাম ভন্ড পীর



দেওয়ানবাগী, চরমোনাই এবং মাইজভান্ডারী পীরের পোষ্টমর্টেমঃ
.
আমাদের এই উপমহাদেশে বহুকাল ধরে ইসলামের লেবাস ধরে পীর-মুরিদীর ব্যাবসা চলে আসছে। কেউবা নিজেকে দাবি করছে হক্কানী পীর আবার কেউবা নিজেকে মুক্তির কান্ডারী হিসেবেও জাহির করছে! মূলত এরা সবাই ধর্মের লেবাস ধরে শতাব্দীর পর শতাব্দী নিজেদের বিনা পূঁজির ব্যাবসা টিকিয়ে রাখছে যেখানে এদের অনেকেই মোশরেক, আবার একমাত্র হক্কানী তেলের ডিলারধারী হয়েও চরম ফাসেক। আসুন দেখে নেই এই ধর্ম ব্যাবসায়ী পীরদের আকীদা কি?
.
দেওয়ানবাগী মোশরেকের আকিদাঃ-
১. “দেওয়ানবাগী স্বপ্নে দেখেন ঢাকা এবং ফরিদপুরের মধ্যবর্তী স্থানে এক বিশাল বাগানে ময়লার স্তূপের উপর বিবস্ত্র অবস্থায় নবীজীর প্রাণহীন দেহ পড়ে আছে। মাথা দক্ষিন দিকে, পা উত্তর দিকে প্রসারিত। বাম পা হাঁটুতে ভাঁজ হয়ে খাড়া আছে। আমি উদ্ধারের জন্য পেরেশান হয়ে গেলাম। তাঁর বাম পায়ের হাঁটুতে আমার ডান হাত দিয়ে স্পর্শ করার সাথে সাথে দেহে প্রাণ ফিরে এল। এবং তিনি আমাকে বললেন, “হে ধর্মের পুনর্জীবনদানকারী, ইতিপূর্বে আমার ধর্ম পাঁচবার পুনর্জীবন লাভ করেছে।”
[সূত্রঃ রাসূল কি সত্যিই গরিব ছিলেনঃ দেওয়ানবাগ থেকে প্রকাশিত]
২. “একদিন ফজরের পর মোরাকাবারত অবস্থায় আমার
তন্দ্রা এসে যায়। আমি তখন নিজেকে লুঙ্গি-গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় রওজা শরীফের নিকট দেখতে পাই। দেখি রওজা শরীফের উপর শুকনা পাতা এবং আগাছা জমে প্রায় এক ফুট পুরু হয়ে আছে। আমি আরো লক্ষ্য করলাম, রওজা শরীফে শায়িত মহামানবের মাথা মোবারক পূর্ব দিকে এবং মুখমণ্ডল দণি দিকে ফিরানো। এ অবস্থা দেখে আমি আফসোস করতে লাগলাম। এমন সময় পাতার নীচ থেকে উঠে এসে এ মহামানব বসলেন। তার বুক পর্যন্ত পাতার উপর বের হয়ে পড়ে। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, আপনি দয়া করে আমার রওজা পরিষ্কার করে দেবেন

Friday, 12 September 2014

শরীয়তঃ- তরীকতঃ - মারেফত- হাকিকতঃ




Collected from Shaykh Monoar Hossen

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইসলামকে পূর্ণাঙ্গ বলেছেন। রাসুল সা.ইসলামকে ভাঙেননি। শরীয়াহকে অটুট রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। যত ভাল নিয়তই থাক ইসলামকে এভাবে ভাগ করা কতটুকু যৌক্তিক?

Wednesday, 10 September 2014

চরমোনাই পীরের পোস্ট মর্টেম


Ads by OffersWizardAd O


চরমোনাই পীরের পোস্ট মর্টেমঃ

দেখুন চরমোনাই পীর কি কৌশলে তার মুরিদদের ব্রেইন ওয়াশ করে...

চোরের হাত পীরের হাতের সাথে লাগার কারণে পীর যদি তাকে পুলসিরাত পার করে দেয় (নাউযুবিল্লাহ), তাহলে মুরীদ যারা পীরের হাতে ধরে বায়াত হবে এদের কত বড় ফযীলত!
দেখুন পীরের লেখা বই – ভেদে মারেফত পৃষ্ঠা ২৭-২৮।

Thursday, 17 July 2014

চরমোনাই পীরের পোস্ট মর্টেমঃ

চরমোনাই পীরের পোস্ট মর্টেমঃ
দেখুন চরমোনাই পীর কি কৌশলে তার মুরিদদের ব্রেইন ওয়াশ করে...
চোরের হাত পীরের হাতের সাথে লাগার কারণে পীর যদি তাকে পুলসিরাত পার করে দেয় (নাউযুবিল্লাহ), তাহলে মুরীদ যারা পীরের হাতে ধরে বায়াত হবে এদের কত বড় ফযীলত!
দেখুন পীরের লেখা বই – ভেদে মারেফত পৃষ্ঠা ২৭-২৮।
অথচ অন্যকে পুলসিরাত পার করাতো দূরের কথা, কেয়ামতের ময়দান এতো কঠিন হবে যে নবী রাসুলেরাও ইয়া নাফসি ইয়া নাফসি বলবেন!
আর এইসমস্ত সুফী পীরেরা নাকি মানুষকে পুলসিরাত পার করে দেবে??
লা হা’উলা ওয়ালা কুওয়্যতা ইল্লা বিল্লাহ।
এইসব হচ্ছে ভন্ডামি, ধর্মের নামে ব্যবসা - মিথ্যা তরীকত আর পীরের উসীলা দিয়ে কাস্টমার (মুরীদ) ধরা, কারণ যত বেশি মুরীদ তত বেশি ইনকাম...
এইজন্য এক ওয়াজে চরমোনাই পীর বলে, “কেয়ামতের দিন তার বাবা ইসহাক সাহেব, ভাই ফযলুল করিম সাহেব বড়বড় জাহাজে করে পার হবে। আর তারা তাদের মুরীদদেরকে ফালায়া জান্নাতে যাবেনা”, মানে তারা তাদের মুরীদদেরকে জান্নাতে নিয়ে যাবে। চরমনাই পীর রেজাউল করীমের নিজের মুখ থেকে শুনেন সে কি বলছে...!!
এটাই হচ্ছে পীরদের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, পীরের অসীলা ধরে, পীরের হাতে বায়াত করে মুরীদদেরকে নাজাত দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাস...

এক রাখাল নাকি আল্লাহকে ছাগলের দুধ খাওয়াইবে (নাউযুবিল্লাহ)!
আল্লাহকে নাকি সাজায়া পড়াইয়া দেবে (নাউযুবিল্লাহ)!
এই সমস্ত শিরকি কথার উপরে আল্লাহ তাআ’লা সন্তুষ্ট (নাউযুবিল্লাহ)!
নিজের কানে শুনুন চরমোনাই পীরের বক্তব্যঃ
এইসব কথাবার্তা শুনেও যাদের অন্তরে তালা লেগে গেছে - যাদের পীরের ভক্তি আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার চেয়ে বেশি তারা উলটা আমাদেরকে গালি দেয়।
কি জঘন্য পীর!! আল্লাহর নাকি আন্দাজ নাই (নাউযুবিল্লাহ) !!!
দেখুন ভেদে মারেফত ১৫ নাম্বার পৃষ্ঠা।

বিঃদ্রঃ আমাদের কথা বিশ্বাস করার কোনো প্রয়োজন নাই, চরমোনাই পীরের বই ভেদে মারেফাত, মাওয়ায়েজে কারিমিয়া আর তার ওয়াজগুলো সংগ্রহ করে বা মাহফিলে গিয়ে সরাসরি শুনলে দেখতে পারবেন সে ধর্মের নামে মানুষকে কি পরিমান পথভ্রষ্ট করেছে।
# যাচাই করুন, নিজের ঈমান-আকীদাকে হেফাজত করুন।

চরমোনাই পীরের আসল চেহারা

চরমোনাই পীরের আসল চেহারা...



সংবিধিবদ্ধ সতর্ককীকরণঃ নিচের গল্পটাতে বেশ কয়েকটা শিরক ও কুফুরী কথা আছে। চরমোনাই পীরের ভ্রান্ত শিরকি কুফুরী কথা প্রকাশ করার জন্য তার কিতাব থেকে অসংখ্য বানোয়াট শিরকি কুফুরী কাহিনী থেকে এই গল্পটা তুলে দেওয়া হলো। তার আগে গল্পের মাঝে শিরকি কুফুরী কথাগুলোর ব্যপারে সতর্ক করে দেওয়া হলো।

যেই কথাগুলো শিরক/কুফুরী...

১. "কুম বি ইজনি" - আমার হুকুমে দাঁড়াও (জীবিত হও)।
জীবন মৃত্যু আল্লাহ দেন, কোনো মানুষ কাউকে জীবিত বা মৃত করতে পারেনা। এইজন্য আল্লাহর ইচ্ছায় ঈসা (আঃ) এর মুজিজা স্বরূপ যখন মৃত মানুষ জিন্দা হত তখন ঈসা (আঃ) বলতেন "বি ইজনিল্লাহ" - আল্লাহর হুকুমে। কিন্তু এই ভন্ডপীর দাবী করছে তার হুজুরের হুকুমে নাকি মৃত মানুষ জীবিত হয় - ডাইরেক্ট শিরকি কথা, নাউযুবিল্লাহ।

২. “আল্লাহর অলি আমাকে জিন্দা করেছেন”। (নাউজুবিল্লাহ) - শিরকি কথা।

৩. "মাবুদ! মাবুদের কাছে আবার কি জিজ্ঞেস করিব। তাহার আন্দাজ নাই (নাউজুবিল্লাহ)।
ডাইরেক্ট আল্লাহকে অপমান করা হয়েছে বেআন্তাজ বলে (নাউজুবিল্লাহ)।

৪. "আমি আল্লাহ পাকের দরবার থেকে জোরপূর্বক রুহ নিয়ে আসিয়াছি”!!! (নাউজুবিল্লাহ)
কতবড় মূর্খ এই পীর আল্লাহর কাছ থেকে জোর করে নাকি রুহ নিয়ে আসছে। আল্লাহর থেকে বড় ক্ষমতাবান দাবী করছে এই পীরে (নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক)।

আরো কিছু বাতিল কথাবার্তা - হুজুরে কেবলা - আমাদের কেবলা হচ্ছে কাবা। বেদাতীদের হুজুরেরাও কেবলা।
সূর্যের কাহিনীটাতো হিন্দুদের রামায়নের গল্পের মতোই।

চরমোনাই পীরের লেখা "ভেদে মারেফত" বইয়ের ১৫ পৃষ্ঠায় মৃতকে জীবিত করার যে গল্পটা আছে তা নিম্নরূপঃ

শামসুদ্দীন তাব্রীজী নামের এক লোক ছিলেন। লোকেরা তাকে পীর সাহেব কেবলা বলত।
একদা হযরত পীর সাহেব কিবলা রোম শহরের দিকে রওয়ানা হইলেন। পথিমধ্যে ঝুপড়ির ভেতর এক অন্ধ বৃদ্ধকে লাশ সামনে নিয়া কাদঁতে দেখিলেন। হুজুর বৃদ্ধকে প্রশ্ন করিলে বৃদ্ধ উত্তর করিলেন, “হুজুর এই পৃথিবীতে আমার খোঁজ খবর করিবার আর কেউ নাই, একটি পুত্র ছিল সে আমার যথেষ্ট খেদমত করিত, তাহার ইন্তেকালের পর সে একটি নাতি রাখিয়া যায়। সেই ১২ বছরের নাতি একটা গাভী পালিয়া আমাকে দুগ্ধ খাওয়াইত এবং আমার খেদমত করিত, তার লাশ আমার সম্মুখে দেখিতেছেন। এখন উপায় না দেখিয়া কাঁদিতেছি।” হুজুর বলিলেন এ ঘটনা কি সত্য? বৃদ্ধ উত্তর করিলেন, এতে কোন সন্দেহ নেই।

তখন হুজুর বলিলেন"(কুম বি ইজনি)হে ছেলে আমার হুকুমে দাঁড়াও।" তো ছেলে উঠে দাঁড়াল এবং দাদুকে জড়াইয়া ধরিল, বৃদ্ধ তাকে জিজ্ঞেস করিল “তুমি কিরূপে জিন্দা হইলে।” ছেলে জবাব দিল, “আল্লাহর অলি আমাকে জিন্দা করেছেন”। (নাউজুবিল্লাহ)

তারপর ঐ অঞ্চলের বাদশাহ হুজুরের এই খবর পেয়ে উনাকে তলব করিলেন। উনাকে পরে জিজ্ঞেস করিলেন"আপনি কি বলিয়া ছেলেটিকে জিন্দা করিয়াছেন।" হুজুর বলিলেন আমি বলেছি “হে ছেলে আমার আদেশে জিন্দা হইয়া যাও।” অতঃপর বাদশাহ বলিলেন, “যদি আপনি বলিতেন আল্লাহর আদেশে।”
হুজুর বলিলেন "মাবুদ! মাবুদের কাছে আবার কি জিজ্ঞেস করিব। তাহার আন্দাজ নাই (নাউজুবিল্লাহ)।
এই বৃদ্ধের একটি মাত্র পুত্র ছিল তাহাও নিয়াছে, বাকী ছিল এই নাতিটি যে গাভী পালন করিয়া কোনরুপ জিন্দেগী গোজরান করিত, তাহাকেও নিয়া গেল।

তাই আমি আল্লাহ পাকের দরবার থেকে জোরপূর্বক রুহ নিয়ে আসিয়াছি”!!! (নাউজুবিল্লাহ)

এরপর বাদশাহ বলিলেন আপনি শরীয়াত মানেন কিনা? হুজুর বলিলেন “নিশ্চয়ই! শরীয়াত না মানিলে রাসূল (সাঃ) এর শাফায়াত পাইব না।” বাদশাহ বলিলেন, “আপনি শির্ক করিয়াছেন, সেই অপরাধে আপনার শরীরের সমস্ত চামড়া তুলে নেয়া হবে।”
এই কথা শুনিয়া আল্লাহর কুতুব নিজের হাতের অঙ্গুলি দ্বারা নিজের পায়েরতলা থেকে আরম্ভ করে পুরো শরীরের চামড়া ছাড়িয়ে নিলেন, তা বাদশাহর কাছে ফেলিয়া জঙ্গলে চলিয়া গেলেন। পরদিন ভোরবেলা যখন সূর্য উঠিল তার চর্মহীন গায়ে তাপ লাগিল তাই তিনি সূর্যকে লক্ষ করিয়া বলিলেন “হে সূর্য, আমি শরীয়াত মানিয়াছি, আমাকে কষ্ট দিওনা।” তখন ওই দেশের জন্য সূর্য অন্ধকার হইয়া গেল। দেশের মধ্যে শোরগোল পড়িয়া গেল। এই অবস্থা দেখিয়া বাদশাহ হুজুরকে খুঁজিতে লাগিলেন। জঙ্গলে গিয়া হুজুরের কাছে বলিলেনঃ শরীয়াত জারি করিতে গিয়া আমরা কি অন্যায় করিলাম, যাহার জন্য আমাদের উপর এমন মুসিবত আনিয়া দিলেন। তখন হুজুর সূর্য কে লক্ষ করিয়া বলিলেনঃ আমি তোমাকে বলিয়াছি আমাকে কষ্ট দিওনা, কিন্তু দেশবাসীকে কষ্ট দাও কেন? সূর্যকে বশ করা কি কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব? ইহা বলা মাত্র সূর্য্য আলোকিত হইয়া গেল। আল্লাহ্‌ পাক তাহার ওলীর শরীর ভাল করিয়া দিলেন।"

এভাবেই এসব ধর্মব্যবসায়ী মানুষকে গোমরাহ করছে।
আল্লাহ্‌ আমাদের এই সকল ভণ্ড পীরদের থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...