Showing posts with label হাদীছের গল্প. Show all posts
Showing posts with label হাদীছের গল্প. Show all posts

Tuesday, 28 October 2014

বদর যুদ্ধ


মদীনা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রায় ১৫০ কি:মি: দূরে অবস্থিত এই সেই ঐতিহাসিক বদর প্রান্তর
বদর যুদ্ধ
সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি শক্তিশালী সুদৃঢ়, পদানতকারী বিজয়ী কর্তৃত্বশীল, প্রকাশ্য সত্য, মৃদু কান্নার শব্দও যার শ্রবণ থেকে গোপন থাকে না, যার মহত্বের কাছে ক্ষমতাধর নরপতিরা হীন হয়ে গেছে। তিনি তাঁর প্রজ্ঞা অনুযায়ী ফয়সালা করেন, আর তিনি মহাবিচারক।
আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, তিনি পূর্বের ও পরের সবার ইলাহ। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, যাঁকে তিনি সকল সৃষ্টিকুল থেকে বেঁছে নিয়েছেন, বদর প্রান্তরে ফেরেশতা দিয়ে সাহায্য করেছেন।
আল্লাহ তাঁর উপর সালাত পেশ করুন, অনুরূপ তার পরিবার-পরিজন, সকল সাহাবী এবং কিয়ামত পর্যন্ত সুন্দরভাবে তাদের অনুসারীদের সবার উপর। আর তিনি তাদের উপর যথাযথ সালামও প্রদান করুন।

     সম্মানিত ভাইয়েরা! এ পবিত্র (রমযান) মাসেই আল্লাহ তা‘আলা মহান বদর যুদ্ধে মুসলিমদেরকে তাদের শত্রু মুশরিকদের বিরুদ্ধে বিজয় দান করেছেন। এ কারণেই আল্লাহ তা‘আলা এ দিবসকে ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ তথা সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নিূপণের দিন বলে নাম রেখেছেন; কেননা আল্লাহ তাআলা সেদিন তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মুমিনদের বিজয়ী এবং কাফির ও মুশরিকদের পরাজিত করার মাধ্যমে হক্ব ও বাতিলের পার্থক্য সূচিত করেছেন।

Thursday, 11 September 2014

আবূ যর (রা:)-এর ইসলাম গ্রহণ


রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

ওয়েব সম্পাদনাঃ মোঃ মাহমুদ ইবনে গাফফার
Pics 1
আবু জামরাহ (রা :) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আব্দুললাহ ইবনু আব্বাস (রা:) আমাদেরকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে আবূ যর (রা:)-এর ইসলাম গ্রহণের ঘটনা বর্ণনা করব না? আমরা বললাম, হ্যাঁ, অবশ্যই। তিনি বললেন, আবূ যর (রা:) বলেছেন, আমি গিফার গোত্রের একজন মানুষ ।আমরা জানতে পারলাম যে, মক্কায় এক ব্যক্তি আত্মপ্রকাশ করে নিজেকে নবী বলে দাবী করছেন। আমি আমার ভাইকে বললাম, তুমি মক্কায় গিয়ে ঐ ব্যক্তির সাথে আলোচনা করে বিস্তারিত খোঁজ-খবর  নিয়ে এস। সে রওয়ানা হয়ে গেল এবং মক্কার ঐ লোকটির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ফিরে আসল।

Wednesday, 13 August 2014

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সাথে আবু ক্বাতাদা (রাঃ) এক সফরের ঘটনা


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
islamicsheba
নেতা কর্তৃক কর্মীর পরিচর্যা
লেখকঃ আব্দুর রহীম । শিক্ষকঃ আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী
নেতা কর্তৃক কর্মীর পরিচর্যা
আবু ক্বাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সাথে কোন এক সফরে ছিলাম। তিনি বললেন, তোমরা যদি আগামীকাল পানি না পাও তাহ’লে তোমার পিপাসার্ত হবে। তখন ত্বরাপ্রাবণ কিছু লোক পানির খোঁজে রওয়ানা হ’ল। আর আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সাথে থাকাকে আবশ্যক করে নিলাম। ইত্যবসরে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এর বাহন তাঁকে নিয়ে ঝুঁকে পড়ছিল আর তিনি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লেন। আমি তাঁকে ঠেকা দিলাম, তিনি আমার উপর হেলান দিলেন। কিছুক্ষণ পর আবার তিনি ঢলে পড়লেন, আমি তাঁকে ঠেস দিলাম। তিনি আমার উপর হেলান দিলেন। আবার তিনি এতটাই হেলে পড়লেন যেন সওয়ারী থেকে পড়ে যাবেন। আমি তাঁকে ঠেকা দিয়ে সতর্ক করলাম। এবার তিনি জেগে উঠে বললেন, লোকটি কে? আমি বললাম, আবু ক্বাতাদা। তিনি বললেন, কতক্ষণ ধরে তোমার এমন পথ চলা হচ্ছে? আমি বললাম, আজ সারা রাত ধরে। তিনি বললেন, তুমি যেমন আল্লাহর রাসূলকে হেফাযত করলে আল্লাহও যেন তেমনি তোমাকে হেফাযত করেন। তারপর তিনি বললেন, শেষ রাতে আমরা যদি একটু ঘুমিয়ে নিতাম! অতঃপর তিনি একটা গাছের নিকট গিয়ে সেখানে বাহন থেকে অবতরণ করে আমাকে বললেন, লক্ষ কর কাউকে দেখতে পাও না কি? আমি বললাম, এই একজন আরোহী, এই দুইজন আরোহী, এভাবে সাতজন পর্যন্ত হ’ল। তিনি বললেন, তোমরা আমাদের ছালাত সম্পর্কে হুঁশিয়ার থাকবে।

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...