Showing posts with label তাবলীগ জামাত. Show all posts
Showing posts with label তাবলীগ জামাত. Show all posts

Monday, 24 July 2017

বর্তমান যুগে কেনো সর্বপ্রথম সঠিক ‪আক্বীদার দিকে দাওয়াত দিতে হবে?


- লিখেছেন শায়খ আব্দুর রাক্বীব মাদানী হা’ফিজাহুল্লহ।
দ্বাইয়ী, খাফজী দাওয়াহ সেন্টার, সউদী আরব।

(১) কারণ ইসলাম ঈমান (আক্বীদা) ও আমলের নাম। ইসলামের পন্ডিতগণ আক্বীদাকে বলেন উসূল (মূল) আর আমলকে (ফিকহকে) বলেন ফুরূ (গৌণ)। তাই মূল বিষয়ের দাওয়াত ছেড়ে গৌণ বিষয়ের দিকে দাওয়াত দেওয়া অজ্ঞতা এবং নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর দাওয়াতের বিপরীত।
(২) কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে মক্কার মুশরিকরা আল্লাহকে বিশ্বাসী করতো, কিন্তু তা সত্ত্বেও নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে মুসলিম বলে স্বীকার করেন নি। কিন্তু আজ বিশ্বের বহু লোক এই কারণে নিজেকে মুসলিম দাবী করছে বা লোকেরা তাকে মুসলিম ভাবছে, কারণ তারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে বলে দাবী করে।
(৩) কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে যখন কুরআন অবতীর্ণ হচ্ছিল এবং তাতে যখন আল্লাহর বিভিন্ন গুণাবলী উল্লেখ করা হচ্ছিল (যেমনঃ ‘আল্লাহ আরশে সমুন্নত’, ‘আল্লাহ দুই হাতে আদম আঃ কে সৃষ্টি করেছে’) তখন তাঁর সমুন্নত হওয়া ও তাঁর দুই হাত থাকা এই ভাবে অন্যান্য গুণাবলী তারা অস্বীকার করতেন না, আর না অপব্যাখ্যা দিতেন। কিন্তু আজকের সমাজের অনেক মুসলিমরা আল্লাহর আসমা ও সিফাতকে (নাম এবং গুণাবলীকে) অস্বীকার করে আর অনেকে সেইগুলোর অপব্যাখ্যা দেয়।
(৪) কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগের লোকেরা নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম কে একজন মানুষ মনে করতেন ও আল্লাহর বান্দা মনে করতেন। কিন্তু বর্তমান যুগের নামধারী মুসলিমরা নবী ও আল্লাহর মধ্যে পার্থক্য করতে চায় না। আর অনেকে বলেঃ তিনি সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর নূরের তৈরি (নাযুবিল্লাহি মিন যালিক)।
(৫) কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাহাবীগণ মনে করতেন নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম মারা গেছেন কিন্তু বর্তমান নামধারী অনেক মুসলিমরা বলেঃ তিনি সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম কবরে দুনিয়ার মতই জীবিত, তাকে মরা বলা হারাম এবং বেয়াদবী!

Saturday, 6 May 2017

মাওলানা তারিক জামিল সাহেবের ওয়াজ শোনা যাবে?

   
উত্তরঃ পাকিস্থানের ‘তাবলীগ জামাতের’ বড় একজন ‘আমীর’ হচ্ছে মাওলানা তারিক জামিল সাহেব। হৃদয় গলানো, মিষ্টি মিষ্টি বয়ান করে ইতিমধ্যে তিনি অনেক ভক্ত ও শ্রোতাদের মন জয় করে নিয়েছেন। সমস্যা হচ্ছে, তারিক জামিল সাহেব মাঝে মাঝে তার হৃদয় গলানো ওয়াজ-লেকচারের সাথে কিছু ‘শিরক ও বিদাতের বিষ’ঢেলে দিয়ে তার শ্রোতাদেরকে নষ্ট করেন। তারিক জামিল সাহেবের কিছু ‘ঐতিহাসিক কুফুরী’বক্তব্যের নমুনা নিচে দেওয়া হলো।
১. স্বয়ং আল্লাহ তাআ’লা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এর জানাজার নামায পড়তে এসেছিলেন। নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক!
সংক্ষিপ্ত নোটঃ জানাযার নামাযে সুরা ফাতেহা পড়া এবং মৃতের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনার দুয়া পড়া ওয়াজিব। আমরা নামাযে সুরা ফাতিহা পড়ি, যার একটি আয়াত হচ্ছে, “(হে আল্লাহ!) আমরা শুধুমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য চাই।”
আর জানাযার দুয়াতে আমরা দুয়া করি, “হে আল্লাহ! তুমি আমাদের জীবিতদের ক্ষমা করো এবং আমাদের মৃতদেরকে ক্ষমা করো...”

Thursday, 25 August 2016

তাবলিগ জামাতের কিতাব "ফাজায়েলে হজ্জে" বুজুর্গদের কেরামতিঃ


“এমন অনেক লোক আছে, স্বয়ং কাবা ঘর যাদের জিয়ারত করতে যায়!”
পোস্ট লিখেছেনঃ Anisur Rahman.
______________________________
ফাজায়েলে হজ্জঃ শাইখুল হাদিস যাকারিয়া সাহারনপুরি সাহেব কর্তৃক লিখিত বিখ্যাত একটি কিতাব। কিতাবটি তাবলিগী ভাইদের সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত। এমনকি প্রতি বছর হজের সময় এই বইয়ের তালিম দেয়া হয় এবং হাজীদেরকে এই বই পাঠ করার ও হৃদয়ঙ্গম করা এবং সে অনুযায়ী হজ সম্পাদন করার জন্য উৎসাহ ও (ক্ষেত্রবিশেষে) নির্দেশ দেয়া হয়।
ক্ষুদ্র এই কিতাবে তিনি হজের ফজিলত সম্পর্কে কুরআনের আয়াত এবং বিভিন্ন হাদীস উল্লেখ করেছেন যার মধ্যে সহীহ হাদীসের পাশাপাশি জাল, যইফ ও বানোয়াট হাদীসেরও বিশাল সমাহার ঘটিয়েছেন। এছাড়া অনেক আজগুবি কিসসা-কাহিনী ও ঈমান বিধ্বংসী গল্পগুজব উপস্থাপন করেছেন।
এমন একটি ঘটনা নিয়ে আজ আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। শাইখুল হাদিস যাকারিয়া সাহারনপুরি সাহেব তার ‘ফাজায়েলে হজ্জ’ নামক কিতাবের ১০৯ নম্বর পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেনঃ
“অনেক লোক তো এমনও আছে, স্বয়ং বাইতুল্লাহ জেয়ারতের জন্য তাহাদের নিকট যায়।”
রেফারেন্সঃ ফাজায়েলে হজ্জ, মূল লেখকঃ যাকারিয়া সাহারানপুরি। বংলা অনুবাদকঃ মাওলানা মোহাম্মদ ছাখাওয়াত উল্লাহ; দিল্লী ও কাকরাইলের মুরুব্বিদের অনুমতিতে লিখিত। প্রকাশনীঃ তাবলীগী কুতুবখানা, ৫০ বাংলাবাজার; সংশোধিত সংস্করন, অক্টোবর ২০০২ ই; পৃষ্ঠা নঃ ১০৯ [আপনারা পোস্টে বইয়ের পৃষ্ঠার স্ক্যান করা অংশের ছবি দেখুন]।
হয়তো অনেক পাঠকের চোখ কপালে উঠে গেছে! এরকম আজগুবি কথা কেউ কি বলতে পারে! জ্বী হা। এরকম আজগুবি কথা যারা বলতে পারে, তারা আমাদের উপমহাদেশে ‘শাইখুল হাদিস’ নামে পরিচিতি। এবং তাদের কিতাব সমগ্র উপমহাদেশে ওয়াহীর মতো পাঠ করা হয়, যেন এর মধ্যে কোনো ভুল থাকতেই পারে না।
মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ “আল্লাহ্র জন্য উক্ত ঘরের হাজ্জ করা লোকদের উপর অবশ্য কর্তব্য। যার সে পর্যন্ত পৌঁছার সামর্থ্য আছে অতঃপর যে ব্যাক্তি তা অস্বীকার করবে, সে জেনে রাখুক! নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ বিশ্ব জাহানের মুখাপেক্ষী নন।’’ [আলে ইমরানঃ ৯৭]
হে সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা! 

Tuesday, 23 August 2016

তাবলীগ জামাতঃ


• অহমিকা আর আত্ম-প্রবঞ্চনা তাদের মুল সম্পদ।
• কোরআন- হাদিসকে এক পাশে রেখে মুরুব্বী দেরকে রাহবার বানিয়েছে।
• মাথার ধারনা, সপ্ন, যুক্তি এদের দলীল।
• তাব্লীগ করে তাব্লীগের অর্থই জানেনা।
• হাওয়া থেকে পাওয়া কল্প-কাহিনীর উপরই তাদের দাওয়াতের ভিত্তি।
• তারা ঈমান ও আমলের ধারনা পোষণ করেন তা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ইমান ও আমল নয়।
• তারা কুরআন-হাদিস শিক্ষা করেন না শিক্ষা দেনও না। অথচ কোরআন হাদিসই দ্বীন।
• কিসসা কাহিনী, স্বপ্ন, রুহানী ফয়েজ, বুজুর্গী, ফানাফিল্লাহ ইত্যাদি কল্পিত ডগমায় বিশ্বাস করেন।
• তাওহীদ ও আকীদা ইসলামের মূল অথচ এর শিক্ষাকে নিরুৎসাহিত করেন। যারা তাওহীদ এর কথা বলেন তাদেরকে তারা ওহাবী বলে গালি দেয়।
• আলেম ওলামাদেরকে ঘৃণার চোখে দেখেন, অথচ প্রকৃত আলেমগণই অন্ধকারের আলো।
• ফাজায়েল ( অতিরিক্ত) আমলের উপরই তারা বেশী গুরুত্ব দেন, ফারায়েজ (মুসল বিষয়) কে অবহেলা করেন।
• তারা অনেক শিরক-বিদআতের জন্ম দাতা ও পৃষ্ঠপোষক,। শিরক বেদাত কি তারা জানতে রাজী নন।
• তাদের মুরুব্বিদের কথাকে তারা ওহীর মত মনে করেন। কোরআনের অহীর খবর রাখেন না।
• অলৌকিক কেসসা কাহানীই তাদের মুল চর্চা। শয়তানের ভেল্কি বাজি কে তারা কারামত ভাবেন।
• শুধু ইবাদাতের জন্যে মসজিদে আহবান করেন। কি ভুল কি শুদ্ধ তা মোটেও জানতে চান না।
• তাদের মুরুব্বিরা বলেছেনঃ নবীগন যে সাগরের তীরে দাঁড়িয়ে হা করে তাকিয়ে থেকেছেন আমরা সেই সাগরে সাঁতার কাটি।- নাউজুবিল্লাহ।
• তাঁদের বুজুর্গরা বলেছেনঃ যে বেহেশতে নামাজ নাই সে বেহেশত দিয়ে কি হবে?
• আল্লাহ্‌ বলেনঃ হে নবী যা তোমার উপর নাজেল হয়েছে তাই প্রচার কর(মায়েদাহ-৬৭) অথচ তারা এই হকের বাইরে থেকেই দীন শেখেন এবং প্রচার করেন।
-শায়খ মুজাম্মেল হক্ক

Sunday, 28 December 2014

““তাবলীগ জামাত” সম্পর্কে মক্কা-মদীনার আলেমদের ফতোয়া””


=============================
>> তাবলীগ জামাতের লোকদের ‘আকিদাহ’ ও আমল কেমন?
■ সৌদি আরবের সাবেক ‘গ্র্যান্ড মুফতি’, ইমাম আবদুল আ’যিয ইবনে বায রাহিমাহুল্লাহর ফতোয়াঃ
তাবলীগ জামাতের অনুসারী লোকেরা আকিদা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান রাখে না, কাজেই তাদের সাথে যাওয়ার অনুমতি নেই। তবে যে ব্যক্তির শরিয়ত সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রাখে এবং আহল সুন্নাহ ওয়াল জামাতের ‘আকিদাহ’ সম্পর্কে যার সঠিকতা নির্ণয় করার এবং তা বুঝার ক্ষমতা আছে, সেব্যক্তি তাবলিগিদের সাথে যেতে পারবে। কেননা সে (কোন আলেম বা তালিবুল ইলম যদি তাদের সাথে যায় তাহলে) তাবলিগিদেরকে সঠিক পথ দেখাতে পারবে, তাদেরকে সুন্দরভাবে উপদেশ দিতে পারবে এবং ভালো কাজে তাদের সাথে সাহায্যও করতে পারবে কারণ তাবলিগিরাই খুবই কর্মপরায়ণ। কিন্তু তাবলিগ জামাতের অনুসারীদের আরও অনেক বেশি জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন এবং ‘তাওহীদ’ ও ‘সুন্নাহ’ সম্পর্কে পথ নির্দেশনা দেবার ক্ষমতা রাখে এমন ব্যক্তিদের দরকার। আল্লাহ ইসলামকে সঠিকভাবে বুঝার ক্ষমতা দিয়ে আমাদের সবাইকে রহমত দান করুন এবং তা ধরে রাখার কাজে দৃঢ়তা দান করুন। [আমিন]
তথ্য সূত্রঃ মাযমু ফাতাওয়া আল শাইখ ইবন বাযঃ ৮/৩৩১।
=============================

Tuesday, 21 October 2014

ইসলাম কায়েম বলতে আপনি কি বুঝেছেন আর মানুষকে কি বুঝাচ্ছেন?



যদি আপনি এমন মনে করেন যে - ইসলামের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলঃ একটি ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করে দ্বীন কায়েম করা, তাহলে প্রশ্ন আসেঃ

১. ইসলামের যেই ৫টি রুকনের কথা নবী (সাঃ) হাদীসে জিব্রীলে উল্লেখ করলেন, তাতে এই ইকামতে দ্বীন কোথায়? তাহলে যেগুলো ইসলামের মূল বিধান তা বাদ দিয়ে ইসলামের নামে একটি নব আবিষ্কৃত লক্ষ্য উদ্দেশ্য তৈরি করা হয়নি কি?

২. ধরে নিলাম একটি ইসলামী রাষ্ট্র কেউ তৈরী করলো, কিন্তু ইসলামী রাষ্ট্র তৈরী হলেই কি সাথে সাথে কাফেররা মুমিন হয়ে যাবে এবং মুশরিকরা শির্ক বর্জন করে তাওহীদী হয়ে যাবে? ধরুন বাংলাদেশে এমন একটি সরকার আসলো, তাতে কি পীরপন্থী, কবর-মাযারওয়ালারা কবরপূজা ছেড়ে দিবে? আইনের ভয়ে যদি তারা কিছু কার্য-কলাপ বন্ধও রাখে কিন্তু তাতে কি তাদের ঈমান পরিবর্তন হবে? তাই অন্তরের পরিবর্তনই মূল পরিবর্তন, আইনী পরিবর্তন হচ্ছে সাময়িক ও মুনাফেকী পরিবর্তন।

Monday, 20 October 2014

প্রশ্নঃ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মুসলমান ভাইদের ইসলামের দিকে ডাকার জন্যে চল্লিশ দিন(চিল্লা) কিংবা চার মাসের(তিন চিল্লা) যে চল আমরা দেখি এ সম্পর্কে কি বিধান রয়েছে ?



প্রশ্নটির উত্তর করেছেন শাইখ সালিহ আল মুনাজ্জিদ

উত্তরঃ প্রশংসা আল্লাহর জন্যে,
“জামায়াত আল-তাবলীগ” একটি ইসলামিক দল যারা ইসলামের জন্যে কাজ করছে। তাদের আল্লাহর দিকে মানুষকে ডাকার এই প্রচেষ্টা(দাওয়াহ) কে অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু অন্যান্য অনেক দলের মত তাদেরও কিছু ভুল রয়েছে, এবং তাদের কিছু বিষয় লক্ষ্যণীয়। এখানে এসকল বিষয়াদি আলোচনা করা হল, উল্লেখ্য, এই ভুলগুলোর প্রকটতা তারা যে পরিবেশ কিংবা সমাজে অবস্থান করছে তার উপর নির্ভর করে কিছু কম-বেশি হতে পারে। যে সমাজ ইলম ভিত্তিক এবং আলেমগণ বিদ্যমান ও আহলে সুন্নাহ আল জামায়াহ’র মাযহাব সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সেখানে এই ভুলগুলো অনেক কম, আবার অন্য কোন সমাজে এই ভুলগুলো বেশিও হতে পারে। তাদের কিছু ভুল হলঃ

তাবলীগ জামাত এর উপরে শায়খ মুজাম্মেল আল-হক্ক এর গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণঃ



আলহা’মদুলিল্লাহ। ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আ’লা রাসুলিল্লাহ। আম্মা বাআ’দু।

মুহতারাম, শায়খ মুজাম্মেল আল-হক্ক হা’ফিজাহুল্লাহ ঢাকার একটি মাদ্রাসা থেকে পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি আরব বিশ্বের দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে উচ্চতর ডিগ্রী ও জ্ঞান অর্জন করেন। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি জ্ঞান অর্জন করেছেন তার মধ্যে রয়েছেঃ

- সারা বিশ্বের মাঝে শ্রেষ্ঠ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মদীনা ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, মদীনা, সৌদী আরব।
- কিং সউদ ইউনিভার্সিটি, রিয়াদ, সৌদি আরব।
- কুয়েত ইউনিভার্সিটি, কুয়েত।

এই মোট ৩টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের উপরে দীর্ঘদিন আলেম-ওলামাদের কাছ থেকে তিনি উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ডিগ্রী অর্জন করেন, কুরান ও সহীহ হাদীসের কষ্টিপাথর দিয়ে হক্ক ও বাতিলের পার্থক্য নির্ণয় করার যোগ্যতা অর্জন করেন। তাবলীগ জামাত, জামাতে ইসলামী এইরকম প্রচলিত কোন দলে যোগ না দিয়ে কুরান, সহীহ হাদীস ও সাহাবীদের আদর্শ অনুযায়ী দ্বীন প্রচারে তিনি আত্মনিয়োগ করেন, যার কারণে কোন দলই তার প্রতি সন্তুষ্ট না, কারণ তিনি সবার মাঝে যেই ভুল-ত্রুটিগুলো আছে সেইগুলো চিহ্নিত করে দেন, তাদেরকে সংশোধন হওয়ার জন্য দাওয়াত দিয়ে থাকেন। আর স্বাভাবিক ভাবেই যারা মানুষকে উপদেশ দেয় মানুষ তাদেরকেই শত্রু বলে মনে করে।

Sunday, 19 October 2014

বিদাতপন্থী সূফীদের মাঝে ২টি শিরকি-কুফুরী আকীদাহঃ


১. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুবরণ করেন নি, তিনি কবরে ‪#‎আমাদের_মতোই‬ জীবিত। 
***ইসলাম বিরোধী, অসংখ্য ক্বুরানের আয়াত ও সহীহ হাদীস বিরোধী কুফুরী কথা।
২. কবরের কাছে গিয়ে মৃত মানুষের কাছে সাহায্য চাওয়া, টাকা-পয়সা চাওয়া, খাবার চাওয়া, কারো বিরুদ্ধে বিচার চাওয়া, সুপারিশ বা দুয়া চাওয়া, রোগ হলে চিকিৎসা চাওয়া জায়েজ।
***নাউযুবিল্লাহ, কবর পূজারীদের শিরকি কথা।
‪#‎সূফীরা‬ হচ্ছে ৭২টি ভ্রান্ত ফেরকার অন্তর্ভুক্ত বেদাতী একটি দল, যাদের মাঝে অনেক বড়বড় শিরকি ও কুফুরী আকীদাহ আছে। সূফীদের অনেক তরীকাহ, দল ও ফেরকাহ আছে। তবে ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্থানের সূফীবাদীরা মোটামুটি দেওবন্দী ও বেরেলবী এই দুইটি মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে ২টি বড় দলে ভাগ হয়েছে। এই দুই দলই নিজেদেরকে ‪#‎হানাফী‬ ও ‪#‎সুন্নী‬ দাবী করে, কিন্তু নিজেদের মাঝে তাদের অনেক ঝগড়া-বিবাদ আছে। তবে, এই ২ দলের মাঝেই কমন অনেক শিরকী ও কুফুরী আকীদাহ আছে, যার মাঝে ২টা ভ্রান্ত বিশ্বাস উপরে বর্ণনা করা হয়েছে।
১. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবিত নাকি মৃত?
আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষণা, নবী সাঃ একজন মানুষ, সাথে সাথে তিনি আল্লাহর নবীঃ

কুরআন ও সহীহ হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবাদ



সংকলনেঃ আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
লিসান্সঃ মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, এম,এম, ফাস্ট ক্লাশ 

সূচীপত্র  (الفهارس)

ভূমিকা
সূফীবাদের পরিভাষায় সূফী কাকে বলে?
সূফীবাদের বিভিন্ন তরীকার বিবরণ
সূফীবাদের স্তর পরিক্রমাঃ
প্রচলিত সূফীবাদের কতিপয় বিভ্রান্তিঃ
১) الحلول হুলুল এবং وحدة الوجود ওয়াহদাতুল উজুদঃ
উপরোক্ত ভ্রান্ত বিশ্বাসের খন্ডনঃ
আল্লাহ তাআলা আকাশের উপরে সমুন্নত হওয়ার দলীলসমূহঃ
আল্লাহ্‌ আসমানে সমুন্নত হওয়ার ব্যাপারে বর্ণিত সহীহ হাদীছসমূহঃ
আরশের উপর সমুন্নত হওয়ার দলীলসমূহঃ
২) অলী-আওলীয়াদের আহবানঃ
৩) গাউছ, কুতুব, আবদাল ও নুজাবায় বিশ্বাসঃ
৪) সূফী তরীকার মাশায়েখগণ বিপদ হতে উদ্ধার করতে পারেন!
৫) এবাদতের সময় সূফীদের অন্তরের অবস্থাঃ
৬) নবী-রাসূলদের সম্পর্কে সূফীদের ধারণাঃ
৭) অলী-আওলীয়াদের ব্যাপারে তাদের বিশ্বাসঃ
৮) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যাপারে বাড়াবাড়িঃ
৯) ফেরাউন ও ইবলীসের ক্ষেত্রে সূফীদের বিশ্বাসঃ
১০) কবর ও মাজার সম্পর্কে সূফীদের আকীদাঃ
১১) মৃত অলী- আওলীয়ার নামে মান্নত পেশ করাঃ
১২) অলী-আওলীয়ার উসীলাঃ
১৩) ইসলামের রুকনগুলো পালনের ক্ষেত্রে সূফীদের দৃষ্টিভঙ্গিঃ
১৪) সূফীদের যিকির ও অযীফাঃ
১৫) চুলে ও দাড়িতে ঝট বাঁধাঃ
১৬) অলী-আওলীয়ার নামে শপথঃ
১৭) হালাল-হারামঃ
১৮) জিন-ইনসান সৃষ্টির উদ্দেশ্যঃ
১৯) সূফীরা জান্নাতের আশা ও জাহান্নামের ভয় করে নাঃ
২০) গান-বাজনাঃ
২১) সূফীদের যাহেরী ও বাতেনীঃ
২২) শায়েখ বা পীরের আনুগত্যঃ
২৩) পীরের আত্মার সাথে মুরীদের আত্মার সম্পর্ক তৈরী করাঃ
২৪) ইলমে লাদুন্নী নামে কল্পিত এক বিশ্বাসঃ
২৫) কারামাতে আওলীয়ার ক্ষেত্রে সূফীদের বাড়াবাড়িঃ
ক) মৃতকে জীবিত করাঃ

Friday, 17 October 2014

চল্লিশ দিন(চিল্লা) কিংবা চার মাসের(তিন চিল্লা) যে চল আমরা দেখি এ সম্পর্কে কি বিধান রয়েছে ?


প্রশ্নঃ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মুসলমান ভাইদের ইসলামের দিকে ডাকার জন্যে চল্লিশ দিন(চিল্লা) কিংবা চার মাসের(তিন চিল্লা) যে চল আমরা দেখি এ সম্পর্কে কি বিধান রয়েছে ?

প্রশ্নটির উত্তর করেছেন শাইখ সালিহ আল মুনাজ্জিদ

উত্তরঃ প্রশংসা আল্লাহর জন্যে,
“জামায়াত আল-তাবলীগ” একটি ইসলামিক দল যারা ইসলামের জন্যে কাজ করছে। তাদের আল্লাহর দিকে মানুষকে ডাকার এই প্রচেষ্টা(দাওয়াহ) কে অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু অন্যান্য অনেক দলের মত তাদেরও কিছু ভুল রয়েছে, এবং তাদের কিছু বিষয় লক্ষ্যণীয়। এখানে এসকল বিষয়াদি আলোচনা করা হল, উল্লেখ্য, এই ভুলগুলোর প্রকটতা তারা যে পরিবেশ কিংবা সমাজে অবস্থান করছে তার উপর নির্ভর করে কিছু কম-বেশি হতে পারে। যে সমাজ ইলম ভিত্তিক এবং আলেমগণ বিদ্যমান ও আহলে সুন্নাহ আল জামায়াহ’র মাযহাব সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সেখানে এই ভুলগুলো অনেক কম, আবার অন্য কোন সমাজে এই ভুলগুলো বেশিও হতে পারে। তাদের কিছু ভুল হলঃ

Thursday, 11 September 2014

ফাযায়েলে আমলে কি আসলেই #শিরিক আছে? (পর্বঃ- ১)




ফাযায়েলে আমলে কি আসলেই #শিরিক আছে? (পর্বঃ- ১)

অনেকে এমন ভাব ধরে যেনো – ফাযায়েলে আমল মহপবিত্র একটা বই! এই বইয়ে শিরিক বেদাত দূরের কথা, এতোবড় শায়খুল হাদীস সাহেব লিখেছেন, এই কিতাবে কোনো ভুল হইতেই পারেনা!!

Wednesday, 10 September 2014

চরমোনাই পীরের পোস্ট মর্টেম


Ads by OffersWizardAd O


চরমোনাই পীরের পোস্ট মর্টেমঃ

দেখুন চরমোনাই পীর কি কৌশলে তার মুরিদদের ব্রেইন ওয়াশ করে...

চোরের হাত পীরের হাতের সাথে লাগার কারণে পীর যদি তাকে পুলসিরাত পার করে দেয় (নাউযুবিল্লাহ), তাহলে মুরীদ যারা পীরের হাতে ধরে বায়াত হবে এদের কত বড় ফযীলত!
দেখুন পীরের লেখা বই – ভেদে মারেফত পৃষ্ঠা ২৭-২৮।

আহলে সুন্নত, শিয়া-সুন্নী, আহলে বায়ত কি?




আহলে সুন্নত, শিয়া-সুন্নী, আহলে বায়ত কি?

বিসমিল্লাহ, ওয়ালহা'মদুলিল্লাহ, ওয়াস সালাতু ওয়াসসালামু আ'লা রাসূলিল্লাহ। আম্মা বা'দ।

আহলে সুন্নাহ কি?
“আহলে সুন্নাহ” – অর্থ হচ্ছে সুন্নাহর অনুসরণকারী।যারা শিরক-

Tuesday, 9 September 2014

সত্যি কথা বললে মানুষ গালি দেয়




বিসমিল্লাহ, ওয়ালহা'মদুলিল্লাহ, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আ'লা রাসূলিল্লাহ। আম্মা বা'দ।
বর্তমান যুগে অবস্থা এমন হয়েছে আপনি যদি...

১. আওয়ামীলীগের খুন/ধর্ষণ/লোটপাটের বিরুদ্ধে বলেন – তাহলে আপনি জংগি/জামাত/শিবির/রাজাকার।

Monday, 8 September 2014

দ্বীনের নামে, ধর্মের নামে কিভাবে ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে



একটু চিন্তা করুন ও সতর্ক হন...

অনেককে দেখবেন আন্দাজে কথা বলতে থাকে...
বিশেষ করে অনেকে সরাসরি দাবী করে এই কথাটা হাদীসে আছে...কিতাবে আছে...বা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এমনভাবে কথাগুলো বলে যে সাধারণ মানুষ মনে করে এইগুলো কুরআন বা হাদীসেরই কথা...

অথচ, আপনি যদি ইসলাম সম্পর্কে একটু সচেতন হন, পড়াশোনা করেন, আলেমদের কাছে জিজ্ঞাসা করে বিষয়টার দলীল সম্পর্কে জানতে চান, আপনি দেখবেন এরা যা বলে আসলে এর কোনো ভিত্তি নাই, নিজের মনগড়া কথা, কোনো এক নাম-ঠিকানা বিহীন বুযুর্গ বলেছে যার পক্ষে কোনো দলীল নাই অথচ তারা এটা এমনভাবে বলে এটা দ্বীনের কথা। অথচ কুরআন সুন্নাহ এর সম্পূর্ণ এর বিপরীত।

Sunday, 7 September 2014

তাবলীগ অর্থ কি?




তাবলীগ অর্থ কি?
"তাবলীগ" অর্থ প্রচার করা, বার্তা পৌঁছে দেওয়া।
তাবলীগ অর্থ কোনো দল না, যদিও বর্তমানে অনেক মানুষ মন করে তাবলীগ মানে একটা দল।

তাবলীগ কিসের করতে হবে?

Saturday, 6 September 2014

তাবলীগী ভাইদের ফাযায়েলে আমাল সম্পর্কে সৌদি আরবের উলামাদের ফাতওয়া:




তাবলীগী ভাইদের ফাযায়েলে আমাল সম্পর্কে সৌদি আরবের উলামাদের ফাতওয়া:

“ফাযায়েলে আমাল” বই এর আসল নাম “তাবলীগ ই নিসাব” লিখেছেন মুহাম্মাদ যাকারিয়া আল-কান্দলভী যেখানে তিনি নৈতিক উৎকর্ষ সম্পন্নকাজের জন্য কিছু অনুচ্ছেদ সমষ্টিবদ্ধ করেছেন।

তাবলিগ জামাতের সাথে চিল্লা দেওয়া যাবে?





তাবলিগ জামাত ও চিল্লা সম্পর্কে শায়খ সালিহ আল-ফাওজানের ফাতওয়াঃ

“চিল্লা দেওয়া যাবে?”

আমাদের মসজিদে আরবী কথা বলে এমন কিছু লোক নিয়ে এসেছে তাবলিগ জামাতের লোকেরা, উদ্দেশ্য মানুষকে ইজতেমায় নেওয়ার জন্য কনভিন্স করা।

তাবলীগ জামাত এর উপরে শায়খ মুজাম্মেল আল-হক্ক এর গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণ




তাবলীগ জামাত এর উপরে শায়খ মুজাম্মেল আল-হক্ক এর গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণঃ

আলহা’মদুলিল্লাহ। ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আ’লারাসুলিল্লাহ। আম্মা বাআ’দু।

মুহতারাম, শায়খ মুজাম্মেল আল-হক্ক হা’ফিজাহুল্লাহ ঢাকার একটি মাদ্রাসা থেকে পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি আরব বিশ্বের দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে উচ্চতর ডিগ্রী ও জ্ঞান অর্জন করেন। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি জ্ঞান অর্জন করেছেন তার মধ্যে রয়েছেঃ

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...