Showing posts with label হুসী. Show all posts
Showing posts with label হুসী. Show all posts

Friday, 16 August 2019

হুসী (حُوْثِيْ) কারা?


আল-ফাক্বীহ, আল-মুহাদ্দিস, আল-‘আল্লামাহ, আশ-শাইখ যাইদ বিন হাদী আল-মাদখালী (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪৩৫ হি./২০১৪ খ্রি.] বলেছেন—
“এই হুসীরা যারা বর্তমানে উপস্থিত রয়েছে, তারা খাওয়ারিজ ও রাফিদ্বাহ* ছাড়া আর কিছুই না। তারা দুটি ধ্বংসাত্মক ফিরক্বাহ একসাথে এনেছে। তাদের মধ্যে রয়েছে রাফিদ্বাহ এবং খাওয়ারিজ। একারণে তারা কোনো ন্যায্য ও বৈধ কারণ ছাড়াই মুসলিমদের সর্বাধিক মারাত্মক উপায়ে ক্ষতি করে। এবং তারা যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে সৌদি আরবকে পছন্দ করে, (যেটি এমন) একটি জায়গা যেখানে আল্লাহ শাসকবর্গ, ‘উলামা এবং জনগণের জন্য সফলতা দিয়েছেন। তিনি তাদের সফলতা দিয়েছেন সঠিক ‘আক্বীদাহ ও মানহাজের মাধ্যমে, এবং আল্লাহ’র হক ও আল্লাহ’র আইন প্রতিষ্ঠা করতে দেয়ার মাধ্যমে। এসব কিছু তাদের (হুসী) ক্রোধান্বিত করে।
এভাবে তারা তাদের সামরিক অভিযান প্রস্তুত করেছে, কিন্তু আল্লাহ তাদের ষড়যন্ত্র তাদের গলাতেই ফিরিয়ে দিয়েছেন। এবং তিনি তাদের যুদ্ধের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা তাদের জন্যই ধ্বংসরূপে ফিরিয়ে দিয়েছেন। আর এভাবেই সীমালঙ্ঘনকারী তার ওপর সফল হবে না, যে কারও ওপর সীমালঙ্ঘন করে না। এটি সুবিদিত যে, সৌদি আরব তার শাসক, ‘উলামা অথবা জনগণের মাধ্যমে কারও ওপর সীমালঙ্ঘন করে না। তারা রাষ্ট্র বা দলসমূহের ওপর সীমালঙ্ঘন করে না, বরং তাদের ওপর সীমালঙ্ঘন করা হয় এবং বিবাদ শেষ হওয়া পর্যন্ত তারা ধৈর্যধারণ করে। সুতরাং আমি আল্লাহ (‘আযযা ওয়া জাল্লা)’র কাছে প্রার্থনা করছি হক এবং এর অনুসারীদের জন্য সাহায্য। এজন্য যে, তিনি যেন সীমালঙ্ঘনকারীদের অপদস্থ করেন, যারা ইসলামকে ধ্বংস করতে চায় এবং মুসলিমদের ক্ষতি করতে চায়।”
·
তথ্যসূত্র: https://youtu.be/bATX8Th4ClU
·
[*] শিয়াদের একটি উপদল হলো রাফিদ্বাহ। রাফিদ্বী শিয়ারাই হলো ইসনা ‘আশারিয়াহ তথা বারো ইমামিয়াহ নামক উপদল। তাদেরকে ‘জা‘ফারিয়্যাহ’-ও বলা হয়। বর্তমানে তাদেরকে ‘খুমাইনিয়্যাহ’ (খোমেনীর মতাদর্শের লোকজন) বলা হয়। অনুরূপভাবে তাদেরকে ইরানি শিয়াও বলা হয়। রাফিদ্বীরা সকল ‘আলিমের ঐক্যমতে কাফির। শিয়াদের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট উপদল এরাই। – অনুবাদক।
·
অনুবাদক: রিফাত রাহমান সিয়াম

মক্কা মুকাররামাহকে টার্গেট করে ইয়েমেনের হুসী সম্প্রদায়ের মিসাইল অ্যাটাকের ব্যাপারে ইমাম সালিহ আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ)’র বক্তব্য


যুগশ্রেষ্ঠ ফাক্বীহ আশ-শাইখুল ‘আল্লামাহ ইমাম সালিহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান (হাফিযাহুল্লাহ) [জন্ম: ১৩৫৪ হি./১৯৩৫ খ্রি.] বলেছেন—
“হুসী সম্প্রদায়, যারা মক্কা ভূখণ্ডকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, তারা এই মীরাসের (উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বিষয়) ওপর রয়েছে, তারা (তাদের পূর্বসূরি) ওই স্বেচ্ছাচারী তাগুতদের মীরাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। মহান আল্লাহ তাঁর গৃহকে হেফাজত করেছেন। তারা কেবল নিজেদেরই ক্ষতি করেছে এবং নিজেদের আসল চেহারা প্রকাশ করেছে। তারা নিজেদেরকে ‘মুসলিম’ দাবি করে। কিন্তু আল্লাহ তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন, তাদের এই জঘন্য অপরাধের মাধ্যমে। যে অপরাধের ক্ষেত্রে তাদের অগ্রবর্তী সালাফ হলো ইথিওপিয়ার নিকৃষ্ট রাজা আবরাহা। মহান আল্লাহ তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন এবং তাদের মুসলিম হওয়ার দাবিকে বাতিল প্রমাণ করেছেন।
বস্তুত এই গৃহ স্বয়ং আল্লাহ’র হেফাজত ও রক্ষণাবেক্ষণে নিরাপদ রয়েছে। কেননা এটি আল্লাহ’র গৃহ। একারণে এই গৃহকে ‘বাইতুল আতীক্ব’ তথা ‘প্রাচীন গৃহ’ বলা হয়। যেহেতু আল্লাহ এই গৃহকে সীমালঙ্ঘনকারী স্বেচ্ছাচারীদের (আক্রমণ) থেকে সুরক্ষিত করেছেন, যারা এই গৃহের অকল্যাণ করতে চায়। যেমন এ কাজের দৃষ্টান্ত রয়েছে ইতিহাসে, তারা নিজেরাই যে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করেছে। তারা ইথিওপিয়ার রাজা আবরাহার ইতিহাসকে পুনরায় বাস্তবায়ন করেছে, কাবাগৃহের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার মাধ্যমে। আর তাদের ক্ষেত্রে তাই ঘটেছে, যা ঘটেছিল আবরাহার ক্ষেত্রে। মহান আল্লাহ তাদের ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দিয়েছেন, তাঁর সুপ্রাচীন গৃহকে হেফাজত করেছেন এবং তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন।”
·
উৎস: বক্তব্যের ভিডিয়ো ক্লিপটি শাইখ ফাওয়্যায বিন ‘আলী আল-মাদখালী (হাফিযাহুল্লাহ)’র অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া হয়েছে।

মক্কা মুকাররামাহকে টার্গেট করে ইয়েমেনের হুসী সম্প্রদায়ের মিসাইল অ্যাটাকের ব্যাপারে ইমাম রাবী‘ আল-মাদখালী (হাফিযাহুল্লাহ)’র বক্তব্য


বর্তমান যুগে জারাহ ওয়াত তা‘দীলের ঝাণ্ডাবাহী মুজাহিদ আশ-শাইখুল ‘আল্লামাহ আল-মুহাদ্দিসুল ফাক্বীহ ইমাম রাবী‘ বিন হাদী বিন ‘উমাইর আল-মাদখালী (হাফিযাহুল্লাহ) [জন্ম: ১৩৫১ হি./১৯৩২ খ্রি.] বলেছেন—
“পরম করুণাময় অসীম দয়ালু মহান আল্লাহ’র নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ’র জন্য। দয়া ও শান্তি বর্ষিত হোক রাসূলুল্লাহ’র প্রতি এবং তাঁর পরিবার পরিজন, সাহাবীবর্গ ও তাঁর আদর্শ অবলম্বনকারী ব্যক্তিবর্গের ওপর।
অতঃপর: মুসলিমরা অবগত হয়েছে যে, রাফিদ্বী শিয়াদের নিকট কত বড়ো বড়ো ভ্রষ্টতা রয়েছে, যার কোনো হিসাব নেই। সেসব ভ্রষ্টতার অন্যতম হলো—তারা সাহাবীগণ (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহুম) ও মুসলিমদেরকে কাফির ফাতওয়া দেয়, সম্মানিত নাবী পরিবারের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করে থাকে। আল্লাহ তাঁদেরকে (নাবী পরিবার) রাফিদ্বী শিয়া ও তাদের বাড়াবাড়িমূলক কর্মকাণ্ড থেকে মুক্ত করেছেন।
তাদের বাড়াবাড়ি ও চরমপন্থার অন্তর্ভুক্ত হলো—(নিজেদের) ইমামদের ব্যাপারে তাদের এ কথা বলা যে, তাঁরা গায়েব জানেন এবং বিশ্বজগতের প্রতিটি অণুতে স্বীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন! তাহলে রাফিদ্বী শিয়ারা এই বিশ্বজগতে আল্লাহ’র জন্য কী অবশিষ্ট রাখল? এই ক্ষেত্রে তাদের কতই না কুফরি রয়েছে!
বর্তমান সংকটসংকুল সময়ে রাফিদ্বী শিয়ারা মুসলিমদের দেশে—যেমন ইয়েমেন, সিরিয়া প্রভৃতি—ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের আগুন প্রজ্বলিত করেছে। যেসব যুদ্ধে তারা লাখো মুসলিমের রক্ত হালাল গণ্য করছে, মুসলিম সন্তানদের নষ্ট করছে, তাদেরকে রাফিদ্বী শিয়া হিসেবে কনভার্ট করছে। ফলে তারা রাফিদ্বীদের সাথে যোগ দিয়েছে, তাদের কুফরি ‘আক্বীদাহর ক্ষেত্রে এবং তাদের পরিবারের লোকজনের রক্তপাত ঘটানোর ক্ষেত্রে।
তারা এসব জঘন্য কাজ করেই ক্ষান্ত হয়নি। বরং তাদের গুপ্ত হিংসা তাদেরকে মক্কা মুকাররমাহ’র দিকে ব্যালেস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করতে প্ররোচিত করেছে। আর তারা এসব করেছে আল্লাহ’র মর্যাদা লঙ্ঘন করার জন্য, যে মর্যাদার প্রতি তারা বিশ্বাস করে না এবং তার কানাকড়ি মূল্যও দেয় না।
মহান আল্লাহ এ ব্যাপারে বলেছেন, وَمَنْ يُرِدْ فِيهِ بِإِلْحَادٍ بِظُلْمٍ نُذِقْهُ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ “আর যে ব্যক্তি সীমালঙ্ঘন করে সেখানে (মাসজিদে হারামে) পাপকাজ করতে চায়, তাকে আমি যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করাব।” (সূরাহ হাজ্ব: ২৫)
ইতঃপূর্বে এদের পূর্বসূরি ক্বারামিত্বাহ শিয়ারা এই সীমালঙ্ঘন করেছিল। তারা আল্লাহ’র হারাম মাসে ও তাঁর প্রাচীন গৃহে শত শত হাজিকে হত্যা করেছিল, হাজারে আসওয়াদ নিয়ে তাদের সীমালঙ্ঘনমূলক কর্মকাণ্ডের রাষ্ট্র ‘হাজার’ তথা ‘আল-আহসা’ নামক জায়গায় অবস্থিত—তাদের (কথিত) কা‘বার মধ্যে তা স্থাপন করেছিল।

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...