Showing posts with label জুমু’আ. Show all posts
Showing posts with label জুমু’আ. Show all posts

Wednesday, 9 December 2015

মাতৃভাষায় জুমার খুতবা দেয়ার বিধান


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার খুতবায় আল্লাহর তারীফ করতেন, দরুদ পড়তেন, কুরআন থেকে তেলাওয়াত করতেন এবং কিছু ওয়াজ-নছীহত ও করতেন। নবীদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেন:
وَمَا أَرْسَلْنَا مِن رَّسُولٍ إِلَّا بِلِسَانِ قَوْمِهِ لِيُبَيِّنَ لَهُمْ
“আমি সব নবীকেই তাদের স্বজাতির ভাষাভাষী করেই প্রেরণ করেছি, যাতে তাদেরকে পরিষ্কার বোঝাতে পারে।” (সূরা ইবরাহীম: ৪)

রসুলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাতৃভাষা যেহেতু আরবী ছিল এবং ছাহাবীদেরও ভাষা আরবী ছিল, তাই তিনি আরবীতেই তাদেরকে নছীহত করতেন। এখন যারা নবীজির নায়েব হয়ে জুমার খুতবা দিবেন তাদেরকেও উল্লেখিত আয়াত ও হাদীছ অনুসারে তাদের শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে মাতৃভাষায় খুতবা দেয়াটা শরীয়ত সম্মত এবং যুক্তি সংগত।
• এই কারণেই ইমাম শাফেয়ী (রহ.) বলেন: প্রত্যেক খতীবকে জুমার সময় তাঁর মাতৃভাষায় ওয়াজ করা ওয়াজিব বা অবশ্য কর্তব্য। (তানক্বীহুর রুওয়াত ১/২৬৪)
• আল্লামা তাহাভী হানাফী বলেন: জুমার খুতবা আরবী জানলেও ফারসী ভাষায় ও চলবে। (হাশিয়া তাহতাবী আলা মারাক্বিল ফালাহ ২৭)
• আল্লামা আব্দুল হাই লাখনভী হানাফী (রহ) বলেন: শ্রোতাদেরকে তাদের মাতৃভাষায় খুতবা বুঝিয়ে দেয়া জায়েজ। (মাজমূআহ ফাতাওয়া ১/২৪৫)
• হানাফী ফিক্বহ গ্রন্থ নিহায়া, মুজতাবা, ফাতাওয়া সিরাজিয়্যাহ, মুহীত প্রভৃতি গ্রন্থে আছে যে, ইমাম আবূ হানীফার মতে ফারসী ভাষাতে জুমার খুতবা দেয়া জায়েজ।
• হানাফী ফতোয়ার কিতাব শামীতে আছে, আরবী ভাষায় খুতবা দেয়া শর্ত নয়।
• হানাফী ফিকহ গ্রন্থ হিদায়ায় আছে, প্রত্যেক ভাষায় খুতবার নছীহত চলতে পারে। (কিতাবুল জুমআহ ৫৫-৫৬) (আলোচনা দ্র: আইনী তোহফা সলাতে মুস্তফা১/৯৮-৯৯)
খুতবারা আগে বয়ান একটি বিদআত:
নিজ ভাষায় খুতবা না দেয়ার কারণে যেহেতু তা মানুষের বোধগম্য হয় না এজন্যই এই খুতবার আগে খতীবগণ বয়ানের ব্যবস্থা রেখেছেন, যা শরীয়তের দৃষ্টিতে একটি জঘন্যতম বিদআত। কারণ খুতবা দানের পূর্বে বয়ান দেয়া এবং ইহাকে এভাবে স্থায়ী রূপ দেয়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আদৌ প্রমাণিত নয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুতবার পূর্বে কখনো এ ধরণের বয়ান দেন নি। দিতে বলেছেন বলে ও কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না।
এজন্যই এ সঊদী আরবের বরেণ্য মুফতী শাইখ ইবনে উসাইমীন (রহ:)কে মাতৃভাষায় খুতবা প্রদান সম্পর্কে সওয়াল করা হলে তিনি তা সরাসরি জায়েজ বলে মন্তব্য করেন এবং একথা স্পষ্ট ভাবে বলেন যে, খতীবকে নিজ ভাষায় খুতবা দিতে হবে। (দেখুন: শাইখ ইবনে উসাইমীনের ফাতাওয়া আরকানিল ইসলাম)
বর্তমানে আমাদের দেশের বেশ কিছু জামে মসজিদে মাতৃভাষায় খুতবা দেয়া হয়ে থাকে। বস্তুত: এটাই সুন্নত। এর বিপরীত সুন্নত বিরোধী কাজ যা অবশ্যই পরিত্যাজ্য। আল্লাহ আমাদেরকে দ্বীনের সঠিক ইলম দান করুন এবং যাবতীয় বিদআত পরিত্যাগ করার তাওফীক দিন (আমীন)
লেখক: শাইখ আখতারুল আমান বিস আব্দুস সালাম
সম্পাদনা: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

Thursday, 16 October 2014

জুম‘আর নামায

 
 

জুমআর নামায প্রত্যেক সাবালক জ্ঞান-সম্পন্ন পুরুষের জন্য জামাআত সহকারে ফরয।
মহান আল্লাহ বলেন,
(يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا إِذَا نُوْدِيَ لِلصَّلاَةِ مِنْ يَّوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَى ذِكْرِ اللهِ وَذَرُوا الْبَيْعَ، ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُوْنَ)
অর্থাৎ, হে ঈমানদারগণ! যখন জুমআর দিন নামাযের জন্য আহবান করা হবে, তখন তোমরা সত্বর আল্লাহর স্মরণের জন্য উপস্থিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় বর্জন কর। এটিই তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা উপলব্ধি কর। (কুরআন মাজীদ ৬২/৯)

মহানবী (সাঃ) বলেন, “দুনিয়াতে আমাদের আসার সময় সকল জাতির পরে। কিন্তু কিয়ামতের দিন আমরা সকলের অগ্রবর্তী। (সকলের আগে আমাদের হিসাব-নিকাশ হবে।) অবশ্য আমাদের পূর্বে ওদেরকে (ইয়াহুদী ও নাসারাকে) কিতাব দেওয়া হয়েছে। আমরা কিতাব পেয়েছি ওদের পরে। এই (জুমআর) দিনের তা’যীম ওদের উপর ফরয করা হয়েছিল। কিন্তু ওরা তাতে মতভেদ করে বসল। পক্ষান্তরে আল্লাহ আমাদেরকে তাতে একমত হওয়ার তওফীক দান করেছেন। সুতরাং সকল মানুষ আমাদের থেকে পশ্চাতে। ইয়াহুদী আগামী দিন (শনিবার)কে তা’যীম করে (জুমআর দিন বলে মানে) এবং নাসারা করে তার পরের দিন (রবিবার)কে।” (বুখারী, মুসলিম,  মিশকাত)

Saturday, 16 August 2014

জুমু’আর নামাযের সময় তন্দ্রা আসলে নিজ স্থান হতে উঠে যাবে



সহিহ আত্ তিরমিজি :: জুমু’আর নামাযের সময় তন্দ্রা আসলে নিজ স্থান হতে উঠে যাবে অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ৪ :: হাদিস ৫২৬
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জুমু’আর দিন তোমাদের কোন ব্যক্তির ঘুমের আবেশ আসলে সে যেন নিজ জায়গা হতে উঠে যায়।        -সহীহ । সহীহ আবূ দাউদ – (১০২৫), তা’লীক ইবনু খুজাইমাহ- (১৮১৯) ।
       আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ হাদিসটি হাসান সহীহ ।

Jami at-Tirmidhi ::  What Has Been Related About One Who Becomes Sleepy During The Friday Prayer, And That He Is To Change His Location
Part 4 :: Hadith 526
Ibn Umar narrated that :

the Prophet said: "When one of you becomes sleepy during the Friday prayer, then let him move from where he is sitting." (Hasan)

জুমু’আর (ফরযের) পূর্বের ও পরের নামায



সহিহ আত্ তিরমিজি :: জুমু’আর (ফরযের) পূর্বের ও পরের নামায অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ৪ :: হাদিস ৫২৩
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জুমু’আর নামাযের পর নামায আদায় করতে চায় সে যেন চার রাক’আত আদায় করে । -সহীহ । ইবনু মাজাহ – (১১৩২) ।
আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদিসটি হাসান।
সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা বলেন, সুহাইল ইবনু আবূ সালিহ হাদীসশাস্ত্রে একজন নির্ভরযোগ্য রাবী । একদল ‘আলিম এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেন । ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) জুমু’আর (ফরযের) পূর্বে চার রাক’আত এবং পরে চার রাক’আত (সুন্নাত) নামায আদায় করতেন ।
‘আলী (রাঃ) প্রসঙ্গে বর্ণিত আছে যে, তিনি জুমু’আর পর দুই রাক’আত তারপর চার রাক’আত আদ্দায় করার হুকুম দিয়েছেন। সুফিয়ান সাওরী ও ইবনুল মুবারাক (রহঃ) ইবনু মাসউদের মত গ্রহন করেছেন । ইসহাক বলেছেন, জুমু’আর দিন যদি মাসজিদে (সুন্নাত) নামায আদায় করা হয় তবে চার রাক’আত আদায় করবে, আর যদি ঘরে আদায় হয় তবে দুই রাক’আত আদায় করবে । তিনি দলীল হিসেবে এ হাদীস উল্লেখ করেছেন, *  (Arabic)
“রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আহাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু’আর পর বাড়িতে গিয়ে দুই রাক’আত (সুন্নাত) নামায আদায় করেছেন ।
তিনি আরো বলছেনঃ (Arabic) “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জুমু’আর (ফরযের) পরে নামায আদায় করতে চায় সে যেন চার রাক’আত আদায় করে”।
আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনু উমার (রাঃ) যিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে বর্ণনা করেছেন , “জুমু’আর পর তিনি বাড়িতে গিয়ে দুই রাক’আত আদায় করতেন”। তিনিও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে জুমু’আর নামাযের পর মাসজিদেরই দুই রাক’আত নামায আদায় করেছেন ।
আতা (রহঃ)  হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ) –কে জুমু’আর (ফরয নামাযের) পর দুই রাক’আত নামায আদায় করতে দেখেছি । -সহীহ । আবূ দাঊদ (১০৩৫, ১০৩৮) ।
“আমর ইবনু ইবনু দীনার বলেন, যুহরীর চাইতে ভালভাবে হাদীস বর্ণনা করতে আমি আর কাউকে দেখতে পাইনি এবং তার মত আর কাউকে ধন- দৌলতকে তুচ্ছ ভাবিতে দেখেনি । তার দৃষ্টিতে ধন-দৌলত উটের মলতুল্য তুচ্ছ জিনিস । ‘আমর ইবনু দীনার যুহরীর চাইতে বেশি বয়সী ছিলেন ।

Jami at-Tirmidhi ::  [What Has Been Related] About Salat Before the Friday Prayer And After
Part 4 :: Hadith 523
Abu Hurairah narrated that :
Allah's Messenger said: "Whoever among you is to pray after the Friday prayer, then let him pray four." (Sahih)


ইমামের খুতবা চলাকালে পায়ের নলা জড়িয়ে বসা মাকরূহ



সহিহ আত্ তিরমিজি :: ইমামের খুতবা চলাকালে পায়ের নলা জড়িয়ে বসা মাকরূহ অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ৪ :: হাদিস ৫১৪
সাহল ইবনু মুআয (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু’আর দিনে ইমামের খুতবা চলার সময়ে দুই হাতে (পায়ের) নলা জড়িয়ে ধরে বসতে নিষেধ করেছেন । -হাসান । মিশকাত- (১২৯৩), সহীহ আবূ দাঊদ- (১০১৭) ।
       আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ হাদিসটি হাসান । একদল বিদ্বান জুমু’আর দিনে ইমাম খুতবা দান কালে পায়ের নলা জড়িয়ে ধরে বসাকে মাকরূহ বলেছেন, কিছু কিছু বিদ্বান এর অনুমতি দিয়েছেন । আব্দুল্লাহ ইবনু উমার তাদের একজন । ইমাম আহমাদ ও ইসহাকের এটাই অভিমত ।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related About Al-Habwah Being Disliked While The Imam Is Delivering The Khutbah
Part 4 :: Hadith 514
Sahl bin Ma'adh narrated from his father:

"The Prophet prohibited Al-Habwah on Friday while the Imam is delivering the Khutbah." (Hasan)

খুতবা চলাকালে কথাবার্তা বলা মাকরূহ



সহিহ আত্ তিরমিজি :: খুতবা চলাকালে কথাবার্তা বলা মাকরূহ অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ৪ :: হাদিস ৫১২
‘আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নাবী সাল্লল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি জুমু’আর দিনে ইমামের খুতবা দানকালে (অন্যকে) বলল, ‘চুপ কর’ সে অকারনে কথা বলল । -সহীহ । ইবনু মাজাহ- (১১১০), বুখারী ও মুসলিম
       এ অনুচ্ছেদে ইবনু আবূ আওফা ও জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে ।
       আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আবূ হুরাইরার হাদিসটি হাসান সহীহ । বিশেষজ্ঞগণ এ হাদীসের উপর আমল করেছেন । তাড়া ইমামের খুতবা চলাকালে কথা বলাকে মাকরূহ বলেছেন । যদি কেউ কথা বলে তবে হাত দিয়ে ইশারায় তাকে থামিয়ে দিবে । কিন্তু তারা সালামের উত্তর দেওয়া ও হাঁচির জবাব দেওয়ার ব্যাপারে পার্থক্য করেছেন । ইমাম আহমাদ ও ইসহাক ইমামের খুতবা চলার সময়ে সালামের উত্তর দেওয়া ও হাঁচির উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলার সম্মতি দিয়েছেন । একদল তাবিঈ এটাকে মাকরূহ বলছেন । ইমাম শাফিঈ এই মত গ্রহন করেছেন ।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related About If Being Disliked to Talk While The Imam Is Delivering The Khutbah
Part 4 :: Hadith 512
Abu Hurairah narrated that :

Allah's Messenger said: "Whoever said: 'Be quiet' while the Imam is giving the Khutbah then he has committed Laghw (useless activity)." (Sahih)

Friday, 15 August 2014

নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেজুর গাছের গুঁড়ির সাথে ভর দিয়ে জুমু’আর বক্তৃতা করতেন



সহিহ আত্ তিরমিজি :: মিম্বারের উপর দাড়িয়ে খুতবা দেওয়া অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ৪ :: হাদিস ৫০৫
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেজুর গাছের গুঁড়ির সাথে ভর দিয়ে জুমু’আর বক্তৃতা করতেন । যখন মিম্বার তৈরি করা হল খেজুরের গুঁড়িটা কাঁদতে লাগল। তিনি গাছটির নিকট গেলেন এবং তা স্পর্শ করলেন । ফলে এটা চুপ করল । -সহীহ । সহীহাহ- (২১৭৪), বুখারী ।
এ অনুচ্ছেদে আনাস, জাবির, সাহল ইবনু সা’দ, উবাই ইবনু কা’ব, ইবনু ‘আব্বাস ও উম্মু সালামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে । আবূ ‘ঈসা বলেনঃ ইবনু ‘উমারের হাদিসটি হাসান, গারীব সহীহ । মু’আয ইবনুল ‘আলা বাসরার অধিবাসী, তিনি আবূ ‘আমর ইবনুল আলা এর ভাই।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related About The Khutbah On the Minbar
Part 4 :: Hadith 505
Ibn Umar narrated:

"The Prophet would give the Khutbah next to the trunk of a date palm. When he [the Prophet] began using the Minbar the trunk cried out for him until he came to it and held it, so it became quiet." (Sahih)

যে ব্যক্তি অবহেলা করে তিন জুমু’আ পরিত্যাগ করে,



সহিহ আত্ তিরমিজি :: কোন ওজর ছাড়াই জুমু’আর নামায ছেড়ে দেয়া অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ৪ :: হাদিস ৫০০
আলী ইবন খাশ্রাম ()....... আবুল জা’দ আয্-যামরী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, রাসূল ইরশাদ করেন : যে ব্যক্তি অবহেলা করে তিন জুমু’আ পরিত্যাগ করে,  আল্লাহ তার হৃদয় মোহরাঙ্কিত করে দেন।

قَالَ وَفِي الْبَاب عَنْ ابْنِ عُمَرَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَسَمُرَةَ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي الْجَعْدِ حَدِيثٌ حَسَنٌ قَالَ وَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ اسْمِ أَبِي الْجَعْدِ الضَّمْرِيِّ فَلَمْ يَعْرِفْ اسْمَهُ وَقَالَ لَا أَعْرِفُ لَهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَّا هَذَا الْحَدِيثَ قَالَ أَبُو عِيسَى وَلَا نَعْرِفُ هَذَا الْحَدِيثَ إِلَّا مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو
  এই বিষয়ে ইবন উমর, ইবন আববাস এবং সামূরা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
  ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী রহ.  () বলেন ;আবুল জা’দ বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান।
   তিনি আরো বলেন: আমি ইমাম মুহাম্মাদ আল-বূখারী ()-কে আবূল জা’দ আয্-যামরী রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর নাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম কিমত্মু তিনি তার নাম সম্পর্কে কিছু জানেন বলে বলতে পারলেন না।
  এটি ছাড়া রাসূল থেকে বর্ণিত তার আর কোন রিওয়ায়াত আছে বলে আমার জানা নেই। আর এই হাদীসটিও রাবী মুহাম্মাদ ইবন আমর-এর সূত্রে ছাড়া অন্য কোন সূত্রে আমাদের জানা নেই।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related About Neglecting The Friday Prayer Without An Excuse.
Part 4 :: Hadith 500
Abu Al-Ja'd - meaning Ad-Damri - narrated, and he was a Companion according to the claim of Muhammad bin Amr:

"Allah's Messenger said: 'Whoever neglects the Friday prayer three times (in a row) without an excuse, then Allah sets a seal upon his heart.'" (Hasan)

কেউ যদি জুমু’আর দিন জানাবাতের (ফরয) গোসল করে




সহিহ আত্ তিরমিজি :: কিতাবুল জুমুআ জু’মুআর স্বলাত অধ্যায়
অধ্যায় ৪ :: হাদিস ৪৯৯
ইসহাক ইবন মূসা আনসারী () ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল ইরশাদ করেন : কেউ যদি জুমু’আর দিন জানাবাতের (ফরয) গোসল করে মসজিদে রওয়ানা হয়ে যায়, তবে সে যেন একটি উট কুরবানী করল। যে ব্যক্তি দ্বিতীয় মুহূর্তে গেল,  সে যেন একটি গাভী কুরবানী করল। যে ব্যক্তি তৃতীয় মুহূর্তে গেল, সে যেন শিংওয়ালা একটি মেষ কুরবানী করল। যে ব্যক্তি চতুর্থ মুহূর্তে গেল, সে যেন একটি মুরগি কুরবানী (সাদকা) করল। যে ব্যক্তি  পঞ্চম মুহূর্তে গেল, সে যেন একটি ডিম কুরবানী (সাদকা) করল। পরে ইমাম যখন (সালাতের উদ্দেশ্যে) বের হয়ে পড়েন, তখন ফেরেশতারা সালাতে উপস্থিত হয়ে খুতবা শুনতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

قَالَ وَفِي الْبَاب عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَسَمُرَةَ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ
 এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবন আমর সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
  ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী রহ.  () বলেন: আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related About Going Early To The Friday Prayer
Part 4 :: Hadith 499
Abu Hurairah narrated that :

Allah's Messenger said: "Whoever performs Ghusl on Friday - the Ghusl for Janabah - then he goes, he is like one who gave a camel in charity. Whoever goes in the second hour then he is like one who gave a cow in charity. Whoever goes in the third hour then he is like the one who have a ram in charity. Whoever goes in the fourth hour then he is like the one who gave a chicken in charity. Whoever goes in the fifth hour, then he is like one who gave an egg in charity. When the Imam comes out, the angels are present listening to the remembrance." (Sahih)

কেউ যদি উযূ করে এবং খুব ভালভাবে তা করে জুমু’আয় হাযির হয়



সহিহ আত্ তিরমিজি :: কিতাবুল জুমুআ জু’মুআর স্বলাত অধ্যায়
অধ্যায় ৪ :: হাদিস ৪৯৮
হান্নাদ রাদিয়াল্লাহু আনহ .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল ইরশাদ করেন: কেউ যদি উযূ করে এবং খুব ভালভাবে তা করে জুমু’আয় হাযির হয় এবং ইমামের কাছে গিয়ে বসে চুপ করে মনোযোগ  দিয়ে খুতবা শোনে, তবে তার পূর্ববর্তী জুমু’আসহ আরো অতিরিক্ত তিন (মোট দশ) দিনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি তখন কংকর সরাল সে- অনর্থক কাজ করল।

قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ
 ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী রহ.  () বলেন: এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।

Jami at-Tirmidhi :: [What Has Been Related] About Wudu On Friday
Part 4 :: Hadith 498
Abu Hurairh narrated that :

Allah's Messenger said: "Whoever performs Wudu, performing his Wudu well, then he comes to the Friday (prayer), and he gets close, listens and is silent, then whatever (sin) was between that and (the last) Friday are forgiven for him, in addition to three days. And whoever touches the pebbles, he has committed Lagha (useless activity)." (Sahih)

জুমু’আর দিনে সকাল সকাল গোসল করল এবং গোসল করাল



সহিহ আত্ তিরমিজি :: কিতাবুল জুমুআ জু’মুআর স্বলাত অধ্যায়
অধ্যায় ৪ :: হাদিস ৪৯৬
মাহমূদ ইবন গায়লান () ....... আওস ইবন আওস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, রাসূল ইরশাদ করেন যে, জুমু’আর দিনে সকাল সকাল গোসল করল এবং গোসল করাল, তারপর ইমামের কাছে গিয়ে বসে চুপ করে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শুনল তার প্রত্যেক কদমের বিনিময়ে এক বছরের সিয়াম কিয়ামের (সালাতের) সওয়াব।

قَالَ مَحْمُودٌ قَالَ وَكِيعٌ اغْتَسَلَ هُوَ وَغَسَّلَ امْرَأَتَهُ قَالَ وَيُرْوَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ أَنَّهُ قَالَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ مَنْ غَسَّلَ وَاغْتَسَلَ يَعْنِي غَسَلَ رَأْسَهُ وَاغْتَسَلَ قَالَ وَفِي الْبَاب عَنْ أَبِي بَكْرٍ وَعِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ وَسَلْمَانَ وَأَبِي ذَرٍّ وَأَبِي سَعِيدٍ وَابْنِ عُمَرَ وَأَبِي أَيُّوبَ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَوْسِ بْنِ أَوْسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ وَأَبُو الْأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيُّ اسْمُهُ شَرَاحِيلُ بْنُ آدَةَ وَأَبُو جَنَابٍ يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْقَصَّابُ الْكُوفِيُّ
  মাহমূদ () হাদীসে বলেন, ইমাম ওয়াকী’ বলেছেন : যে নিজে গোসল করল এবং তার স্ত্রীকে গোসল করাল।
  আবদুল্লাহ ইবন মুবারক () সূত্রে এই হাদীসে বর্ণিত আছে যে, যে নিজে গোসল করল এবং (কাউকে) করাল অর্থাৎ সে তার মাথা ধৌত করল এবং সে গোসল করাল।
   আবূ বকর, ইমরান ইবন হুসায়ন, সালমান, আবূ যর, আবূ সাঈদ, ইবন উমর আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও এই বিষয়ে হাদীস বর্ণিত আছে।
  ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী রহ.  () বলেন : আওস ইবন আওস রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীসটি হাসান।
 আবূল আশ’আস আস্-সান’আন ()-এর নাম শুরাহিল ইবন আদা।
 আবূ জানাব হলেন ইয়াহইয়া ইবন হাবীব আল্-কুস্সাব আল্-কূফী।

Jami at-Tirmidhi ::  [What Has Been Related] About The Virtue Of Ghusl On Friday
Part 4 :: Hadith 496
Aws bin Aws narrated:

"Allah's Messenger said to me: 'Whoever performs Ghusl on Friday, and bathes completely, and goes early, arriving early, gets close and listens and is silent, there will be for him in every step he take the reward of a year of fasting and standing (in prayer).'" (Sahih)

জুমু’আবারের যে মুহূর্তটিতে দু’আ কবূলের আশা করা যায়



সহিহ আত্ তিরমিজি :: কিতাবুল জুমুআ জু’মুআর স্বলাত অধ্যায়
অধ্যায় ৪ :: হাদিস ৪৮৯
আবদুল্লাহ ইবনুল সাববাহ আল-হাশিমী আল-আত্তার () ........... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, রাসূল ইরশাদ করেন : জুমু’আবারের যে মুহূর্তটিতে দু’আ কবূলের আশা করা যায়, তোমার সে মুহূর্তটিকে বাদ আসর সূর্যাস্ত পর্যাস্ত সময়টিতে তালাশ কর।

قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي حُمَيْدٍ يُضَعَّفُ ضَعَّفَهُ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ وَيُقَالُ لَهُ حَمَّادُ بْنُ أَبِي حُمَيْدٍ وَيُقَالُ هُوَ أَبُو إِبْرَاهِيمَ الْأَنْصَارِيُّ وَهُوَ مُنْكَرُ الْحَدِيثِ وَرَأَى بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَغَيْرِهِمْ أَنَّ السَّاعَةَ الَّتِي تُرْجَى فِيهَا بَعْدَ الْعَصْرِ إِلَى أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَقُ و قَالَ أَحْمَدُ أَكْثَرُ الْأَحَادِيثِ فِي السَّاعَةِ الَّتِي تُرْجَى فِيهَا إِجَابَةُ الدَّعْوَةِ أَنَّهَا بَعْدَ صَلَاةِ الْعَصْرِ وَتُرْجَى بَعْدَ زَوَالِ الشَّمْسِ
   ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী রহ.  () বলেন : এই সনদে হাদীসটি গারীব।
  আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে এই হাদীসটি অন্য সূত্রেও বর্ণিত আছে।
   রাবী মুহাম্মাদ ইবন আবী হুমায়দ হচ্ছেন যঈফ। তার স্মরণশক্তির বিষয়ে হাদীস বিশেষজ্ঞ কতক আলিম তাকে যঈফ বলে মত দিয়েছেন। তাকে হাম্মাদ ইবন আবী হুমায়দও বলা হয়। কথিত আছে , তিনি হলেন আবূ ইবরাহীম আল-আনসারী। ইনি হাদীসের ক্ষেত্রে মুনকার।
  সাহাবী এবং পরবর্তী যুগের কতিপয় আলিমের অভিমত হ’ল, এই দু’আ করার মুহূর্তটি বাদ আসর থেকে সূর্যন্ত সময় আশা করা যায়। ইমাম আহমদ ইসহাক ()-এর অভিমত -ই।
   ইমাম আহমদ () বলেন : দু’আ করার মুহূর্তটি সম্পর্কে অধিকাংশ হাদীসই বাদ আসর থেকে সূর্যস্ত পর্যন্ত সময়ের কথা উলেস্নখিত হয়েছে। তবে যাওয়াল বা সূর্য পশ্চিমদিকে হেলে পড়ার পর থেকেও তা আশা করা যায়।

Jami at-Tirmidhi :: [What Has Been Related] About The Hour That Is Hoped For On Friday
Part 4 :: Hadith 489
Anas bin Malik narrated that :

the Prophet said: "Seek out the hour that is hoped for on Friday after Asr until the sun has set." (Sahih)

সূর্য উদিত হয় এমন সকল দিনের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হ’ল জুমু’আর দিন



সহিহ আত্ তিরমিজি :: কিতাবুল জুমুআ জু’মুআর স্বলাত অধ্যায়
অধ্যায় ৪ :: হাদিস ৪৮৮
কুতায়বা () ........ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত যে, রাসূল ইরশাদ করেন : সূর্য উদিত হয় এমন সকল দিনের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হ’ল জুমু’আর দিন। এই দিনেই আদম ()-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এদিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করান হয়। এই দিনেই তাঁকে তা থেকে  বের করা হয়। আর এই জুমু’আর দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।

قَالَ وَفِي الْبَاب عَنْ أَبِي لُبَابَةَ وَسَلْمَانَ وَأَبِي ذَرٍّ وَسَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ وَأَوْسِ بْنِ أَوْسٍ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ
  এই বিষয়ে আবূ লুবাবা, সালমান, আবূ যর, সা’দ ইবন উবাদা এবং আওস ইবন আওস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
  ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী রহ.  () বলেন : আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীস হাসান-সহীহ।

Jami at-Tirmidhi :: [What Has Been Related] About The Virtue Of The Day Of Jumu'ah
Part 4 :: Hadith 488
Abu Hurairah narrated that:

the Prophet said: "The best day that the sun has risen upon is Friday. On it Adam was created, on it he entered Paradise, and on it, he was expelled from it. And the Hour will not be established except on Friday." (Sahih)

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...