Showing posts with label সাহাবী. Show all posts
Showing posts with label সাহাবী. Show all posts

Tuesday, 26 December 2023

৩০ জন মহিলা সাহাবির নাম


অনেকেই নারী সাহাবীদের নামে মেয়ে সন্তানের নাম রাখতে চান। এটা প্রশংসনীয়। সাহাবীরাও জেনেবুঝে সাহাবীদের নামে তাঁদের সন্তানদের নাম রাখতেন। ৩০ জন নারী সাহাবীর নাম দেয়া হলো। আপনারা চাইলে নিজেদের সন্তান, আত্মীয়-স্বজনদের সন্তানের জন্য প্রস্তাব রাখতে পারেন।

১। রুমাইসা (রুমাইসা বিনতে মিলহান রা.)

২। নুসাইবা (নুসাইবাহ বিনতে কা’ব রা.)  

৩। ফারিয়াহ (ফারিয়াহ বিনতে আসয়াদ রা.)

৪। আনিসা (আনিসা বিনতে তালহা রা.)

৫। আতিকা (আতিকা বিনতে যায়িদ রা.)

৬। লুবাবা (লুবাবা বিনতে হারিস রা.)

৭। নাফিসা (নাফিসা বিনতে উমাইয়্যা রা.)

৮। জুয়াইরিয়া (জুয়াইরিয়া বিনতে আবি জাহেল রা.)

৯। সাওদা (সাওদা বিনতে জাম’আ রা.)

১০। উমামা (উমামাহ বিনতে আবিল আ’স রা.)

১১। তামিমা (তামিমাহ বিনতে ওয়াহাব রা.)

১২। বারাকাহ (বারাকাহ বিনতে ইয়াসির রা.)

১৩। খাওলা (খাওলা বিনতে হাকিম রা.)

১৪। আরওয়া (আরওয়া বিনতে কুরাইজ রা.)

১৫। জামিলা (জামিলাহ বিনতে সা’দ রা.)

১৬। সুহাইলাহ (সুহাইলাহ বিনতে মাসউদ রা.)

১৭। খালিদা (খালিদাহ বিনতে হারিস রা.)

১৮। সাবিয়াহ (সাবিয়াহ আসলামিয়া রা.)

১৯। লুবনা (লুবনা বিনতে সাওয়ার রা.)

২০। আফরা (আফরা বিনতে উবাইদ রা.)

২১। সালমা (সালমা বিনতে উমাইস রা.)

২২। মাইমুনা (মাইমুনা বিনতে হারিস রা.)

২৩। মারিয়া (মারিয়া কিবতী রা.)

২৪। সুমাইয়া (সুমাইয়া বিনতে খুববাত রা.)

২৫। শিফা (শিফা বিনতে আব্দিল্লাহ রা.)

২৬। আসমা (আসমা বিনতে উমাইস রা.)

২৭। শায়মা (শায়মা বিনতে হারিস রা.)

২৮। বুশরা (বুশরা বিনতে সাফওয়ান রা.)

২৯। লাইলা/লায়লা (লাইলা বিনতে মিনহাল রা.)

৩০। রুফাইদা (রুফাইদা আল আসলামিয়া রা.)

[এই ত্রিশজন সাহাবীর নাম অনেকেই রাখেন, কিন্তু বেশিরভাগই জানেন না যে এগুলো সাহাবীর নাম। এই কারণে এখানে তুলনামূলক ‘আনকমন’ ত্রিশটি নাম দেয়া হয়েছে। সাহাবীদের কমন নাম প্রায় সবাই জানেন। নাম পছন্দের পর সিদ্ধান্ত নেবার আগে আশেপাশের কোনো আলেমের কাছ থেকে অর্থ জেনে নিবেন।]

আরো পড়ুন :


Tuesday, 10 September 2019

সাহাবাদিগকে গালমন্দকারীদের খণ্ডনে সালাফদের মূল্যবান উক্তি


ইসলামের সূত্র ন্যায়পরায়ণ সাহাবিদের সম্বন্ধে যারা কটূক্তি করে ও অপবাদ দেয়, তাদের ব্যাপারে আমাদের বিচক্ষণ সালাফগণ বহু মূল্যবান কথা বলেছেন। কারণ তারা এর ভয়াবহ পরিণাম বুঝতেন এবং এসব অপবাদ যে দ্বীনের মৌলিক বিধানের বিপরীত তাও তারা জানতেন। আমরা এ পর্বে তাদের সেই মূল্যবান উক্তি সমূহের কিছুটা উল্লেখ করবো ইনশাআল্লাহ তা’আলা।
১- ইমাম মালিক রাহ. বলেন:
{ إنما هؤلاء اقوام أرادوا القدح في النبي صلى الله عليه وسلم، فلم يمكنهم ذلك، فقدحوا في اصحابه، حتى يقال رجل سوء ولو كان رجلا صالحا لكان أصحابه صالحون }. ( الصارم المسلول ص580 )
‘এরা এমন গোষ্ঠী যারা স্বয়ং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দুর্নাম করার ইচ্ছা রাখে কিন্তু তা সম্ভবপর না হওয়ায় তারা তাঁর সাহাবীদের দুর্নাম করে ও তাদের অপবাদ দেয় যেন বলা হয় যে, সে মন্দ ছিল। যদি তিনি সৎ ব্যক্তি হতেন, তাহলে তাঁর সাথীরাও সৎ হত’। [আস্ স্বরিম আল মাসলূল, ইবনু তায়মিয়া/৫৮০]
২- ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল রাহ. বলেন:
‘যদি কোনও ব্যক্তিকে দেখ সে কোনও সাহাবীর দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করছে, তাহলে তার ইসলামে সন্দেহ আছে’। [আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ইবনু কাছীর ৮/১৪২]
৩-আবু যুরআহ আর রাযী রহ. বলেন:
‘যদি কোনও ব্যক্তিকে দেখ সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথীদের মধ্যে কারো দোষ বর্ণনা করছে, তাহলে জেনে নিও সে ইসলাম শত্রু নাস্তিক। কারণ আমাদের নিকট রাসূল সত্য এবং আল কুরআন সত্য। আর এই কুরআন ও সুন্নাহ আমাদের মাঝে পৌঁছে দিয়েছেন তাঁর সাহাবাগণ। ( অর্থাৎ তারা ইসলামের সূত্র ও সাক্ষী) ইসলাম শত্রুরা আমাদের সাক্ষীদের অভিযুক্ত করতে চায় যেন কিতাব ও সুন্নাহ বানচাল হয়ে যায়। প্রকৃতার্থে তারাই অভিযুক্ত। তারা হচ্ছে নাস্তিক’। [আল কিফায়া, খতীব বাগদাদী, পৃ: ৯৭]
৪- আবু আব্দুর রাহমান নাসাঈ রাহ. কে আল্লাহর রাসূলের সাহাবী মুআবিয়া বিন আবী সুফিয়ান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন:
‘ইসলামের উপমা একটি দরজাযুক্ত ঘরের ন্যায়। আর ইসলামের দরজা হচ্ছে সাহাবাগণ। তাই যে সাহাবীকে কষ্ট দেয়, তার উদ্দেশ্য ইসলাম। ঐ ব্যক্তির মত যে দরজা ঠকঠকায় কারণ তার উদ্দেশ্য ঘরে প্রবেশ করা। তিনি বলেন: তাই যে মুয়াবিয়াকে উদ্দেশ্য করে আসলে তার উদ্দেশ্য সাহাবাগণ’। [তাহযিবুল কামাল,১/৩৩৯/ বুগইয়াতুর রাগিব পৃ: ১২৯]

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...