আসসালা-মু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহু।
এই পোস্টের বিষয়বস্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা হলো আক্বীদা এবং মানহাজ।
কাজেই ধৈর্যসহকারে পড়ার অনুরোধ রইলো।
:
আক্বীদা মানে বিশ্বাস বা creed বা belief system. আর মানহাজ মানে methodology বা চলার পথ। আভিধানিকভাবে মানহাজ মানে চলার পথ। শরী’আহ-এর পরিভাষায় দ্বীনের ক্ষেত্রে সলফে-সলিহীনগণের অনুসৃত পথে চলার নামই মানহাজ, যাকে আমরা বলে থাকি সলফে-সলিহীনগণের মানহাজ অথবা সালাফী মানহাজ। এক্ষেত্রে দ্বীনের ব্যাপারে পরিপূর্ণভাবে সলফে-সলিহীনগণের নীতিকে মেনে চলাকেই বোঝায়। মানহাজটাই মূলত সীরাতে মুস্তাক্বীম।
আক্বীদাসহ দ্বীনের সকল বিষয়ই মানহাজের মধ্যে শামিল। এছাড়া আরেকভাবে বলা যায় যে, যখন বলা হয় সলফে-সলিহীনগণের মানহাজ, তখন আক্বীদাসহ যা কিছু আছে সব কিছুই মানহাজের মধ্যে শামিল। আর যখন বলা হয় সলফে-সলিহীনগণের আক্বিদা-মানহাজ, তখন সেক্ষেত্রে আক্বীদার বিষয় ছাড়া বাকি সবকিছুই মানহাজের মধ্যে শামিল।
[উস্তায হাম্মাদ বিল্লাহ (হাফিযাহুল্লাহ)-এর লেকচার থেকে সংগৃহীত ও সংযোজিত এবং পরিমার্জিত]
:
এবার তাহলে একটি প্রশ্ন এসে যায় যে, আক্বীদা এবং মানহাজের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কি? এছাড়া আরো প্রশ্ন এসে যায় যেমন কেউ আক্বীদায় সালাফী আর মানহাজে ভিন্ন হলে সেক্ষেত্রে তার বিধান কি এবং যারা সলফে-সলিহীনগণের মানহাজের বিরোধিতা করে তাদের বিধান কি। আসুন এই সকল বিষয়েই আমরা বিভিন্ন আহলুল ‘ইলমদের উক্তি থেকে জেনে নিই। এই প্রত্যেকটি ব্যাপারেই নিম্নে বিভিন্ন আহলুল ‘ইলমদের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলো।
:
==========================================================
সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ফতোয়া বোর্ডে আক্বীদা ও মানহাজের মধ্যে পার্থক্যের ব্যাপারে ফতোয়া জিজ্ঞেস করা হয়। নিম্নে দেয়া হলো,
প্রশ্ন:- আজকাল আক্বীদা এবং মানহাজের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে মর্মে অনেক কথা শোনা যায়, মানুষ এখন এও বলা শুরু করেছে যে, “অমুক ও অমুকের আক্বীদা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের আক্বিদা” অথবা সালাফীয়্যাহ এর আক্বিদা, তবে তার মানহাজ আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের মানহাজ নয়। যেমন উদাহরণস্বরূপ, তারা জামাতুত তাবলীগের বা ইখওয়ানুল মুসলিমীনের, অথবা অন্যকোন গ্রুপের কিছু কিছু কথা বলে থাকে। কাজেই, এর কী কোনো মূলনীতি আছে যার দ্বারা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের বা সালাফিয়্যাহ-এর মানহাজ সম্পর্কে জানা যেতে পারে? এবং আক্বিদা ও মানহাজের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কী?
এই পোস্টের বিষয়বস্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা হলো আক্বীদা এবং মানহাজ।
কাজেই ধৈর্যসহকারে পড়ার অনুরোধ রইলো।
:
আক্বীদা মানে বিশ্বাস বা creed বা belief system. আর মানহাজ মানে methodology বা চলার পথ। আভিধানিকভাবে মানহাজ মানে চলার পথ। শরী’আহ-এর পরিভাষায় দ্বীনের ক্ষেত্রে সলফে-সলিহীনগণের অনুসৃত পথে চলার নামই মানহাজ, যাকে আমরা বলে থাকি সলফে-সলিহীনগণের মানহাজ অথবা সালাফী মানহাজ। এক্ষেত্রে দ্বীনের ব্যাপারে পরিপূর্ণভাবে সলফে-সলিহীনগণের নীতিকে মেনে চলাকেই বোঝায়। মানহাজটাই মূলত সীরাতে মুস্তাক্বীম।
আক্বীদাসহ দ্বীনের সকল বিষয়ই মানহাজের মধ্যে শামিল। এছাড়া আরেকভাবে বলা যায় যে, যখন বলা হয় সলফে-সলিহীনগণের মানহাজ, তখন আক্বীদাসহ যা কিছু আছে সব কিছুই মানহাজের মধ্যে শামিল। আর যখন বলা হয় সলফে-সলিহীনগণের আক্বিদা-মানহাজ, তখন সেক্ষেত্রে আক্বীদার বিষয় ছাড়া বাকি সবকিছুই মানহাজের মধ্যে শামিল।
[উস্তায হাম্মাদ বিল্লাহ (হাফিযাহুল্লাহ)-এর লেকচার থেকে সংগৃহীত ও সংযোজিত এবং পরিমার্জিত]
:
এবার তাহলে একটি প্রশ্ন এসে যায় যে, আক্বীদা এবং মানহাজের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কি? এছাড়া আরো প্রশ্ন এসে যায় যেমন কেউ আক্বীদায় সালাফী আর মানহাজে ভিন্ন হলে সেক্ষেত্রে তার বিধান কি এবং যারা সলফে-সলিহীনগণের মানহাজের বিরোধিতা করে তাদের বিধান কি। আসুন এই সকল বিষয়েই আমরা বিভিন্ন আহলুল ‘ইলমদের উক্তি থেকে জেনে নিই। এই প্রত্যেকটি ব্যাপারেই নিম্নে বিভিন্ন আহলুল ‘ইলমদের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলো।
:
==========================================================
সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ফতোয়া বোর্ডে আক্বীদা ও মানহাজের মধ্যে পার্থক্যের ব্যাপারে ফতোয়া জিজ্ঞেস করা হয়। নিম্নে দেয়া হলো,
প্রশ্ন:- আজকাল আক্বীদা এবং মানহাজের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে মর্মে অনেক কথা শোনা যায়, মানুষ এখন এও বলা শুরু করেছে যে, “অমুক ও অমুকের আক্বীদা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের আক্বিদা” অথবা সালাফীয়্যাহ এর আক্বিদা, তবে তার মানহাজ আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের মানহাজ নয়। যেমন উদাহরণস্বরূপ, তারা জামাতুত তাবলীগের বা ইখওয়ানুল মুসলিমীনের, অথবা অন্যকোন গ্রুপের কিছু কিছু কথা বলে থাকে। কাজেই, এর কী কোনো মূলনীতি আছে যার দ্বারা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের বা সালাফিয়্যাহ-এর মানহাজ সম্পর্কে জানা যেতে পারে? এবং আক্বিদা ও মানহাজের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কী?











