Tuesday, 19 August 2014

তাওহীদ এবং শিরক



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

লিখেছেনঃ শেইখ আবুল কালাম আযাদ
(লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদি আরব)
সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে তাওহিদ এবং শিরক সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে এই ছোট পুস্তিকায়।

ডাউনলোড (৪.২) MB

তাগুত এর অর্থ এবং এর প্রধান প্রধান অংশ


রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

গ্রন্থনা: শাইখ আব্দুল্লাহ ইব্‌ন ইবরাহীম আল কার‘আওয়ী
অনুবাদ: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
সম্পাদনা: ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
এ-কথা জানা প্রয়োজন যে, আল্লাহ তা‘আলা মানব জাতির উপর সর্ব প্রথম যা ফরজ করেছেন তা হচ্ছে তাগুতের সাথে কুফরি এবং আল্লাহর উপর ঈমান।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন : “আর নিশ্চয়ই আমি প্রত্যেক জাতির কাছে রাসূল পাঠিয়েছি এ কথা বলে যে, তোমরা শুধু আল্লাহর উপাসনা কর এবং তাগুতকে পরিত্যাগ কর।” [সূরা আন্‌-নাহল: ৩৬]
তাগুতের সাথে কুফরির ধরণ হলো : আল্লাহ ছাড়া অন্য সবকিছুর উপাসনা (ইবাদত) বাতিল বলে বিশ্বাস করা, তা ত্যাগ করা, ঘৃণা ও অপছন্দ করা, এবং যারা তা করবে তাদের অস্বীকার করা, তাদের সাথে শত্রুতা পোষণ করা।

আরকানুল ঈমান



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ  ঈমান হল – মুখে উচ্চারণ, অন্তরে বিশ্বাস ও অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে কাজে পরিণত করা। আনুগত্য ও সৎ আমলের মাধ্যমে ঈমান বারে এবং পাপাচার ও নাফরমানীর কারনে ঈমান কমে যায়।
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন,
” ঈমানের শাখা সত্তর বা ষাটের অধিক। আর মধ্যে সর্বোচ্চ শাখা হল – “লাইলাহা ইল্লাল্লাহ (অর্থাৎ আল্লাহ ব্যাতিত অন্য কোন সত্য উপাস্য নেই) মুখে উচ্চারণ করা। আর সর্ব নিম্ন স্তর হল – রাস্তা থাকে কষ্ট দায়ক বস্তু অপসারণ করা। লজ্জাবোধ ঈমানের( অন্যতম) একটি শাখা” [সহিহ মুসলিম]
আর এই ঈমানের রুকুন ছয়টিঃ
১. আল্লাহ পাকের উপর,
২. মালাইকা/ ফেরেস্তাদের উপর,
৩. তার কিতাব সমুহের উপর,
৪. তার রাসূলদের উপর
৫. আখিরাত বা শেষ দিবশের উপর এবং
৬. তাকদিরের ভালো মন্দের উপর ঈমান। [সাহিহ মুসলিম  হাদিস নং ১]
ইমানের এই ছয়টি রুকুন সম্পর্কে আমরা জানলেও আমাদের মাঝে এই বিষয় সম্পর্কে অনেক ভুল ধারনা বিদ্যমান  বা আমরা এই রুকুন গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানিনা। এই বিষয়টি অনুধাবন করেই মাদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলমী গবেশনা অনুসদ আর বাংলা অনুবাদ বিভাগ হতে এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি প্রকাশের উদ্দ্যোগ নেয়া হয়। এই বইটিতে ঈমানের রুকুন বা স্তম্ভ গুলোকে সহজ ভাষায়  বিস্তারিত ভাবে  আলোচনা করা হয়েছে।

মহিলাদের মসজিদে যাতায়াত



সহিহ আত্ তিরমিজি :: মহিলাদের মসজিদে যাতায়াত অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ৬ :: হাদিস ৫৭০
মুজাহিদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কোন এক সময় আমরা ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে হাযির ছিলাম। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা মহিলাদেরকে রাতের বেলা মসজিদের যাওয়ার সম্মতি দাও। তাঁর (ইবনু উমারের) ছেলে বলল, আল্লাহ্তা’আলার কসম! তাদেরকে মসজিদের যাওয়ার অনুমতি কখনো দিব না। কেননা তারা এটাকে মওকা হিসেবে গ্রহন করবে। ইবনু ‘উমার বললেন, আল্লাহ তোমার অমঙ্গল করেছেন এবং করবেন! আমি বলছি রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন (অনুমতি দাও), আর তুমি বলছো, অনুমতি দিব না। -সহীহ্। সহীহ্আবূ দাঊদ- (৫৭৭), বুখারী ও মুসলিম।
এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরাইরা, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদের স্ত্রী যাইনাব ও যাইদ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে ও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ্।

Jami at-Tirmidhi :: (What Has Been Related) About Women Going Out To The Masjid
Part 6 :: Hadith 570
Mujahid narrated:

"We were with Ibn Umar, and he said: 'The Messenger of Allah said: "Permit the women to go at night to the Masajid." His son said: 'By Allah! We would not permit them lest they become insidious from that.' So he (Abdullah) retorted: 'May Allah do and such with you.' I say: "The Messenger of Allah said," and you say: "We do not permit them?" (Sahih)

মহিলাদের মসজিদে যাতায়াত



সহিহ আত্ তিরমিজি :: মহিলাদের মসজিদে যাতায়াত অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ৬ :: হাদিস ৫৭০
মুজাহিদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কোন এক সময় আমরা ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে হাযির ছিলাম। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা মহিলাদেরকে রাতের বেলা মসজিদের যাওয়ার সম্মতি দাও। তাঁর (ইবনু উমারের) ছেলে বলল, আল্লাহ্তা’আলার কসম! তাদেরকে মসজিদের যাওয়ার অনুমতি কখনো দিব না। কেননা তারা এটাকে মওকা হিসেবে গ্রহন করবে। ইবনু ‘উমার বললেন, আল্লাহ তোমার অমঙ্গল করেছেন এবং করবেন! আমি বলছি রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন (অনুমতি দাও), আর তুমি বলছো, অনুমতি দিব না। -সহীহ্। সহীহ্আবূ দাঊদ- (৫৭৭), বুখারী ও মুসলিম।
এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরাইরা, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদের স্ত্রী যাইনাব ও যাইদ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে ও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ্।

Jami at-Tirmidhi :: (What Has Been Related) About Women Going Out To The Masjid
Part 6 :: Hadith 570
Mujahid narrated:

"We were with Ibn Umar, and he said: 'The Messenger of Allah said: "Permit the women to go at night to the Masajid." His son said: 'By Allah! We would not permit them lest they become insidious from that.' So he (Abdullah) retorted: 'May Allah do and such with you.' I say: "The Messenger of Allah said," and you say: "We do not permit them?" (Sahih)

পাপ কাজ থেকে বাচার জন্য কিছু উপায়



পাপ কাজের ফসল হচ্ছে জাহান্নাম,পাপ কাজ থেকে  বাচার জন্য কিছু উপায়…
মানুষের অন্তরটা একটা পাত্রের মতো। আপনি যদি অন্তরটাকে ভালো জিনিস দ্বারা পূর্ণ করেন তাহলে খারাপ জিনিসগুলো ঢুকতে পারবেনা। আবার আপনি যদি আপনার অন্তরটাকে খবিস জিনিস দ্বারা আচ্ছন্ন করে রাখেন, নফস (প্রবৃত্তি) ও শাহওয়াত (লোভ-লালসা/কামনা-বাসনা ইত্যাদি), শয়তানের আনুগত্যকে মেনে নেন, ভালো জিনিসগুলো আপনার অন্তরে প্রবেশ করবেনা।

পাপ কাজ থেকে বাচার জন্য কিছু উপায়



পাপ কাজের ফসল হচ্ছে জাহান্নাম,পাপ কাজ থেকে  বাচার জন্য কিছু উপায়…
মানুষের অন্তরটা একটা পাত্রের মতো। আপনি যদি অন্তরটাকে ভালো জিনিস দ্বারা পূর্ণ করেন তাহলে খারাপ জিনিসগুলো ঢুকতে পারবেনা। আবার আপনি যদি আপনার অন্তরটাকে খবিস জিনিস দ্বারা আচ্ছন্ন করে রাখেন, নফস (প্রবৃত্তি) ও শাহওয়াত (লোভ-লালসা/কামনা-বাসনা ইত্যাদি), শয়তানের আনুগত্যকে মেনে নেন, ভালো জিনিসগুলো আপনার অন্তরে প্রবেশ করবেনা।

পাপ কাজ থেকে বাচার জন্য কিছু উপায়



পাপ কাজের ফসল হচ্ছে জাহান্নাম,পাপ কাজ থেকে  বাচার জন্য কিছু উপায়…
মানুষের অন্তরটা একটা পাত্রের মতো। আপনি যদি অন্তরটাকে ভালো জিনিস দ্বারা পূর্ণ করেন তাহলে খারাপ জিনিসগুলো ঢুকতে পারবেনা। আবার আপনি যদি আপনার অন্তরটাকে খবিস জিনিস দ্বারা আচ্ছন্ন করে রাখেন, নফস (প্রবৃত্তি) ও শাহওয়াত (লোভ-লালসা/কামনা-বাসনা ইত্যাদি), শয়তানের আনুগত্যকে মেনে নেন, ভালো জিনিসগুলো আপনার অন্তরে প্রবেশ করবেনা।

‎রফউল_ইয়াদাইন‬




হানাফী ‪#‎মাযহাবের‬ অনুসারীগণ নামাজে রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে ওঠার সময় ‪#‎রফউল_ইয়াদাইন‬ করেনা।
হানাফী আলিম সমাজ আমাদের মত অধম বান্দাদের বলে থাকেন, এটি নাবী মুহাম্মাদ (সাঃ) প্রথম দিকে করেছেন এবং শেষের দিকে বাদ দিয়েছেন অর্থাৎ মানসুখ হয়ে গেছে। আমরা সেই বিশ্বাসেই আজ রফ’উল ইয়াদাইন করি না। যাহা অন্যান্য মাযহাব এবং আমাদের দেশে আহলে হাদীস বা সালাফীগণ করে থাকেন। মসজিদের হুজুরকে জিজ্ঞেসা করলে বলে, দু’ইটাই সুন্নাত। আসুন একটু বিস্তারিত আলোচনা করিঃ
=> প্রথমেই আমাদের ‪#‎হানাফী‬ মাযহাবের শ্রেষ্ঠ ‪#‎আলিমগণের‬ মতামত দিয়ে শুরু করা যাকঃ
১. মোল্লা ‘আলী ক্বারী হানাফী (রহঃ) বলেনঃ সালাতে রুকু’তে যাওয়ার সময় ও রুকু’ থেকে উঠার সময় দু’ হাত না তোলা সম্পর্কে যেসব হাদীস বর্ণিত হয়েছে সেগুলো সবই বাতিল হাদীস। তন্মধ্যে একটিও সহীহ নয়। (মাওযু’আতে কাবীর, পৃ-১১০)

নারী নেতৃত্ব




#জামাতে ইসলামীর #নেতাদের আপোষের নীতিঃ
১৯৯৬ সালের আগে জামাতে ইসলামীর ভাইয়েরা খুব প্রচার করতো, নারী নেতৃত্ব হারাম, প্রধানমন্ত্রী নারী হলে দেশের উপর আল্লাহর গজব নাযিল হবে, সেই দেশের/পার্টির লোকেরা কাপুরুষ, হিজড়া যারা নারীকে ভোট দিয়ে নেত্রী বানায়। এইরকম প্রচারণার টার্গেট ছিলো শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া।
যাইহোক, কিছুদিন পরে দেখলাম তাদের ফতোয়া চেঞ্জ হয়ে গেলো, কারণ তারা সেই ২জনের একজনকে তাদের #হুজুরনী বলে মেনে নিয়েছিলো। যুগের সাথে তাল মেলানোর জন্য হেকমত, হুদাইবিয়ার সন্ধি, ক্ষমতা পাওয়ার জন্য সাময়িক আপোস ইত্যাদি বলে নারী নেতৃত্বকে জায়েজ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা শুরু করলো।
সেইদিন অতীত হয়েছে, বর্তমান কর্মীদের অনেকেই হয়তো অতীত জানেনা, তাই নির্দ্বিধায় এইগুলোর পক্ষে উকালতি করতে তাদের বাধেনা।
কতইনা উত্তম হতো, আমরা সবাই যদি ক্বুরান ও সুন্নাহর আদর্শকে মেনে নিতাম, আজগুবী ভুয়া ফতোয়াকে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে একতাবদ্ধ থাকতাম।
##নারী_নেতৃত্ব অভিশপ্ত ও হারাম
#গণতন্ত্র_শিরক
#ভোট পদ্ধতি #হারাম

Monday, 18 August 2014

কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কতিপয় বিদ’আত


কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কতিপয়

 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আকাশে ঘন কালো মেঘের আড়ালে অনেক সময় সূর্য্যের কিরণ ঢাকা পড়ে যায়। মনে হয় হয়ত আর সূর্য্যের মুখ দেখা যাবে না। কিন্তু সময়ের ব্যাবধানে নিকশ কালো মেঘের বুক চিরে আলো ঝলমল সূর্য্য বের হয়ে আসে। ঠিক তেমনি বর্তমানে আমাদের সমাজের দিকে তাকালে দেখা যাবে বিদ’আতের কালিমা ইসলামের স্বচ্ছ আসমানকে ঘিরে ফেলেছে। যার কারণে কোন কাজটা সুন্নাত আর কোন কাজটা বিদ’আত তা পার্থক্য করাটাই অনেক মানুষের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। যা হোক শত রকমের বিদ’আতের মধ্য থেকে এখানে শুধু কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কয়েকটি প্রসিদ্ধ বিদ’আত তুলে ধরা হল। যদিওএ সম্পর্ক আরও অনেক বিদ’আত আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে। যদি এতে আমাদের সমাজের বিবেকবান মানুষের চেতনার দুয়ারে সামান্য আঘাত হানে তবেই এ প্রচেষ্টা সার্থক হবে।
১) মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা:

মাতৃভাষায় জুমার খুতবা দেয়ার বিধান



রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার খুতবায় আল্লাহর তারীফ করতেন, দরুদ পড়তেন, কুরআন থেকে তেলাওয়াত করতেন এবং কিছু ওয়াজ-নছীহত ও করতেন। নবীদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেন:
وَمَا أَرْسَلْنَا مِن رَّسُولٍ إِلَّا بِلِسَانِ قَوْمِهِ لِيُبَيِّنَ لَهُمْ
“আমি সব নবীকেই তাদের স্বজাতির ভাষাভাষী করেই প্রেরণ করেছি, যাতে তাদেরকে পরিষ্কার বোঝাতে পারে।” (সূরা ইবরাহীম: ৪)
রসুলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাতৃভাষা যেহেতু আরবী ছিল এবং ছাহাবীদেরও ভাষা আরবী ছিল, তাই তিনি আরবীতেই তাদেরকে নছীহত করতেন। এখন যারা নবীজির নায়েব হয়ে জুমার খুতবা দিবেন তাদেরকেও উল্লেখিত আয়াত ও হাদীছ অনুসারে তাদের শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে মাতৃভাষায় খুতবা দেয়াটা শরীয়ত সম্মত এবং যুক্তি সংগত।
• এই কারণেই ইমাম শাফেয়ী (রহ.) বলেন: প্রত্যেক খতীবকে জুমার সময় তাঁর মাতৃভাষায় ওয়াজ করা ওয়াজিব বা অবশ্য কর্তব্য। (তানক্বীহুর রুওয়াত ১/২৬৪)

মুসলমানদের ১৫ টি প্রশংসনীয় চারিত্রিক গুণাবলী



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

লেখক : আদেল বিন আলী আশ-শিদ্দী / আহমদ আল-মাযইয়াদ     
অনুবাদ : সাইফুল্লাহ আহমাদ  | ওয়েব সম্পাদনাঃ মোঃ মাহমুদ -ই- গাফফার
ইসলামী শরীয়ত হচ্ছে একটি পরিপূর্ণ জীবন পদ্ধতি যা সকল দিক থেকে সার্বিকভাবে মুসলমানের ব্যক্তিগত জীবনকে গঠন করার ব্যাপারে অ
ত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে এসব দিকের মধ্যে গুনাবলি শিষ্টাচার ও চরিত্রের দিকটি অন্যতম। ইসলাম এদিকে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে। তাইতো আকীদা ও আখলাকের মাঝে সম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছে, যেমন নবী কারীমসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন,
“মুমিনদের মধ্যে পরিপূর্ণ ঈমানদার হচ্ছে সে ব্যক্তি, যে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী।” [আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিযি ]

সুতরাং উত্তম চরিত্র হচ্ছে ঈমানের প্রমাণবাহী ও প্রতিফলন। চরিত্র ব্যতীত ঈমান প্রতিফলিত হয় না বরং নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁকে প্রেরণের অন্যতম মহান উদ্দেশ্য হচ্ছে চরিত্রের উত্তম দিকসমূহ পরিপূর্ণ করে দেয়া। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন,

মুসলমানদের ১৫ টি প্রশংসনীয় চারিত্রিক গুণাবলী



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

লেখক : আদেল বিন আলী আশ-শিদ্দী / আহমদ আল-মাযইয়াদ     
অনুবাদ : সাইফুল্লাহ আহমাদ  | ওয়েব সম্পাদনাঃ মোঃ মাহমুদ -ই- গাফফার
ইসলামী শরীয়ত হচ্ছে একটি পরিপূর্ণ জীবন পদ্ধতি যা সকল দিক থেকে সার্বিকভাবে মুসলমানের ব্যক্তিগত জীবনকে গঠন করার ব্যাপারে অ
ত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে এসব দিকের মধ্যে গুনাবলি শিষ্টাচার ও চরিত্রের দিকটি অন্যতম। ইসলাম এদিকে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে। তাইতো আকীদা ও আখলাকের মাঝে সম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছে, যেমন নবী কারীমসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন,
“মুমিনদের মধ্যে পরিপূর্ণ ঈমানদার হচ্ছে সে ব্যক্তি, যে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী।” [আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিযি ]

সুতরাং উত্তম চরিত্র হচ্ছে ঈমানের প্রমাণবাহী ও প্রতিফলন। চরিত্র ব্যতীত ঈমান প্রতিফলিত হয় না বরং নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁকে প্রেরণের অন্যতম মহান উদ্দেশ্য হচ্ছে চরিত্রের উত্তম দিকসমূহ পরিপূর্ণ করে দেয়া। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন,

মুসলমানদের ১৫ টি প্রশংসনীয় চারিত্রিক গুণাবলী



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

লেখক : আদেল বিন আলী আশ-শিদ্দী / আহমদ আল-মাযইয়াদ     
অনুবাদ : সাইফুল্লাহ আহমাদ  | ওয়েব সম্পাদনাঃ মোঃ মাহমুদ -ই- গাফফার
ইসলামী শরীয়ত হচ্ছে একটি পরিপূর্ণ জীবন পদ্ধতি যা সকল দিক থেকে সার্বিকভাবে মুসলমানের ব্যক্তিগত জীবনকে গঠন করার ব্যাপারে অ
ত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে এসব দিকের মধ্যে গুনাবলি শিষ্টাচার ও চরিত্রের দিকটি অন্যতম। ইসলাম এদিকে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে। তাইতো আকীদা ও আখলাকের মাঝে সম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছে, যেমন নবী কারীমসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন,
“মুমিনদের মধ্যে পরিপূর্ণ ঈমানদার হচ্ছে সে ব্যক্তি, যে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী।” [আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিযি ]

সুতরাং উত্তম চরিত্র হচ্ছে ঈমানের প্রমাণবাহী ও প্রতিফলন। চরিত্র ব্যতীত ঈমান প্রতিফলিত হয় না বরং নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁকে প্রেরণের অন্যতম মহান উদ্দেশ্য হচ্ছে চরিত্রের উত্তম দিকসমূহ পরিপূর্ণ করে দেয়া। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন,

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...