Monday, 14 September 2020

ডা. জাহাঙ্গীর কবির এর ডায়েট চার্ট : নতুনরা যেভাবে শুরু করবেন

 

মূল- ডা. জাহাঙ্গীর কবির
শ্রুতিলিখন- আবুল কালাম আজাদ
————————————–
“বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর” কথাটি অনেকের কাছে গ্রহণ যোগ্যতা না পেলেও যখন বিশ্বাসটি বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত এবং অনেক মানুষ কর্তৃক পরীক্ষিত। তখন কিন্তু আর বিশ্বাসটি অবিশ্বাসের জায়গায় বসে থাকে না, বা তার গ্রহণ যোগ্যতা নিয়েও কোন প্রশ্ন তোলার অবকাশ থাকে না।
কথা বলছিলাম ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির স্যারের দেওয়া ডায়েট প্রসঙ্গ নিয়ে। আপনারা হয়তো নানা জনের মুখ থেকে বা স্যারের ভিডিওগুলো দেখে বুঝতে পারছেন ডায়াবেটিস রোগী, ওষুধবিহীন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখছেন এবং মোটা বা স্থূল মানুষগুলো খুব অল্প দিনেই শরীরের স্থূলতা কমিয়ে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে উঠেছেন, কিন্তু আপনারা অনেকেই ডায়েটে যেতে বা শুরু করতে ভয় পাচ্ছেন, তার একটাই কারণ- আপনাদের মস্তিষ্কের একটি বদ্ধমূল ধারণা, আর সেটা হলো, জন্মের দুই তিন বছর পর থেকেই যেখানে আমাদের খাদ্যাভ্যাস গড়ে উঠেছে ভাত, রুটি, মাছ, মাংসের উপর সেখানে ভাত রুটিবিহীন জীবন যাপন যেন পাগলের প্রলাপ। কিন্তু এই বদ্ধমূল ধারণা বা ঐতিহ্য, স্যারের পরামর্শে কিছু মানুষ যখন কাঁচের টুকরোর মতো ভেঙে টুকরো টুকরো করে দেয় তখন হয়তো আপনাদের মনে বিশ্বাস প্রতিস্থাপন হয়। আর তাদের জন্যই আমার এই লেখা।
প্রতিজ্ঞা, ধৈর্য, এবং সহনশীলতা, এই তিনটা জিনিস আপনাকে ডায়েট শুরু করার আগে নিজের অনুকূলে আনতে হবে।
প্রতিজ্ঞা হলো সেই বিষয়টা, আপনার এমন একটা মনোভাব থাকতে হবে, আমাকে পারতেই হবে। দশজনে যেটা পারছে সেটা আমি কেন পারবো না?
প্রতিটি বিষয়ে কিছু ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। হুট করেই আপনার এক দিনে দশ কেজি ওজন কমে যাবে না বা এক দিনেই দশ বছরের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসবে না। এর জন্য আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে, অনুশীলন করতে হবে এবং নিম্নলিখিত বিষয়গুলো মানতে হবে।
আর সহনশীলতা হলো সেটাই। আপনার পরিবার, পরিজন, বন্ধু বান্ধব বা সমাজের মানুষ গুলোর কাছ থেকে প্রাথমিক ভাবে তিরস্কার বা অনীহা আসবে আর সেটা হাসি মুখে গ্রাহ্য করাটাই সহনশীলতা। অনেক জনে অনেক কথা বলবে সেগুলোকে এড়িয়ে চলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু আপনি যখন সফল হবেন তখন আপনিই হবেন তাদের কাছে আইডল। সবাই তখন আপনার কাছে পরামর্শের জন্য লাইন ধরবে।
তো কথা না বাড়িয়ে কিভাবে ডায়েট শুরু করবেন তা বিস্তারিত বর্ণনা করা যাক। আশা করি বিষয় গুলো মনোযোগ দিয়ে পড়বেন এবং মানার চেষ্টা করবেন। যা কিছু উল্লেখ করছি তা সম্পূর্ণটাই ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির স্যারের বিভিন্ন ভিডিও এবং রোগীদের সাক্ষাৎকার থেকে নেওয়া।
আপাতত মোটেও খাওয়া যাবে না-
- চালের তৈরি সব কিছু ( ভাত, চাউলের রুটি, চাল দিয়ে বানানো দ্রব্যাদি)
- গমের তৈরি সব কিছু (রুটি, পাউরুটি, বিস্কুট যে কোন প্রকার, গম দিয়ে বানানো অন্যান্য দ্রব্যাদি)
- কোন প্রকার ডাল খাওয়া যাবে না।
- আলু, মিষ্টি আলু, গাছ আলু বা আলু সাদৃশ্য অন্যান্য আলু, যা শর্করা জাতীয় সবজি যেমন: মূলা।
- চিনি এবং চিনি দিয়ে বানানো দ্রব্যাদি পৃথিবীতে যা কিছু আছে।
- দই, টক দই, দুধ এবং সরাসরি দুধ দিয়ে বানানো দ্রব্যাদি।
- মধু এবং মিষ্টি ফলমূল খাওয়া যাবে না। (কেন খাওয়া যাবে না সেটা পরে ব্যাখ্যা করছি।
- সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, রাইস ব্রান ওয়েল, ক্যানোলা ওয়েল এবং সাধারণ কোন তেলে রান্না করা কিছু খাওয়া যাবে না।
- ফার্মের মুরগি, যে মুরগীগুলোকে ট্যানারির বর্জ্য থেকে উৎপাদিত খাদ্য ও সয়া খাওয়ানো হয়। গরুর মাংস, যে গরু বা ষাঁড়গুলোকে ইনজেকশনের মাধ্যমে মোটা তাজা করা হয়। একই ব্যাপার খাসির ক্ষেত্রেও ।
যা খাওয়া যাবে বা খেতে বাঁধা নেই-
- সবুজ শাক-সবজি (গাজর, কচি সবুজ মিষ্টি কুমড়া খেলে অল্প পরিমাণ )
- টক জাতীয় ফল। যেমন- জলপাই, আমলকী, কচি ডাবের পানি।
- মাছ, যে কোন প্রকার খেতে পারবেন, তবে তৈলাক্ত দেশীয় মাছের ভেতর পাঙ্গাশ, - বোয়াল, ইলিশ, সরপুঁটি, ব্রীগেড, গ্রাসকার্প, বাইম (তৈলাক্ত বা সাগরের মাছ হলে আরো ভালো)।
- গরু এবং খাসির মাংস খাওয়া যাবে তবে যে গরু বা খাসিগুলো ইনজেকশন মুক্ত এবং ঘাস, লতা পাতা বা খড়কুটো খেয়ে লালিত পালিত তবে বেশি পরিমাণে খাওয়া যাবে না।
- এ ছাড়া গরু বা খাসির পায়া খাওয়া যাবে, যেটা খাওয়া এই সময়ে খুবই উপকারী। তবে এটাও অল্প পরিমাণে খেতে হবে।
মুরগির ডিম (ফার্ম হলে সমস্যা নেই তবে ওমেগা ৩ বা দেশী মুরগী বা হাস হলে বেশি ভালো)। মাছের ডিমও খেতে চেষ্টা করবেন যথা সম্ভব।
- ঘি, অর্গানিক বাটার, এক্সট্রা ভার্জিন ওলিভয়েল, MCT ওয়েল, অর্গানিক Extra virgin cold pressed কোকোনাট ওয়েল। এগুলো সব ভাল শপে পাওয়া যায়। তবে নিজে তৈরী করাটাই শ্রেয়।
- যে কোন প্রকার বাদাম। চিনাবাদাম, কাজুবাদাম, পেস্তা বাদাম বা অন্যান্য বাদাম যা আছে। চাইলে বাদাম ব্লেন্ড করে সাথে উপরে উল্লেখিত নারকেল তেল দিয়ে বানাতে পারেন। পিনাট বাটার যেটা খেতে তুলনাহীন তবে খাবেন অল্প।
- রং চা বা কফি দুধ চিনি ছাড়া। সবুজ চায়ের সাথে লেবু, আদা, সামান্য লবণ মেশাতে পারেন। কফির সাথে, MCT ওয়েল, মাখন বা ঘি এবং অর্গানিক কোকোনাট অয়েল মিশিয়ে বাটার কফি বানিয়ে খেতে পারেন, এতে ভালো কাজ হবে।
কিভাবে ডায়েট শুরু করবেন
সকালের নাস্তা
———————-
যাদের সকালে খাওয়ার অভ্যাস তারা আটটা বা সাড়ে আটটার দিকে দুধ চিনি ছাড়া এক কাপ চা, আদা, লেবু, সামান্য লবণ দেওয়া যেতে পারে। কুসুম গরম পানির সাথে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার বা কোকোনাট ভিনেগার খেতে পারেন এবং কুসুম গরম পানির সাথে লেবু চিপে খেতে পারেন। এছাড়া যাদের দেরিতে নাস্তা খাওয়ার অভ্যাস, তারা এগারোটার দিকে নাস্তা করবেন এবং দুপুরের খাবার আড়াইটা তিনটায় খাবেন। আর সকাল আটটায় নাস্তা খেলে দেড়টার ভেতর দুপুরের খাবার খেতে হবে।
দুপুরের খাবার
———————
দুপুরের খাওয়ার আগে অবশ্যই অ্যাপেল সিডার ভিনেগার এক চামচ এক গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে খাবেন। এতে আপনার গ্যাসের সমস্যা হবে না এবং চর্বি কাটতে সাহায্য করবে। শাক, সবজি অবশ্যই এক্সট্রা ভার্জিন অলিভয়েল দিয়ে রান্না করবেন এবং মাছ ভাজলে (ডীপ ফ্রাই থেকে বিরত থাকবেন এতে খাদ্যগুণ নষ্ট হয়) বা রান্না করলে এই তেল দিয়েই করবেন। সবজি যতটুকু সম্ভব কম সেদ্ধ করবেন। যেন সবজির গুণগত মান ঠিক থাকে। ডিম কুসুমসহ ঘি বা মাখন দিয়ে ভেজে খাবেন। এক দিনে সর্বোচ্চ ছয়টা ডিম কুসুমসহ খেতে পারবেন কোন সমস্যা নেই। কারণ, ডিম প্রোটিন এবং ভালো ফ্যাটের উৎস। তবে একবার ফ্যাট অ্যাডাপটেশন হয়ে গেলে চাইলেও এত খেতে পারবেন না। দেশি মুরগি খেতে পারেন, এক দুই টুকরো অথবা উল্লিখিত গরুর মাংস। মাছ খেলে গোস্ত খাবেন না। গোস্ত খেলে মাছ খাবেন না। এছাড়া প্রবাসীরা ফার্মের মুরগি এক টুকরো করে খেতে পারেন, কারণ আমার জানা মতে সেখানে ফার্মের মুরগিকে আদর্শ খাবার খাওয়ানো হয় (যদিও মুরগী ব্যায়াম করে না যেটা দেশী মুরগী করে )। দুম্বা, উট, ভেড়ার, মাংস খেলে এক টুকরোর বেশি নয়। দুপুরের মেন্যুতে , শাক, সবজি মাছ অথবা মাংস , ঘি এ ভাজা ডিম, ঘি’য়ে ভাজা বাদাম সাথে বাটার রাখতে পারেন এবং অবশ্যই শসা বা শসার সালাদ রাখবেন টমেটো গাজরও।
বিকেলে ক্ষুধা লাগলে উপরে উল্লেখিত চা, বাটার কফি এবং বাদাম খাবেন যে কোন প্রকার মাখন বা ঘি দিয়ে ভাজা বা মেশানো।
রাতের খাবার
——————–
রাতের খাবারের পূর্বেও ভিনেগার মিশ্রিত এক গ্লাস পানি খেয়ে নেবেন এবং রাতের খাবার দুপুরের অনুরূপ খাবেন। আইটেম দুই একটা কম বেশি হোক কোন সমস্যা নেই। রাত আটটার আগেই সমস্ত খাবার শেষ করুন। এরপর আর পানি ছাড়া কিছুই খাবেন না।
প্রয়োজনীয় উল্লেখযোগ্য বিষয়
———————————————–
উপরে উল্লিখিত খাবারের বাইরে ডায়েট অবস্থায় আর অন্য কোন কিছুই খাবেন না।
মধু ও মিষ্টি ফল কেন খাওয়া যাবে না?
মধু এবং মিষ্টি ফলে আছে চিনি যা শর্করা হিসাবে আমাদের শরীর গ্রহণ করে। আপনি যখন ডায়েট শুরু করবেন, তখন শর্করা জাতীয় খাদ্য না খাওয়ায় শরীরে শর্করার ঘাটতি দেখা দেবে, তখন শরীর গ্লাইকোজেন পোড়াবে। এরপর গ্লাইকোজেন শেষ হয়ে গেলে কিন্তু আমাদের শরীর তার নিজস্ব প্রক্রিয়ায় শরীরে জমে থাকা চর্বি গলিয়ে সেখান থেকে শক্তি গ্রহণ করবে। কই’য়ের তেল দিয়ে কই ভাজার মতো। একেই বলে ফ্যাট অ্যাডাপটেশন। এখন যদি আপনি মধু, মিষ্টি ফল, চিনি জাতীয় শর্করা খাবার খান তবে আপনার শরীর ফ্যাট বার্নিং না করে এখান থেকেই তার প্রয়োজনীয় শক্তি গ্রহণ করবে। যার ফলশ্রুতিতে আপনার ফ্যাট বার্নিংও হবে না এবং আপনার স্বাস্থ্য এবং ডায়াবেটিসও কন্ট্রোলে থাকবে না। এ কারণেই ডায়েট অবস্থায় সমস্ত প্রকার শর্করা, মধু , মিষ্টি ফল ও চিনি খেতে নিষেধ করা হয়। একটা মিষ্টি খাবেন, দুই তিনটা মিষ্টি ফল খাবেন, এক চামচ চিনি বা মধু খাবেন, এক বেলা ভাত বা রুটি খাবেন, আপনার শরীর ৪৮ ঘণ্টার জন্য ফ্যাট বার্নিং বন্ধ করে দেবে!
যে বিষয় গুলো মানতে হবে এবং করতে হবে
রাত দশটা, এগারোটার ভেতর আপনাকে ঘুমিয়ে যেতে হবে। কারণ রাত দশটা থেকে দুইটার ভেতর আমাদের শরীরে গ্রোথ হরমোন নিঃসরণ হয় এবং এই গ্রোথ হরমোনগুলো ফ্যাট বার্নিং এ প্রচুর সহায়তা করে। আপনি যদি এই প্রাকৃতিক বিষয়টি অগ্রাহ্য করেন তবে আপনার ডায়েট অসম্পূর্ণ থেকে যাবে এবং ভাল ফল পেতে ব্যর্থ হবেন। তারপর খুব সকালে উঠবেন, নামাজ পড়ে (মুসলমানেরা) হাঁটতে বের হবেন। হাঁটার গতি নির্ভর করবে আপনার বয়স অনুসারে। বয়স যদি চল্লিশের ঊর্ধ্বে হয়, স্বাভাবিক গতিতে হাঁটুন ৪০/৬০ মিনিট। বয়স যদি চল্লিশের নিচে হয় তবে জগিং করুন নয়তো জোরে জোরে হাঁটুন ৪০/৬০ মিনিট। তবে খেয়াল রাখবেন হাঁটতে হাঁটতে যেন হাঁপিয়ে না যান বা শ্বাসকষ্ট না হয়। যতটুকু হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন শরীরের সাথে মানিয়ে করুন। দ্রুত মেদ ভুরি কমানোর জন্য ইয়োগা করতে পারেন ( ইয়োগো করার পদ্ধতি YouTube এ দেখে নিন)
উপরোল্লিখিত পদ্ধতিতে সাত থেকে আট দিন নিয়ম করে চলুন। এই সময়টায় আপনার শরীর ফ্যাট বার্নিং বা চর্বি গলাতে শিখে যাবে। তারপর শুরু করুন শুধু সাহরিতে পানি খেয়ে রোজা রাখা, স্বাভাবিক রোজার মতো দিনে পানি এবং সমস্ত কিছু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ইফতার করবেন বাদাম সাথে মাখন এবং শসা দিয়ে সাথে টক ফল রাখতে পারেন। ভিনেগার মিশ্রিত পানি খেয়ে রাতের খাবার উপরে উল্লিখিত অনুরূপ খাবেন এবং অবশ্যই আটটার আগে সমস্ত খাবার শেষ করুন। বেশী ভালো ফল পেতে ইফতারের এক ঘণ্টার ভেতর খাবার শেষ করুন এরপর পানি খেতে থাকুন।
রোজা রাখা শুরু করলে বসা থেকে দাঁড়ালে মাথা সামান্য ঘুরতে পারে, সেক্ষেত্রে সামান্য লবণ মিশ্রিত পানি খাবেন প্রতিদিন এছাড়া এর জন্য ডাবের পানি খেতে পারেন প্রতিদিন একটি কচি ডাব খাওয়া খুবই জরুরী। একটানা যতগুলো ফাস্টিং (রোজা) করতে পারবেন আপনি তত দ্রুত ফল পেতে থাকবেন। (তবে ৭ দিন পর দুইদিন রোজা রাখবেন না ঐ দুইদিনও চেষ্টা করবেন চার ঘণ্টার ভেতর খাবার খেয়ে শেষ করতে ) রোজা রাখলে আপনার শরীরে অটোফেজি শুরু হবে। অটোফেজি হলো, এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে শরীর তার খারাপ কোষকে খেয়ে ফেলে এবং সেখান থেকে নতুন কোষের সৃষ্টি করে। বসন্তের নতুন পাতা গজানোর মত; এতে দেখা যাবে আপনি নতুন করে জন্মগ্রহণ করছেন এবং আপনি আপনার হারানো তারুণ্য ফিরে পাচ্ছেন।
কিছুদিনের ভেতর খেয়াল করবেন আপনার ক্ষুধা কমে গেছে । যারা বারবার খেতেন বা খেতে বাধ্য হতেন তাদেরও খেতে ইচ্ছে হচ্ছে না এর কারণ হলো আপনার শরীরে যে প্রচুর জমাকৃত চর্বি, সেখান থেকেই দেহ তার সমস্ত চাহিদা পূরণ করে নিচ্ছে তাই আর বাড়তি খাবারের প্রয়োজন অনুভব হচ্ছে না। সেটা এক অন্যরকম অনুভূতি। আপনি না খেয়েও বেশ শক্তিশালী হচ্ছেন আগে যেখানে খাবার খেয়েও দুর্বল হতেন ।এই অনুভূতি বলে বোঝানোর মত না।
আর যদি এক টানা রোজা না রাখতে পারেন তবে সপ্তাহে অন্তত দুইটা করে রোজা রাখুন এবং নিয়মিত হাঁটুন এবং ব্যায়াম করুন। আশা করা যায় দেড় দুই মাসের ভেতরেই আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে গেছেন। তবে অন্যদিনগুলোতে দুইবেলা খাবেন চার ঘণ্টার ব্যবধানে বাকী সময় ওয়াটার ফাস্টিং করবেন অর্থাৎ গ্রিন টি, ভিনেগার, লেবু, সবুজ চা এগুলো খেয়ে খেয়ে বিশ ঘণ্টা।
এছাড়া যারা ডায়াবেটিস এর রোগী আছেন তারা উল্লেখিত নিয়মাবলী ফলো করে তাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। তবে ডায়েট শুরু করার আগে ডায়াবেটিস এর সমস্ত ওষুধ এবং ইনসুলিন বন্ধ করে দিতে হবে। তাদের ক্ষেত্রে টানা রোজা না রাখলেও চলবে। ডায়াবেটিস এর খুব বেশি জটিল রোগী হলে স্যারের পরামর্শ নিয়ে তারপর শুরু করুন। যাই করবেন বুঝে শুনে নিয়মিত ডায়াবেটিস এবং প্রেশার মাপা খুবই জরুরী এবং কোন খাবার শর্করা সেটা জানাও জরুরী ।
আরও যা কিছু করা প্রয়োজন:
যতটুকু সম্ভব টেনশন ফ্রী থাকার চেষ্টা করবেন। হাসি খুশি থাকবেন। প্রতিদিন হাঁটার সময় বা পরে সকালের স্নিগ্ধ রোদ গায়ে লাগানোর চেষ্টা করবেন কারণ রোদে থাকা ভিটামিন ডি আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। রাত আটটার ভেতর সমস্ত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন এতে করে আপনার ঘুমের কোয়ালিটি ভালো হবে।
সমস্ত বিষয়টি একটি প্যাকেজ প্রোগ্রাম। আপনি যতটুকু মেনে চলবেন ঠিক ততটুকু ফল পাবেন। মুসলমান হলে নিয়মিত নামাজ পড়বেন। বেশী বেশী নফল নামাজ পড়বেন, এতে আপনার ফরজ আদায় হওয়ার পরেও শারীরিক কিছু ব্যায়াম হবে যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আর সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখুন এবং ভরসা রাখুন। অবশ্যই আপনি সফলকাম হবেন। যেমনটি আলহামদুলিল্লাহ আমার মতো অনেকেই হয়েছেন।
উৎস: মাসিক আদর্শ নারী

Sunday, 23 August 2020

কিয়ামতের দিন শাফায়াত লাভের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ আমল:

 

▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
হাদিসের আলোকে কিয়ামতের দিন শাফায়াত লাভের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ আমল তুলে ধরা হল:
◈ ১) একনিষ্ঠ ভাবে আল্লাহর ইবাদত করা ও তাওহিদ বাস্তবায়ন করা:
আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
« أَسْعَدُ النَّاسِ بِشَفَاعَتِى يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ، خَالِصًا مِنْ قَلْبِهِ أَوْ نَفْسِهِ »
”কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত লাভে সেই ব্যক্তি সৌভাগ্য মণ্ডিত হবে, যে আন্তরিকভাবে বলবে: `লাইলাহা ইল্লাল্লাহ' তথা আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই।"(সহীহ বুখারী, অনুচ্ছেদ,হাদীসের প্রতি আগ্রহ,হাদীস নং ৯৯,শামেলা)
◈ ২) কুরআন পাঠ করা:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
اقْرَءُوا الْقُرْآنَ فَإِنَّهُ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَفِيعًا لِأَصْحَابِهِ
"তোমরা কুরআন পাঠ কর। কেননা,কুরআন কিয়ামতের দিন তার পাঠকদের জন্য সুপারিশ কারী হবে।" (সহীহ মুসলিম)
◈ ৩) রোযা রাখা:
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রা. হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই হওয়া সাল্লাম বলেছেন:
« الصِّيَامُ وَالْقُرْآنُ يَشْفَعَانِ لِلْعَبْدِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَقُولُ الصِّيَامُ أَىْ رَبِّ مَنَعْتُهُ الطَّعَامَ وَالشَّهَوَاتِ بِالنَّهَارِ فَشَفِّعْنِى فِيهِ. وَيَقُولُ الْقُرْآنُ مَنَعْتُهُ النَّوْمَ بِاللَّيْلِ فَشَفِّعْنِى فِيهِ. قَالَ فَيُشَفَّعَانِ
”রোযা এবং কুরআন কিয়ামতের দিন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোযা বলবে, হে প্রভু, আমি তাকে দিনের বেলায় খাদ্য ও প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণে বাধা দিয়েছিলাম। অত:এব আপনি তার ব্যাপারে আমার শাফায়ত কবুল করুন। আর কুরআন বলবে, আমি তাকে রাতের বেলায় ঘুম থেকে বাধা দিয়েছিলাম। অতএব,তার ব্যাপারে আমার শাফায়ত কবুল করুন। অত:পর তাদের শাফায়াত কবুল করা হবে।” (মুসনাদ আহমদ, মুসনাদ আব্দুল্লাহ ইবনে আমর হাদীস নং ৬৭৮৫, শামেলা, সনদ সহীহ)
◈ ৪) আযানের দুয়া পাঠ করা:
আলী ইবনু আইয়াশ (রহঃ) জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রা:) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আজান শোনার পর এ দোয়া পড়বে:
«اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلاَةِ الْقَائِمَةِ،آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ ، وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِى وَعَدْتَهُ، حَلَّتْ لَهُ شَفَاعَتِى يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
"হে আল্লাহ,এ পরিপূর্ণ আহবান এবং প্রতিষ্ঠিত সালাত এর প্রতিপালক, মুহাম্মদ কে ওসিলা ও শ্রেষ্ঠত্ব দান কর। প্রতিষ্ঠিত কর তাকে মাকামে মাহমুদে, যার ওয়াদা তাঁকে তুমি দিয়েছ।"
কিয়ামতের দিন তার জন্য আমার শাফায়াত অনিবার্য হয়ে যাবে।
এ হাদিসটি হামযা ইবনু আবদুল্লাহ তার পিতা থেকে,তিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন) (সহীহ বুখারি (ইফা),অধ্যায়: ৫২/ তাফসীর, হাদীস নাম্বার: 4360)
◈ ৫) মদীনা মুনাওয়ারার কষ্টে ধৈর্য ধারণ করা ও সেখানে মৃত্যু বরণ করা:
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,
عَنْ أَبِى سَعِيدٍ مَوْلَى الْمَهْرِىِّ أَنَّهُ جَاءَ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِىَّ لَيَالِىَ الْحَرَّةِ فَاسْتَشَارَهُ فِى الْجَلاَءِ مِنَ الْمَدِينَةِ وَشَكَا إِلَيْهِ أَسْعَارَهَا وَكَثْرَةَ عِيَالِهِ وَأَخْبَرَهُ أَنْ لاَ صَبْرَ لَهُ عَلَى جَهْدِ الْمَدِينَةِ وَلأْوَائِهَا. فَقَالَ لَهُ وَيْحَكَ لاَ آمُرُكَ بِذَلِكَ إِنِّى سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يَقُولُ « لاَ يَصْبِرُ أَحَدٌ عَلَى لأْوَائِهَا فَيَمُوتَ إِلاَّ كُنْتُ لَهُ شَفِيعًا أَوْ شَهِيدًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِذَا كَانَ مُسْلِمًا ».
ঐতিহাসিক হাররার ঘটনার সময় আবু সাঈদ মাওলা আল মাহরী আবু সাঈদ খুদরীর রা. এর নিকট এসে মদীনা থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার জন্য পরামর্শ চাইলেন। তিনি অভিযোগ করলেন, মদীনার আসবাব-পত্র ও পণ্যের দাম বেশি এবং তার সন্তান-সন্ততির সংখ্যাও প্রচুর। এও বললেন, মদীনার এই দু:খ ও কষ্টে ধৈর্য ধারণ করার ক্ষমতা তার নেই। আবু সাঈদ খুদরী তাকে বললেন,আফসোস! তোমাকে এ পরামর্শ দিতে পারি না। কারণ, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি:
"যে ব্যক্তি মদীনার দু:খ-কষ্টে ধৈর্য ধারণ করে এবং সেখানেই মৃত্যু বরণ করে কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য শুপারিশকারী বা সাক্ষী হব যদি সে মুসলিম হয়।"
(সহীহ মুসলিম,অনুচ্ছেদ: মদীনায় বসবাস করা ও সেখানকার দু:খ কষ্টে ধৈর্য ধারণ করার ব্যাপারে উৎসাহ দান,হাদীস নং ৩৪০৫,শামেলা)
◈ ৬) অধিক পরিমাণে সেজদা দেয়া তথা নফল সালাত আদায় করা:
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,
كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِمَّا يَقُولُ لِلْخَادِمِ : أَلَكَ حَاجَةٌ ؟ قَالَ : حَتَّى كَانَ ذَاتَ يَوْمٍ فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللهِ ، حَاجَتِي قَالَ : وَمَا حَاجَتُكَ ؟ قَالَ : حَاجَتِي أَنْ تَشْفَعَ لِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ ، قَالَ : وَمَنْ دَلَّكَ عَلَى هَذَا ؟ قَالَ : رَبِّي قَالَ : إِمَّا لاَ ، فَأَعِنِّي بِكَثْرَةِ السُّجُودِ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার খাদেমকে লক্ষ্য করে যে সব কথা বলতেন সেগুলোর মধ্যে একটি কথা হল, “তোমার কি কোন দরকার আছে?”
একদিন তিনি তার খাদেমকে এ কথাটি বললে-
খাদেম: হে আল্লাহর রাসূল,আমার একটি জিনিস দরকার।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: "তোমার কী জিনিস দরকার?"
খাদেম: আপনি কিয়ামতের দিন আমার জন্য সুপারিশ করবেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: "কে তোমাকে এ বিষয়টির সন্ধান দিলো?"
খাদেম: আমার প্রতিপালক।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: "এটাই যদি তোমার চাওয়া হয় তবে অধিক পরিমাণ সেজদা করা তথা বেশি বেশি নফল সালাত আদায়ের মাধ্যমে আমাকে (এ ব্যাপারে) সাহায্য করো।" (মুসনাদ আহমদ,হাদীস নং ১৬৫০২,শামেলা)
এ প্রসঙ্গে আরেকটি হাদীস:
عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ كَعْبٍ الْأَسْلَمِيِّ -رضي الله عنه- قَالَ: كُنْتُ أَبِيتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ -صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- فَأَتَيْتُهُ بِوَضُوئِهِ وَحَاجَتِهِ فَقَالَ لِي: (سَلْ) فَقُلْتُ: أَسْأَلُكَ مُرَافَقَتَكَ فِي الْجَنَّةِ، قَالَ: (أَوْ غَيْرَ ذَلِكَ؟) قُلْتُ: هُوَ ذَاكَ، قَالَ: (فَأَعِنِّي عَلَى نَفْسِكَ بِكَثْرَةِ السُّجُودِ)
রাবীয়া বিন কা'ব আসলামী রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের (খেদমতের উদ্দেশ্যে) তাঁর সাথেই রাতে থাকতাম। (একদিন) আমি তার জন্য ওযুর পানি ও তার প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস নিয়ে তার নিকট হাজির হলে তিনি আমাকে লক্ষ্য করে বললেন: চাও।
আমি: আমি জান্নাতে আপনার সাথে থাকতে চাই।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: এটা ছাড়া অন্য কিছু?
আমি: এটাই।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: "তোমার এ বিষয়ে আমাকে সাহায্য করো অধিক পরিমাণে সেজদা করার মাধ্যমে অর্থাৎ বেশি বেশি নফল সালাত আদায় করার মাধ্যমে।
(সহীহ মুসলিম, অনুচ্ছেদ: সেজদা করার মর্যাদা ও তাতে উদ্বুদ্ধ করণ, হাদীস নং ১১২২)
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে কিয়ামতের দিন প্রিয় নবীর শাফাআত লাভে ধন্য করুন। আমিন।
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব

প্রশ্ন: আশুরা তথা মুহররমের ১০ তারিখে রোযা রাখার ফযিলত কি? এ দিন ভালো খাবারের আয়োজন করলে সারা বছর ভালো খাওয়া যায়-এ কথা কি ঠিক?


▬▬▬◄❖►▬▬▬
উত্তর:
◈◈ আশুরার রোযা রাখার ফযিলত:
বিশুদ্ধ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আশুরা তথা মুহররম মাসের ১০ তারিখে রোযা রাখলে আশা করা যায়, আল্লাহ তাআলা পেছনের এক বছরের গুনাহ মোচন করে দিবেন। যেমন হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
আবু কাতাদা রা. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করে বলেন:
ثَلاثٌ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَرَمَضَانُ إِلَى رَمَضَانَ فَهَذَا صِيَامُ الدَّهْرِ كُلِّهِ صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِي بَعْدَهُ وَصِيَامُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ
“প্রতি মাসে তিন দিন এবং এক রমাযান থেকে আরেক রমাযান পর্যন্ত রোযা রাখলে সারা বছর রোযা রাখার সাওয়াব অর্জিত হয়। আরাফার দিন রোযা রাখলে আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর বিনিময়ে পেছনের এক বছরের এবং সামনেরে এক বছরের (মোট দু বছরের) গুনাহ মোচন করবেন। আর আশুরার দিন (মুহররম মাসের ১০ তারিখে) রোযা রাখলে আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর বিনিময়ে পেছনের এক বছরের গুনাহ মোচন করবেন।” (সহীহ মুসলিম হা/১১৬২)
➤ উল্লেখ্য যে, ৯ ও ১০- দু দিন রোযা রাখা অধিক উত্তম। তবে কোনো কারণে ৯ তারিখে রোযা রাখা সম্ভব না হলে ১০ ও ১১ তারিখে রাখা জায়েজ।
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহঃ বলেন: ”মাসের শুরু চিনতে অসুবিধা হলে (৯, ১০ ও ১১ এ) তিন দিন রোযা রাখবে। যেন ৯ ও ১০ তারিখে রোযা নিশ্চিতভাবে সম্পন্ন করা যায়। (মুগনী ৩/১৭৪)
◈◈ আশুরার দিন ভালো খাবারের আয়োজন করা:
‘আশুরার দিন ভালো খাবার খেলে বা মানুষকে খাওয়ালে সারা বছর ভালো খাওয়া যাবে’ এটি একটি বাতিল ও কুসংস্কার পূর্ণ কথা। আল্লাহর দুশমন শিয়া রাফেযী সম্প্রদায়ের পক্ষ এ সব কথা আবিষ্কার করে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে আর দ্বীনের বিশুদ্ধ জ্ঞান বঞ্চিত অজ্ঞ-মূর্খ মানুষেরা এ সব কথায় বিশ্বাস করে। জাহেল বিদআতিরা শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত (কথিত শবে বরাত) সম্পর্কেও এ ধরণের কথাবার্তা বলে থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এ সব কথা ভিত্তিহীন ও বাতিল।
মোটকথা, ‘এক দিন ভালো খাবার খেলে সারা বছর ভালো খাবার খাওয়া যাবে’- এই জাতীয় কথা ইসলাম আদৌ সমর্থন করে না-উপলক্ষ যাই হোক না কেন।
উল্লেখ্য যে, আশুরার দিন নিজের জন্য বা পরিবারের জন্য খোলা হাতে খরচ করা বা ভালো খাবার-দাবারের আয়োজন করার ব্যাপারে কিছু হাদিস পাওয়া যায় কিন্তু সেগুলো একটিও সহিহ নয় বরং সবগুলো জঈফ বা দুর্বল।
------------------------
🌀 শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায রহঃ কে প্রশ্ন করা হল:
প্রশ্ন: শিয়ারা আশুরার দিন যে খাবার রান্না করে তা কি খাওয়া জায়েজ হবে? উল্লেখ্য যে, তারা বলে, এই খাবারটা আল্লাহর উদ্দেশ্যে কিন্তু খাবারের সওয়াব হুসাইন রা. এর উদ্দেশ্য।
আরেকটি কথা হল, আমি যদি তাদের খাবারটা গ্রহণ না করি, তাহলে এতে আমার সমস্যা বা বিপদ হতে পারে। কারণ আমি ইরাকে আছি। আর আপনারা জানেন, তারা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ এর সাথে কেমন আচরণ করে।
◈ উত্তরে তিনি বলেন:
"هذا منكر شنيع وبدعة منكرة ، يجب تركه ولا تجوز المشاركة فيه ، ولا يجوز الأكل مما يقدم فيه من الطعام ".
وقال : " ولا تجوز المشاركة فيه , ولا الأكل من هذه الذبائح ، ولا الشرب من هذه المشروبات ، وإن كان الذابح ذبحها لغير الله من أهل البيت أو غيرهم فذلك شرك أكبر ؛ لقول الله سبحانه : ( قُلْ إِنَّ صَلاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ - لا شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ) الأنعام/162-163،
وقوله سبحانه : ( إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ ) الكوثر /1-2 "
انتهى من "فتاوى الشيخ عبد العزيز ابن باز" (8/320)
“এটি একটি মারাত্মক অন্যায় ও জঘন্য বিদআত। এটি বর্জন করা ওয়াজিব (অবশ্য কর্তব্য)। এতে অংশ গ্রহণ করা জায়েজ নাই এবং এ দিন যে খাবার পরিবেশন করা হয় তা খাওয়া জায়েজ নাই।
তিনি আরও বলেন:
“এতে অংশ গ্রহণ করা জায়েজ নাই। তাদের এ এসব জবেহ কৃত প্রাণীর গোস্ত খাওয়া বা পানীয় পান করা জায়েজ নাই। আর যদি পশুগুলো জবেহ করে গাইরুল্লাহ তথা আহলে বাইত বা অন্য কারো উদ্দেশ্যে তাহলে এটি শিরকে আকবর (বড় শিরক)। আল্লাহ তাআলা বলেন:
قُلْ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّـهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ - لَا شَرِيكَ لَهُ ۖ وَبِذَٰلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ
“আপনি বলুন: আমার সালাত, আমার কুরবানি এবং আমার জীবন ও মরণ বিশ্ব-প্রতিপালক আল্লাহরই জন্যে। তাঁর কোন অংশীদার নেই। আমি তাই আদিষ্ট হয়েছি এবং আমি প্রথম আনুগত্য শীল।” (সূরা আনআম: ১৬২)
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন:
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ
“অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কুরবানি করুন।” (সূরা কাওসার: ২) [ফাতাওয়া শাইখ বিন বায ৮/৩২০]
আল্লাহু আলাম।
▬▬▬◄❖►▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
জুবাইল, সৌদি আরব

হুসাইন রা. এর শাহাদাত এবং আশুরার শোক পালন প্রসঙ্গে এক ঝলক


▃▃▃▃▃▃▃▃▃▃
▐ ▌ মুহাররম মাসের দশ তারিখ আশুরার দিন হিসেবে পরিচিত। ৬১ হিজরির ১০ মুহররম তারিখে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন হুসাইন রা. কে শাহাদাতের মর্যাদায় ভূষিত করেছিলেন। এই শাহাদাতের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা তার মর্যাদা অনেক উন্নীত করেছেন। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাসান ও হুসাইন রা. এর ব্যাপারে এ শুভ সংবাদ প্রদান করে গেছেন যে, তারা হবেন জান্নাতের যুবকদের নেতা। আর এ কথা চির সত্য, যে যত বড় মর্যাদা লাভ করে তাকে তত বড় পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞেস করা হল, মানব জাতির মধ্যে কে সব চেয়ে বেশি পরীক্ষা ও বিপদাপদের সম্মুখীন হয়েছিলেন? তিনি বললেন, নবীগণ, তারপর আল্লাহর নেককার বান্দাগণ। তারপর অন্যদের মধ্যে যারা যে পরিমাণ ঈমান ও পরহেযগারিতার অধিকারী তারা সে পরিমাণ পরীক্ষা সম্মুখীন হয়েছেন। মানুষ তার দীনদারী অনুযায়ী পরীক্ষার সম্মুখীন হয়। কেউ যদি মজবুত দ্বীনের অধিকারী হয় তবে সে বেশি পরিমাণ পরীক্ষার মুখোমুখি হয়। আর কারো দ্বীনদারীতে কমতি থাকলে তার বিপদাপদ কম আসে এবং পরীক্ষাও কম হয়। মুমিন বান্দা যতদিন পৃথিবীতে চলা ফেরা করে ততদিন তার উপর বিপদাপদ পতিত হতে থাকে এবং এভাবে তার আর কোন গুনাহ বাকী থাকে না।” (মুসনাদ আহমদ ও তিরমিযী, সনদ হাসান)
আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে তাদের এই মর্যাদা পূর্বেই নির্ধারণ করে রাখা হয়েছিল। তারা তাদের পূর্বপুরুষদের মতই বিপদাপদের সম্মুখীন হয়েছেন। ইসলামের মর্যাদা নিয়েই তারা দুনিয়াতে আগমন করেছেন এবং ইসলাম প্রদত্ত মর্যাদা সহকারে তারা প্রতিপালিত হয়েছেন। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সংস্পর্শ, স্নেহ-মমতা, আদর ও ভালবাসা পেয়ে তাদের জীবন সৌভাগ্য মণ্ডিত হয়েছে। যার কারণে মুসলমানগণ তাদের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করে থাকেন।
রাসূল যখন ইহজগৎ ত্যাগ করেন তখন তাঁরা ভাল-মন্দ বুঝার বয়সে উপনীত হননি।
আল্লাহ তাআলা তাদেরকে এমন নিয়ামত দিয়েছেন যার মাধ্যমে তারা তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে গিয়ে মিলিত হতে পারে। কারণ, তাদের চেয়ে যিনি বেশি মর্যাদার অধিকারী তথা তাদের পিতা আলী রা. ও শহীদ অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন।
হুসাইন রা. এর নিহত হওয়ার ঘটনায় জনমানুষের মাঝে ফেতনা-ফ্যাসাদের বিস্তার ঘটে। যেমন উসমান রা. এর নিহত হওয়ার ঘটনা বিরাট বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। যার কারণে আজ পর্যন্ত মুসলিম জাতি বিভক্ত।
▐ ▌
খারেজী সম্প্রদায়ের আব্দুর রহমান বিন মুলজিম আলী রা. কে হত্যা করার পর সাহাবীদের একাংশ হাসান রা. এর হাতে বাইআত নিলেন। তার ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আমার এই ছেলে মুসলমানদের দুটি বড় বড় বিবদমান দলের মধ্যে সমাধান করবেন।” তিনি রাষ্ট্র ক্ষমতা ছেড়ে দিলেন। এর মাধ্যমে মুয়াবিয়া রা. এবং হাসান রা. এর সমর্থক দু দলের মধ্যে সমাধান হল। অতঃপর তিনি ইহজগৎ ত্যাগ করলেন। এরপর বেশ কিছু মানুষ হুসাইন রা. এর নিকট চিঠির পর চিঠি লেখা শুরু করল। তারা বলল, যদি হুসাইন রা. ক্ষমতা গ্রহণ করেন তবে তাঁকে তারা সাহায্য-সহযোগিতা করবে। অথচ তারা এ কাজের যোগ্য ছিল না।
▐ ▌
অতঃপর হুসাইন রা. যখন তাদের নিকট তার চাচাত ভাই মুসলিম ইবনে আকীল ইবনে আবু তালিবকে পাঠালেন তখন তারা তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে তার দুশমনকে তাকে প্রতিহত করতে এবং তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করল।
এদিকে বিচক্ষণ সাহাবীগণ এবং হুসাইন রা. এর হিতাকাঙ্খী যেমন ইবনে আব্বাস রা., ইবনে উমর রা. প্রমুখ তারা সবাই হুসাইন রা. কে ঐ সকল লোকদের ডাকে না যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিলেন। তারা বললেন: হুসাইন রা. সেখানে যাওয়াতে কোন লাভ নেই। এতে কোন কল্যাণ বয়ে আসবে না। পরে ঘটনা যা ঘটার তাই ঘটল। আল্লাহর ইচ্ছাই বাস্তবায়িত হল।
▐ ▌
হুসাইন রা. বিজ্ঞ সাহাবীগণের পরামর্শ উপেক্ষা করে যখন বের হলেন তখন দেখলেন, অবস্থা পরিবর্তন হয়ে গেছে। তিনি তাদের নিকট আবেদন করলেন, তাকে ছেড়ে দেয়া হোক তিনি যেন তিনি ফিরে যেতে পারেন অথবা কোন সীমান্ত প্রহরায় অংশ গ্রহণ করতে পারেন। অথবা তাকে যেন তার চাচাত ভাই ইয়াজিদের সাথে সাক্ষাত করতে দেয়া হয়। কিন্তু তারা তার কোন প্রস্তাব গ্রহণ করল না। বরং তাকে চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলে যুদ্ধ করতে বাধ্য করল। তিনি এবং তার সঙ্গীগণ যুদ্ধ করে পরিশেষে শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করলেন।
এই শাহাদাতের মাধ্যমে আল্লাহ তাকে মর্যাদার সুউচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত করলেন এবং তাঁর অন্যান্য পূত-পবিত্র পরিবার বর্গের সাথে মিলিত করলেন এবং তাঁর উপর যারা এহেন নিষ্ঠুর আচরণ করল তাদেরকে লাঞ্ছিত করলেন।
ইতিহাসের এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড জনমানুষের মধ্যে অত্যন্ত খারাপ প্রভাব ফেলল। মানুষ দুভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। এ নিয়ে অনেক মানুষ মুনাফেফী, মূর্খতা এবং গোমরাহির মধ্যে ঘুরপাক খেতে লাগল। একদল মানুষ এই আশুরার দিন কে মাতম, আহাজারি, কান্নাকাটি এবং শোক দিবস হিসেবে গ্রহণ করল। তারা সেদিন জাহেলী যামানার বিভিন্ন আচরণ প্রদর্শনী শুরু করল। তারা সে দিন, শোক র্যালি, কালো পতাকা মিছিল, নিজের শরীরে চাবুক, তলোয়ার ইত্যাদি ধারালো অস্ত্র দ্বারা দিয়ে জখম, নিজেদের গালে আঘাত, শরীরের কাপড় ছেড়া, জামার পকেট ছেড়া, চুল ছেড়া ইত্যাদি বিভিন্ন জাহেলী প্রথা অনুযায়ী শোক দিবস পালন করে থাকে। যা আজ পর্যন্ত পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবছর আশুরার দিন তারা ইসলামী শরীয়তের সম্পূর্ণ বিপরীত এহেন কার্যকলাপ করে থাকে। তারা মনে করে এ সব কাজ করার মাধ্যমে তারা হুসাইন রা. এর আহলে বাইত তথা পরিবার বর্গের প্রতি ভালবাসা এবং সমবেদনা প্রকাশ করে!!
▐ ▌
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রাহ. বলেন:
হুসাইন রা. এর হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে শয়তান মানুষের মধ্যে দুটি বিদআত আবিষ্কার করল। একটি হল, আশুরার দিন শোক ও কান্নাকাটি করার বিদআত। যে দিন শরীরে আঘাত করা, চিৎকার করে কান্নাকাটি করা, পিপাষার্ত থাকা, মর্সিয়া পালন ইত্যাদি কার্যক্রম করা হয়ে থাকে। শুধু তাই নয় বরং এ দিন পূর্বপুরুষদেরকে গালাগালি করা হয়, তাদের উপর অভিশাপ দেয়া হয় এবং এমন সব লোকদেরকে অপরাধী সাব্যস্ত করা হয় যারা প্রকৃতপক্ষে অপরাধী নয় এবং হুসাইন রা. এর মৃত্যু সংক্রান্ত এমন সব কাহিনী বয়ান করা হয় যেগুলো অধিকাংশই মিথ্যা এবং বানোয়াট।
যারা এসবের সূচনা করেছিল তাদের উদ্দেশ্য ছিল ফেতনা-ফ্যাসাদের দরজা উন্মুক্ত করা এবং মুসলিম উম্মাহকে বিভক্ত করা। এসব কাজ তো মুসলামানদের ঐকমত্যে ওয়াজিব নয়, মুস্তাহাবও নয় বরং এতে শুধু অতীতের বিপদাপদকে কেন্দ্র করে ধৈর্যহীনতা এবং কান্নাকাটি নতুন করে করা হয়। অথচ তা আল্লাহ তাআলা এবং তাঁর রাসূল কর্তৃক শক্তভাবে নিষিদ্ধ জিনিস।”
ধৈর্য হীনতা প্রকাশ করা বা চিৎকার-কান্নাকাটি করা ইসলামী শরীয়তের পরিপন্থী। বিপদে-মসিবতে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশ হল, ধৈর্যের পরিচয় দেয়া, ‘ইন্নাল্লিাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন’ পাঠ করার পাশাপাশি আল্লাহর নিকট সওয়াবের আশা করা। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন: “…আর ধৈর্য ধারণকারীদেরকে শুভ সংবাদ দাও। যারা বিপদ এলে বলে: “ইন্নাল্লিাহি ওয়া ইন্নালিল্লাইহি রাজিঊন। এদের উপরই আল্লাহর পক্ষ থেকে দয়া ও করুণা বর্ষিত হয় এবং এরাই সুপথে প্রতিষ্ঠিত।” (সূরা বাকারা: ১৫৫)
সহীহ বুখারীতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন: যে ব্যক্তি গালে চপেটাঘাত করে, পকেট ছিঁড়ে এবং জাহেলিয়াতের মত আহবান করে আমাদের দলভূক্ত নয়।” (মজমু ফাতাওয়া শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া ২৫/৩০২, ৩০৭)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: যে মহিলা (বিপদ-মুসিবতে) চিৎকার করে, মাথা মুণ্ডন করে, কাপড় ছিঁড়ে তার থেকে আমি সম্পর্ক মুক্ত।” (সহীহ মুসলিম)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন: বিলাপকারীনী মহিলা যদি তওবা করার আগে মৃত্যু বরণ করে তবে সে কিয়ামতের দিন আলকাতরা মাখানো পায়জামা আর ঘা বিশিষ্ট বর্ম পরিহিত অবস্থায় উঠবে।” (সহীহ মুসলিম, জানাইয অধ্যায়)
সহীহ বুখারীতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: যে মুসলিম বিপদ আপতিত হলে বলে: ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইল্লাইহি রাজিঊন, আল্লাহুম্মা আজিরনী ফী মুসীবাতী ওয়াখলুফ লাহু খাইরান মিনহা। অর্থাৎ নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য নিবেদিত এবং তার কাছেই ফিরে যাব। হে আল্লাহ, বিপদে আমাকে প্রতিদান দাও এবং এর থেকে উত্তম বিকল্প দান কর।” তাকে আল্লাহ তাকে তার বিপদে উত্তম প্রতিদান দিবেন এবং তদাপেক্ষা ভালো বিকল্প ব্যবস্থা করবেন।” (সহীহ মুসলিম, কিতাবুল জানাইয)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: আমার উম্মতের মধ্যে চারটি জিনিস জাহেলিয়াতের কাজ যেগুলো তারা ছাড়বে না। বংশ আভিজাত্য দিয়ে গর্ব করা, অন্যের বংশকে দোষারোপ করা, তারকার সাহায্যে বৃষ্টি প্রার্থনা করা এবং মানুষের মৃত্যুতে বিলাপ করা। (সহীহ মুসলিম, বিতাবুল জানাইয)
সুতরাং কোন ব্যক্তি যদি হুসাইন রা. এর নিহত হওয়ার ঘটনায় অন্য মুমিনদের প্রতি জুলুম করে, তাদেরকে গালাগালি করে বা তাদের উপর অভিশাপ দেয় এবং দ্বীনের দুশমন ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের কাজে সাহায্য করা সহ অসংখ্য অন্যায় কাজে জড়িত হয় তাদের পরিণতি কী হতে পারে?
শয়তান গোমরাহ লোকদের জন্যে আশুরার দিনকে শোক ও মাতম প্রকাশের দিন হিসেবে সুসজ্জিত ভাবে তুলে ধরেছে। যার কারণে এ সব লোক আশুরা আসলে কান্নাকাটি, দুঃখের কাওয়ালী গাওয়া, বানোয়াট কেচ্ছা-কাহিনী বর্ণনা ইত্যাদি কার্যক্রম শুরু করে দেয়। এতে কি কিছু লাভ হয়? যা হয় তা হল, মানুষের মাঝে হিংসা-বিদ্বেষ এবং গোঁড়ামির বিষবাষ্প ছড়ানো, মুসলামানদের মাঝে ফেতনা-ফ্যাসাদ জাগ্রত করা এবং অতীত মানুষদের গালাগালি করা। এভাবে দ্বীনের মধ্যে অসংখ্য ফেতনা ছড়ানো হয় এবং মিথ্যার পরিচর্চা করা হয়।
ইসলামের ইতিহাসে এত ফেতনা-ফ্যাসাদ, দ্বীনের নামে মিথ্যাচার এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাফেরদেরকে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে এ শিয়া সম্প্রদায়দায়টির চেয়ে অগ্রগণ্য আর কোন মানুষ দেখা যায় নি।...
●●●●●●●●●●●●
উৎস: শাইখ আব্দুল আযীয বিন আহমদ আত তুওয়াইজিরী কর্তৃক রচিত
‘আল বিদা আল হাওলিয়া’ (মাস্টার্স এর থিসিস)
সংক্ষেপায়ন ও অনুবাদ: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব

Sunday, 16 August 2020

ক্বুরঅান মাজীদে ৭২,৫০৫ বার ব্যবহৃত ৬০৩টি শব্দ :

পবিত্র ক্বুরঅান মাজীদে সরাসরি ও অারবী গ্রামারের বিভিন্ন রূপে রূপায়িত হয়ে ব্যবহৃত (ক্রমিক নং ১ থেকে ৩২৮ পর্যন্ত) ইসম ও হরফ জাতীয় ৩২৮টি শব্দ :

১. اَللّٰهُ (আল্লাহ) - অাল্লাহ। (২৬৯৯ বার)
২. بِا للّٰهِ (বিল্লাহি) - অাল্লাহর সাথে। (২৭০২ বার)
৩. مِنْ (মিন) - হতে। (৩২৩৬ বার)
৪. عَنْ (অান্) - হতে, সম্পর্কে। (৪৬৫ বার)
৫. لِ/لَ (লি/লা) - জন্য, নিশ্চয়। ('লি'/'লা' পবিত্র ক্বুরঅানে মোট ৩৮৩৮ বার এসেছে)
৬. لَا (লা) - না। (২৩২৩ বার)
৭. لَمْ (লাম) - না, নেই। (৩৪৮ বার)
৮. فِیْ (ফী) - মধ্যে। (১৭০১ বার)
৯. اَنَّ (অান্না) - নিশ্চয়ই। (৩৬৬ বার)
১০. اِنَّ (ইন্না) - নিশ্চয়ই। (১৬১৮ বার)।
১১. إِنَّمَا (ইন্নামা) - একমাত্র, বস্তুত। (১৪৬ বার)
১২. عَلٰی (অালা) - ওপর। (১৪৪৫ বার)
১৩. مَا (মা) - কী, যা। (১১১৪ বার)
১৪. رَبٌّ (রাব্বুন) - প্রতিপালক। (৯৭৫ বার)
১৫. بِ (বি) - সাথে। (৮১৯ বার)
১৬. اِلٰی (ইলা) - পর্যন্ত, দিকে। (৭৪২ বার)
১৭. لَوْ (লাও) - যদি, যদিও। (২৭৬ বার)
১৮. اِنْ (ইন্) - যদি। (৬৯৪ বার)
১৯. اَنْ (অান্) - যে, যা। (৬১৩ বার)
২০. مَنْ (মান) - যে, কে। (৮২৪ বার)
২১. اَلّذِیْ (অাল্লাযী) - যে, যা। (১৪৬৫ বার)
২২. هُوَ (হুয়া) - সে, তিনি। (৪৬৪ বার)
২৩. هُمْ (হুম) - তারা, যারা। (১০৭৬ বার)
২৪. اَنْتُمْ (অানতুম) - তোমরা। (১৩৫ বার)
২৫. هَذَا (হাযা) - এ, এই, এটা, এটি । (২৭৪ বার)
২৬. ذٰلِكَ (যালিকা) - ও, ওটি, ঐ, ঐটি। (৪৭৯ বার)।
২৭. اُوْلَئِكَ (উলায়িকা) - তারা, ওরা। (২০৮ বার)
২৮. قَدْ (ক্বাদ) - বস্তুত। (৪০৬ বার)
২৯. وَلَقَدْ (ওয়ালাক্বাদ) - এবং অবশ্যই। (৪০৯ বার)
৩০. يَوْمٌ/أَيَّامٌ (ইয়াওমুন/অাইয়্যামুন) - দিন। (৪০৫ বার)
৩১. قَوْمٌ (ক্বাওমুন) - সম্প্রদায়। (৩৮৩ বার)
৩২. كُلٌّ (কুল্লুন) - সব, সবকিছু, প্রত্যেক। (৩৫৯ বার)
৩৩. شَئٌ (শাইয়ুন) - কিছু, কোনকিছু। (২৮৩ বার)
৩৪. بَعْضَ (বা'দ্বা) - কিছু। (১৫৭ বার)
৩৫. رَسُوْلٌ/رُسُلٌ (রাসুলুন/রুসুলুন) - বার্তাবাহক। (৩৩২ বার)
৩৬. سَمَاءٌ/سَمَاوَاتٌ (সামায়ুন/সামাওয়াতুন) - অাকাশ। (৩১০ বার)
৩৭. نَفْسٌ (নাফ্সুন) - প্রাণ, অন্তর, মন, নিজ। (২৯৫ বার)
৩৮. بَيْنَ (বাইনা) - উভয়ের মধ্যে। (২৬৬ বার)
৩৯. كِتَابٌ/كُتُبٌ (কিতাবুন/কুতুবুন) - বই। (২৬০ বার)
৪০. حَقٌّ (হাক্কুন) - সত্য, হক। (২৪৭ বার)
৪১. قَبْلَ (ক্বাবলা) - অাগে, ইতোপূর্বে। (২৪২ বার)
৪২. اِذْ (ইয্) - যখন। (২৩৯ বার)
৪৩. اِذَا (ইযা) - যখন [ভবিষ্যৎকাল] (৪২৩ বার)
৪৪. بَعْدَ (বা'দা) - পরে। (১৯৯ বার)
৪৫. عِنْدَ (ইন্দা) - কাছে, নিকটে। (১৯৭ বার)
৪৬. مَعَ (মায়া) - সাথে। (১৬৪ বার)
৪৭. ثُمَّ (ছুম্মা) - অাবার, অতঃপর, তারপর। (৩৪১ বার)
৪৮. خَيْرٌ (খাইরুন) - ভাল। (১৭৬ বার)
৪৯. سَبِيْلٌ/سُبُلٌ (সাবীলুন/সুবুলুন) - পথ। (১৭৬ বার)
৫০. اَتْقَی/تَقْوَ (অাতক্বা/তাক্বওয়া) - অাল্লাহভীতি। (১৬৬ বার)
৫১. مُتَّقِيْنَ (মুত্তাকীন) - পরহেজগার, অাল্লাহভীরু। (৪৯ বার)
৫২. مُؤْمِنٌ (মু'মিনুন) - বিশ্বাসী, মু'মিন। (২০২ বার)
৫৩. اِلٰهٌ/آَلِهَةٌ (ইলাহুন/অালিহাতুন) - মা'বুদ। (১৪৭ বার)
৫৪. جَنَّةٌ/جَنَّاتٌ (জান্নাতুন) - বেহেশত। (১৪৭ বার)
৫৫. جَهَنَّمٌ (জাহান্নামুন) - জাহান্নাম, দোযখ। (৭৭ বার)
৫৬. نَارٌ (নারুন) - অাগুন। (১৪৫ বার)
৫৭. اِلَّا (ইল্লা) - ব্যতীত। (৬৬৪ বার)
৫৮. غَيْر (গাইর) - না, ব্যতীত। (১৪৭ বার)
৫৯. دُوْنَ (দূনা) - তাছাড়াও, অারও। (১৪৪ বার)
৬০. يَا/أَيُّهَا/يَا أَيُّهَا (ইয়া/অাইয়্যুহা/ইয়া অাইয়্যুহা) - হে, ওহে। (৫১১ বার)।
৬১. حَتّٰی (হাত্তা) - পর্যন্ত। (১৪২ বার)
৬২. اَوْ (অাও) - অথবা। (২৮০ বার)
৬৩. اَمْ (অাম) - অথবা, নাকি। (১৩৭ বার)
৬৪. مُوْسٰی (মূসা) - মূসা (১৩৬ বার)
৬৫. قَلْبٌ/قُلُوْبٌ (ক্বালবুন/ক্বুলুবুন) - হৃদয়। (১৩২ বার)
৬৬. عَبْدٌ/عِبَاد (অাবদুন/ইবাদ) - বান্দা। (১৩১ বার)
৬৭. بَلْ (বাল্) - বরং। (১২৭ বার)
৬৮. لَكِنْ/لَكِنَّ (লাকিন/লাকিন্না) - বরং, কিন্তু। (১৩০ বার)।
৬৯. ظٰلِمِيْنَ (যলিমীন) - জালিম, অবিচারক। (১২৯ বার)
৭০. كٰفِرُوْنَ (কাফিরুন) - কাফের। (১২৯ বার)
৭১. لَعَلَّ (লায়াল্লা) - হয়তো, সম্ভবত। (১২৯ বার)
৭২. اَهْلِی (অাহলী) - অামার পরিবার। (১২৭ বার)
৭৩. عَظِيْمٌ (অাযীমুন) - বড়, মহা। (১২০ বার)
৭৪. رَحِيْمُ (রাহীমু) - অসীম দয়ালু। (১১৬ বার)
৭৫. رَحْمَةٌ (রাহমাতুন) - দয়া, রহমত। (১১৪ বার)
৭৬. اَرْضٌ (অারদ্বুন) - পৃথিবী, ভূমি। (৪৬১ বার)
৭৭. دُنْيَا (দুনইয়া) - দুনিয়া। (১১৫ বার)
৭৮. شَيْطَان/شَيَاطِيْن (শাইত্বান/শায়াত্বীন) - শয়তান। (৮৮ বার)
৭৯. وَلِيٌّ/أَوْلِيَاءٌ (ওয়ালিয়্যুন/অাওলিয়া') - অলি, অভিভাবক। (৮৬ বার)
৮০. حَيَوٰةٌ (হাইয়াওয়াতুন) - হায়াত, জীবন। (৭৬ বার)
৮১. نَبِیٌّ/نَبِيُّوْنَ/نَبِيِّيْنَ/أَنْبِيَاءُ (নাবিয়্যুন/নাবিয়্যূনা/নাবিয়্যীনা/অাম্বিয়া') - নবী। (৭৫ বার)
৮২. قِيٰمَةٌ/قِيَامَةٌ (ক্বিয়ামাতুন) - ক্বিয়ামত, পুনরুত্থান দিবস। (৭০ বার)
৮৩. عٰلَمِيْنَ/عَالَمِيْنَ (অালামীন) - বিশ্ব, মহাবিশ্ব, সৃষ্টি জগৎ। (৭৩ বার)
৮৪. عِلْمًا (ইলমা) - জ্ঞান। (১১৪ বার)
৮৫. أَعْلَمُ (অা'লামু) - সর্বজ্ঞানী। (৪৯ বার)
৮৬. عَلِيْمٌ/عُلَمَاءُ (উলামা'/অালীমুন) - সব বিষয়ে অবগত। (১৬৩ বার)
৮৭. عَالِمٌ/عٰلِمُ (অালিমুন/অালিমু) - জ্ঞানী, বিজ্ঞ। (১৮ বার)
৮৮. مَعْلُوْمٌ (মা'লূমুন) - অবগত, জানা। (১১ বার)
৮৯. حَمْدٌ/اَلْحَمْدُ (হামদুন/অালহামদু) - প্রশংসা। (৪৩ বার)
৯০. حَمِيْدٌ (হামীদুন) - প্রশংসিত, উচ্চ প্রশংসনীয়। (১৭ বার)
৯১. مُحَمَّدٌ (মুহাম্মাদুন) - মুহাম্মাদ (সঃ), প্রশংসিত। (৪ বার)
৯২. فِرْعَوْنَ (ফিরাউন, মূসা (অাঃ) এর সময়ের অত্যাচারী শাসক। (৭৪ বার)
৯৩. قُرْاٰنٌ (ক্বুরঅানুন) - ক্বুরঅান। (৭০ বার)
৯৪. اِبْرَهِيْمَ (ইবরাহীম) - ইবরাহীম (অাঃ)। (৬৯ বার)
৯৫. إِسْرَئِيْلَ (ইসরাঈল) - ইসরাঈল। (৪৩ বার)
৯৬. نُوْحُ (নূহ) - নূহ (অাঃ)। (৪৩ বার)
৯৭. مَرْيَمَ (মারইয়াম) - মারইয়াম, ইসা (অাঃ) এর মাতা। (৩৪ বার)
৯৮. يُوْسُفَ (ইউসুফ) - ইউসুফ (অাঃ)। (৩১ বার)
৯৯. مَسْجِدٌ/مَسَاجِدٌ (মাসজিদুন/মাসাজিদুন) - মসজিদ। (২৮ বার)
১০০. لُوْطَ (লূত্ব) - লূত (অাঃ)। (২৭ বার)।
উপরিউল্লেখিত (ক্রমিক নং ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত) শব্দগুলো মোট ৪৩,৬৭৪ বার পবিত্র ক্বুরঅান মাজীদে ব্যবহৃত হয়েছে।

১০১. اٰدَمَ (অাদাম) - অাদাম (অাঃ)। (২৫ বার)
১০২. عِيْسٰی (ঈসা) - ঈসা (অাঃ)। (২৫ বার)
১০৩. جِنَّ (জিন্না) - জিন। (২২ বার)
১০৪. هَارُوْنَ (হারূন) - হারূন (অাঃ)। (২০ বার)
১০৫. تَوْرَاةٌ (তাওরাতুন) - তাওরাত, মূসা (অাঃ) এর নিকট অবতীর্ণ অাসমানী কিতাব। (১৮ বার)
১০৬. إِسْحَاقَ (ইসহাক্ব) - ইসহাক্ব (অাঃ)। (১৭ বার)
১০৭. سُلَيْمَانَ (সুলাইমান) - সুলাইমান (অাঃ)। (১৭ বার)
১০৮. يَعْقُوْبَ (ইয়াক্বূব) - ইয়াক্বূব (অাঃ)। (১৬ বার)।
১০৯. أُمَّةٌ/أُمَمٌ (উম্মাহ্/উমামুন) - উম্মত, জাতি। (৬৪ বার)
১১০. نَهَرٌ/أَنْهَارٌ (নাহারুন/অানহারুন) - নহর, নদী। (৫৪ বার)
১১১. غَيْبٌ (গাইবুন) - গায়েব, অদৃশ্য। (৪৯ বার)
১১২. لَمَّا (লাম্মা) - কিন্তু। (১৬৫ বার)
১১৩. مُلْكٌ (মুলকুন) - মুলক, রাজত্ব। (৪৮ বার)
১১৪. نُوْرٌ (নূরুন) - অালো, নূর। (৪৩ বার)
১১৫. عَذَبَ (অাযাবা) - শাস্তি, অাযাব। (৪১ বার)
১১৬. عَذَابٌ (অাযাবুন) - শাস্তি। (৩২২ বার)
১১৭. اَلرَّحْمٰنُ (অার্রাহমানু) - পরম করুণাময়। (৫৭ বার)
১১৮. اَلرَّحِمِيْنَ (অার্রাহিমীন) - রহমকারীদের, দয়াকারীদের। (৬ বার)
১১৯. اَرْحَمُ (অারহামু) - শ্রেষ্ঠ দয়ালু। (৪ বার)
১২০. إِسْمَاعِيْلَ (ইসমাঈল) - ইসমাঈল (অাঃ)। (১২ বার)
১২১. إِنْجِيْلُ (ইংজীল) - ইঞ্জিল, ইসা (অাঃ) এর নিকট নাযিলকৃত অাসমানী কিতাব। (১২ বার)
১২২. إِبْلِيْس (ইবলীস) - ইবলিশ, শয়তান। (১১ বার)
১২৩. شُعَيْبٌ (শুয়াইবুন) - শোয়াইব (অাঃ)। (১১ বার)
১২৪. عَرَبِیَّ (অারাবিয়্যা) - অারবি। (১১ বার)
১২৫. مَسِيْحِ (মাসীহ্) - মসীহ্, ইসা (অাঃ) এর বিশেষ উপাধি। (১১ বার)
১২৬. سُوْرَةُ (সূরাহ্) - সূরা, ক্বুরঅানের অধ্যায়। (১০ বার)
১২৭. مَدْيَنَ (মাদইয়ানা) - মাদিয়ান (অাল্লহর অাযাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রাচীন জাতি)। (১০ বার)
১২৮. حَجَّ (হাজ্জা) - হজ্জ্ব। (৯ বার)
১২৯. صٰلِحٌ/صَالِحٌ (সালেহুন) - সালেহ (অাঃ)। (৯ বার)
১৩০. يَهُوْدُ (ইয়াহূদ) - ইয়াহুদী। (৯ বার)
১৩১. زُبُر (যুবুর) - যুবুর, দাউদ (অাঃ) এর নিকট নাযিলকৃত অাসমানী কিতাব। (৭ বার)
১৩২. زَكَرِيَّا (যাকারিয়্যা) - যাকারিয়া (অাঃ)। (৭ বার)
১৩৩. هَامَانُ (হামান) - হামান (মূসা (অাঃ) এর সময়কালে ফিরাউনের সহচর)। (৬ বার)
১৩৪. مِصْر (মিসর) - মিশর। (৫ বার)
১৩৫. يَحْيٰی (ইয়াহ্ইয়া) - ইয়াহ্ইয়া (অাঃ)। (৫ বার)
১৩৬. اَيُّوْبَ (আইয়্যূব) - অাইয়ুব (অাঃ)। (৪ বার)
১৩৭. قَارُوْنَ (ক্বারূণ) - কারূণ (কারূণ ছিল মুসা (অাঃ) যুগের একজন একজন ধনবান ব্যক্তি। (৪ বার)।
১৩৮. سَمِيْعٌ (সামিয়ুন) - শ্রবণকারী। (৪৭ বার)
১৩৯. وَشُكْرِكَ (ওয়াশুকরিকা) - এবং তোমার শুকরিয়া। (৬৩ বার)
১৪০. شَكُوْرٌ (শাকূরুন) - কৃতজ্ঞ। (১০ বার)
১৪১. عَزِيْزٌ (অাযীযুন) - মহৎ, প্রিয়। (১০১ বার)
১৪২. غَفُوْرٌ (গাফূরুন) - ক্ষমাকারী। (৯১ বার)
১৪৩. قَدِيْرٌ (ক্বাদীরুন) - সর্বশক্তিমান। (৪৫ বার)
১৪৪. نَذِيْرٌ/نُذُرٌ (নাযীরুন/নুযুরুন) - সতর্ককারী। (৫৮ বার)
১৪৫. نَصِيْرٌ (নাসীরুন) - সাহায্যকারী (২৪ বার)
১৪৬. وَكِيْلٌ (ওয়াকীলুন) - অভিভাবক, বন্ধু। (২৪ বার)
১৪৭. أَمِيْن (অামীন) - নির্ভরযোগ্য। (১৪ বার)
১৪৮. بَصِيْرٌ (বাছীরুন) - দ্রষ্টা। (৫৩ বার)
১৪৯. بَعِيْدٌ (বায়ীদুন) - দূরবর্তী। (২৫ বার)
১৫০. تَوَّابُ (তাওয়্যাব) - তওবা কবুলকারী, ক্ষমাকারী। (১১ বার)
১৫১. حَفِيْظٌ (হাফীযুন) - সংরক্ষক। (২৬ বার)
১৫২. حَكِيْمٌ (হাকীমুন) - জ্ঞানী। (৯৭ বার)
১৫৩. حَلِيْمٌ (হালীমুন) - ধৈর্যশীল। (১৫ বার)
১৫৪. حَمِيْمٌ (হামীমুন) - ঘনিষ্ঠ, গরম পানি। (২০ বার)
১৫৫. خَبِيْرٌ (খাবীরুন) - অবহিত। (৪৫ বার)
১৫৬. شَدِيْدٌ (শাদীদুন) - মারাত্মক, শক্ত। (৫২ বার)
১৫৭. اَشَدَّ (অাশাদ্দা) - মারাত্মক, কঠিন। (৩১ বার)
১৫৮. عَلِيٌّ (অালিইয়্যুন) - উচ্চ। (১১ বার)
১৫৯. أَعْلٰی (অা'লা) - সর্বোচ্চ। (১১ বার)
১৬০. قَرِيْبٌ (ক্বারীবুন) - নিকটে, নিকটবর্তী। (২৬ বার)
১৬১. أَقْرَبُ (অাক্বরাবু) - অধিক নিকটে। (১৯ বার)
১৬২. كَبِيْرٌ (কাবীরুন) - বড় (৪৭ বার)
১৬৩. أَكْبَرُ (অাকবারু) - বড়। (২৪ বার)
১৬৪. كَثِيْرٌ (কাছীরুন) - বেশি। (৭৪ বার)
১৬৫. أَكْثَرُ (অাকছারু) - খুব বেশি। (৮০ বার)
১৬৬. سَرِيْعٌ (সারীয়ুন) - দ্রুত,তাড়াতাড়ি। (৬ বার)
১৬৭. أَحْسَنُ (অাহসানু) - অধিক সুন্দর। (৩৬ বার)
১৬৮. قَهَّارٌ (কাহ্হারুন) - নির্দয়, কঠোর। (৮ বার)
১৬৯. غَفَّارٌ (গাফ্ফারুন) - ক্ষমাপরায়ণ। (৪ বার)
১৭০. أَدْنٰی (অাদনা) - কম, নিম্ন। (১২ বার)
১৭১. قَلِيْلٌ (ক্বালীলুন) - অল্প, সামান্য। (৭১ বার)
১৭২. أَظْلَمُ (অাযলামু) - অধিক অত্যাচারী। (১৬ বার)
১৭৩. أَوْلٰی (অাউলা) - নিকটতম। (১১ বার)
১৭৪. أَوَّلَ/أُوْلٰی (অাওয়্যালা/ঊলা) - প্রথম। (৮২ বার)
১৭৫. كَرِيْمٌ (কারীমুন) - সম্মানী, সম্মানিত। (২৭ বার)
১৭৬. لَطِيْفٌ (লাতীফুন) - সুক্ষ্ম, সুন্দর, কৌশলী। (৭ বার)
১৭৭. وَهَّابٌ (ওয়াহ্হাবুন) - অধিক দানকারী, দয়াবান। (৩ বার)
১৭৮. اٰيَةٌ/آَيَاتٌ (অায়াহ্/অায়াতুন) - চিহ্ন, অায়াত। (৩৮২ বার)
১৭৯. بَيِّنَةٌ/بَيَّنَاتٌ (বাইয়্যিনাহ্/বাইয়্যিনাত) - প্রমাণ, দলীল। (৭১ বার)
১৮০. جَبَلٌ/جِبَالٌ (জাবালুন/জিবালুন) - পাহাড়। (৩৯ বার)
১৮১. بَحْرٌ (বাহরুন) - সমুদ্র, সাগর, বড় নদী। (৩৫ বার)
১৮২. شَمْسٌ (শামসুন) - সূর্য। (৩৩ বার)
১৮৩. قَمَرٌ (ক্বামারুন) - চাঁদ। (২৭ বার)
১৮৪. لَيْلٌ (লাইলুন) - রাত। (৮০ বার)
১৮৫. نَهَارٌ (নাহারুন) - দিন। (৫৭ বার)
১৮৬. سَبْعٌ/سَبْعَةٌ (সাবয়ুন/সাবয়াতুন) - সাত, সপ্ত। (২৪ বার)
১৮৭. رِيْحٌ/رِيَاحٌ (রিহুন/রিয়াহুন) - বাতাস। (২৯ বার)
১৮৮. دَاوٗد (দাঊদ) - দাঊদ (অাঃ) (১৬ বার)
১৮৯. هُوْد (হূদ) - হূদ (অাঃ)। (১০ বার)
১৯০. عَاد (অাদ) - অাদ জাতি (একটি প্রাচীন অারব জনগোষ্ঠী ও তাদের পূর্ব পুরুষের নাম)। (১৯ বার)
১৯১. ثَمُوْد (ছামূদ) - ছামূদ জাতি (একটি প্রাচীন অারব গোত্র)। (২৬ বার)
১৯২. اٰخِرٌ (অাখিরুন) - অাখিরাত। (১৫৫ বার)
১৯৩. اَلْاٰخِرَةُ (অাল-অাখিরাতু) - পরকাল, অাখিরাত। (১১৫ বার)
১৯৪. سَاعَةٌ (সায়াতুন) - সময়, ঘন্টা, ঘড়ি। (৪৭ বার)
১৯৫. يَوْمَئِذٍ (এওমাইযিন) - সেদিন। (৬৫ বার)
১৯৬. أَجَلٌ (অাজালুন) - নির্ধারিত সময়, মেয়াদ। (৫২ বার)
১৯৭. مُسَمّٰی (মুসাম্মা) - নির্ধারিত। (২১ বার)
১৯৮. مَصِيْر (মাছীর) - প্রত্যাবর্তন, প্রত্যাবর্তনস্থল। (২৮ বার)
১৯৯. مَأْوٰی (মা'ওয়া) - অাশ্রয়স্থল। (২২ বার)
২০০. أَجْر/أُجُوْر (অাজর/উজূর) - পুরষ্কার। (১০৫ বার)।
২০১. جَزَاء (জাঝা) - পুরষ্কার। (৪২ বার)
২০২. عَاقِيْبَةٌ (অাক্বীবাতুন) - শেষ, সমাপ্ত। (৩২ বার)
২০৩. عِقَاب (ইক্বাব) - শাস্তি। (২০ বার)
২০৪. جَحِيْم (জাহীম) - প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, তীব্র অাগুন। (২৬ বার)
২০৫. ثَوَابٌ (ছাওয়াবুন) - পুরষ্কার। (১৩ বার)
২০৬. نِعْمَةٌ/اَنْعُم (নি'মাহ্/অানয়াম) - নিয়ামত, অনুগ্রহ। (৫০ বার)
২০৭. نَعِيْم (নায়ীম) - নেয়ামত। (১৭ বার)
২০৮. أَنْعَامٌ (অানয়ামুন) - গবাদিপশু। (৩৩ বার)
২০৯. سَعِيْر (সায়ীর) - জ্বলন্ত অাগুন। (১৬ বার)
২১০. أَلِيْم (অালীম) - বেদনাদায়ক। (৭২ বার)
২১১. أَبَدًا (অাবাদা) - চিরকাল। (২৮ বার)
২১২. وَيْلٌ (ওয়াইলুন) - দোযখ, দুঃখ, অভিশাপ। (৩৬ বার)
২১৩. وَاحِدٌ/وَاحِدَةٌ (ওয়াহিদুন/ওয়াহিদাতুন) - এক, অদ্বিতীয়। (৬১ বার)
২১৪. أَحَد/إِحْدٰی (অাহাদ/ইহদা) - এক, অদ্বিতীয়। (৮৫ বার)
২১৫. شَرِيْكٌ/شُرَكَاءُ (শারীকুন/শুরাকা') - অংশীদার। (৪০ বার)
২১৬. تَقْوٰی (তাক্বওয়া) - অাল্লাহভীতি। (১৭ বার)
২১৭. كَلِمَةٌ (কালিমাহ্) - শব্দ। (৪২ বার)
২১৮. شَهَادَةٌ (শাহাদাতুন) - সাক্ষী। (২৬ বার)
২১৯. شَهِيْدٌ/شُهَدَاءُ (শাহীদুন/শুহাদা') - সাক্ষী। (৫৬ বার)
২২০. دِيْن (দীন) - ধর্ম, বিচার। (৯২ বার)
২২১. صَلَاةٌ (সলাহ্) - নামাজ, প্রার্থনা। (৮৩ বার)
২২২. زَكَاةٌ (ঝাকাহ্) - যাকাত। (৩২ বার)
২২৩. بَاطِلٌ (বাতিলুন) - গোপন, মিথ্যা। (২৬ বার)
২২৪. ظُلُمَاٰتٌ (যুলুমায়াতুন) - অন্ধকার। (২৩ বার)
২২৫. مُبِيْن (মুবীন) - স্পষ্টকারী। (১১৯ বার)
২২৬. عَهْد (অাহ্দ) - প্রতিজ্ঞা, চুক্তি। (২৯ বার)
২২৭. مِيْثَاقٌ (মীছাক্বুন) - প্রতিজ্ঞা, সনদ, চুক্তি। (২৫ বার)
২২৮. مَلَكٌ/مَلَائِكَةٌ (মালাকুন/মালাইকাহ্) - ফেরেস্তা। (৮৮ বার)
২২৯. عَرْشٌ (অারশুন) - অারশ। (২৯ বার)
২৩০. حِكْمَةٌ (হিকমাহ্) - জ্ঞান, বিজ্ঞতা। (২০ বার)
২৩১. فَضْلٌ (ফাদ্বলুন) - দয়া, অনুগ্রহ। (৮৪ বার)
২৩২. اٰلَاء (অালা') - দয়া, অনুগ্রহ। (৩৪ বার)
২৩৩. طَيِّبَةٌ/طَيِّبَاتٌ (ত্বাইয়্যিবাতুন) - ভাল। (৩০ বার)
২৩৪. مَاءٌ (মায়ুন) - পানি। (৬৩ বার)
২৩৫. سُلْطَان (সুলতান) - কর্তৃপক্ষ, রাজা। (৩৭ বার)
২৩৬. فَوْزٌ (ফাওঝুন) - সফলতা। (১৯ বার)
২৩৭. فَرِيْقٌ (ফারীক্বুন) - দল। (৩৩ বার)
২৩৮. جَمِيْعٌ (জামীয়ুন) - সবাই, প্রত্যেকই। (৫৩ বার)
২৩৯. أَجْمَعُوْن/أَجْمَعِيْن (অাজ্মায়ূন/অাজ্মায়ীন) - সবাই। (২৬ বার)
২৪০. سَوَاءٌ (সাওয়ায়ুন) - সমান। (২৭ বার)
২৪১. إِذْنٌ (ইয্নুন) - অনুমতি। (৩৯ বার)
২৪২. أَعْمَالٌ (অা'মালুন) - কাজ, দলীল। (৪১ বার)
২৪৩. حَسَنَةٌ/حَسَنَاتٌ (হাসানাতুন) - ভাল, দলীল। (৩১ বার)
২৪৪. سَيِّئَةٌ/سَيِّئَاتٌ (সাইয়্যিয়াতুন) - মন্দ। (৫৮ বার)
২৪৫. شَرٌّ (শার্রুন) - মন্দ। (২৭ বার)
২৪৬. إِثْمٌ (ইছ্মুন) - গুনাহ্, পাপ। (৩৫ বার)
২৪৭. ذَنْبٌ/ذُنُوْبٌ (যানবুন/যুনুবুন) - গুনাহ্, পাপ। (৩৭ বার)
২৪৮. جُنَاحٌ (জুনাহুন) - গুনাহ্, পাপ। (২৫ বার)
২৪৯. حَرَامٌ/حُرُمٌ (হারামুন/হুরুমুন) - হারাম, অবৈধ। (৩১ বার)
২৫০. اِسْمٌ/أَسْمَاءٌ (ইসমুন/অাসমায়ুন) - নাম। (৩৯ বার)
২৫১. حَدِيْثٌ/أَحَادِيْثٌ (হাদীছুন/ অাহাদীছুন) - বাণী, কথা। (২৮ বার)
২৫২. بَأْسٌ (বা'সুন) - শাস্তি, শক্তি। (২৫ বার)
২৫৩. نَصِيْبٌ (নাসীবুন) - অংশ, শরীক। (২১ বার)
২৫৪. أُمٌّ/أُمَّهَاتٌ (উম্মুন, উম্মাহাতুন) - মা, মাতা। (৩৫ বার)
২৫৫. أَبٌ/أَبَتِ/آَبَاءٌ (বাবা, পিতা। (১১৭ বার)
২৫৬. زَوْجٌ/أَزْوَاجٌ (যাওজুন/অাযওয়াজুন) - স্বামী। (৭৬ বার)
২৫৭. رَجُلٌ/رِجَالٌ (রাজুলুন/রিজালুন) - ব্যক্তি, মানুষ। (৫৭ বার)
২৫৮. اِمْرَأَةٌ/نِسَاءٌ (ইমরায়াতুন/নিসায়ুন) - স্ত্রী, মহিলা। (৭২ বার)
২৫৯. وَلَدٌ/أَوْلَادٌ (ওয়ালাদুন/অাওলাদুন) - শিশু, সন্তান। (৫৬ বার)
২৬০. وَالِدٌ/وَالِدَيْنِ (ওয়ালিদুন/ওয়ালিদাইন) - বাবা, মাতাপিতা। (২৪ বার)
২৬১. ذُرِّيَّةٌ (যুর্রিইয়্যাতুন) - শিশু, সন্তান। (৩২ বার)
২৬২. اِبْنٌ (ইবনুন) পুত্র। (৪১ বার)
২৬৩. بَنُوْنَ/بَنِيْنَ/أَبْنَاءٌ (বানূনা/বানীনা/ অাবনায়ুন) - পুত্রগণ। (২২ বার)
২৬৪. أَخٌ/أَخُوْ/أَخَا/أَخِيْ (অাখুন/অাখূ/অাখা/অাখী) - ভাই। (৬৫ বার)
২৬৫. إِخْوَانٌ (ইখওয়ানুন) - ভাইগণ। (২০ বার)
২৬৬. مَوْلٰی (মাওলা) - অভিভাবক, প্রতিপালক, রক্ষক। (১৮ বার)
২৬৭. وَجْهٌ/وُجُوْهٌ (ওয়াজ্হুন/ভুজূহুন) - মু্খমন্ডল। (৭২ বার)
২৬৮. عَيْنٌ/أَعْيُنٌ (অাইনুন/অা'ইউনুন) - চক্ষু, ঝরনা। (৪৭ বার)
২৬৯. أَبْصَارٌ (অাবছারুন) - চক্ষু, দৃশ্য। (৩৮ বার)
২৭০. أَفْوَاهٌ (অাফ্ওয়াহুন) - মু্খমন্ডল। (১২ বার)
২৭১. لِسَانٌ/أَلْسِنَةٌ (লিসানুন/অালসিনাতুন) - জিহ্বা, ভাষা। (২৫ বার)
২৭২. صَدْرٌ/صُدُوْرٌ (ছদরুন/ছুদুরুন) - বুক। (৪৪ বার)
২৭৩. بَطْنٌ/بُطُوْنٌ (বাত্বনুন/বুত্বুনুন) - পেট। (১৭ বার)
২৭৪. يَدٌ/أَيْدِي (ইয়াদুন/অাইদী) - হাত। (১২০ বার)
২৭৫. رِجْلٌ/أَرْجُلٌ (রিজ্লুন/অারজুলুন) - পা। (১৫ বার)
২৭৬. نَفْسٌ/أَنْفُسٌ (নাফসুন/অানফুসুন) - অাত্মা, হৃদয়। (২৯৩ বার)
২৭৭. رُوْحٌ (রূহুন) - অাত্মা, রূহ্। (২১ বার)
২৭৮. قُوَّةٌ (ক্বুওয়্যাতুন) - শক্তি। (২৯ বার)
২৭৯. اِنْسَانٌ (ইনসানুন) - মানুষ। (৬৫ বার)
২৮০. بَشَرٌ (বাশারুন) - মানুষ। (৩৭ বার)
২৮১. ذَكَرٌ/ذُكُوْرٌ (যাকারুন/যুকূরুন) - পুরুষ। (১৬ বার)
২৮২. أُنْثٰی/إِنَاثٌ (উনছা/ইনাছুন) - স্ত্রী। (৩০ বার)
২৮৩. عَدُوٌّ/أَعْدَاءٌ (অাদুভ্ভুন/অা'দাউন) - শত্রু। (৫০ বার)
২৮৪. كُفَّارٌ (কুফ্ফারুন) - কাফেররা। (২১ বার)
২৮৫. مُجْرِمٌ (মুজরিমুন) - ক্রিমিনাল, চালাক। (৫২ বার)
২৮৬. مَلَأٌ (মালায়ুন) - প্রধান। (২২ বার)
২৮৭. بَيْتٌ/بُيُوْتٌ (বাইতুন/বুইউতুন) - ঘর। (৬৪ বার)
২৮৮. دَارٌ/دِيَارٌ (দারুন/দিয়ারুন) - দরজা। (৪৮ বার)
২৮৯. فِتْنَةٌ (ফিতনাহ্) - ফিতনা, ফাসাদ। (৩৪ বার)
২৯০. قَرْيَةٌ/قُرَی (ক্বারইয়াহ্/ক্বুরা) - গ্রাম, জনপদ, শহর। (৫৭ বার)
২৯১. مَالٌ/أَمْوَالٌ (মালুন/অামওয়ালুন) - সম্পদ। (৮৬ বার)
২৯২. مَتَاعٌ (মাতায়ুন) - অানন্দ, বিধান, ব্যবস্থা, সামগ্রী। (৩৪ বার)
২৯৩. مَكَانٌ/مَكَانَةٌ (মাকানুন/মাকানাতুন) - স্থান। (৩২ বার)
২৯৪. شَجَرٌ/شَجَرَةٌ (শাজারুন/শাজারাতুন) - গাছ। (২৬ বার)
২৯৫. أَعْمَی (অা'মা) - অন্ধ। (১৪ বার)
২৯৬. أَلْبَابٌ (অালবাবুন) - বুদ্ধি, মেধা, দরজা। (১৬ বার)
২৯৭. بَرٌّ (বার্রুন) - ভূমি। (১৫ বার)
২৯৮. بَلَاغٌ (বালাগুন) - পৌঁছানো, প্রকাশ করা, বহন করা। (১৫ বার)
২৯৯. بَنَاتٌ (বানাতুন) - কন্যা। (১৭ বার)
৩০০. بُشْرٰی (বুশরা) - ভাল খবর। (১৫ বার)।
৩০১. بَابٌ/أَبْوَابٌ (বাবুন, অাবওয়াবুন) - দরজা। (২৭ বার)
৩০২. تَأْوِيْلٌ (তা'ভীলুন) - অর্থ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা। (১৭ বার)
৩০৩. تُرَابٌ (তুরাবুন) - ধুলিকণা, ধুলি, মাটি। (১৬ বার)
৩০৪. ثَلَاثَةٌ (ছালাছাহ্) - তিন। (১৩ বার)
৩০৫. ثَمَرَاتٌ (ছামারাতুন) - ফল। (১৬ বার)
৩০৬. حُدُوْدٌ (হুদূদুন) - সীমানা। (১৪ বার)
৩০৭. حُسْنٰی (হুস্না) - সর্বোত্তম। (১৭ বার)
৩০৮. دَابَّةٌ (দাব্বাহ্) - চলমান প্রাণী। (১৪ বার)
৩০৯. دَرَجَاتٌ (দারাজাতুন) - মর্যাদা। (১৪ বার)
৩১০. نَبَأ (নাবা') - খবর। (১৫ বার)
৩১১. شَفَاعَةٌ (শাফায়াহ্) - সুপারিশ, শাফায়ত। (১৩ বার)
৩১২. عَدْلٌ (অাদলুন) - ন্যায়, ক্ষতিপূরণ। (১৪ বার)
৩১৩. لَعْنَةٌ (লা'নাতুন) - লা'নত, অভিশাপ। (১৪ বার)
৩১৪. لَيْتَ (লাইতা) - ইচ্ছা, অাশা। (১৪ বার)
৩১৫. مَدِيْنَةٌ (মাদীনাহ্) - শহর। (১৪ বার)
৩১৬. مَرَضٌ (মারাদ্বুন) - রোগ। (১৩ বার)
৩১৭. مَقَام (মাক্বাম) - দাঁড়ানোর স্থান। (১৪ বার)
৩১৮. مِلَّةٌ (মিল্লাহ্) - ধর্ম। (১৬ বার)
৩১৯. بِسْمِ (বিসমি) - নামের সাথে। (৩৯ বার)
৩২০. اِيَّاكَ (ইয়্যাকা) - একমাত্র তোমার, তুমি একা। (২৪ বার)
৩২১. مٰلِك (মালিক) - অধিপতি, রাজা। (১৩ বার)
৩২২. سُبْحَانَكَ (সুবহানাকা) - তুমি কত মহান!/তুমি কত পবিত্র! (৪১ বার)
৩২৩. أَهْدٰی (অাহদা) - অধিক পথপ্রদর্শক। (৭ বার)
৩২৪. سُنَّةٌ (সুন্নাহ্) - রাস্তা, পথ, তরীকা। (১৪ বার)
৩২৫. اَلصِّرَاطَ (অাস্সিরাত্বা) - রাস্তা, পথ। (৪৬ বার)
৩২৬. اَلْمُسْتَقِيْمَ (অালমুস্তাক্বীমা) - সোজা। (৩৭ বার)
৩২৭. لِقَاء (লিক্বা') - সাক্ষাৎ। (২৪ বার)
৩২৮. صَاحِبٌ/أَصْحَابٌ (সাহেবুন/অাসহাবুন) - সাথী, সহচর। (৯৪ বার)।

*পবিত্র ক্বুরঅান মাজীদে সরাসরি ও অারবী গ্রামারের বিভিন্ন রূপান্তরে রূপান্তরিত হয়ে ব্যবহৃত (ক্রমিক নং ৩২৯ থেকে ৬০৩ পর্যন্ত) ফে'ল জাতীয় ২৭৫টি শব্দ :
৩২৯. خُذُوْ (খুযু) - ধর, গ্রহণ কর। (১২৭ বার)
৩৩০. فَعَلَ (ফায়ালা) - করা। (১০৫ বার)
৩৩১. فَتَحَ (ফাতাহা) - খোলা। (২৯ বার)
৩৩২. بَعَثَ (বায়াছা) - পাঠানো। (৬৫ বার)
৩৩৩. جَعَلَ (জায়ালা) - বানানো, করা, দেয়া। (৩৪৬ বার)
৩৩৪. جَمَعَ (জামায়া) - সংগ্রহ করা। (৪০ বার)
৩৩৫. ذَهَبَ (যাহাবা) - যাওয়া। (৩৭ বার)
৩৩৬. رَفَعَ (রাফায়া) - ওঠানো, তোলা। (২৮ বার)
৩৩৭. سَحَرَ (সাহারা) - যাদু করা। (৫৭ বার)
৩৩৮. صَلَحَ (সালাহা) - সৎকাজ করা। (১৩১ বার)
৩৩৯. لَعَنَ (লায়ানা) - অভিসম্পাত করা। (২৭ বার)
৩৪০. نَفَعَ (নাফায়া) - উপকার করা। (৪২ বার)
৩৪১. مَنَعَ (মানায়া) - বাধা দেয়া। (১৩ বার)
৩৪২. نَصَرَ (নাসারা) - সাহায্য করা। (৯২ বার)
৩৪৩. بَلَغَ (বালাগা) - পৌঁছানো। (৪৯ বার)
৩৪৪. بَسَطَ (বাসাত্বা) - বাড়ানো। (২২ বার)
৩৪৫. تَرَكَ (তারাকা) - ত্যাগ করা। (৪৩ বার)
৩৪৬. حَشَرَ (হাশারা) - সমবেত করা। (৪৩ বার)
৩৪৭. حَكَمَ (হাকামা) - বিচার করা। (৮০ বার)
৩৪৮. خَرَجَ (খারাজা) - বের করা। (৬১ বার)
৩৪৯. خَلَدَ (খালাদা) - চিরস্থায়ী হওয়া। (৮৩ বার)
৩৫০. خَلَقَ (খালাক্বা) - সৃষ্টি করা। (২৪৮ বার)
৩৫১. دَخَلَ (দাখালা) - প্রবেশ করা। (৭৮ বার)
৩৫২. ذَكَرَ (যাকারা) - স্মরণ করা। (১৬৪ বার)
৩৫৩. رَزَقَ (রাযাকা) - সরবরাহ করা, দান করা। (১২২ বার)
৩৫৪. سَجَدَ (সাজাদা) - সেজদা করা। (৬৪ বার)
৩৫৫. شَعَرَ (শায়ারা) - কবিতা রচনা করা। (৩০ বার)
৩৫৬. شَكَرَ (শাকারা) - কৃতজ্ঞ হওয়া। (৬৩ বার)
৩৫৭. صَدَقَ (সাদাক্বা) - সত্য বলা। (৮৯ বার)
৩৫৮. عَبَدَ (অাবাদা) - ইবাদত করা। (১৪৩ বার)
৩৫৯. فَسَقَ (ফাসাক্বা) - গুনাহ্ করা। (৫৪ বার)
৩৬০. قَعَدَ (ক্বায়াদা) - বসা, অধিবেশন হওয়া, উপবেশন করা। (২৩ বার)
৩৬১. كَتَبَ (কাতাবা) - লেখা। (৫৬ বার)
৩৬২. كَتَمَ (কাতামা) - গোপন করা। (২১ বার)
৩৬৩. كَفَرَ (কাফারা) - অস্বীকার করা। (৪৬১ বার)
৩৬৪. مَكَرَ (মাকারা) - কৌশল করা, চক্রান্ত করা। (৪৩ বার)
৩৬৫. نَظَرَ (নাযারা) - দেখা। (৯৫ বার)
৩৬৬. نَفَخَ (নাফাখা) - ফুঁ দেয়া, ফুৎকার দেয়া। (২০ বার)
৩৬৭. ضَرَبَ (যারাবা) - প্রহার করা। (৫৮ বার)
৩৬৮. حَمَلَ (হামালা) - বহন করা। (৫০ বার)
৩৬৯. صَبَرَ (ধৈর্য ধারণ করা। (৯৫ বার)
৩৭০. ظَلَمَ (যালামা) - জুলুম করা। (২৬৬ বার)
৩৭১. عَرَفَ (অারাফা) - জানা, পরিচয় হওয়া। (৫৯ বার)
৩৭২. عَقَلَ (অাক্বালা) - বোঝা, জ্ঞান হওয়া। (৪৯ বার)
৩৭৩. غَفَرَ (গাফারা) - ক্ষমা করা। (৯৫ বার)
৩৭৪. قَدَرَ (ক্বাদারা) - সক্ষম হওয়া। (৪৭ বার)
৩৭৫. كَذَبَ (কাযাবা) - মিথ্যা বলা। (৭৬ বার)
৩৭৬. كَسَبَ (কাসাবা) - উপার্জন করা, অর্জন করা। (৬২ বার)
৩৭৭. مَلَكَ (মালাকা) - মালিক হওয়া। (৪৮ বার)
৩৭৮. سَبَقَ (সাবাক্বা) - অগ্রবর্তী হওয়া। (৩১ বার)
৩৭৯. رَجَعَ (রাজায়া) - ফিরে অাসা। (৮৬ বার)
৩৮০. سَمِعَ (সামিয়া) - শোনা। (১০০ বার)
৩৮১. حَزِنَ (হাঝিনা) - দুঃখ পাওয়া। (৩৯ বার)
৩৮২. حَسِبَ (হাসিবা) - হিসেব করা, চিন্তা করা, বিবেচনা করা। (৪৪ বার)
৩৮৩. حَفِظَ (হাফিযা) - সংরক্ষণ করা। (২৭ বার)
৩৮৪. خَسِرَ (খাসিরা) - ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। (৫১ বার)
৩৮৫. رَحِمَ (রাহিমা) - দয়া করা, অনুগ্রহ করা। (১৪৮ বার)
৩৮৬. شَهِدَ (শাহিদা) - সাক্ষ্য দেয়া। (৬৮ বার)
৩৮৭. عَلِمَ (অালিমা) - জানা। (৫১৮ বার)
৩৮৮. عَمِلَ (অামিলা) - কাজ করা। (৩১৮ বার)
৩৮৯. فَقِهَ (ফাক্বিহা) - বোঝা। (১৯ বার)
৩৯০. فَرِحَ (ফারিহা) - অানন্দ করা। (১৫ বার)
৩৯১. كَرِهَ (কারিহা) - অপছন্দ করা। (৩০ বার)
৩৯২. لَبِثَ (লাবিছা) - থাকা, থামা। (৩১ বার)
৩৯৩. تَبِعَ (তাবিয়া) - অনুসরণ করা। (১৩৬ বার)
৩৯৪. بَصُرَ (বাছুরা) দেখা। (১৩ বার)
৩৯৫. ضَلَّ (দ্বাল্লা) - ভ্রষ্ট হওয়া। (১১৪ বার)
৩৯৬. حَقَّ (হাক্বা) - সত্য হওয়া। (২০ বার)
৩৯৭. حَيَّ (হাইয়্যা) - বাস করা, বেঁচে থাকা, এসো। (৮৩ বার)
৩৯৮. خَرَّ (খার্রা) - পতিত হওয়া। (১২ বার)
৩৯৯. رَدَّ (রাদ্দা) - ফিরিয়ে দেয়া। (৪৪ বার)
৪০০. صَدَّ (সাদ্দা) - বাধা দেয়া, বিরত রাখা। (৩৯ বার)।
৪০১. ضَرَّ (দ্বার্রা) - ক্ষতি করা, অাঘাত করা। (৩১ বার)
৪০২. ظَنَّ (যান্না) - চিন্তা করা, ধারণা করা। (৬৯ বার)
৪০৩. عَدَّ (অাদ্দা) - হিসেব করা। (১৭ বার)
৪০৪. غَرَّ (গার্রা) - প্রতারণা করা। (২৪ বার)
৪০৫. مَدَّ (মাদ্দা) - ছড়ানো, প্রসারিত করা। (১৭ বার)
৪০৬. مَسَّ (মাস্সা) - ছোঁয়া, স্পর্শ করা। (৫৮ বার)
৪০৭. وَدَّ (ওয়াদ্দা) - ইচ্ছা করা, অাশা করা, ভালবাসা। (১৮ বার)
৪০৮. وَعَدَ (ওয়াদা) - প্রতিজ্ঞা করা। (১২০ বার)
৪০৯. وَجَدَ (ওয়াজাদা) - পাওয়া। (১০৭ বার)
৪১০. وَزَرَ (ওয়াঝারা) - বহন করা, উযির হওয়া। (১৯ বার)
৪১১. وَرِثَ (ওয়ারিছা) - উত্তরাধিকারী হওয়া। (২০ বার)
৪১২. وَذَرَ (ওয়াযারা) - ছেড়ে দেয়া। (৪৫ বার)
৪১৩. وَسِعَ (ওয়াসিয়া) - প্রসারিত হওয়া। (২৫ বার)
৪১৪. وَصَفَ (ওয়াসাফা) - বর্ণনা করা, অালোচনা করা। (১৪ বার)
৪১৫. وَصَلَ (ওয়াসালা) - সংযুক্ত করা। (১০ বার)
৪১৬. وَضَعَ (ওয়াদ্বায়া) - স্থাপন করা। (২২ বার)
৪১৭. وَعَظَ (ওয়াযা) - ওয়াজ করা, উপদেশ দেয়া। (১৫ বার)
৪১৮. وَقَعَ (ওয়াক্বায়া) - ঘটানো। (২০ বার)
৪১৯. وَقٰی (ওয়াক্বা) - রক্ষা করা। (১৯ বার)
৪২০. وَهَبَ (ওয়াহাবা) - দান করা। (২২ বার)
৪২১. قَالَ (ক্বালা) - বলা। (১৭১৫ বার)
৪২২. كَانَ (কানা) - হওয়া। (১৩৫৮ বার)
৪২৩. تَابَ (তাবা) - ফিরে অাসা, তওবা করা। (৭২ বার)
৪২৪. خَافَ (খাফা) - ভয় করা। (১১২ বার)
৪২৫. ذَاقَ (যাক্বা) - স্বাদ গ্রহণ করা। (৪১ বার)
৪২৬. زَادَ (ঝাদা) - বৃদ্ধি হওয়া। (৫১ বার)
৪২৭. سَارَ (সারা) - ভ্রমণ করা। (১৮ বার)
৪২৮. فَازَ (ফাঝা) - সফল হওয়া। (২৬ বার)
৪২৯. قَامَ (ক্বামা) - দাঁড়ানো। (৫৫ বার)
৪৩০. كَادَ (কাদা) - কৌশল করা, উপক্রম হওয়া। (৫৯ বার)
৪৩১. مَاتَ (মাতা) - মৃত্যু বরন করা। (৮৯ বার)
৪৩২. نَالَ (নালা) - পৌঁছা, লাভ করা। (১২ বার)
৪৩৩. دَعَا (দায়া) - ডাকা। (১৯৯ বার)
৪৩৪. بَغٰی (বাগা) - চাওয়া, খোঁজা। (২৯ বার)
৪৩৫. تَلَا (তালা) - পড়া, অাবৃত্তি করা। (৬২ বার)
৪৩৬. جَرٰی (জারা) - প্রবাহিত হওয়া। (৬০ বার)
৪৩৭. جَزٰی (জাঝা) - পুরষ্কার। (১১৬ বার)
৪৩৮. خَشِیَ (খাশিয়া) - ভয় পাওয়া, ভয় করা। (৪৮ বার)
৪৩৯. رَجَا (রাজা) - অাশা করা। (২৩ বার)
৪৪০. رَضِیَ (রাদ্বিয়া) - খুশী হওয়া, খুশী করা। (৫৭ বার)
৪৪১. عَفَا (অাফা) - ক্ষমা করা, বিলুপ্ত করা। (৩০ বার)
৪৪২. قَضٰی (ক্বাদ্বা) - পূর্ণ করা, অাইন জারি করা। (৬২ বার)
৪৪৩. كَفٰی (কাফা) - চলা, হওয়া, পর্যাপ্ত হওয়া। (৩২ বার)
৪৪৪. نَسِیَ (নাসিয়া) - ভুল করা, ভুল হওয়া। (২৭৭ বার)
৪৪৫. هَدٰی (হাদা) - পথ প্রদর্শন করা, পথ দেখানো। (১৬১ বার)
৪৪৬. أَمَرَ (অামারা) - অাদেশ করা। (২৪৪ বার)
৪৪৭. أَبٰی (অাবা) - প্রত্যাখ্যান করা। (১৩ বার)
৪৪৮. أَخَذَ (অাখাযা) - গ্রহণ করা। (১৪২ বার)
৪৪৯. أَكَلَ (অাকালা) - খাওয়া। (১০১ বার)
৪৫০. أَمِنَ (অামিনা) - বিশ্বাস করা। (৪৩ বার)
৪৫১. أَبْدٰی (অাবদা) - প্রকাশ করা। (১৬ বার)
৪৫২. بَدَأَ (বাদায়া) - শুরু করা, অারম্ভ করা। (১২ বার)
৪৫৩. جَاءَ (জায়া) - অাসা। (২৭৮ বার)
৪৫৪. رَأٰی (রায়া) - দেখা। (২৭৩ বার)
৪৫৫. سَاءَ (সায়া) - মন্দ হওয়া। (৩৯ বার)
৪৫৬. سَأَلَ (সায়ালা) - প্রশ্ন করা। (১১৯ বার)
৪৫৭. شَاءَ (শায়া) - ইচ্ছা করা, অাশা করা। (২৩৬ বার)
৪৫৮. قَرَأَ (ক্বারায়া) - পড়া, অাবৃত্তি করা। (১৬ বার)
৪৫৯. بَدَّلَ (বাদ্দালা) - পরিবর্তন করা। (৩৩ বার)
৪৬০. بَشَّرَ (বাশ্শারা) - সুসংবাদ দেয়া। (৪৮ বার)
৪৬১. بَيَّنَ (বাইয়্যানা) - বর্ণনা করা। (৪১ বার)
৪৬২. حَرَّمَ (হার্রামা) - নিষিদ্ধ করা। (৪৪ বার)
৪৬৩. ذَكَّرَ (যাক্কারা) - স্মরণ করিয়ে দেয়া। (২৬ বার)
৪৬৪. زَيَّنَ (যাইয়্যানা) - সজ্জিত করা। (২৬ বার)
৪৬৫. سَبَّحَ (সাব্বাহা) - প্রশংসা করা, গুণগান করা। (৪৬ বার)
৪৬৬. سَخَّرَ (সাখ্খারা) - নিয়ন্ত্রণ করা, অধীন করা। (২৬ বার)
৪৬৭. صَدَّقَ (সাদ্দাক্বা) - সত্যবাদী বলা, সত্যবাদী ঘোষণা করা। (৩১ বার)
৪৬৮. طَهَّرَ (ত্বাহ্হারা) - পবিত্র করা। (১৭ বার)
৪৬৯. عَذَّبَ (অায্যাবা) - শাস্তি দেয়া। (৪৯ বার)
৪৭০. عَلَّمَ (অাল্লামা) - শিখানো। (৪২ বার)
৪৭১. فَصَّلَ (ফাস্সালা) - ব্যাখ্যা করা। (২৪ বার)
৪৭২. قَدَّمَ (ক্বাদ্দামা) - উপস্থাপন করা। (২৭ বার)
৪৭৩. قَدَّرَ (ক্বাদ্দারা) - সজ্জিত রাখা (২১ বার)
৪৭৪. كَذَّبَ (কায্যাবা) - মিথ্যাবাদী বলা, মিথ্যাবাদী ঘোষণা করা। (১৯৮ বার)
৪৭৫. كَفَّرَ (কাফ্ফারা) - মার্জনা করা, ক্ষমা করা। (১৪ বার)
৪৭৬. كَلَّمَ (কাল্লামা) - কথা বলা। (২১ বার)
৪৭৭. مَتَّعَ (মাত্তায়া) - উপভোগ করানো। (১৯ বার)
৪৭৮. نَبَّأَ (নাব্বায়া) - অবগত করা, ঘোষণা দেয়া। (৪৬ বার)
৪৭৯. نَجّٰی (নাজ্জা) - সরবরাহ করা। (৩৯ বার)
৪৮০. نَزَّلَ (নাঝ্ঝালা) - অবতীর্ণ করা। (৭৯ বার)
৪৮১. وَفّٰی (ওয়াফ্ফা) - সম্পূর্ণ জমা দেয়া। (১৯ বার)
৪৮২. وَلّٰی (ওয়াল্লা) - সরানো, ঘোরানো। (৩১ বার)
৪৮৩. بٰرَكَ/بَارَكَ (বারাকা) - মঙ্গল হওয়া। (২০ বার)
৪৮৪. جَادَلَ (জাদালা) - তর্ক করা, যুক্তি তর্ক করা। (২৫ বার)
৪৮৫. جَاهَدَ (জাহাদা) - যুদ্ধ করা। (৩১ বার)
৪৮৬. حَاسَبَ (হাসাবা) - হিসেব করা। (৪২ বার)
৪৮৭. شَاقَّ (শাক্কা) - মতভেদ করা। (১৪ বার)
৪৮৮. ضَاعَفَ (দ্বায়াফা) - গুণ করা। (১১ বার)
৪৮৯. قَاتَلَ (ক্বাতালা) - হত্যা করা। (৬৭ বার)
৪৯০. لَاقٰی (লাক্বা) - সাক্ষাৎ করা। (৩১ বার)
৪৯১. نَادٰی (নাদা) - ডাকা। (৪৮ বার)
৪৯২. نَافَقَ (নাফাক্বা) - ভন্ডামী করা, কপটতা করা, খেলা করা। (৩৭ বার)
৪৯৩. هَاجَرَ (হাজারা) - ছেড়ে যাওয়া। (২৪ বার)
৪৯৪. اٰمَنَ (অামানা) - বিশ্বাস করা। (৮১২ বার)
৪৯৫. أَبْصَرَ (অাবসারা) - দেখা। (৩৬ বার)
৪৯৬. أَحْسَنَ (অাহসানা) দান করা, উত্তম হওয়া। (৭২ বার)
৪৯৭. أَخْرَجَ (অাখরাজা) - বের করা। (১১৩ বার)
৪৯৮. أَخْلَصَ (অাখলাসা) - অান্তরিক হওয়া, পরিশুদ্ধ হওয়া। (২২ বার)
৪৯৯. أَدْخَلَ (অাদখালা) - অন্তর্ভুক্ত হওয়া। (৪৫ বার)
৫০০. أَرْسَلَ (অারসালা) - প্রেরণ করা, পাঠানো। (১৭১ বার)।
৫০১. أَسْرَفَ (অাসরাফা) - অপব্যয় করা। (২৩ বার)
৫০২. أَسْلَمَ (অাসলামা) - অাত্মসমর্পন করা। (৭২ বার)
৫০৩. أَشْرَكَ (অাশরাকা) - অংশীদার হওয়া, শরীক করা। (১২০ বার)
৫০৪. أَصْبَحَ (অাসবাহা) - হওয়া। (৩৪ বার)
৫০৫. أَصْلَحَ (অাসলাহা) - ভাল হওয়া, সংস্কার করা। (৪০ বার)
৫০৬. أَعْرَضَ (অা'রাদ্বা) - উপেক্ষা করা। (৫৩ বার)
৫০৭. أَغْرَقَ (অাগরাক্বা) - ডুবানো। (২১ বার)
৫০৮. أَفْسَدَ (অাফসাদা) বিকৃত করা। (৩৬ বার)
৫০৯. أَفْلَحَ (অাফলাহা) - কৃতকার্য হওয়া। (৪০ বার)
৫১০. أَقْسَمَ (অাক্বসামা) - শপথ করা। (২১ বার)
৫১১. أَمْسَكَ (অামসাকা) - ধরা। (২১ বার)
৫১২. أَنْبَتَ (অানবাতা) - উত্গত করা, নির্গত করা। (১৬ বার)
৫১৩. أَنْذَرَ (অানযারা) - ভীতিপ্রদর্শন করা। (৬৪ বার)
৫১৪. أَنْزَلَ (অানঝালা) - অবতীর্ণ করা। (১৯০ বার)
৫১৫. أَنْشَأَ (অানশায়া) - সৃষ্টি করা। (২৩ বার)
৫১৬. أَنْفَقَ (অানফাক্বা) - দান করা, খরচ করা, ব্যয় করা। (৭০ বার)
৫১৭. أَنْكَرَ (অানকারা) - অস্বীকার করা। (২৫ বার)
৫১৮. أَهْلَكَ (অাহলাকা) - ধ্বংস করা। (৫৭ বার)
৫১৯. أَثَارَ (অাছারা) - উসকানো, ওঠানো। (৫ বার)
৫২০. أَجَابَ (অাজাবা) - উত্তর দেয়া, সাড়া দেয়া। (১০ বার)
৫২১. أَجَارَ (অাজারা) - অাশ্রয় দেয়া। (৬ বার)
৫২২. أَحَطَ (অাহাত্বা) - বেষ্টন করা। (২০ বার)
৫২৩. أَذَاقَ (অাযাক্বা) - চাখানো। (২২ বার)
৫২৪. أَرَادَ (অারাদা) - ইচ্ছা করা। (১৩৯ বার)
৫২৫. أَصَابَ (অাসাবা) - লাভ করা, প্রদান করা, অারোপ করা, ঘটা। (৬৫ বার)
৫২৬. أَطَاعَ (অাত্বায়া) - অনুসরণ করা, মান্য করা। (৭৩ বার)
৫২৭. أَعَادَ (অায়াদা) - ফিরে অাসা। (১৮ বার)
৫২৮. أَقَامَ (অাক্বামা) - প্রতিষ্ঠা করা। (৭১ বার)
৫২৯. أَمَاتَ (অামাতা) - মৃত্যু বরণ করা। (২১ বার)
৫৩০. أَنَابَ (অানাবা) - ঘোরানো, সরানো, প্রতিনিধি করা। (১৮ বার)
৫৩১. أَهَانَ (অাহানা) - হেয় করা। (১৭ বার)
৫৩২. أَتٰی (অাতা) - অাসা। (২৬৪ বার)
৫৩৩. اٰتٰی (অাতা) - দেয়া। (২৭৫ বার)
৫৩৪. اٰذٰی (অাযা) - ক্ষতি করা, বিরক্ত করা। (১৫ বার)
৫৩৫. أَحْيَا (অাহ্ইয়া) - জীবিত করা। (৫৩ বার)
৫৩৬. أَخْزٰی (অাখ্ঝা) - অপমান করা, লজ্জা দেয়া। (১৩ বার)
৫৩৭. أَخْفٰی (অাখ্ফা) - গোপন রাখা। (১৮ বার)
৫৩৮. أَدْرٰی (অাদরা) - জানা, জানতে দেয়া। (১৭ বার)
৫৩৯. أَرٰی (অারা) - দেখানো। (৪২ বার)
৫৪০. أَغْنٰی (অাগনা) - ধনী করা, অভাবমুক্ত করা। (৩০ বার)
৫৪১. أَلْقٰی (অালক্বা) - নিক্ষেপ করা। (৭৫ বার)
৫৪২. أَنْجٰی (অানজা) - মুক্ত করা, নাজাত দেয়া, সরবরাহ করা। (২৩ বার)
৫৪৩. أَوْحٰی (অাওহা) - প্রত্যাদেশ পাঠানো, উৎসাহিত করা। (৭২ বার)
৫৪৪. أَوْفٰی (অাওফা) - পূরণ করা। (১৮ বার)
৫৪৫. أَتَمَّ (অাতাম্মা) - শেষ করা। (১৭ বার)
৫৪৬. أَحَبَّ (অাহাব্বা) - ভালবাসা। (৬৪ বার)
৫৪৭. أَحَلَّ (অাহাল্লা) - হালাল করা, বৈধ করা। (২১ বার)
৫৪৮. أَسَرَّ (অানন্দ দেয়া। (২০ বার)
৫৪৯. أَضَلَّ (অাদ্বাল্লা) - বিভ্রান্তি করা। (৬৮ বার)
৫৫০. أَعَدَّ (অায়াদ্দা) - প্রস্তুত করা। (২০ বার)
৫৫১. أَحَبَّ (অাহাব্বা) - অধিকতর ভালবাসা। (৩ বার)
৫৫২. أَحَقَّ (অাহাক্কা) - প্রতিষ্ঠিত করা। (১০ বার)
৫৫৩. أَتْبَعَ (অাতবায়া) - অনুসরণ করা। (১৫ বার)
৫৫৪. أَسْمَعَ (অাসমায়া) - শোনানো। (১৫ বার)
৫৫৫. أَطْعَمَ (অাত্বয়ামা) - খাওয়ানো। (১৫ বার)
৫৫৬. أَنْظَرَ (অানযারা) - অবকাশ দেয়া। (১৮ বার)
৫৫৭. أَنْعَمَ (অানয়ামা) - সুখময় করা। (১৭ বার)
৫৫৮. أَيْقَنَ (অাইক্বানা) - বিশ্বাস করা। (১৭ বার)
৫৫৯. تَفَكَّرَ (তাফাক্কারা) - চিন্তা করা। (১৭ বার)
৫৬০. تَبَيَّنَ (তাবাইয়্যানা) - স্পষ্ট হওয়া। (১৮ বার)
৫৬১. تَذَكَّرَ (তাযাক্কারা) - স্মরণ করা। (৫১ বার)
৫৬২. تَرَبَّصَ (তারাব্বাসা) - প্রতিক্ষা করা, অপেক্ষা করা। (১৭ বার)
৫৬৩. تَصَدَّقَ (তাসাদ্দাকা) - সদক্বা করা, দান করা। (৯ বার)
৫৬৪. تَفَرَّقَ (তাফার্রাক্বা) - বিচ্ছিন্ন হওয়া, পৃথক হওয়া। (১০ বার)
৫৬৫. تَقَبَّلَ (তাক্বাব্বালা) - কবুল করা। (১০ বার)
৫৬৬. تَكَبَّرَ (তাকাব্বারা) - অহংকার করা। (৯ বার)
৫৬৭. تَمَتَّعَ (তামাত্তায়া) - ভোগ করা, অানন্দ করা। (১১ বার)
৫৬৮. تَوَكَّلَ (তাওয়াক্কালা) - প্রতিনিধি হওয়া। (৪৪ বার)
৫৬৯. تَوَفّٰی (তাওয়াফ্ফা) - পাওয়া। (২৫ বার)
৫৭০. تَوَلّٰی (তাওয়াল্লা) - বন্ধুরূপে গ্রহণ করা। (৭৯ বার)
৫৭১. تَبَارَكَ (তাবারাকা) - বরকতময় হওয়া। (৯ বার)
৫৭২. تَسَاءَلَ (তাসায়ালা) - পরস্পর জিজ্ঞেস করা। (৯ বার)
৫৭৩. تَعَالٰی (তায়ালা) - উঁচু হওয়া। (২১ বার)
৫৭৪. تَشَابَهَ (তাশাবাহা) - সদৃশ হওয়া। (১০ বার)
৫৭৫. تَنَازَعَ (তানাঝায়া) - পরস্পর বিতর্ক করা। (৭ বার)
৫৭৬. اِنْقَلَبَ (ইনক্বালাবা) - পরিবর্তিত হওয়া। (২২ বার)
৫৭৭. اِنْطَلَقَ (ইনত্বালাক্বা) - প্রস্থান করা। (৯ বার)
৫৭৮. اِنْشَقَّ (ইনশাক্কা) - বিদীর্ণ হওয়া, ফেটে যাওয়া। (৫ বার)
৫৭৯. اِسْوَدَّ (ইসওয়াদ্দা) - কালো রং ধারণ করা। (৫ বার)
৫৮০. اِبْيَضَّ (ইবইয়াদ্দ্বা) - সাদা হওয়া। (৩ বার)
৫৮১. اِبْتَغٰی (ইবতাগা) - চাওয়া। (৪৮ বার)
৫৮২. اِتَّبَعَ (ইত্তাবায়া) - অনুসরণ করা। (১৪০ বার)
৫৮৩. اِتَّخَذَ (ইত্তাখাযা) - গ্রহণ করা। (১২৮ বার)
৫৮৪. اِتَّقٰی (ইত্তাক্বা) - রক্ষা করা, বেঁচে থাকা। (২১৫ বার)
৫৮৫. اِخْتَلَفَ (ইখতালাফা) - ভিন্ন হওয়া, মতভেদ করা। (৫২ বার)
৫৮৬. اِسْتَمَعَ (ইসতামায়া) - শোনা, শ্রবণ করা। (১৮ বার)
৫৮৭. اِسْتَوٰی (ইসতাওয়া) - প্রতিষ্ঠিত করা। (৩৫ বার)
৫৮৮. اِشْتَرٰی (ইশতারা) - ক্রয় করা। (২১ বার)
৫৮৯. اِعْتَدٰی (ই'তাদা) - জুলুম করা, অত্যাচার করা, নির্যাতন করা। (১৮ বার)
৫৯০. اِفْتَرٰی (ইফতারা) - মিথ্যা উদ্ভাবন করা। (৫৮ বার)
৫৯১. اِنْتَهٰی (ইনতাহা) - থামা, শেষ করা। (২০ বার)
৫৯২. اِهْتَدٰی (ইহতাদা) - সঠিক পথের সন্ধান পাওয়া। (৬১ বার)
৫৯৩. اِسْتَأْذَنَ (ইসতা'যানা) - অনুমতি চাওয়া। (১২ বার)
৫৯৪. اِسْتَجَابَ (ইসতাজাবা) - সাড়া দেয়া। (২৮ বার)
৫৯৫. اِسْتَحْيٰ (ইসতাহ্ইয়া) - লজ্জা দেয়া। (১০ বার)
৫৯৬. اِسْتَضْعَفَ (ইসতাদ্বয়াফা) - জুলুম করা, অত্যাচার করা, নির্যাতন করা। (১৩ বার)
৫৯৭. اِسْتَطَاعَ (ইসতাত্বায়া) - পারা, সক্ষম হওয়া। (৪২ বার)
৫৯৮. اِسْتَغْفَرَ (ইসতাগফারা) - ক্ষমা চাওয়া। (৪২ বার)
৫৯৯. اِسْتَعْجَلَ (ইসতা'জালা) - দ্রুত করতে চাওয়া। (২০ বার)
৬০০. ৫৯৪. اِسْتَقَامَ (ইসতাক্বামা) - সঠিক হওয়া। (৪৭ বার)
৬০১. ৫৯৫. اِسْتَقَرَّ (ইসতাক্বার্রা) - থাকা, অবস্থান করা। (১৪ বার)
৬০২. اِسْتَكْبَرَ (ইসতাকবারা) - বড় মনে করা। (৪৮ বার)
৬০৩. اِسْتَهْزَأَ (ইসতাহঝায়া) - ঠাট্টা করা। (২৩ বার)।

উপরিউল্লেখিত ৬০৩টি শব্দ সরাসরি ও অারবী গ্রামারের বিভিন্ন রূপে রূপায়িত হয়ে সর্বমোট ৭২,৫০৫ বার পবিত্র ক্বুরঅান মাজীদে ব্যবহৃত হয়েছে। এ শব্দগুলো পড়লেই ক্বুরঅান মাজীদের ৯৩% শব্দ অায়ত্ত হয়ে যাবে।
ان شاء الله

(سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ)

▬▬▬▬ ◈◉◈ ▬▬▬▬

Saturday, 18 July 2020

স্বামীর আনুগত্যের আবশ্যকতা


·
মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, মসজিদে নাবাউয়ীর মুদার্রিস এবং মসজিদে কুবার সম্মাননীয় ইমাম ও খতিব, আশ-শাইখ, আল-‘আল্লামাহ, আল-ফাক্বীহ, ড. সুলাইমান বিন সালীমুল্লাহ আর-রুহাইলী (হাফিযাহুল্লাহ) বলেছেন—
❝মহিলার জন্য স্বামীর আনুগত্য করার ব্যাপারটি বাড়িতে সুন্দর সহাবস্থানে থাকার আওতাভুক্ত। আল্লাহর নাফরমানি হয় না, এমন প্রতিটি কাজে স্বামীর আনুগত্য করা স্ত্রীর জন্য ওয়াজিব। এমনকি ‘উলামাগণ বলেছেন, স্বামীর আনুগত্য করা পিতামাতার আনুগত্যের চেয়েও অগ্রাধিকারযোগ্য। অর্থাৎ আনুগত্যের ক্ষেত্রে পিতামাতার অধিকারের চেয়ে স্ত্রীর ওপর স্বামীর অধিকারই প্রাধান্য পাবে।
তাঁরা বলেছেন, স্বামী যদি স্ত্রীকে এমন কাজের আদেশ দেয়, যা কোনো পাপের কাজ নয়, আবার তার (স্ত্রীর) পিতা যদি তাকে এমন কাজের আদেশ দেয়, যা কোনো পাপের কাজ নয়, তাহলে তার জন্য স্বীয় স্বামীর আনুগত্য করাই আবশ্যক হবে। এমনকি স্বামী যদি স্ত্রীকে তার পরিবারের কাছে যেতে বাধা দেয়, যদিও কাজটি স্বামীর জন্য বৈধ নয়, তথাপি এক্ষেত্রে স্বামীর আনুগত্য করাই হবে তার জন্য ওয়াজিব।
কোনো ক্ষতি না থাকা সত্ত্বেও এমনিতেই স্ত্রীকে (পরিবারের কাছে যেতে) বাধা দেওয়া স্বামীর জন্য জায়েজ নয়। কিন্তু যখন স্বামী তদীয় স্ত্রীকে এ কাজের নির্দেশ দিবে, তখন তা পালন করা আবশ্যক বিবেচিত হবে। মহান আল্লাহ বলেছেন, “নেককার স্ত্রীগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাজতযোগ্য করে দিয়েছেন লোকচক্ষুর অন্তরালেও তারা তা হেফাজত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা করো, তাদেরকে সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ করো এবং প্রহার করো। তারা যদি তোমাদের অনুগত হয়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোনো পথ অনুসন্ধান কোরো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমুন্নত, সুমহান।” [১]
স্বামীর আনুগত্য যে স্ত্রীর ওপর ওয়াজিব, তার দলিল এ আয়াতে রয়েছে। তিনটি দিক থেকে এ দলিল গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম দিক: আয়াতে উদ্ধৃত ‘ক্বানিতাহ’ তথা ‘অনুগতা’ বিশেষণটি সে মহিলার জন্যই প্রযোজ্য হয়, যে তদীয় স্বামীর আনুগত্য করে। এ ব্যাখ্যা করেছেন ইবনু ‘আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা) ও একাধিক সালাফ। সুতরাং ‘অনুগতা’ মহিলা তিনিই, যিনি নিজের স্বামীর আনুগত্য করেন। সালাফদের থেকে এমন তাফসীরই বর্ণিত হয়েছে। [২]

Friday, 24 April 2020

বিবিসি সম্বন্ধে এক ভাইয়ের পোস্ট দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে উদ্ধৃত--------


বিশ্বের অন্যতম প্রধান সংবাদ সংস্থা হল রয়টার। দুনিয়ার এমন কোন সংবাদপত্র, রেডিও সেন্টার ও টিভি সেন্টার নেই, যারা রয়টার থেকে সংবাদ সংগ্রহ করে না। বর্তমান বিশ্বের প্রধান দু'টো প্রচার-মাধ্যম বিবিসি এবং ভয়েস অব আমেরিকা প্রায় ৯০% সংবাদ রয়টার থেকে সংগ্রহ করে। এ রয়টার ছাড়া দুনিয়ার সমস্ত সাংবাদিকতা যেন অচল। রয়টার হচ্ছে আকাশ সংবাদ-সংস্থার মহারাজাধিরাজ। আর তা হল ইয়াহুদীদের নিয়ন্ত্রণে।
এ ছাড়া এসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), ইউনাইটেড প্রেস (ইউপি), এজেন্সী ফ্রান্স প্রেস (এ এফ পি) -এ সবই ইয়াহুদীদের।
বর্তমান বিশ্বে সব চাইতে প্রসিদ্ধ সংবাদ প্রচার-মাধ্যম হল বিবিসি। এখান হতে ৪৩টি ভাষায় সংবাদ ও অন্যান্য অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়ে থাকে এবং এর খবরকে অধিকাংশ লোকে 'অহী' বলে ধারণা ও বিশ্বাস করে। মনে করে, এই প্রচার কেন্দ্রের খবর হল নির্ভুল সত্য এবং নিরপেক্ষও। অথচ তারা যে দ্বীনদার মুসলিমদের প্রতি নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি রাখে না, তা হয়তো দ্বীনদাররাই বোঝেন এবং পাশাপাশি আরবী, উর্দু, হিন্দী ও বাংলা অনুষ্ঠান যাঁরা শোনেন তারাও একথা নিশ্চয়ই অনুধাবন করে থাকবেন। আসলে এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রটিও ইয়াহুদী পরিচালিত। এর পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে তারাই। ওদিকে স্টার টিভি যখন থেকে বিশ্বকে তা প্রোগ্রামের সেবাদাস বানিয়ে ফেলেছে, তখন থেকে ইহুদীদের প্রচার-প্রোপাগান্ডা আরো অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রিটেনের সংবাদপত্রের উপর ইহুদীদের প্রভাব প্রায় শত ভাগ। ধীরে-ধীরে তারা সবই দখল করে নিয়েছে। ব্রিটেনের নেতৃস্থানীয় ১৫টি দৈনিকের মালিকই তারা। (তথ্য সন্ত্রাস ১২১-১২৬পৃঃ)
ভাই যুবক! এই দীর্ঘ আলোচনায় বিরক্ত না হয়ে হয়তো বুঝতে পেরেছ যে, বিধর্মীদের অধর্ম প্রচারে যে জোর, মুসলিমদের ইসলাম প্রচারে সামান্যও সে জোর নেই। বিজাতির প্রচার-মাধ্যম ও শক্তির কাছে মুসলিম প্রচার-মাধ্যম ও শক্তি নেহাতই দুর্বল। তাদের সে আলো-ঝলমল সুশোভিত, সুরঞ্জিত বিভিন্ন প্রোগ্রাম ছেড়ে ধর্ম-নিয়ন্ত্রিত সাদা-মাঠা প্রোগ্রাম আর কেই বা দেখে অথবা কেই বা শোনে? ঢাকের শব্দের মাঝে মোহন বাঁশীর সূর বিলীন হওয়ারই কথা। তাছাড়া ইসলামী সে প্রচার-মাধ্যম আছেই বা ক'টা? থাকলেও সঠিক ও শুদ্ধ ইসলাম প্রচার হয়ই বা কোনটায়?
পক্ষান্তরে মানুষের মন হল মন্দ-প্রবণ, প্রবৃত্তিপরায়ণ। ভালো-মন্দ উভয়ই পাশাপাশি সুসজ্জিত থাকলে বেশীর ভাগ মানুষের মন মন্দের দিকেই আকৃষ্ট হতে থাকে, ধাবিত হয় ভালো ছেড়ে ঐ নোংরার দিকে। কিন্তু পূর্ব হতেই যদি প্রতিষেধক ঈমানী ও ইসলামী টিকা বা ভ্যাকসিন নেওয়া থাকে, তাহলে ঐ সংক্রমণের ভয় আর থাকে না। সংক্রামক ব্যাধি বিষয়ে পূর্ব-সতর্কতা থাকলে তার সংস্পর্শ ও ছোঁয়াচ থেকে সুদূরে থাকলেও সে ব্যাধির কবল থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়।
(যুব সমস্যা ও তার শরয়ী সমাধান)
আব্দুল হামীদ আল-ফাইযী আল-মাদানী

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...