·
মক্কাস্থ উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক এবং মাসজিদুল হারামের সম্মানিত মুদার্রিস, বর্তমান যুগের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস, আশ-শাইখ, আল-‘আল্লামাহ, ড. ওয়াসিউল্লাহ বিন মুহাম্মাদ ‘আব্বাস (হাফিযাহুল্লাহ) [জন্ম: ১৩৬৭ হি./১৯৪৮ খ্রি.] বলেছেন—
মক্কাস্থ উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক এবং মাসজিদুল হারামের সম্মানিত মুদার্রিস, বর্তমান যুগের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস, আশ-শাইখ, আল-‘আল্লামাহ, ড. ওয়াসিউল্লাহ বিন মুহাম্মাদ ‘আব্বাস (হাফিযাহুল্লাহ) [জন্ম: ১৩৬৭ হি./১৯৪৮ খ্রি.] বলেছেন—
❝আমরা এ ব্যাপারে বলি, মহান আল্লাহ কিতাব ও সুন্নাহর মাধ্যমে তাঁর দ্বীনকে পরিপূর্ণ করেছেন। যাঁরা তাঁর দ্বীনের প্রতি ইমান আনয়ন করেছেন, তাঁদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাহাবীবর্গ ছিলেন প্রথম সারির অগ্রণী। যাঁরা ইসলাম ও ইমানকে সাদরে বরণ করে নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সাহাবীগণই ছিলেন সবচেয়ে পরিপূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ। তাঁরা ইমামুল আইম্মাহ ﷺ ব্যতীত অন্য কারও তাক্বলীদ (অনুসরণ) করতেন না।
তারপরে তাবি‘ঈ ও তাঁদের পরবর্তীগণকে কিতাব, সুন্নাহ ও সাহাবীবর্গের আসার (বর্ণনা) থেকে যে ফতোয়া দেওয়া হতো, তাঁরা কেবল তারই অনুসরণ করতেন। তখন উম্মতের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির তাক্বলীদ করা ওয়াজিব হওয়ার ব্যাপারে কোনো প্রশ্নই ছিল না।
তাক্বলীদের ইতিহাস থেকে এটা সুবিদিত হয়েছে যে, উক্ত কথা (নির্দিষ্ট ব্যক্তির তাক্বলীদ করা ওয়াজিব মর্মের বক্তব্য) সোনালী (তিন) যুগ সমাপ্ত হওয়ার পরে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। বিভিন্ন দলিলের ভিত্তিতে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, ‘ইলমের ক্ষেত্রে মানুষ নিম্নোক্ত কয়েকটি শ্রেণিতে বিভক্ত। যথা:
১. বড়ো ‘উলামা, যাঁরা উম্মতের মধ্যে মুজতাহিদ হিসেবে পরিচিত। তাঁদেরকে ‘উলামা ও তালিবুল ‘ইলমরা চিনতে পারেন।