Sunday, 10 August 2014

মানুষকে ‘মাওলানা’ বলা যাবে কি ?



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

লেখক: শাইখ আব্দুল্লাহ আল কাফী মাদানী | সম্পাদনায়: উস্তাদ আব্দুল্লাহিল হাদী মাদানী
‘মাওলা’ শব্দের অর্থ হচ্ছেঃ প্রভু, মনিব, বন্ধু, সাহায্যকারী, অভিভাবক, মিত্র, আযাদকৃত দাস ইত্যাদি। ইমাম নভুভী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, এই শব্দের ১৬টি অর্থ আছে। এই কারণে শব্দটি সালাফে সালেহীনের মধ্যে ব্যবহারের প্রচলন ছিল। যেমন দাসগণ তাদের মনিবদের উদ্দেশ্যে ‘মাওলা’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। রাসূলুল্লাহ সা. এক হাদীছে দাসকে নিষেধ করেছেন মনিবকে ‘মাওলায়া’ বা আমার প্রভূ বলতে। আবার আরেক রেয়াওয়াতে অনুমতি দিয়েছেন যে দাস তার মনিবকে বলবে ‘সাইয়্যেদী ও মাওলায়া’। (উভয় বর্ণনা সহীহ মুসলিমে আছে)

মানুষকে ‘মাওলানা’ বলা যাবে কি ?



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

লেখক: শাইখ আব্দুল্লাহ আল কাফী মাদানী | সম্পাদনায়: উস্তাদ আব্দুল্লাহিল হাদী মাদানী
‘মাওলা’ শব্দের অর্থ হচ্ছেঃ প্রভু, মনিব, বন্ধু, সাহায্যকারী, অভিভাবক, মিত্র, আযাদকৃত দাস ইত্যাদি। ইমাম নভুভী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, এই শব্দের ১৬টি অর্থ আছে। এই কারণে শব্দটি সালাফে সালেহীনের মধ্যে ব্যবহারের প্রচলন ছিল। যেমন দাসগণ তাদের মনিবদের উদ্দেশ্যে ‘মাওলা’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। রাসূলুল্লাহ সা. এক হাদীছে দাসকে নিষেধ করেছেন মনিবকে ‘মাওলায়া’ বা আমার প্রভূ বলতে। আবার আরেক রেয়াওয়াতে অনুমতি দিয়েছেন যে দাস তার মনিবকে বলবে ‘সাইয়্যেদী ও মাওলায়া’। (উভয় বর্ণনা সহীহ মুসলিমে আছে)

স্বামীর অবাধ্যা স্ত্রীর এবং এমন ইমামের যাকে মুসলস্নীরা অপসন্দ করে।



সহিহ আত্ তিরমিজি :: সালাত অধ্যায়
অধ্যায় ২ :: হাদিস ৩৫৯
হান্নাদ () ...... আমর ইবনুল হারিস ইবন মুসতালিক রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন : বলা হয়, সবচে’ কঠিন আযাব হবে দুই ব্যক্তির, স্বামীর অবাধ্যা স্ত্রীর এবং এমন ইমামের যাকে মুসলস্নীরা অপসন্দ করে।

قَالَ هَنَّادٌ قَالَ جَرِيرٌ قَالَ مَنْصُورٌ فَسَأَلْنَا عَنْ أَمْرِ الْإِمَامِ فَقِيلَ لَنَا إِنَّمَا عَنَى بِهَذَا أَئِمَّةً ظَلَمَةً فَأَمَّا مَنْ أَقَامَ السُّنَّةَ فَإِنَّمَا الْإِثْمُ عَلَى مَنْ كَرِهَهُ
 রাবী মানসূর বলেন : ইমাম সম্পর্কে আমরা জিজ্ঞাসা করলে আমাদের বলা হল : যালিম বা অন্যায়চারী ইমামদের বেলায়ই উক্ত কথা প্রযোজ্য। কিমত্মু যে ইমাম সুন্নাতের প্রতিষ্টা করেন, তাঁর ক্ষেত্রে তাঁকে অপসন্দকারী ব্যক্তির উপরই গুনাহ বর্তাবে।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related [About] Whoever Leads People (In Salat) While They Dislike Him
Part 2 :: Hadith 359
Amr bin Al-Harith Al-Mustaliq said:

"It used to be said that the people with the worst punishment [on the Day of Judgment] are two: A woman who disobeyed her husband, and a people's Imam whom they dislike." (Sahih)

অনুমতি ব্যতীত কারো ঘরের ভিতর দৃষ্টিপাত করা জায়েয নয়।



সহিহ আত্ তিরমিজি :: সালাত অধ্যায়
অধ্যায় ২ :: হাদিস ৩৫৭
আলী ইবন হুজর () ...... সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল ইরশাদ করেন : অনুমতি ব্যতীত কারো ঘরের ভিতর দৃষ্টিপাত করা জায়েয নয়। কেউ যদি কারো ঘরের ভিতর দৃষ্টিপাত করে, তবে তো সে তাতে প্রবেশই করে ফেলল। কোন সম্প্রদায়ের ইমামতি করে দু’আর বেলায় তাদের বাদ দিয়ে কেবল নিজের জন্য দু’আ করবে না। এরূপ করলে তাদের সাথে খিয়ানত করা হবে। পেশাব-পায়খার বেগরুদ্ধ করা অবস্থায় কেউ সালাতে দাঁড়াবে না।

قَالَ وَفِي الْبَاب عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَأَبِي أُمَامَةَ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ثَوْبَانَ حَدِيثٌ حَسَنٌ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ عَنْ السَّفْرِ بْنِ نُسَيْرٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ شُرَيْحٍ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ شُرَيْحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَأَنَّ حَدِيثَ يَزِيدَ بْنِ شُرَيْحٍ عَنْ أَبِي حَيٍّ الْمُؤَذِّنِ عَنْ ثَوْبَانَ فِي هَذَا أَجْوَدُ إِسْنَادًا وَأَشْهَرُ
 এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
  ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী রহ.  () বলেন : সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীসটি হাসান।
  এই হাদীসটি মুআবিয়া ইবন সালিহ....... সাফ্র ইবন নুসায়র....... ইয়াযীদ ইবন শুরায়হ.... আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহ  সূত্রে বর্ণিত আছে। ইয়াযীদ ইবন শুরায়হ ....... আবূ হাই আল-মুআয্যিল ....... সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি সনদের দিক থেকে অধিক উত্তর প্রসিদ্ধ।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related About It Being Disliked For The Imam To Specify Himself With Supplications
Part 2 :: Hadith 357
Thawban narrated that :
the Prophet said: "It is not allowed for a man to look into the interior of a man's house until he has been given permission, for if he looks, then he has entered. And one who leads people (in Salat) should not supplicate for himself alone with the exclusion of his congregation. If he does, then he has betrayed them. And one is not to stand for Salat while he has to urinate." (Sahih)


কেউ যদি কোন সম্প্রদায়ের সাথে সাক্ষ্যাত করতে যায়, তবে সে যেন তাদের ইমামতি না করে

সহিহ আত্ তিরমিজি ::  সালাত অধ্যায়
অধ্যায় ২ :: হাদিস ৩৫৬
মাহমূদ ইবন গায়লান হান্নাদ () ...... বনূ উকায়লের জনৈক ব্যক্তি আবূ আতিয়্যা () থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন : মালিক ইবন হাওয়ায়রিস রাদিয়াল্লাহু আনহ আমাদের মসজিদে আলাপ-আলোচনা করতে আসতেন। একদিন তাঁর উপস্থিতিতে সালাতের ওয়াক্ত হয়ে গেল আমরা তাকে সামনে গিয়ে ইমামতি করতে অনুরোধ জানালাম। তিনি বললেন : তোমাদের কেউ ইমামতি করুক। আমি কেন ইমামতি করছি না তা তোমাদের বলছি: রাসূল -কে বলতে শুনেছি যে, কেউ যদি কোন সম্প্রদায়ের সাথে সাক্ষ্যাত করতে যায়, তবে সে যেন তাদের ইমামতি না করে, বরং সম্প্রদায়ের কেউ যেন ইমামতি করে।

قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَغَيْرِهِمْ قَالُوا صَاحِبُ الْمَنْزِلِ أَحَقُّ بِالْإِمَامَةِ مِنْ الزَّائِرِ و قَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ إِذَا أَذِنَ لَهُ فَلَا بَأْسَ أَنْ يُصَلِّيَ بِهِ و قَالَ إِسْحَقُ بِحَدِيثِ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ وَشَدَّدَ فِي أَنْ لَا يُصَلِّيَ أَحَدٌ بِصَاحِبِ الْمَنْزِلِ وَإِنْ أَذِنَ لَهُ صَاحِبُ الْمَنْزِلِ قَالَ وَكَذَلِكَ فِي الْمَسْجِدِ لَا يُصَلِّي بِهِمْ فِي الْمَسْجِدِ إِذَا زَارَهُمْ يَقُولُ لِيُصَلِّ بِهِمْ رَجُلٌ مِنْهُمْ
  ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী রহ.  () বলেন : এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
  অধিকাংশ সাহাবী এবং অপরাপর আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা বলেন : সাক্ষ্যাতকারী অপেক্ষা বাড়ির কর্তা ইমামতির অধিক হকদার। কতক আলিম বলেন : বাড়ির কর্তা যদি অনুমতি দেন তবে ইমামতি করায় কোন দোষ নেই।
 ইমাম ইসহাক () মালিক ইবনুল হুওয়ায়রিস রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীসটির উপর কঠোরভাবে আমল করেন। তিনি বলেন : বাড়ির কর্তা যদি অনুমতিও দেন, তবুও  কেউ ক্ষেত্রে ইমামতি করবে না। এমনিভাবে বাইরের কেউ যদি কোন সম্প্রদায়ে বা মহল্লার মসজিদে আসে, তবে সে মসজিদের সালাতে ইমামতি করবে না, বরং সম্প্রদায়েরই একজন ইমামতি করবে।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related [About] 'Whoever Visits A People, He Does Not Lead Them In Salat'
Part 2 :: Hadith 356
Abu Atiyyah narrated that :

a man among them said: "Malik bin Al-Huwairith came to us in our Musalla to narrate. One day when it was time for Salat, we told him to go ahead (to lead the prayer). He said: 'Let one of you go forward, until I narrate to you why I would not go forward (to lead prayer): I heard Allah's Messenger saying: "Whoever visits a people, then he does not lead them, but a man among them leads them." (Hasan)

রাতের খানা যদি হাযির হয়ে পড়ে আর এদিকে সালাতের ইকামাত হয়ে যায়, তবে আগে খানা খেয়ে নিবে।



সহিহ আত্ তিরমিজি ::  সালাত অধ্যায়
অধ্যায় ২ :: হাদিস ৩৫৩
কুতায়বা () ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল বলেন : রাতের খানা যদি হাযির হয়ে পড়ে আর এদিকে সালাতের ইকামাত হয়ে যায়, তবে আগে খানা খেয়ে নিবে।

قَالَ وَفِي الْبَاب عَنْ عَائِشَةَ وَابْنِ عُمَرَ وَسَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ وَأُمِّ سَلَمَةَ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَنَسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَعَلَيْهِ الْعَمَلُ عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْهُمْ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَابْنُ عُمَرَ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَقُ يَقُولَانِ يَبْدَأُ بِالْعَشَاءِ وَإِنْ فَاتَتْهُ الصَّلَاةُ فِي الْجَمَاعَةِ قَالَ أَبُو عِيسَى سَمِعْت الْجَارُودَ يَقُولُ سَمِعْتُ وَكِيعًا يَقُولُ فِي هَذَا الْحَدِيثِ يَبْدَأُ بِالْعَشَاءِ إِذَا كَانَ طَعَامًا يَخَافُ فَسَادَهُ وَالَّذِي ذَهَبَ إِلَيْهِ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَغَيْرِهِمْ أَشْبَهُ بِالِاتِّبَاعِ وَإِنَّمَا أَرَادُوا أَنْ لَا يَقُومَ الرَّجُلُ إِلَى الصَّلَاةِ وَقَلْبُهُ مَشْغُولٌ بِسَبَبِ شَيْءٍ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ قَالَ لَا نَقُومُ إِلَى الصَّلَاةِ وَفِي أَنْفُسِنَا شَيْءٌ
 এই বিষয়ে আয়েশা, ইবন উমর, সালামা ইবনুল আকওয়া এবং উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
 ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী রহ.  () বলেন : আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
 আবূ বাকর, উমর  ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহ সহ সাহাবীগণের কেউ কেউ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন।
ইমাম আহমদ ইসহাক ()- এই অভিমত পোষণ করেন। তাঁরা বলেন : জামাত ফওত হওয়ার আশংকা হলেও আগে আহার করে নিবে। জারূদ () বলেন : আমি ওয়াকী ()-কে এই হাদীসের ব্যাখ্যায় বলতে শুনেছি যে, খানা বিনষ্ট হয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিলে আগে আহার করবে।
  কতক সাহাবী অপরাপর কতিপয় আলিম এই বিষয়ে যে অভিমত ব্যক্ত করেছেন, তার অনুসরণ করাই শ্রেয়তার। তাঁদের বক্তব্যের উদ্দেশ্য হল, অন্য কোন বিষয়ে মন মশগুল রেখে কেউ যেন সালাতে না দাঁড়ায়।
 ইবন আববাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন : মনে কোন চিমত্মা  বা ব্যস্ততা রেখে আমরা সালাতে দাঁড়াই না।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related About 'When Supper Is Present And The Iqamah Is Called For Salat Then Begin With Supper'
Part 2 :: Hadith 353
Anas conveyed that :

the Prophet said: "When supper is present and the Iqamah for Salat has been called, then begin with supper." (Sahih)

সালাত ও পবিত্রতা – ওজু, গোসল ও সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি




রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

শায়খ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ)
অনুবাদ : মোহাম্মদ রকীবুদ্দীন আহমাদ হুসাইন |  সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
ওজু, গোসল ও সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি
সর্ববিধ প্রশংসা আল্লাহ রাববুল আলামীনের জন্য এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সর্বশেষ নবী, মুত্তাকীনদের ইমাম ও সৃষ্টির সেরা আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর, তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীগণের উপর।
আল্লাহ তা‘আলার প্রতি মুখাপেক্ষী বান্দাহ মুহাম্মদ ইবন ছালেহ আল-উসাইমীন বলছিঃ
আল্লাহর কিতাব ও সুন্নাতে রাসূলের আলোকে, ওজু, গোসল ও সালাত সম্পর্কে এই ক্ষুদ্র পুস্তিকাটি লিখা হলো।

সালাত ও পবিত্রতা – জামা‘আতে সালাত আদায় করার অপরিহার্যতা



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

 শায়খ আল্লামা আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায (রহিমাহুল্লাহ)
অনুবাদ : মোহাম্মদ রকীবুদ্দীন আহমাদ হুসাইন |  সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
জামা‘আতে সালাত আদায় করার অপরিহার্যতা
মুসলিম পাঠকবৃন্দের প্রতি আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায (রহিমাহুল্লাহ) এর একটি বিশেষ আহবান। আল্লাহ তা‘আলা  তাঁর সন্তুষ্টির কাজে তাদের তাওফীক দান করুন এবং আমাকেও তাদের সেই সমস্ত লোকের অন্তর্ভুক্ত করুন যারা তাঁকে ভয় করে তার নির্দেশ মেনে চলে। আমীন!
 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পারলাম যে, অনেক লোক জামা‘আতে সালাত আদায়ে অবহেলা করছেন এবং কোনো কোনো আলেমের ছাড়প্রবণ বক্তব্যকে এর পক্ষে দলীল হিসেবে পেশ করছেন। তাই, আমার কর্তব্য হলো, সবাইকে এই বিষয়ের গুরুত্ব ও এর ভয়ঙ্কর দিকগুলো স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া এবং এই কথাও বলে দেওয়া যে, কোনো মুসলিমের পক্ষে এমন বিষয়ে অবহেলার আচরণ করা উচিত নয় যে বিষয়কে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর মহান কিতাবে এবং রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাদীসে বিশেষ মর্যাদা ও গুরুত্ব সহকারে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর কিতাব কুরআনে কারীমে বহুবার উল্লেখ করে বিষয়টির মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন; এই সালাত নিয়মিত পালন করা ও জামা‘আতের সাথে তা আদায় করার নির্দেশ প্রদান করে একথাও পরিস্কার করে বলে দিয়েছেন যে, এই সালাতের প্রতি অবজ্ঞা ও অবহেলা প্রদর্শন করা মুনাফিকদের অন্যতম লক্ষণ। আল্লাহ তা‘আলা তার সুস্পষ্ট গ্রন্থে নির্দেশ প্রদান করে বলেন:

সালাত ও পবিত্রতা – শর্ত, ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

 শায়খ আল্লামা আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায (রহিমাহুল্লাহ)
অনুবাদ : মোহাম্মদ রকীবুদ্দীন আহমাদ হুসাইন |  সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
সালাতের শর্তাবলী
সালাতের শর্তাবলী মোট ৯টি। যথাঃ
  1. ইসলাম
  2. বুদ্ধিমত্তা
  3. ভাল-মন্দ পার্থক্যের জ্ঞান হওয়া
  4. নাপাকি দূর করা
  5. ওজু করা
  6. সতরে আওরাত অর্থাৎ লজ্জাস্থানসহ শরীরের নির্ধারিত অঙ্গগুলো আবৃত রাখা
  7. সালাতের সময় উপস্থিত হওয়া
  8. কিবলামুখী হওয়া এবং
  9. নিয়ত করা, নিয়ত পড়া নয়

উলামার মতানৈক্য ও আমাদের কর্তব্য – ফ্রী ডাউনলোড

 


রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

প্রণয়নেঃ শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন (রঃ)
ভাষান্তরেঃ আব্দুল হামীদ ফাইযী আল-মাদানী
53
সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ সাধারন অনেক মানুষের মনে প্রশ্ন, আমাদের আল্লাহ্‌ এক, নবী এক, কিতাব এক, কিবলাহ এক তবে মতভেদ কিসের এবং কেন? কেন উলামাগণ একমত নন? কেন এত মাযহাব ও ফির্কাহবন্দী তথা দলাদলি? এ সকল প্রশ্নের কিছু কিছু উত্তর দেওয়া হয়েছে অত্র পুস্তিকায়।
ডাউনলোড [mediafire]

শিয়া বিষয়ক ফাইল



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

এ ফাইলে শী‘আ বা শিয়া ফের্কার লোকদের আকীদা-বিশ্বাস বর্ণনা করা হয়েছে।
প্রিয় পাঠক, মুসলিম জাতি একটি একটি ঐক্যবদ্ধ ও সুসংহত জাতি। কিন্তু ইসলামের দুশমনরা এই একতা এবং সংহতিকে বিনষ্ট করার জন্য এমন কোন হীন প্রচেষ্টা বাকি রাখে নি। মুসলিম উম্মাহকে দলে দলে বিভক্ত করার জন্য তারা সব ধরণের ষড়যন্ত্র করেছে। এই ষড়যন্ত্রের হাত ধরে মুসলিম উম্মাহর পবিত্র দেহে নানা ধরণের বিষ ফোঁড়া সৃষ্টি হয়েছে। নানা ভাবে ক্ষত-বিক্ষত করেছে দ্বীনের ইসলামের সুরম্য অট্টালিকা। এ সকল ষড়যন্ত্রের বিষদাঁতগুলোর মধ্যে অন্যতম হল শিয়া রাফেজী, বাহাঈ, কাদিয়ানী সম্প্রদায় অন্যতম।  সকল ধরণের ভ্রষ্টতা থেকে বাঁচার একমাত্র পথ মুসলিজ জাতিকে পূনরায় কুরআন-সুন্নাহর কাছে ফিরে আসতে হবে। এর কোন বিকল্প নাই। যাক, আজ আপনাদের জন্য ইসলাম হাউজ ডট কম এ প্রকাশিত কতিপয় লিংক শেয়ার করা হল যেগুলো শিয়া সম্প্রদায়ের প্রকৃত চেহারা উন্মোচনে সাহায্য করবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস। লিংকগুলো খুলুন এবং শিয়াদের সম্পর্কে জানুন। সেই সাথে অন্যদের নিকট লিংকগুলো শেয়ার করুন। ধন্যাবদ।আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে দ্বীনে হকের উপর মৃত্যু অবধি অবিচল রাখুন। আমীন।
52

  1. শিয়া সুন্নী ঐক্য : সম্ভাবনা ও প্রাপ্তি
  2. কি ঘটেছিল কারবালায়? কারা হুসাইন (রা:) কে হত্যা করেছে?
  3. শিয়া আকিদার অসারতা
  4.  শী‘আ মতবাদের বিস্তৃতি
  5. সাহাবা ও ইমামগণকে গালি দেয়া নিষিদ্ধ
  6. আল ফেরদাউস একাডেমী : মানব উন্নয়ন, আরবী ভাষা শিক্ষায় নিয়োজিত
  7. শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস
  8. তাঁদের মধ্যে মধুময় সম্পর্ক [নবী-পরিবার ও অবশিষ্ট সাহাবীগণ পরস্পর সহানুভূতিশীল]
  9. কতিপয় প্রশ্ন, শিয়া যুবকদের যা সত্যের দিকে ধাবিত করেছে
  10. নাজাফ সম্মেলন
  11. শিয়া আলেম ও অধিকাংশ মুসলিম আলেমের মধ্যে বিরোধের বাস্তব চিত্র
  12. শিয়া আকিদার অসারতা
  13.  শী‘আ মতবাদের বিস্তৃতি
এই বিষয় গুলো ইংলিশ, আরবি,  ফার্সি, হাউসা , ইন্দোনেশিয়ান, ইরানোন, রাশিয়ান, তুর্কি এবং উর্দু ভাষায় জানতেএইখানে ক্লিক করুন।

আশুরা ও কারবালা



রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-

লেখকঃ আবু আহমাদ সাইফুদ্দীন বেলাল
সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ বইটিতে আশুরা ও কারবালা অর্থ, ফজিলত, রোজা রাখার নিয়ম, বিধান, কারবালার মর্মান্তিক ইতিহাস, কারবালা কেন্দ্রিক বিদাত, কুসংস্কার ও মিথ্যা কেচ্ছা-কাহিনী, কারবালা ও কিছু জাল-য‘য়ীফ হাদীস সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আসাকরি বইটি আমাদের সকল পাঠকদের অনেক উপকারে আসবে।

Download

[2.4 MB]
Download from MediaFire

সালাতের ইকামত হলে তোমরা (তাড়াহুড়া করে) দৌড়াতে দৌড়াতে আসবে না



সহিহ আত্ তিরমিজি :: সালাত অধ্যায়
অধ্যায় ২ :: হাদিস ৩২৭
মুহাম্মাদ ইবন আবদিল মালিক ইবন আবিশ-শাওয়ারিব () ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল ইরশাদ করেছেন : সালাতের ইকামত হলে তোমরা (তাড়াহুড়া করে) দৌড়াতে দৌড়াতে আসবে না, বরং সেদিকে হেঁটে আসবে। তোমাদের ধীরস্থির হওয়া উচিত। জামাআতের সাথে সালাতের যতটুকু পাবে, আদায় করে নিবে। আর যতটুকু ফওত হয়ে গেল তা (সালামের পর) পূরণ করে নিবে।

وَفِي الْبَاب عَنْ أَبِي قَتَادَةَ وَأُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ وَأَبِي سَعِيدٍ وَزَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ وَجَابِرٍ وَأَنَسٍ قَالَ أَبُو عِيسَى اخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي الْمَشْيِ إِلَى الْمَسْجِدِ فَمِنْهُمْ مَنْ رَأَى الْإِسْرَاعَ إِذَا خَافَ فَوْتَ التَّكْبِيرَةِ الْأُولَى حَتَّى ذُكِرَ عَنْ بَعْضِهِمْ أَنَّهُ كَانَ يُهَرْوِلُ إِلَى الصَّلَاةِ وَمِنْهُمْ مَنْ كَرِهَ الْإِسْرَاعَ وَاخْتَارَ أَنْ يَمْشِيَ عَلَى تُؤَدَةٍ وَوَقَارٍ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَقُ وَقَالَا الْعَمَلُ عَلَى حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ و قَالَ إِسْحَقُ إِنْ خَافَ فَوْتَ التَّكْبِيرَةِ الْأُولَى فَلَا بَأْسَ أَنْ يُسْرِعَ فِي الْمَشْيِ
এই বিষয়ে আবূ কাতাদা, উবাই ইবন কা’ব, আবূ সাঈদ, যায়দ ইবন সাবিত, জাবির আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী রহ.  () বলেন : মসজিদে হেঁটে আসার বিষয়ে আলিমগণের মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ বলেন: তাকবীরে উলা ফওত হওয়ার আশংকা হলে দ্রম্নত পায়ে এসে সালাত ধরবে। এমনকি কোন কোন আলিম বলেন: এই অবস্থায় দৌড়ে এসেও সালাতে শরীক হবে।
তবে কোন কোন আলিম সালাতে দৌড়ে আসা পসন্দনীয় বলে মত দেন নি। তাঁরা বলেন: ধীর-স্থির সম্ভ্রমের সাথে মসজিদে হেঁটে আসবে। ইমাম আহমদ ইসহাক () এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা বলেন: আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীস অনুসারে আমল করা হবে।
ইমাম ইসহাক () অবশ্য বলেন : তাকবীরে ঊলা ফওত হওয়ার আশংকা হলে দ্রম্নত হাঁটায় কোন দোষ নেই।

Jami at-Tirmidhi :: What Has Been Related About Which Of The Masajid Are More Virtuous
Part 2 :: Hadith 327
Abu Hurairah narrated that :

Allah's Messenger said: "When the Iqamah is called for Salat do not come to it rushing, rather come to it walking, and while you have tranquility. What you catch of it then pray it, and what you missed of it, then complete it." (Sahih)

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...