Monday, 21 July 2014

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান


 বিষয়: কুরআন
140. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতবার ‘আল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন’ বাক্যটি এসেছে?
উত্তরঃ ৬বার।
141. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন্‌ আয়াতে আরবী ২৯টি অক্ষরই রয়েছে?
উত্তরঃ সূরা ফাতাহ এর ২৯ নং আয়াতে।
142. প্রশ্নঃ সূরা ফাতিহায় ‘মাগযূবে আলাইহিম’ বলতে কাদেরকে বোঝানো হয়েছে এবং ‘যাল্লীন’ বলতে কাদেরকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ ‘মাগযূবে আলাইহিম’ বলতে ইহুদীদেরকে এবং ‘যাল্লীন’ বলতে খৃষ্টানদেরকে বোঝানো হয়েছে।
143. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরায় ‘মীম’ অক্ষরটি নেই?
উত্তরঃ সূরা কাওছার।
144. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরায় ك ‘কাফ’ অক্ষরটি নেই?
উত্তরঃ সূরা কুরায়শ, ফালাক ও আছর।
145. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন সূরায় দুবার বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম রয়েছে?
উত্তরঃ সূরা নামল। (২৭ নং সূরা)
146. প্রশ্নঃ কুরআনের কোন সূরার প্রথমে বিসমিল্লাহ নেই?
উত্তরঃ সূরা তাওবা। (৯নং সূরা)
147. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে মোট কতবার ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম রয়েছে?
উত্তরঃ ১১৪ বার।
148. প্রশ্নঃ কোন্‌ সূরা সম্পর্কে ইমাম শাফেঈ বলেন, “মানুষের জন্য এ সূরাটি ব্যতীত অন্য সূরা নাযিল না হলেও যথেষ্ট ছিল”?
উত্তরঃ সূরা আছর।
149. প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনে কতজন নবীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে?
উত্তরঃ ২৫ জন।

150. প্রশ্নঃ মাক্কী সূরা ও মাদানী সূরা বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ মাক্কীঃ মদীনায় হিজরতের পূর্বে যা নাযিল হয়েছে।
মাদানীঃ মদীনায় হিজরতের পর যা নাযিল হয়েছে।
151. প্রশ্নঃ মাক্কী সূরার মৌলিক বৈশিষ্ট কি কি?
উত্তরঃ ১) তাওহীদ এবং আল্লাহর ইবাদতের প্রতি আহবান। জান্নাত-জাহান্নামের আলোচনা এবং মুশরিকদের সাথে বিতর্ক।
২) মুশরকিদের খুন-খারাবী, ইয়াতীমের সম্পদ ভক্ষণ প্রভৃতি কর্মের নিন্দাবাদ।
৩) সংক্ষিপ্ত বাক্য অথচ অতি উচ্চাঙ্গের সাহিত্য সমৃদ্ধ।
৪) নবী মুহাম্মাদ (সাঃ)কে সান্তনা দেয়া ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্য ব্যাপকভাবে নবী-রাসূলদের কাহিনীর অবতারনা, এবং কিভাবে তাঁদের সমপ্রদায়ের লোকেরা তাঁদেরকে মিথ্যাবাদী বলেছে ও কষ্ট দিয়েছে তার বর্ণনা।
152. প্রশ্নঃ মাদানী সূরার মৌলিক বৈশিষ্ট কি কি?
উত্তরঃ (১) ইবাদত, আচার-আচরণ, দন্ডবিধি, জিহাদ, শান্তি, যুদ্ধ, পারিবারিক নিয়ম-নীতি, শাসন প্রণালী অন্যান্য বিধি-বিধানের আলোচনা।
(২) আহলে কিতাব তথা ইহুদী খৃষ্টানদেরকে ইসলামের প্রতি আহবান।
(৩) মুনাফেকদের দ্বিমুখী নীতির মুখোশ উম্মোচন এবং ইসলামের জন্য তারা কত ভয়ানক তার আলোচনা।
(৪) সংবিধান প্রণয়ণের ধারা ও তার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণ করার জন্য দীর্ঘ আয়াতের অবতারণা।
153. প্রশ্নঃ মাদানী সূরা পরিচয়ের নিয়ম কি?

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান


বিষয়: হাদীছ শরীফ
191.প্রশ্নঃ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ নবী (সাঃ)এর কথা, কাজ ও সমর্থনকে হাদীছ বলে।
192. প্রশ্নঃ হাদীছ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ হাদীছ দুপ্রকারঃ মাকবূল (গ্রহণযোগ্য) হাদীছ ও (মারদূদ) অগ্রহণযোগ্য হাদীছ।
193. প্রশ্নঃ মাকবূল হাদীছ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ মাকবূল হাদীছ দুপ্রকারঃ ছহীহ ও হাসান।
194. প্রশ্নঃ মারদূদ বা অগ্রহণযোগ্য হাদীছ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ দুপ্রকারঃ যঈফ (দুর্বল) ও জাল (বানোয়াট)।
195. প্রশ্নঃ সহীহ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে হাদীছটি নির্ভরযোগ্য ও পূর্ণ স্মৃতিশক্তি সম্পন্ন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন, উহার সনদ পরস্পর সম্পৃক্ত, তার মধ্যে গোপন কোন ত্রুটি নেই এবং উহা শাযও (তথা অন্য কোন অধিকতর নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর বর্ণনার বিরোধী) নয় তাকে সহীহ হাদীছ বলে।
196. প্রশ্নঃ প্রসিদ্ধ হাদীছ গ্রন্থ কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ৬টি। সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে তিরমিযী, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ, সুনানে ইবনে মাজাহ।
197. প্রশ্নঃ সিহাহ সিত্তা বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ হাদীছের ছয়টি গ্রন্থকে বুঝানো হয়। সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে তিরমিযী, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ, সুনানে ইবনে মাজাহ। (বুখারী ও মুসলিমের সবগুলো এবং অন্য কিতাবগুলোর অধিকাংশ হাদীছ বিশুদ্ধ, তাই এগুলোকে একসাথে সিহাহ সিত্তা বা ছয়টি বিশুদ্ধ হাদীছ গ্রন্থ বলা হয়)
198. প্রশ্নঃ সহীহ বুখারীতে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৭০০৮টি। মতান্তরেঃ ৭৫৬৩টি।
199. প্রশ্নঃ সহীহ মুসলিমে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৩০৩৩টি।
200. প্রশ্নঃ সুনানে তিরমিযীতে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৩৯৫৬টি।
201. প্রশ্নঃ সুনানে আবু দাউদে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৫২৭৪টি।
202. প্রশ্নঃ সুনানে নাসাঈতে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৫৭৫৮টি।
203. প্রশ্নঃ সুনানে ইবনে মাজাহতে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৪৩৪১টি।
204. প্রশ্নঃ হাদীছ গ্রন্থগুলোর মধ্যে কোন কিতাবে সবচেয়ে বেশী হাদীছ সংকলিত হয়েছে?
উত্তরঃ মুসনাদে আহমাদে।
205. প্রশ্নঃ মুসনাদে আহমাদে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ২৭৭৪৬টি।
206. প্রশ্নঃ ছয়টি প্রসিদ্ধ হাদীছ গ্রন্থ ছাড়া আরো ৫টি হাদীছ গ্রন্থের নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ মুসনাদে আহমাদ, মুআত্ত্বা মালেক, দারাকুত্বনী, সুনানে দারেমী, সুনানে বায়হাক্বী।
207. প্রশ্নঃ রিয়াযুস্‌ সালেহীন কিতাবটির লিখক কে?
উত্তরঃ ইমাম নভবী।
208. প্রশ্নঃ জাল হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে কথাটি মানুষে তৈরী করেছে, অতঃপর তা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নামে চালিয়ে দেয়া হয়েছে, তাকে জাল হাদীছ বলে।
209. প্রশ্নঃ আল্লাহর কুরআনের পর সর্বাধিক বিশুদ্ধতম গ্রন্থ কোনটি?
উত্তরঃ সহীহ বুখারী।
210. প্রশ্নঃ সহীহ বুখারীর একটি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থের নাম কি?
উত্তরঃ হাফেয ইবনে হাজার আসকালানী (রহঃ) প্রণীত ফাতহুল বারী।
211. প্রশ্নঃ কোন দুটি হাদীছ গ্রন্থকে সহীহায়ন বলা হয়?
উত্তরঃ সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম।
212. প্রশ্নঃ মুত্তাফাকুন আলাইহে বলতে কি বুঝানো হয়?
উত্তরঃ যে হাদীছটি ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম নিজ নিজ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, সে হাদীছ সম্পর্কে বলা হয় মুত্তাফাকুন আলাইহে।
213. প্রশ্নঃ সুনানে তিরমিযীর একটি প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থের নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ তুহফাতুল আহওয়াযী। লেখকঃ আবদুর্‌ রহমান মুবারকপুরী (রহঃ)।
214. প্রশ্নঃ সুনানে আবু দাউদের একটি প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থের নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ আউনুল মাবূদ। লেখকঃ শামসূল হক আযীমাবাদী (রহঃ)।
215. প্রশ্নঃ মারফূ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে হাদীছটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর কথা, কাজ বা সমর্থন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তাকে মারফূ হাদীছ বলে।
216. প্রশ্নঃ মাওকূফ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে হাদীছটি কোন সাহাবীর কথা, কাজ বা সমর্থন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে মাওকূফ হাদীছ বলে।
217. প্রশ্নঃ মাকতূ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে হাদীছটি কোন তাবেঈর কথা, কাজ বা সমর্থন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে মাক্বতূ হাদীছ বলে।
218. প্রশ্নঃ যঈফ হাদীছের কয়েকটি প্রকার উল্লেখ কর?
উত্তরঃ মুরসাল, মুনকাতে, মুযাল, মুনকার, মাক্বলূব, মুয্‌তারাব ইত্যাদি।
219. প্রশ্নঃ যঈফ হাদীছের উপর আমল করার হুকুম কি?
উত্তরঃ যঈফ হাদীছের উপর আমল করা উচিত নয়।
220. প্রশ্নঃ হাদীছের সনদ বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ হাদীছ বর্ণনার সময় বর্ণনাকারীদের সিলসিলা বা ধারাবাহিকভাবে তাদের নাম উল্লেখকে সনদ বলা হয়।
221. প্রশ্নঃ হাদীছের মতন কাকে বলা হয়?
উত্তরঃ হাদীছের মূল বক্তব্যটিকে মতন বলা হয়।

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান


306. প্রশ্নঃ নবীজী কতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ ২৭টি।
307. প্রশ্নঃ নবীজী সর্ব প্রথম কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ আল্‌ আব্‌ওয়া।
308. প্রশ্নঃ নবীজী সর্বশেষ কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ তাবুক যুদ্ধ। ৯ম হিজরী।
309. প্রশ্নঃ বদর যুদ্ধ কখন সংঘটিত হয়?
উত্তরঃ ১৭ই রামাযান, শুক্রবার। ২য় হিজরী।
310. প্রশ্নঃ বদর যুদ্ধে মুসলমান ও কাফেরদের সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?
উত্তরঃ মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা ৩১৩ জন। কাফের ১০০০ জন।
311. প্রশ্নঃ এ যুদ্ধের ফলাফল কি ছিল?
উত্তরঃ মুসলমানগণ ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করেন।
312. প্রশ্নঃ কত জন কাফের নিহত হয় ও বন্দী হয় এবং কতজন মুসলমান শহীদ হয়?
উত্তরঃ ৭০ জন নিহত হয় ও ৭০ জন বন্দী হয়। ১৪ জন মুসলমান শহীদ হন।
313. প্রশ্নঃ এ যুদ্ধে কাফেরদের একজন বড় নেতা নিহত হয়। তার নাম কি?
উত্তরঃ আবু জাহেল।
314. প্রশ্নঃ আবু জাহেলকে কে হত্যা করে?
উত্তরঃ মুআয বিন আমর ও মুআব্বেয বিন আফরা নামে দুজন কিশোর।
315. প্রশ্নঃ কে আবু জাহেলের শিরোচ্ছেদ করে?
উত্তরঃ আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ)।
316. প্রশ্নঃ কোন যুদ্ধের দিনকে কুরআনে ইয়াউমুল ফুরকান বা সত্য-মিথ্যার মাঝে পার্থক্যকারী দিন বলে উল্লেখ করা হয়েছে?
উত্তরঃ বদর যুদ্ধের দিনকে।

317. প্রশ্নঃ তৃতীয় হিজরীতে কোন যুদ্ধটি সংঘটিত হয়?
উত্তরঃ উহুদ যুদ্ধ।
318. প্রশ্নঃ কোন যুদ্ধে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর দাঁত শহীদ হয়?
উত্তরঃ উহুদ যুদ্ধে।
319. প্রশ্নঃ উহুদ যুদ্ধে মুসলমান ও কাফেরদের সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান


বিষয়: নবী-রাসূল

370. প্রশ্নঃ সর্বপ্রথম নবী কে?
উত্তরঃ আদম (আঃ)।
371.  প্রশ্নঃ কোন নবীর পিতা-মাতা কেউ ছিল না?
উত্তরঃ আদম (আঃ)।
372. প্রশ্নঃ আদম (আঃ)এর শারিরীক দৈর্ঘ কত ছিল?
উত্তরঃ ৬০ হাত।
373. প্রশ্নঃ কোন নবী পিতা ছাড়াই মায়ের গর্ভে এসেছিলেন?
উত্তরঃ ঈসা (আঃ)।
374. প্রশ্নঃ কোন নবী নিজ জাতিকে ৯৫০ (সাড়ে নয়শত) বছর দাওয়াত দেন?
উত্তরঃ নূহ (আঃ)।
375. প্রশ্নঃ কোন নবীর মোজেযা চিরন্তন, যা কখনো বিলীন হবে না। উহা কি?
উত্তরঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। উহা হচ্ছে আল কুরআন।
376. প্রশ্নঃ কোন নবীকে আল্লাহ দীর্ঘকাল কঠিন অসুখ দিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন? কিন্তু তিনি ধৈর্য ধারণ করেছিলেন?
উত্তরঃ আইয়্যুব (আঃ)।
377. প্রশ্নঃ কোন নবী পশু-পাখী, বাতাসের সাথে কথা বলতেন?
উত্তরঃ সুলাইমান (আঃ)
378. প্রশ্নঃ পিতা-পুত্র উভয়েই নবী। কিন্তু উভয়কেই ইহুদীরা হত্যা করেছিল?
উত্তরঃ যাকারিয়া ও ইয়াহইয়া (আঃ)।
379. প্রশ্নঃ কোন নবীকে আল্লাহ আসমানী কিতাব যাবুর দিয়েছিলেন এবং লোহা তাঁর হাতে নরম হয়ে যেত?
উত্তরঃ দাউদ (আঃ)
380. প্রশ্নঃ “উলুল আযমে মিনার্‌ রুসুল” বা দৃঢ়পদ সম্পন্ন নবী কাদেরকে বলা হয়?
উত্তরঃ তাঁরা হচ্ছেন পাঁচ জন: নূহ, ইবরাহীম, মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিম ওয়া সাল্লাম)।
381.  প্রশ্নঃ কোন চারজন নবী সকলেই আরব বংশদ্ভূত?
উত্তরঃ হুদ, ছালেহ, শুআইব ও মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহিম ওয়া সাল্লাম)।
382. প্রশ্নঃ কোন দুজন সহোদর ভাই দুজনই নবী?
উত্তরঃ ইসমাঈল ও ইসহাক এবং মূসা ও হারূন (আঃ)
383. প্রশ্নঃ কোন নবীকে মাছে গিলে ফেলেছিল? দুআ করার পর আল্লাহ তাকে মুক্তি দিয়েছেন?
উত্তরঃ ইউনুস (আঃ)
384. প্রশ্নঃ কোন দুজন নবীর স্ত্রীরা কাফের ছিল?
উত্তরঃ নূহ ও লূত (আঃ)
385. প্রশ্নঃ কোন নবীকে আল্লাহ আদ জাতির নিকট প্রেরণ করেছিলেন?

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান


 পবিত্রতা ও সালাত


515.               প্রশ্নঃ নামায বিশুদ্ধ হওয়ার পূর্বশর্ত কি?
উত্তরঃ পবিত্রতা।
516.               প্রশ্নঃ ওযুর ফরয কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ওযুর ফরয ৬টি।
ক) সমস্ত মুখমন্ডল ধৌত করা।
খ) কুনুই পর্যন্ত দুহাত ধৌত করা।
গ) সম্পূর্ণ মাথা মাসেহ করা।
ঘ) টাখনুসহ দুপা ধৌত করা।
ঙ) তারতীব (ধারাবাহিকতা) রক্ষা করা।
ছ) পরষ্পর করা। (এক অঙ্গ না শুকাতে অন্য অঙ্গ ধৌত করা)
517.    প্রশ্নঃ ওযুর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কি তিনবার করে ধৌত করা ওয়াজিব?
উত্তরঃ না, বরং সুন্নাত।
518.               প্রশ্নঃ ওযুর শুরুতে কি বলতে হয়?
উত্তরঃ বিসমিল্লাহ।
519.প্রশ্নঃ রাসূল (সাল্লাল্ল­াহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “ক্বিয়ামত দিবসে আমার উম্মতের পরিচয় হচ্ছে, তাদের কপাল ও পদযুগল শুভ্র আলোকময় হবে।” কি কারণে তা হবে?
উত্তরঃ ওযুর কারণে
520.    প্রশ্নঃ কোন সময় দুহাত কব্জি পর্যন্ত ধৌত করা ওয়াজিব?
উত্তরঃ নিদ্রা থেকে উঠে পানির পাত্রে হাত প্রবেশ করানোর আগে।
521.প্রশ্নঃ টয়লেটে প্রবেশ ও সেখান থেকে বের হওয়ার আদব কি?
উত্তরঃ প্রথমে বাম পা তারপর ডান দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। বের হওয়ার সময় প্রথমে ডান পা তারপর বাম দিয়ে বের হবে।
522.    প্রশ্নঃ ওযু নামায বা যে কোন ইবাদতের শুরুতে নাওয়াইতু.. বলে মুখে নিয়ত উচ্চারণ করার হুকুম কি?
উত্তরঃ নাজায়েয- বিদআত। (হাদীছে এর কোন প্রমাণ নেই)
     523. প্রশ্নঃ কোনো পাত্রে কুকুরে মুখ দিলে কি করতে হবে?
উত্তরঃ পাত্রের বস্তু ফেলে দিয়ে উহা সাতবার ধৌত করতে হবে একবার মাটি দিয়ে।
524.    প্রশ্নঃ পেশাব-পায়খান করার সময় কিবলার দিকে মুখ করে বসার বিধান কি?
উত্তরঃ ফাঁকা মাঠে পেশাব-পায়খানা করলে কিবলা সামনে বা পিছনে রাখা জায়েয নয়।
525.    প্রশ্নঃ কোন দুটি কাজে মানুষের লানত পেতে হয়?
উত্তরঃ রাস্তা এবং ছায়াদ্বার বা ফলদ্বার বৃক্ষের নীচে পেশাব-পায়খানা করলে।
526.    প্রশ্নঃ পেশাব করার পর কুলুখ ধরে চল্লিশ কদম হাঁটার বিধান কি?
উত্তরঃ বিদআত। (হাদীছে এর কোন প্রমাণ নেই)
527.    প্রশ্নঃ পবিত্রতার জন্য পানি ব্যবহার করার পূর্বে কি অবশ্যই কলুখ ব্যবহার করতে হবে?
উত্তরঃ আবশ্যক নয়। এটা বাড়াবাড়ি।
528.    প্রশ্নঃ যদি সন্দেহ হয় যে পেশাব শেষ করার পরও যেন কিছু বের হচ্ছে। তখন কি করতে হবে?
উত্তরঃ সন্দেহের দিকে ভ্রুক্ষেপ করবে না। ওযু শেষ করে লজ্জাস্থানের সামনে পানির ছিটা দিবে।
529.    প্রশ্নঃ কোন্‌ কোন্‌ বস্তু দ্বারা কলুখ নেয়া জায়েয নয়?
উত্তরঃ হাড়, গোবর, খাদ্য জাতীয় এবং প্রত্যেক সম্মানিত বস্তু।
530.   প্রশ্নঃ ওযুতে তারতীব রক্ষা করার অর্থ কি?
উত্তরঃ এর অর্থ হচ্ছে, ধারাবাহিকতা রক্ষা করা অর্থাৎ- ওযুর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেটা আগে ধোয়ার নিয়ম সেটার আগে অন্যটা না ধোয়া।
531.    প্রশ্নঃ পরস্পর ওযু করার অর্থ কি?
উত্তরঃ এক অঙ্গ ধোয়ার পর পরবর্তী অঙ্গ ধৌত করতে এতটুকু দেরী না করা যাতে আগের অঙ্গ শুকিয়ে যায়।
532.    প্রশ্নঃ ওযুতে ঘাড় মাসেহ করার বিধান কি?
উত্তরঃ বিদআত, কেননা এক্ষেত্রে কোন সহীহ হাদীছ নেই।
533.   প্রশ্নঃ কোন্‌ কোন্‌ কাজের জন্য ওযু আবশ্যক?
উত্তরঃ নামায, কাবা ঘরের তওয়াফ ও কুরআন স্পর্শ করার জন্য।
534.               প্রশ্নঃ মেসওয়াক ব্যবহার করার হুকুম কি?
উত্তরঃ সুন্নাত।
535.   প্রশ্নঃ মেসওয়াক ব্যবহার করার উপকারিতা কি?
উত্তরঃ মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং এতে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন।
536.               প্রশ্নঃ বিশেষভাবে কখন মেসওয়াক করা সুন্নাত?
উত্তরঃ ওযুর পূর্বে, নামাযের পূর্বে, কুরআন পাঠের পূর্বে, নিদ্রা থেকে উঠার পর।
537.   প্রশ্নঃ রোযাদার কি মেসওয়াক করতে পারে?
উত্তরঃ রোযাদারের মেসওয়াক করা সুন্নাত।
538.              প্রশ্নঃ নাক থেকে রক্ত বের হলে কি ওযু নষ্ট হবে?
উত্তরঃ না, ওযু নষ্ট হবে না।
539.    প্রশ্নঃ শরীরের কোন স্থান কেটে অল্প/বেশী রক্ত বের হলে ওযু থাকবে কি?
উত্তরঃ হ্যাঁ, এতে ওযু নষ্ট হয় না। কোন কোন ইমামের মতে অধিক রক্ত বের হলে ওযু নষ্ট হয়ে যায়।
540.               প্রশ্নঃ ওযু ভঙ্গের কারণ কি?
উত্তরঃ পেশাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে কোন কিছু বের হওয়া, নিদ্রা প্রভৃতির মাধ্যমে অজ্ঞান হওয়া, কোন আড়াল ছাড়া লজ্জাস্থান স্পর্শ করা, উটের মাংশ খাওয়া।
541.প্রশ্নঃ কি খেলে ওযু নষ্ট হয়?
উত্তরঃ উটের মাংশ খেলে ওযু নষ্ট হয়।
542.    প্রশ্নঃ বসে বসে নিদ্রা গেলে কি ওযু নষ্ট হয়?
উত্তরঃ না, বসে বসে কোন কিছুতে হেলান না দিয়ে নিদ্রা গেলে ওযু নষ্ট হয় না।
543.    প্রশ্নঃ ওযুর প্রারম্ভে দুহাত কব্জি পর্যন্ত ধৌত করা ওয়াজিব না সুন্নাত?
উত্তরঃ সুন্নাত।

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান


 বিষয়: যাকাত
৬৪৯. প্রশ্নঃ কত হিজরীতে যাকাত ফরয হয়? ২য়  ৩য়  ১ম  হিজরীতে?
উত্তরঃ ২য় হিজরীতে।
৬৫০. প্রশ্নঃ যাকাত ইসলামের কয় নম্বর স্তম্ভ?
উত্তরঃ ৩য়।
৬৫১. প্রশ্নঃ কোন ধরণের পশুতে যাকাত দিতে হয়?
উত্তরঃ যা বছরের অধিকাংশ সময় মাঠে চরে খায়।
৬৫২. প্রশ্নঃ গরু সর্বনিম্ন কতটি হলে যাকাত ফরয হবে?
উত্তরঃ ৩০টি হলে পূর্ণ ১ বছরের ১টি গরু দিতে হবে।
৬৫৩. প্রশ্নঃ ছাগল সর্বনিম্ন কতটি হলে যাকাত ফরয হবে?
উত্তরঃ ৪০টি হলে ১টি ছাগল যাকাত দিতে হবে।
৬৫৪. প্রশ্নঃ উট সর্বনিম্ন কতটি হলে যাকাত ফরয হবে?
উত্তরঃ ৫টি থাকলে একটি ছাগল যাকাত হিসেবে দিবে।

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান


বিষয়:সিয়াম

674 .প্রশ্নঃ কত হিজরীতে সিয়াম ফরয হয়?
উত্তরঃ ২য় হিজরীতে।
675 .প্রশ্নঃ সিয়াম ফরয হওয়ার কথা কুরআনের কোন সূরার কত নং আয়াতে উল্লেখ হয়েছে?
উত্তরঃ সূরা বাক্বারা ১৮৩ নং আয়াত।
676 .প্রশ্নঃ সিয়াম ইসলামের কত নম্বর স্তম্ভ?
উত্তরঃ চতুর্থ।
677 .প্রশ্নঃ কোন আমলের বিনিময়ে মানুষকে রাইয়্যান নামক দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে?
উত্তরঃ সিয়াম।
678.প্রশ্নঃ রোযদারকে একটি বিশেষ দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে। দরজাটির নাম কি?
উত্তরঃ রাইয়্যান।
679 .প্রশ্নঃ বছরের কোন মাসে শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা হয়?
উত্তরঃ রামাযান মাসে।
680 .প্রশ্নঃ বছরের কোন মাসে জান্নাতের দরজা খোলা রাখা হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ রাখা হয়?
উত্তরঃ রামাযান মাসে।
681 .প্রশ্নঃ ফরয সিয়ামের জন্য কখন নিয়ত করতে হয়?
উত্তরঃ ফজরের পূর্বে।
682 .প্রশ্নঃ সিয়াম পালকারীর কখন সাহুর খাওয়া মুস্তাহাব?
উত্তরঃ শেষ রাতে।
683.প্রশ্নঃ কোন বস্তু দিয়ে ইফতার করা সুন্নাত।
উত্তরঃ টাটকা খেজুর না পেলে যে কোন খেজুর, তা না পেলে পানি দ্বারা।
684.প্রশ্নঃ রোযাদারের মেসওয়াক করার হুকুম কী?
উত্তরঃ সুন্নাত।

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান 
বিষয়: হজ্জ 


708.   প্রশ্নঃ হাজ্জ ইসলামের কয় নম্বর রুকন?
উত্তরঃ ৫ নম্বর।
709.    প্রশ্নঃ পবিত্র কুরআনের কোন্‌ সূরার কত নং আয়াতে হাজ্জ ফরযের কথা উল্লেখ হয়েছে?
উত্তরঃ সূরা আলে ইমরান ৯৭ নং আয়াত।
710.    প্রশ্নঃ কত হিজরী সনে হাজ্জ ফরয হয়?
উত্তরঃ ৯ম অথবা ১০ হিজরী।
711. প্রশ্নঃ হাজ্জ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ হাজ্জ তিন প্রকারঃ তামাত্তু, ক্বিরাণ ও ইফরাদ।
712.প্রশ্নঃ কোন হাজ্জে কুরবানী আবশ্যক নয়?
উত্তরঃ ইফরাদ হাজ্জে।
713.    প্রশ্নঃ তামাত্তু হজ্জ কাকে বলে?
উত্তরঃ প্রথমে ওমরা তারপর হাজ্জ- আলাদা আলাদা ইহরামে করাকে তামাত্তু হাজ্জ বলে।
714.প্রশ্নঃ ক্বিরাণ হাজ্জ কাকে বলে?
উত্তরঃ একই ইহরামে হাজ্জ ও ওমরা করাকে।
715.    প্রশ্নঃ ইফরাদ হাজ্জ কাকে বলে?
উত্তরঃ ওমরা না করে শুধু হাজ্জ করাকে।
716.প্রশ্নঃ ইহরামের উদ্দেশ্যে গোসল করার হুকুম কি?
উত্তরঃ সুন্নাত।
717.    প্রশ্নঃ শুধুমাত্র ইহরামের নিয়তে দুরাকাত নামায আদায় করার হুকুম কি?
উত্তরঃ বিদআত।
718.    প্রশ্নঃ ইহরাম অবস্থায় ইজতেবা কাকে বলে?
উত্তরঃ ইহরামের কাপড়কে ডান বগলের নীচ দিয়ে নিয়ে বাম কাঁধের উপর রাখা এবং ডান কাঁধ খোলা রাখা।
719.প্রশ্নঃ হাজ্জ-ওমরার জন্য ইহরাম বাঁধার বিধান কী?
উত্তরঃ রুকন।
720.    প্রশ্নঃ মীক্বাত বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ হাজ্জ-ওমরার উদ্দেশ্যে যে স্থান থেকে ইহরাম বাঁধতে হয় তাকে মীক্বাত বলে।
721.প্রশ্নঃ ইহরামের কাপড় দুটি সাদা হওয়ার বিধান কি?
উত্তরঃ সুন্নাত।

দুআ ও যিকির

দুআ  যিকির
৭৫৪.    প্রশ্নঃ নিদ্রা যাওয়ার সময় কোন দুআ পাঠ করতে হবে?
উত্তরঃ بِاسْمِكَ اللهُمَّ أَمُوتُ وَأَحْيَا উচ্চারণঃ বিসমিকা আল্লাহুম্মা আমূতু ওয়া আহইয়া। অর্থঃ হে আল্লাহ! তোমার নামে মৃত্যু বরণ করছি, তোমার নামেই জীবিত হব।
৭৫৫.প্রশ্নঃ নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে কোন দুআ পাঠ করতে হবে?
উত্তরঃ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ উচ্চারণঃ আল হামদু লিল্লাহিল্লাযী আহইয়ানা বাদা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন্নুশূর। অর্থঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি আমাদেরকে মৃত্যুর পর জীবিত করেছেন। আর তার কাছেই আমাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
৭৫৬.    প্রশ্নঃ আযানের শেষে পঠিতব্য দুআটি কি?
উত্তরঃ
اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহিদ্‌ দওয়াতিত্‌ তাম্মাহ ওয়াস্‌ সালাওয়াতিল কায়িমাহ আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতি ওয়াল ফযীলাহ ওয়াবআছহু মাকামাম্মাহমূদানিল্লাজি ওয়াআদতাহ।
হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহবান এবং এই প্রতিতি নামাযের তুমিই প্রভূ। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে দান কর সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান এবং সুমহান মর্যাদা। তাঁকে প্রতিষ্ঠিত কর প্রশংসিত স্থানে যার অঙ্গিকার তুমি তাঁকে দিয়েছো।
৭৫৭.    প্রশ্নঃ ওযুর শুরুতে কি পাঠ করতে হবে?
DËitبسم الله  বিসমিল্লাহ। এছাড়া অন্য কোন দুআ পড়া বিদআত।
৭৫৮.প্রশ্নঃ ওযুর শেষে কোন দুআ পাঠ করলে বেহেস্তের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হবে?
উত্তরঃ
أشْهَدُ أنْ لإَاِلَهَ إلاَّاللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أنَّ مُحَمَّدًاعَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ
উচ্চারণঃআশহাদুআল্লা-ইলাহাইল্লাল্লাহুওয়াহদাহুলাশারীকালাহুওয়াআশহাদুআন্নামুহাম্মাদানআবদুহুওয়ারাসূলুহু।
৭৫৯.    প্রশ্নঃ মসজিদে প্রবেশের দুআ কি?
উত্তরঃ اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَউচ্চারণঃ আল্লাহুম্মাফতাহলী আবওয়াবা রাহমাতিকা। হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাসমূহ উম্মুক্ত করে দাও।
৭৬০.প্রশ্নঃ মসজিদ থেকে বের হওয়ার দুআ কি?
উত্তরঃ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَআল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাযলিকা। হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার অনুগ্রহ প্রর্থনা করছি।

ফরযের সুন্নাত

কোন কোন বিদ্বান বলেন, ফরয নামাযের সাথে সংশ্লিষ্ট সুন্নাত সমূহের সময় হচ্ছে ফরয নামাযের সময় হওয়ার পর। ফরযের সময় শেষ হলে সুন্নাতের সময়ও শেষ। আবার কেউ বলেন, পূর্বের সুন্নাতগুলো ফরয শেষ হলেই শেষ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে সঠিক কথা কি?

উত্তরঃ সঠিককথা হচ্ছেফরযের পূর্বের সুন্নাত নামাযের সময় হল ফরয নামাযের ওয়াক্তহওয়ার পর থেকে নিয়ে ঐ নামায শেষ হওয়া পর্যন্ত। যেমনযোহরের ফরযের পূর্বেরসুন্নাতের সময় শুরু হবে সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলার পর যোহরের আযান হলে। আর শেষহবে যোহর নামায শেষ হলে। আর ফরযের পরের সুন্নাতের সময় হচ্ছেফরয নামাযশেষ হওয়ার পর থেকে নামাযের নির্দিষ্ট সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত

কিন্তুঅনিচ্ছাকৃতভাবে কারো যদি পূর্বের সুন্নাত ছুটে যায়তবে ফরয নামায আদায়েরপর তা কাযা আদায় করতে পারে। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে বিনা ওযরে হলে পরে কাযা আদায়করাতে কোন ফায়দা নেই। কেননা বিশুদ্ধ কথা হচ্ছেসময়ের সাথে সংশ্লিষ্ট ইবাদতসমূহ যদি বিনা ওযরে তার সময় পার করে দেয়তবে পরে আদায় করলে তা বিশুদ্ধওহবে না এবং কবূলও হবে না

Sunday, 20 July 2014

লাইলাতুল কদরের দো‘আ


আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, হে আল্লাহর নবী ! যদি আমি লাইলাতুল কদর পেয়ে যাই তবে কি বলব ? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, বলবেঃ
«اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّى»
‘‘হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমাকে ভালবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।’’ [সুনান আত-তিরমিযী : ৩৫১৩]

মলত্যাগ বা পেশাবের সময় কিবলাকে সামনে বা পেছনে রেখে না বসা

সহিহ আত্ তিরমিজি :: কিবলামুখী হয়ে পায়খানায় বা পেশাবে বসা নিষেধ অনূচ্ছেদ
অধ্যায় ১ :: হাদিস ৮
আবু আইউব আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্(সাঃ) বলেছেনঃ তোমরা যখন মলত্যাগ করতে যাও, তখন
মলত্যাগ বা পেশাবের সময় কিবলাকে সামনে বা পেছনে রেখে বসো না, বরং পূর্ব অথবা পশ্চিম দিকে ফিরে বস। আবু আইউব (রাঃ) বলেন, আমরা সিরিয়াতে এসে দেখতে পেলাম এখানকার পায়খানাগুলো কিবলার দিকে করে স্থাপিত। অতএব, আমরা কিবলার দিক হতে ঘুরে যেতাম এবং আল্লাহ্তাআলার কাছে ক্ষমা চাইতাম।-সহীহ্। ইবনু মাজাহ (৩১৮), বুখারী ও মুসলিম।
আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ্ইবনু হারিস, মাকিল ইবনু আবুল হাইসাম, আবু উমামা, আবু হুরাইরাহ্ও সাহ্ল ইবনু হুনাইফ (রাঃ)-এর হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, এ অনুচ্ছেদে আবু আইয়ূবের হাদীসটি বেশি সহীহ্এবং সর্বোত্তম। আবু আইয়ূবের নাম খালিদ ইবনু যাইদ এবং যুহ্রীর নাম মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু উবাইদুল্লাহ্ ইবনু শিহাব আয-যুহ্রী। তাঁর উপনাম আবু বাক্র। আবুল ওলীদ আল-মক্কী বলেন, আবু আবদুল্লাহ্মুহাম্মাদ ইবনু ইদরীস শাফিঈ বলেছেন, নাবী (সাঃ)-এর বাণীঃ মলত্যাগ বা পেশাবের সময় ক্বিবলাকে সামনে বা পেছনে রেখে বসবে না- এ নিষেধাজ্ঞা খোলা ময়দানের জন্য। কিন্তু ঘরের মধ্যে মলত্যাগের সময় ক্বিবলাকে সামনে রেখে বসার অনুমতি রয়েছে। ইসহাক ইবনু ইবরাহীমও একই রকম মত দিয়েছেন। আহমাদ ইবনু হাম্বল বলেছেন, ক্বিবলাকে পেছনে রেখে মলত্যাগে-পেশাবে বসার ব্যাপারে নাবী (সাঃ)-এর অনুমতি রয়েছে, কিন্তু ক্বিবলাকে সামনে করে বসা যাবে না। তাঁর মতে, খোলা জায়গায় অথবা ঘেরা জায়গায় ক্বিবলাকে সামনে রেখে বসা ঠিক নয়।

Jami at-Tirmidhi ::  Regarding The Prohibition Of Facing The Qiblah When Defecating And Urinating
Part 1 :: Hadith 8
Abu Ayyub Al-Ansari narrated that :
Allah's Messenger said: "When one of you arrives to defecate, then let none of you face the Qiblah while defecating, nor while urinating. And do not have your back towards it, but have it east of you or west of you." (Sahih)

পায়খানায়প্রবেশের কালে বলতে হয়

সহিহ আত্ তিরমিজি :: পবিত্রতা নামাযের চাবি অনূচ্ছেদ

অধ্যায় ১ :: হাদিস ৫
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন নাবী (সাঃ) যখন মলত্যাগ করতে যেতেন তখন বলতেনঃ হে আল্লাহ্! আমি তোমার কাছে জঘন্য (পুরুষ ও স্ত্রী) জ্বিনের (ক্ষতি) থেকে আশ্রয় চাই। শুবা বলেন, তিনি কখনো আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা-এর স্থলে আউযু বিল্লাহ্ (আমি আল্লাহ্র কাছে আশ্রয় চাই) বলতেন।-সহীহ্। ইবনু মাজাহ- (২৯৮), বুখারী ও মুসলিম।
কুবায়বা ও হান্নাদ (র)......... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল পায়খানায়প্রবেশের কালে বলতেনঃ
اللهم إني اعوذبك من الخبث والخبيث  
হে আল্লাহ! শয়তান,জ্বিন ওসকল কষ্টদায়ক প্রাণী থেকেতোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি।
الخبث والبيث  এর স্থলে الخبث والخبا ئث  ও বর্ণিত আছে।
এই হাদীছটির অন্যমত রাবী শু‘বা বলেন, তাঁর উস্থাদ আবদুল আযীয ইবন সুহাইব اعوذبك  এর স্থলে এক সময় اعوذ بالله  ও রিওয়ায়াত করেছেন।
قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَاب عَنْ عَلِيٍّ وَزَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ وَجَابِرٍ وَابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَنَسٍ أَصَحُّ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ وَأَحْسَنُ
এই বিষয়ে আলী, যায়দ ইবন আরকারম, জাবির এবং ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীছ বর্ণিত আছে।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিডী (র) বলেনঃ এই বিষয়ে আনাসরাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত এই হাদছিটি সর্বাপেক্ষা সকীহ ও হাসান।
وَحَدِيثُ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ فِي إِسْنَادِهِ اضْطِرَابٌ رَوَى هِشَامٌ الدَّسْتُوَائِيُّ وَسَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ قَتَادَةَ فَقَالَ سَعِيدٌ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ عَوْفٍ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ و قَالَ هِشَامٌ الدَّسْتُوَائِيُّ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ وَرَوَاهُ شُعْبَةُ وَمَعْمَرٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ فَقَالَ شُعْبَةُ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ وَقَالَ مَعْمَرٌ عَنْ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَبُو عِيسَى سَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا فَقَالَ يُحْتَمَلُ أَنْ يَكُونَ قَتَادَةُ رَوَى عَنْهُمَا جَمِيعًا

যায়াদ ইবন আরকাম বর্ণিত হাদীছটির সনদে ইযতিরাব বিদ্যামন। হাদীছটি হিশাম আদ-দাসতায়াঈ ওসাঈদ ইবন আবী আরূবা কাতাদা থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। সাঈদ তাঁর সদদে কাসিম ইবন আওফ আশ শায়বানীর মাধ্যমে যায়দ ইবনআরকাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন আর হিশাম উল্লেখ করেন যে, তিনি কাতাদর মাধ্যমে যায়দ ইবন আরকাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি কাসিমের উল্লেখ করেন নি। শু‘বা ও মা‘মারও কাতাদার সূত্রে এই হাদছিটি নাযর ইবন  আনাস  থোকে রিওয়ায়াত করেছেন।শুরা তাঁর রিওয়ায়াতে যায়দ ইবন আরকাম সূত্রের উল্লেখ করেছেন। আর মা‘মার নাযর ইবন আনাসতাঁর পিতা আনাস থেকেহাদীছটি বর্ণিত বলে উল্লেখ করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমযযী রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেন মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারীকে আমি এই আযিতিরাব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেনঃ যায়দ ইবন আরকাম ও নাযর ইবন আনাস উভয় থেকেউ কাতাদার রিওয়ায়াতের সম্ভাবনা রয়েছে।

Jami at-Tirmidhi :: What Is Said When entering The Toilet
Part 1 :: Hadith 5
Anas bin Malik said:
"When the Prophet entered the toilet he would say: 'O Allah Indeed I seek refuge in You.'" Shu'bah (one of the narrators) said: "Another time he said: 'I seek refuge in You from AI-Khubthi and al-Khablth.' Or: 'Al-Khubthi and Al-Khaba'ith.'" (Sahih)


লাইলাতুল ক্বদরের রাতটি চেনার কিছু আলামত

লাইলাতুল ক্বদরের রাতটি চেনার কিছু আলামত সহিহ হাদিসে পাওয়া যায়। তা নিন্মরুপঃ-
১. রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না। 
২. নাতিশীতোষ্ণ হবে। অর্থাৎ গরম বা শীতের তীব্রতা থাকবে না। 
৩. মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হতে থাকবে। 
৪. সে রাতে ইবাদত করে মানুষ অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে।
৫. কোন ঈমানদার ব্যক্তিকে আল্লাহ স্বপ্নে হয়তো তা জানিয়েও দিতে পারেন।
৬. ঐ রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
৭. সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যোদয় হবে। যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মত।
[সহীহ ইবনু খুযাইমাহঃ ২১৯০, সহীহ বুখারীঃ ২০২১, সহীহ মুসলিমঃ ৭৬২]

ই‘তিকাফ তাৎপর্য, উদ্দেশ্য ও বিধান

ই‘তিকাফের সংজ্ঞা

বিশেষ নিয়তে বিশেষ অবস্থায় আল্লাহ তাআলার আনুগত্যের উদ্দেশ্যে মসজিদে অবস্থান করাকে ই‘তিকাফ বলে।
ই‘তিকাফের ফজিলত
ই‘তিকাফ একটি মহান ইবাদত, মদিনায় অবস্থানকালীন সময়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি বছরই ই‘তিকাফ পালন করেছেন। দাওয়াত, তরবিয়ত, শিক্ষা ও জিহাদে ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও রমজানে তিনি ই‘তিকাফ ছাড়েননি। ই‘তিকাফ ঈমানি তরবিয়তের একটি পাঠশালা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হিদায়েতি আলোর একটি প্রতীক। ই‘তিকাফরত অবস্থায় বান্দা নিজেকে আল্লাহর ইবাদতের জন্য দুনিয়ার অন্যান্য সকল বিষয় থেকে আলাদা করে নেয়। ঐকান্তিকভাবে মশগুল হয়ে পড়ে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের নিরন্তর সাধনায়। ই‘তিকাফ ঈমান বৃদ্ধির একটি মূখ্য সুযোগ। সকলের উচিত এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের ইমানি চেতনাকে প্রাণিত করে তোলা ও উন্নততর পর্যায়ে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করা।
আল-কুরআনুল কারিমে বিভিন্নভাবে ই‘তিকাফ সম্পর্কে বর্ণনা এসেছে, ইবরাহিম আলাইহিস সালাম ও ইসমাইল আলাইহিস সালাম এর কথা উল্লেখ করে এরশাদ হয়েছে:
﴿ وَعَهِدۡنَآ إِلَىٰٓ إِبۡرَٰهِ‍ۧمَ وَإِسۡمَٰعِيلَ أَن طَهِّرَا بَيۡتِيَ لِلطَّآئِفِينَ وَٱلۡعَٰكِفِينَ وَٱلرُّكَّعِ ٱلسُّجُودِ ١٢٥ ﴾ [البقرة: ١٢٥] ‘এবং আমি ইবরাহিম ও ইসমাইলকে আদেশ করলাম, তোমরা আমার গৃহকে তাওয়াফকারী, ইতেকাফকারী ও রুকু-সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র করো'। {সূরা বাকারা: ১২৫}
ই‘তিকাফ অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে কি আচরণ হবে তা বলতে গিয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন:
﴿ وَلَا تُبَٰشِرُوهُنَّ وَأَنتُمۡ عَٰكِفُونَ فِي ٱلۡمَسَٰجِدِۗ ﴾ [البقرة: ١٨٧] ‘আর তোমরা মসজিদে ই‘তিকাফকালে স্ত্রীদের সাথে মেলামেশা করো না'। {সূরা বাকারা: ১৮৭}
ইবরাহিম আলাইহিস সালাম তাঁর পিতা এবং জাতিকে লক্ষ্য করে মূর্তির ভর্ৎসনা করতে গিয়ে যা বলেছিলেন, আল্লাহ তাআলা তা উল্লেখ করে বলেন:
﴿ إِذۡ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوۡمِهِۦ مَا هَٰذِهِ ٱلتَّمَاثِيلُ ٱلَّتِيٓ أَنتُمۡ لَهَا عَٰكِفُونَ ٥٢ ﴾ [الانبياء: ٥٢]
‘যখন তিনি তাঁর পিতা ও তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন, ‘এই মূর্তিগুলো কি, যাদের পূজারি (ইতেকাফকারী হয়ে) তোমরা বসে আছ?' {সূরা আম্বিয়া: ৫২}

Download AsPDF

Print Friendly and PDFPrint Friendly and PDFPrint Friendly and PDF
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...